০৪:২১ পি.এম
পাপুয়া নিউগিনিতে ৩২ কেজি ওজনের একটি সন্দেহজনক কামানের গোলা উদ্ধার হওয়ার ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। যদিও চীনের তৈরি সামরিক গোলা হিসেবে এটি চিহ্নিত করা হয়েছে, চীন দাবি করেছে যে, এটি আসলে কামানের গোলার নকশায় তৈরি একটি মদের বোতল।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চীনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়, যেখানে বলা হয় যে, বস্তুটি কোনো বিপদের সৃষ্টি করবে না। তবে দূতাবাসের এই দাবির প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
গত শুক্রবার পাপুয়া নিউগিনির রাজধানী পোর্ট মোরসবির একটি নির্মাণস্থলে বাণিজ্যিক পণ্যবাহী কনটেইনারের ভেতর থেকে ৩২ কেজি ওজনের বস্তুটি উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশ চারজন চীনা নাগরিককে গ্রেফতার করেছে।
আরও পড়ুন: নির্বাচনে ভরাডুবি, ফক্স নিউজের ঘাড়ে দায় চাপালেন ট্রাম্প
দেশটির কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে বস্তুটি সচল বিস্ফোরক কিনা তা পরীক্ষা করছিল। এ সময় দেশটির পুলিশ কমিশনার ডেভিড ম্যানিং ঘটনাটিকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক আবিষ্কার’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (এবিসি) একটি প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে জানানো হয়, বস্তুটি চীনের তৈরি টাইপ-৫৯ মডেলের ১৩০ মিলিমিটার আর্টিলারি শেল। এতে রাসায়নিক বিস্ফোরক ও ফিউজ রয়েছে। তবে বিবিসি জানায়, তারা এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
পাপুয়া নিউগিনির পুলিশ এর আগে বস্তুটিকে নিছক নকল বা নিষ্ক্রিয় গোলা হিসেবে চিহ্নিত করার ধারণা নাকচ করেছিল। দেশটির সংবাদমাধ্যম পোস্ট কুরিয়ার এ তথ্য জানিয়েছে।
অন্যদিকে চীনা দূতাবাসের দাবি, চীন থেকে এ ধরনের অবৈধ সামরিক অস্ত্র পাপুয়া নিউগিনিতে পাচার করা প্রায় অসম্ভব। বিবৃতিতে বলা হয়, দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন ও বিধিবিধান রয়েছে।
আরও পড়ুন: নিউ মেক্সিকোর ডেব হাল্যান্ড প্রথম আদিবাসী নারী গভর্নর নির্বাচিত
তবে চীনের এই ব্যাখ্যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেছেন। একজন ব্যবহারকারী প্রশ্ন তুলেছেন, ৩২ কেজি ওজনের মদের বোতল কেমন হতে পারে? অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, বস্তুটিতে মদের বোতল হিসেবে শনাক্ত করার মতো কোনো লেবেলও ছিল না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন