শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে আপাতত কিছুটা সময় পাওয়া গেছে, তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন যে, বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা মেটাতে সেই সময় দ্রুত শেষ হয়ে আসছে। এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং একটি জাঁকজমকপূর্ণ শীর্ষ বৈঠক শেষ করেছেন। বৈঠক শেষে ট্রাম্প জানান, চলতি বছরে দুই নেতা আরও দুবার বৈঠক করার পরিকল্পনা করেছেন।
যদিও দুই নেতা বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা করেছেন, তবুও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, তাইওয়ান, প্রতিরক্ষা, বিরল খনিজ ও শিল্পনীতির মতো বিভিন্ন বিষয়ে তীব্র মতবিরোধ বিদ্যমান রয়েছে।
এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের ড্যানিয়েল রাসেল মন্তব্য করেছেন যে, দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো তীব্র মতবিরোধ চলছে।
দ্য এশিয়া গ্রুপের পরামর্শক ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিঙ্ক বলেছেন, দুই দেশের নেতাদের মধ্যে অন্তত বছরের শেষ পর্যন্ত সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়ে সন্দেহ নেই।
তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, দীর্ঘমেয়াদে এই যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে হলে আরও কিছু বাস্তব এবং দৃশ্যমান ফলাফল দেখতে হবে। ক্রিটেনব্রিঙ্কের মতে, আগের বৈঠকগুলোতে চীন যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার অনেকটাই যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তার মতে যথাযথভাবে পালন করেনি। এ কারণে মার্কিন প্রশাসনের মধ্যে চীনের কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর হতাশাও রয়েছে।
গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্রাম্প ও সি চিন পিংয়ের বৈঠকের পর দুই দেশ একটি বাণিজ্য যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পরস্পরের পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে শুল্ক আরোপ করেছিল। একপর্যায়ে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি শুল্কের হার ১০০ শতাংশেরও বেশি হয়ে যায়।
চুক্তির আওতায় চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পরিমাণে সয়াবিনসহ কৃষিপণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দেয়। একই সঙ্গে এক বছরের জন্য বিরল খনিজ উপাদান রপ্তানিতে বিধিনিষেধ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বেইজিং।
চুক্তিটির মেয়াদ মূলত নভেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে দুই দেশ চলতি সপ্তাহে এর মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার শুক্রবার সিএনবিসিকে বলেন, ওয়াশিংটন এই ধরনের মেয়াদ বাড়ানোর সময়কে মূলত ‘কমপ্লায়েন্স পিরিয়ড’ বা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের সময় হিসেবে দেখছে।
ক্রিটেনব্রিঙ্ক বলেন, মার্কিন কর্মকর্তাদের দৃষ্টিতে চীন চুক্তিটি টিকিয়ে রাখার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, মোটামুটি ততটুকুই করছে এর বেশি নয়। তার ভাষায়, দীর্ঘমেয়াদে এ ধরনের পরিস্থিতি টেকসই নয়।
পিটারসন ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিকসের মেরি লাভলি বলেন, স্বল্প সময়ের জন্য চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের সিদ্ধান্ত।
তিনি উল্লেখ করেন, চীন আরও দীর্ঘ সময়ের জন্য চুক্তি নবায়ন করতে চেয়েছিল। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বড় একটি কারণ হলো বিরল খনিজ বা মাটির উপাদান দিয়ে তৈরি চুম্বকের সরবরাহ। তাই ওয়াশিংটন পরিস্থিতিকে খুব বেশি সময়ের জন্য চীনের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছে না। লাভলি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ শুল্ক আরোপের হুমকি এখন চীনের ওপর আগের মতো কতটা প্রভাব ফেলছে, সেটিও স্পষ্ট নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ঝরঝরি ঝর্ণায় ঘুরতে গিয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পথ হারিয়ে ফেলেন দুই পর্যটক। সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশ তাদেরকে পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে জীবিত উদ্ধার করে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে উপজেলার পন্থীছিলা এলাকার ঝরঝরি ঝর্ণার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত দুই পর্যটক হলেন চট্টগ্রাম শহরের ফ্রীপোর্ট এলাকার বাসিন্দা শ্রাবণ দেব (১৯) এবং মো. সিয়াম (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুর ৩টার দিকে তারা চট্টগ্রাম শহর থেকে সীতাকুণ্ডের ঝরঝরি ঝর্ণা দেখতে যান। ঝর্ণা দেখে ফেরার সময় পাহাড়ি এলাকায় পথ ভুলে তারা গহিন জঙ্গলে ঢুকে পড়েন। তারা এত গভীরে চলে যান যে, মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্ক না থাকায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এক সময় হাঁটতে হাঁটতে মোবাইল ফোনে নেটওয়ার্ক ফিরে এলে তারা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে সীতাকুণ্ড মডেল থানার পুলিশ তাদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। প্রায় ছয় ঘণ্টার অভিযানের পর শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে দুই পর্যটককে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনূল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুই পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়ার পর পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করে দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে সুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সহায়তা শেষে তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জায়ান্ট মেটার শেয়ারের মূল্য চলতি সপ্তাহে ২০২৫ সালের গ্রীষ্মের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ফিরে এসেছে। কোম্পানির নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সহকারী বা এজেন্ট ‘মিউজ’ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক আগ্রহের ফলস্বরূপ শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।
মিউজের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বাইরেও নতুন আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার মেটার শেয়ারের দাম ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর আগে সোমবার শেয়ারের দাম এক লাফে ১১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়, যা ২০২৫ সালের এপ্রিলের পর এক দিনে সবচেয়ে বড় উত্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
বর্তমানে মেটার শেয়ারের মূল্য প্রায় ৭৭৮ ডলার। মার্চের শেষ দিকে শেয়ারের দাম প্রায় ৫২৫ ডলারে নেমে গিয়েছিল। তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মেটার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর প্রভাব নিয়ে দুটি আদালতের রায়ের পর ওই দরপতন ঘটেছিল।
জুলাইয়ের শেষ দিকেও মেটার শেয়ারে আবার পতন ঘটে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় ব্যাপক ব্যয়ের কারণে কোম্পানির আয়-ব্যয়ের হিসাব চাপের মধ্যে পড়ে। চলতি বছরে এআই খাতে মেটার ব্যয় ১৪৫ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
মেটার আয়ের প্রায় পুরোটাই বিজ্ঞাপননির্ভর। ফলে এআই খাতে এত বিপুল বিনিয়োগ করে কোম্পানিটি শেষ পর্যন্ত কতটা আর্থিক সুবিধা পাবে, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বিদ্যমান।
এরপর গত ৮ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর কানাডায় মিউজ চালু করা হয়। বর্তমানে এই দুই দেশে এটি ব্যবহার করা যাচ্ছে।
মিউজ একটি বহুমুখী এআই সহকারী বা ‘এজেন্ট’, যা ব্যবহারকারীর হয়ে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। যেমন—ভ্রমণের বুকিং দেওয়া, ই-মেইল পাঠানো কিংবা অনলাইনে কেনাকাটা করা।
শুধু ১৮ বছরের বেশি বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য মিউজ উন্মুক্ত। এটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা গেলেও ব্যবহারের সীমা রয়েছে। বেশি ব্যবহারের জন্য মাসে ২০ ডলার বা ১০০ ডলারের দুটি ঐচ্ছিক সাবস্ক্রিপশন সুবিধা রয়েছে।
অ্যাপ বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাপটোপিয়া জানিয়েছে, চালুর দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে উত্তর আমেরিকায় আইফোনে মিউজ ১৮ লাখ বার ডাউনলোড হয়েছে। তুলনায়, ওপেনএআইয়ের চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি ২০২৩ সালের মে মাসে অ্যাপ হিসেবে চালুর পর একই সময়ে ১৩ লাখ বার ডাউনলোড হয়েছিল।
বুধবার মেটার বার্ষিক ‘কানেক্ট’ সম্মেলনে কোম্পানিটি জানায়, শিগগিরই মিউজ তাদের স্মার্ট চশমাতেও ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে ওয়ালমার্টের মতো খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের কথাও জানিয়েছে মেটা। এর ফলে মিউজের মাধ্যমে হওয়া কেনাকাটা থেকে কমিশন আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
তবে অনলাইন বাণিজ্য জায়ান্ট অ্যামাজন রোববার মিউজকে তাদের ওয়েবসাইট ব্যবহারে বাধা দেয়। অ্যামাজনের অভিযোগ, মেটার এআই এজেন্ট ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় নিজেকে এআই এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দেয়নি এবং গ্রাহকদের লগইন তথ্য সংরক্ষণ করেছে। মেটা অবশ্য বলেছে, মিউজ ব্যবহারকারীদের পাসওয়ার্ড বা পেমেন্টের তথ্য দেখতে পায় না।
বৃহস্পতিবার বিনিয়োগ ব্যাংক জেপিমরগ্যান মেটার শেয়ারের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৯২০ ডলার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, মিউজ ‘চ্যাটজিপিটির পর ভোক্তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এআই অ্যাপ্লিকেশন’ হয়ে উঠতে পারে।
তবে অন্য কয়েকজন বিশ্লেষক এখনো এ বিষয়ে সংশয়ী। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওপেনহাইমারের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক অন্য অ্যাপের পাসওয়ার্ড মেটার কাছে সংরক্ষণ করতে আস্থা রাখেন। অথচ এ ধরনের এআই সহকারী বা এজেন্টকে ব্যবহারকারীর হয়ে কাজ করতে এসব তথ্যের প্রয়োজন হতে পারে। একই জরিপে গুগলের ক্ষেত্রে এই আস্থার হার ছিল ৩০ শতাংশ।
মিউজের সম্ভাব্য প্রসারের ক্ষেত্রে মেটার বিশাল ব্যবহারকারীভিত্তি একটি বড় সুবিধা হতে পারে। কোম্পানির দাবি, তাদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন ৩৬০ কোটির বেশি মানুষ সক্রিয় থাকেন।
২০২৩ সালে মেটা থ্রেডস চালু করে। ইলন মাস্ক টুইটার কেনার কয়েক মাস পর এক্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে থ্রেডস চালু করা হয়।
মাত্র পাঁচ দিনে থ্রেডসে ১০ কোটি সাইনআপ হলেও পরে এর প্রবৃদ্ধির গতি কমে যায়। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম টেকক্রাঞ্চের হিসাবে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে থ্রেডসের দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ছিল প্রায় ১৪ কোটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার আরও একটি সুখবর প্রদান করেছে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য, নবম জাতীয় বেতনকাঠামোর (পে স্কেল) প্রজ্ঞাপনের পর। সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) জমার বিপরীতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য তহবিলের স্থিতির ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ মুনাফা লাভ করবেন। এ বিষয়ে সোমবার অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থবছরের শুরুতে যদি জিপিএফের স্থিতি ১৫ লাখ টাকার মধ্যে থাকে, তবে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে মুনাফা দেওয়া হবে ১২ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার ১১ শতাংশ হবে।
অর্থবছরে জমা হওয়া চাঁদার ওপরও একই হারে মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
এদিকে, সিপিএফভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনগুলো নিজেদের আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে সরকারের নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করে কর্মচারীদের মুনাফা দিতে পারবে।
এর আগে গত ১ জুলাই থেকে নতুন জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করার জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এতে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মীদের জন্য ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীদের জন্য ৫০ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, আগামী জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডে ৭০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৭৫ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সীমান্ত অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ হওয়া মোবাইল ফোনের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচটি। এসব মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি ৮০ হাজার টাকা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায় সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)। বেলা ১২টায় ২৫ বিজিবির প্রধান কার্যালয়ে অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাব্বাব আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
বিজিবি জানায়, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তের নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) সদস্যরা নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরাইল ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কামালমোড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সীমান্ত পিলার-২০০৮/১-এস থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন ডিসপ্লের একটি চালান আটক করা হয়।
বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কর্দমাক্ত অবস্থানের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা মালিকবিহীন ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোট ৫ হাজার ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি। চার কোটি ৮০ হাজার টাকার এসব চোরাচালান মালামাল আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজিবি আরও জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল আটক করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ