শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৫ পি.এম
সরকার আরও একটি সুখবর প্রদান করেছে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য, নবম জাতীয় বেতনকাঠামোর (পে স্কেল) প্রজ্ঞাপনের পর। সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) এবং প্রদেয় ভবিষ্য তহবিলের (সিপিএফ) জমার বিপরীতে মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য তহবিলের স্থিতির ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ মুনাফা লাভ করবেন। এ বিষয়ে সোমবার অর্থ বিভাগের প্রবিধি-১ শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থবছরের শুরুতে যদি জিপিএফের স্থিতি ১৫ লাখ টাকার মধ্যে থাকে, তবে মুনাফার হার হবে ১৩ শতাংশ। ১৫ লাখ ১ টাকা থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ক্ষেত্রে মুনাফা দেওয়া হবে ১২ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি হলে মুনাফার হার ১১ শতাংশ হবে।
অর্থবছরে জমা হওয়া চাঁদার ওপরও একই হারে মুনাফা প্রযোজ্য হবে।
এদিকে, সিপিএফভুক্ত স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনগুলো নিজেদের আর্থিক বিধিবিধান অনুসরণ করে সরকারের নির্ধারিত হারকে সর্বোচ্চ সীমা হিসেবে বিবেচনা করে কর্মচারীদের মুনাফা দিতে পারবে।
এর আগে গত ১ জুলাই থেকে নতুন জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর করার জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। এতে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডের কর্মীদের জন্য ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মীদের জন্য ৫০ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে।
অন্যদিকে, আগামী জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রথম থেকে নবম গ্রেডে ৭০ শতাংশ এবং দশম থেকে ২০তম গ্রেডে ৭৫ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সীমান্ত অঞ্চল থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ হওয়া মোবাইল ফোনের সংখ্যা পাঁচ হাজার পাঁচটি। এসব মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি ৮০ হাজার টাকা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায় সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)। বেলা ১২টায় ২৫ বিজিবির প্রধান কার্যালয়ে অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাব্বাব আহমেদ এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
বিজিবি জানায়, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তের নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে সরাইল ব্যাটালিয়নের (২৫ বিজিবি) সদস্যরা নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ সেপ্টেম্বর আনুমানিক রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরাইল ব্যাটালিয়নের একটি টহল দল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার কামালমোড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সীমান্ত পিলার-২০০৮/১-এস থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন ডিসপ্লের একটি চালান আটক করা হয়।
বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কর্দমাক্ত অবস্থানের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলের মধ্যে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা মালিকবিহীন ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে মোট ৫ হাজার ৫টি মোবাইল ফোন জব্দ করতে সক্ষম হয় বিজিবি। চার কোটি ৮০ হাজার টাকার এসব চোরাচালান মালামাল আখাউড়া কাস্টমস অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিজিবি আরও জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর ও আখাউড়া এবং হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল আটক করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী মন্তব্য করেছেন, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের মূল কারণ হলো প্রয়োজনীয় জ্বালানির উৎস নিশ্চিত না করেই একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা। তিনি অভিযোগ করেছেন, এই সংকটের দায় বর্তমান সরকারের নয়, বরং আগের সরকারের।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের আয়োজনে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল বারী আরও বলেন, দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হলেও এসব কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ খাতের এই সকল অপরিকল্পিত প্রকল্প ছিল আগের সরকারের অর্থ লুটপাটের পরিকল্পনার অংশ।
তিনি মন্তব্য করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অন্তর্বর্তী সরকারও দায়িত্ব পালনকালে যথাযথভাবে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে জ্বালানি সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্রুনাই ও মালয়েশিয়াসহ নতুন উৎস থেকে জ্বালানি আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস ও জ্বালানি অনুসন্ধানে বাপেক্সকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকার দ্রুত সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি উত্তরবঙ্গের আমশিল্পের উন্নয়ন, বরেন্দ্র অঞ্চলের পানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন।
পরে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এক হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে আপনাদের পরিবর্তনটি প্রদর্শন করতে হবে। যারা ফ্যাসিবাদী আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবেন, তাদের আমরা পুরস্কৃত করব।
এছাড়া, যেসব পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা অপরাধে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬-এর পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের ও আওয়ামী শক্তির দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং গতকালও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এতদিন তারা এখানে লুকিয়ে ছিলেন। আমাদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট কোথায় ছিল? পুলিশের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্টকে আমি সবচেয়ে উত্তম মনে করি। অন্যান্য অর্গানাইজেশনের যে ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট সেটাও মিলিয়ে দেখার জন্য তুলনা করি। আপনাদের নিজেদের ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট ব্যবহার করতে হবে।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী এক মাসে দেশের প্রায় ১ হাজার ৪০০ নাগরিক হত্যার শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন হিসাবের কথাও তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা এক মাসে ১ হাজার ৪০০ মানুষকে হত্যা করতে পারে, আসমান থেকে গুলি করে দেশের নাগরিকদের হত্যা করতে পারে, এবং যারা বাংলাদেশের সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে দেশকে গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে পরিণত করেছে, সেই শক্তিকে বাংলাদেশের মানুষ কখনো আহ্বান জানাবে কি না। এ দেশের মানুষ কখনো চাইতে পারে তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করুক কি না।
মন্ত্রী বলেন, যারা সেই বর্বর হত্যাকাণ্ডের পরেও কোনোদিন দুঃখ প্রকাশ করেনি, অনুশোচনা করেনি বা ক্ষমা প্রার্থনা করেনি, তারা বাংলাদেশের বাইরে থেকে আওয়াজ দিচ্ছে।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফেরত আনার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করেছি প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের ফেরত দিতে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। তারা যদি স্বেচ্ছায় আসেন এবং আইনের মুখোমুখি হন, তাহলে ভালো। আইন নিজস্ব গতিতে ও নিজস্ব প্রক্রিয়া অনুযায়ী চলবে।
অনুষ্ঠানে ৯৮ পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ম্যানচেস্টার সিটি ইংলিশ ফুটবলে বহুল প্রতীক্ষিত আর্থিক অনিয়মের তদন্তে একটি বড় ধাক্কা খেতে যাচ্ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, প্রিমিয়ার লিগের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
তবে, ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে এখনো কোনো শাস্তি ঘোষণা করা হয়নি। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে, ইংলিশ চ্যাম্পিয়নরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এর সাংবাদিক ডেভিড ওর্সটেইনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে মাত্র একটি অভিযোগে ক্লাবটি দায়মুক্তি পেয়েছে। তিন বছরেরও বেশি সময় আগে শুরু হওয়া এই বহুল আলোচিত প্রক্রিয়ার ফলাফল এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।
অভিযোগগুলোর মধ্যে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫৪টি অভিযোগ মূলত ক্লাবের আর্থিক তথ্য ও হিসাব-সংক্রান্ত সঠিক তথ্য প্রিমিয়ার লিগকে না দেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আরও ৩৫টি অভিযোগ রয়েছে, যা তদন্তে সহযোগিতা না করার বিষয়ে।
এছাড়া, খেলোয়াড় ও কোচদের চুক্তি, বেতন এবং অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের সঠিক তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ১৪টি। প্রিমিয়ার লিগের প্রফিট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি রুলস (পিএসআর) ভঙ্গের অভিযোগ ৭টি। বাকি ৫টি অভিযোগ উয়েফার আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের সঙ্গে সম্পর্কিত।
২০২০ সালে, উয়েফা ম্যানচেস্টার সিটিকে দুই বছরের জন্য ইউরোপিয়ান ক্লাব প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফার আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে। তবে পরবর্তীতে কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টে (সিএএস) আপিলে সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল হয়ে যায়।
এবারের ঘটনায় সিটির বিরুদ্ধে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হবে, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে জরিমানা, পয়েন্ট কর্তন কিংবা আরও কঠোর ব্যবস্থা থাকতে পারে। এমনকি গুরুতর শাস্তি হিসেবে প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কারের সম্ভাবনার কথাও আলোচনা চলছে। অতীতের শিরোপাগুলো নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
তবে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও আনুষ্ঠানিক শাস্তি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটির ভবিষ্যৎ পরিণতি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এখন অপেক্ষা বহুল প্রতীক্ষিত আনুষ্ঠানিক রায়ের।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ