০৪:৪১ এম
আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা স্বর্ণের ডিমের একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি) জানিয়েছে যে, কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে সেগুলো পুনরায় আবুধাবিতে ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
দুটি পৃথক অভিযানে মোট ২ কেজি ৭২৮ গ্রাম ওজনের ৬টি স্বর্ণের ডিম আটক করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা।
রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে আবুধাবিগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যাত্রী মোহাম্মদ মিনহাজকে সন্দেহভাজন হিসেবে ফ্লাইট থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। উক্ত ফ্লাইটটি সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে ছেড়ে যায়।
আরও পড়ুন: প্রতিবন্ধীদের বন্ধু শিক্ষক আলী তানভীরের মানবিক উদ্যোগ
পরবর্তীতে কাস্টমস গোয়েন্দার তৎপরতায় উক্ত যাত্রীর সহযোগিতায় ৩টি স্বর্ণের ডিম উদ্ধার করা হয়, যার মোট ওজন ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।
অন্য একটি ঘটনায়, কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় ফেলে রাখা আরও ৩টি স্বর্ণের ডিম আটক করেন, যার ওজনও ১ কেজি ৩৬৪ গ্রাম।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সিআইআইডির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, স্বর্ণের ডিমগুলো পূর্বে আবুধাবি থেকে বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। কিন্তু দেশের বাজারে প্রত্যাশিত মূল্য না পাওয়ায় সেগুলো পুনরায় আবুধাবিতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল।
স্বর্ণ চোরাচালানের এই ব্যতিক্রমী ঘটনায় নতুন প্রশ্নের উদ্ভব হয়েছে—বিদেশ থেকে অবৈধভাবে আনা স্বর্ণ দেশের বাজারে কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হলে তা কি আবার বিদেশে পাচার করা হচ্ছে?
আরও পড়ুন: জমির দলিল আসল-নকল চেনার কার্যকর উপায় জানুন
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর স্বর্ণের প্রকৃত উৎস, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা, সম্ভাব্য চোরাচালান চক্র এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে।
এ ঘটনার পর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন