ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, নতুন হামলার শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য


কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, নতুন হামলার শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামানোর আশা এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। কাতারের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবটি ইরান নাকচ করে দিয়েছে। তেহরানের বক্তব্য, এই প্রস্তাবটি ‘গ্রহণযোগ্য নয়’। ইরান একই সঙ্গে জানিয়েছে, তারা পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়।

বুধবার, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। এর আগে রোববার কাতার ইরানের আলোচকদের কাছে একটি খসড়া চুক্তি প্রদান করে। এই প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল আট মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধ করা।

তবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা আবার শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

পরমাণু ইস্যুতে অনড় তেহরান

যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার দাবি জানিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে ইরানকে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমাতে হবে।

তবে, ইরান বারবার ঘোষণা করে আসছে যে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সামরিক উদ্দেশ্যে নয়। দেশটির দাবি, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে দেশের বেসামরিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য।

এই বিরোধের কারণে শান্তি আলোচনা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পরমাণু কর্মসূচিতে ছাড় না দিলে সমঝোতার পথে কতটা অগ্রগতি হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদ্যমান।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে নির্বাচন: ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, চূড়ান্ত ফলাফল কখন পাওয়া যাবে

ইরানকে নিয়ে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি দেশটির সংসদ নির্বাচনে আবার জয়ের চেষ্টা করছেন।

এ পর্যন্ত ৭৭ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। এতে নেতানিয়াহুর জোট ইসরাইলের সংসদে সবচেয়ে বড় অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার নতুন সরকার গঠনের আলোচনা শুরুর সময় নেতানিয়াহু জানান, ইরানের হুমকি দূর করতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করবেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেছেন

তিনি ইরানকে ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটও ইরানের ওপর হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর সমর্থন করেছেন।

যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে বিশ্ববাজারের ঝুঁকি

ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। জ্বালানির দামও বেড়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার সতর্ক করে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের উসকানিতে নতুন হামলা হলে বিশ্ববাজারে ‘ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী: বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকা শক্তি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘পার্সি উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের উসকানিতে কোনো সামরিক দুঃসাহসিক পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে, তা গ্যাস সরবরাহকারী ও ভোক্তা—উভয়ের জন্যই বড় উদ্বেগের বিষয়।’

এই সতর্কবার্তা জ্বালানি বাজার নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে আবার সংঘাত শুরু হলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ পড়তে পারে। এর ফলে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে প্রভাব পড়তে পারে।

ইয়েমেনেও বাড়ছে সংঘাত

উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ইয়েমেনের চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট বাহিনী এবং ইরানপন্থী হুথিদের মধ্যে লড়াই চলছে।

আরও পড়ুন: জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন

বুধবার হুথিরা দক্ষিণ ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দর খালি করার আহ্বান জানায়। এই শহর সৌদি সমর্থিত সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

হুথিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসার আল্লাহ। সংগঠনটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এডেন বিমানবন্দরে অবস্থানরত সবাইকে অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। সেখানে একটি সৌদি সামরিক কার্গো বিমান রয়েছে। বিমানটিতে ইয়েমেনের জনগণকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র বহন করা হচ্ছে।’

তবে, এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, সোমবার থেকে ইয়েমেনে হুথি ও সৌদি সমর্থিত বাহিনীর লড়াইয়ে প্রায় ১০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ ১৪০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে

নিহতদের মধ্যে অন্তত ৬৩ জন হুথি যোদ্ধা। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে যুক্ত বাহিনীর ৩৪ জন সদস্যও নিহত হয়েছেন। অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে।

সামনে কী হতে পারে?

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইসরাইলের নতুন হামলার হুমকি এবং ইয়েমেনের সংঘাত—এই সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

কাতারের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইরান যদি তার অবস্থান থেকে সরে না আসে, তাহলে সমঝোতা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, নতুন সামরিক হামলা শুরু হলে তার প্রভাব শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা নেই। জ্বালানির দাম, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনীতিও নতুন চাপের মুখে পড়তে পারে।

সূত্র- মিডল ইস্ট আই

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারের ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ এম


কক্সবাজারের ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

আগুন নেভানোর জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। পানি ও বালু দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ফলে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে ভূগর্ভ থেকে বেরিয়ে আসা গ্যাসের আগুন ৪২ ঘণ্টা পেরিয়েও জ্বলতে থাকছে।

আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়া এবং সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে উখিয়া উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলের চারপাশের ২০০ মিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে। পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাইকিং করে উৎসুক মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ভূগর্ভে জমে থাকা গ্যাসের মজুদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুন অন্তত সাত দিন জ্বলতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সরাসরি আগুন নেভানোর পরিবর্তে গ্যাসের চাপ ও প্রবাহ কমানোর কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কম্পানি লিমিটেডের (বাপেক্স) ব্যবস্থাপক (ভূতত্ত্ব) এস এম নাফিফুন আরহাম এসব তথ্য জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ভূগর্ভের ওপরের স্তরে জমা থাকা পকেট গ্যাস নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত আগুন জ্বলতে থাকবে। গ্যাসের চাপ অত্যন্ত বেশি হওয়ায় সরাসরি আগুন নেভানোর চেষ্টা করলে আশপাশে আগুন ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। এ কারণে গ্যাসের চাপ কমিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোরে ইনানী এলাকার মোস্তফা সিকদারের বাড়ির আঙিনায় গভীর নলকূপ খননের সময় এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। প্রায় এক হাজার ফুট গভীরে খননকাজ চলাকালীন প্রচণ্ড বেগে গ্যাস বেরিয়ে আসতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে সেই গ্যাসে আগুন ধরে যায়। এরপর থেকে আগুন জ্বলতে থাকে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। তবে তাদের প্রচেষ্টা সফল হয়নি। পরে পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে যায়।

এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে ইনানী থেকে মনখালী পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ওই এলাকার কয়েক হাজার গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়েছেন।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান বলেন, ওই এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাসের উপস্থিতি থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, বাপেক্সসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামগতিতে আগুনে শিক্ষকের বাড়ি পুড়ে ২০ আহত, ক্ষতি ৭ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৪ এম


রামগতিতে আগুনে শিক্ষকের বাড়ি পুড়ে ২০ আহত, ক্ষতি ৭ লাখ টাকা

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে আবদুল আওয়াল নামে এক শিক্ষকের বসতবাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামে সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুল আওয়ালের বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আগুন নেভানোর চেষ্টা করতে গিয়ে স্থানীয় প্রায় ২০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন- রায়হান, সোহরাব, বাচ্চু, শরীফ, ইসমাইল, নিরব, লিটন হোসেন সর্দার, নুর আলম, আবুল খায়ের আরিফ, মেহেরাজ, জয়দেব ও তুহিনসহ মোট ২০ জন।

স্থানীয়রা তাদের চিৎকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে ওই এলাকার নারী-পুরুষ হুড়োহুড়ি করে রাস্তায় নেমে আসে। এ সময় প্রায় ২০ জন আহত হন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ করে বাড়ির তিনদিক থেকে আগুন জ্বলে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ঘরে প্রবেশ করে। এতে ওই বাড়ির ৩টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ঘরে থাকা ১০০ বস্তা সয়াবিন, ১২০ বস্তা ধান, ৭ ভরি স্বর্ণালংকার, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র এবং নগদ টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র পুড়ে যায়। তাদের দাবি, এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, পূর্ব শত্রুতার কারণে কেউ তাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মীর আক্তার হোসেন বাচ্ছু এবং প্যানেল চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দীন।

রামগতি ফায়ার সার্ভিস ফায়ার ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. খোকন মঞ্জু বলেন, ওই এলাকা দুর্গম চরাঞ্চল ছিল এবং উপজেলা সদর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত। ফায়ার সার্ভিস যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, পরে বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পেয়েছি যে, স্থানীয়রা আগুন নেভাতে সক্ষম হয়েছে।

রামগতি থানার ওসি লিটন দেওয়ান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%