বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৩১ এম
মাদারীপুরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হয়েছেন তানভীর হাওলাদার (২৫) নামে এক ইতালি প্রবাসী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সদর উপজেলার মস্তফাপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর তার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত তানভীর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের ঝিকরহাটি গ্রামের দেলোয়ার হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে মোটরসাইকেল চালিয়ে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে বাড়ি ফিরছিলেন তানভীর। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে চলার সময় একটি ট্রাকের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ঘটে। এর ফলে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে যান এবং ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
পরিবারের সূত্র জানায়, তানভীর মাত্র ১৫ দিন আগে বিয়ে করেছিলেন। নতুন জীবনের শুরুতেই এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় তার পরিবারে শোকের মাতম শুরু হয়েছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় এক প্রবাসীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার জন্য উপস্থিত হয়েছে।
এ সাক্ষাৎটি বুধবার (২৮ অক্টোবর) বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিনিধিদলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. ফজলুল করিম এবং উপাচার্যের একান্ত সচিব (পিএস) ও উপ-রেজিস্ট্রার মো. আমজাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালানোর অভিযোগে তিনজন ভুয়া ডিবি পুলিশকে আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করেছে।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লুৎফুর রহমান বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বুধবার দুপুরে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের চড়ানল এলাকায় কুমিল্লা-বাগড়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের মীরপুর উত্তরপাড়ার মৃত রহুল আমিনের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন রিয়াজ (২৩), রাজাপুর ইউনিয়নের মসজিদপাড়ার আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. ফাহিম হোসেন ওরফে সাইম (১৯) এবং মো. আবুল হোসেনের ছেলে মো. এনামুল হাসান (১৯)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চড়ানল এলাকায় কুমিল্লা-বাগড়া সড়কে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ওই তিনজন বিভিন্ন পরিবহনে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। তাঁদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা তাঁদের আটক করে। পরে তাঁদের পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি লুৎফুর রহমান জানান, এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আজ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ৯ জন ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সরকারি দলের পক্ষে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁদের প্রত্যাহার করে নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যাহারকৃত কর্মকর্তাদের তালিকা থেকে জানা যায়, এদের মধ্যে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং একজন ব্যাংক কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাঁরা হলেন, ঠাকুরগাঁও পৌরসভার সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মাসুদ রানা, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন, ঠাকুরগাঁও রোড বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা জুলফিকার আলী, গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন, সালন্দর পাঁচপীর ডাঙ্গা স্বতন্ত্র এবতেদ্বায়ী মাদরাসার ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম।
এছাড়া, সিংগিয়া মুন্সিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দৌলতপুর সলেমান খান বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ওবাইদুর রহমান এবং বালাপাড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা শাহাদুল ইসলাম। বড়গ্রাম আলিম মাদরাসার সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারও প্রত্যাহার করা হয়েছেন।
ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল ইসলাম। তিনি জানান, "বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।" নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সেই জায়গাগুলোতে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার ও নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগের ঘটনায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামানোর আশা এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। কাতারের দেওয়া শান্তি প্রস্তাবটি ইরান নাকচ করে দিয়েছে। তেহরানের বক্তব্য, এই প্রস্তাবটি ‘গ্রহণযোগ্য নয়’। ইরান একই সঙ্গে জানিয়েছে, তারা পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নয়।
বুধবার, বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। এর আগে রোববার কাতার ইরানের আলোচকদের কাছে একটি খসড়া চুক্তি প্রদান করে। এই প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল আট মাস ধরে চলা সংঘাত বন্ধ করা।
তবে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা আবার শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
পরমাণু ইস্যুতে অনড় তেহরান
যুদ্ধ বন্ধের শর্ত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার দাবি জানিয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, যুদ্ধ শেষ করতে হলে ইরানকে পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কমাতে হবে।
তবে, ইরান বারবার ঘোষণা করে আসছে যে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সামরিক উদ্দেশ্যে নয়। দেশটির দাবি, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণরূপে দেশের বেসামরিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য।
এই বিরোধের কারণে শান্তি আলোচনা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পরমাণু কর্মসূচিতে ছাড় না দিলে সমঝোতার পথে কতটা অগ্রগতি হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিদ্যমান।
ইরানকে নিয়ে কঠোর অবস্থানে নেতানিয়াহু
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি দেশটির সংসদ নির্বাচনে আবার জয়ের চেষ্টা করছেন।
এ পর্যন্ত ৭৭ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। এতে নেতানিয়াহুর জোট ইসরাইলের সংসদে সবচেয়ে বড় অবস্থানে রয়েছে।
বুধবার নতুন সরকার গঠনের আলোচনা শুরুর সময় নেতানিয়াহু জানান, ইরানের হুমকি দূর করতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কাজ করবেন।
তিনি ইরানকে ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নেতানিয়াহুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী গাদি আইজেনকটও ইরানের ওপর হামলার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর সমর্থন করেছেন।
যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে বিশ্ববাজারের ঝুঁকি
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। জ্বালানির দামও বেড়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার সতর্ক করে বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের উসকানিতে নতুন হামলা হলে বিশ্ববাজারে ‘ভয়াবহ প্রভাব’ পড়তে পারে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘পার্সি উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইলের উসকানিতে কোনো সামরিক দুঃসাহসিক পদক্ষেপের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে, তা গ্যাস সরবরাহকারী ও ভোক্তা—উভয়ের জন্যই বড় উদ্বেগের বিষয়।’
এই সতর্কবার্তা জ্বালানি বাজার নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে আবার সংঘাত শুরু হলে তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চাপ পড়তে পারে। এর ফলে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ে প্রভাব পড়তে পারে।
ইয়েমেনেও বাড়ছে সংঘাত
উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে ইয়েমেনের চলমান সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট বাহিনী এবং ইরানপন্থী হুথিদের মধ্যে লড়াই চলছে।
বুধবার হুথিরা দক্ষিণ ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দর খালি করার আহ্বান জানায়। এই শহর সৌদি সমর্থিত সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
হুথিদের আনুষ্ঠানিক নাম আনসার আল্লাহ। সংগঠনটির মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেন, ‘আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এডেন বিমানবন্দরে অবস্থানরত সবাইকে অবিলম্বে এলাকা ছেড়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে। সেখানে একটি সৌদি সামরিক কার্গো বিমান রয়েছে। বিমানটিতে ইয়েমেনের জনগণকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র বহন করা হচ্ছে।’
তবে, এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, সোমবার থেকে ইয়েমেনে হুথি ও সৌদি সমর্থিত বাহিনীর লড়াইয়ে প্রায় ১০০ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে অন্তত ৬৩ জন হুথি যোদ্ধা। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে যুক্ত বাহিনীর ৩৪ জন সদস্যও নিহত হয়েছেন। অধিকাংশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বাব আল-মানদেব প্রণালির কাছে।
সামনে কী হতে পারে?
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, ইসরাইলের নতুন হামলার হুমকি এবং ইয়েমেনের সংঘাত—এই সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
কাতারের শান্তি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইরান যদি তার অবস্থান থেকে সরে না আসে, তাহলে সমঝোতা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে, নতুন সামরিক হামলা শুরু হলে তার প্রভাব শুধুমাত্র মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা নেই। জ্বালানির দাম, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনীতিও নতুন চাপের মুখে পড়তে পারে।
সূত্র- মিডল ইস্ট আই
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ