০৭:৪৫ পি.এম
যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন বা ‘ইউ-টার্ন’-এর কারণে সরকারি কল্যাণমূলক খাতে (ওয়েলফেয়ার বিল) ব্যয় বৃদ্ধি হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ বামপন্থী এবং সমালোচকদের চাপের কারণে অভিবাসন নীতিতে এই নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সরকার মূলত সামাজিক বা কেয়ার ওয়ার্কারদের স্থায়ীভাবে বসবাসের (Indefinite Leave to Remain - ILR) নিয়মে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছিল। পূর্বে কেয়ার ওয়ার্কারদের জন্য ১৫ বছর অপেক্ষা করার যে নিয়ম ছিল, তা থেকে সরে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই নীতি পরিবর্তন বা পিছু হটার ফলস্বরূপ, দেশটির রাষ্ট্রীয় কোষাগার ও কল্যাণ তহবিলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।
বিরোধী দল ও সমালোচকরা সরকারের এই অবস্থানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। কনজারভেটিভ পার্টি এবং রিফর্ম ইউকে-এর অভিযোগ, লেবার পার্টির ভেতরের একটি অংশের চাপের কারণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার পূর্বের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি, এর ফলে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল জানা যাবে কয়েক দিন পর
রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য ও বামপন্থী এমপিদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেই এই নীতি শিথিল করা হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ তার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, সার্বিক পরিস্থিতি এবং কেয়ার খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এই ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবুও, নতুন এই নীতি পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে সরকারি ব্যয় বাড়বে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরাও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন