বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:১২ পি.এম
জামালপুরের মাদারগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিনের পর জহুরুল ইসলাম (৫০) নামে একজন অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে, উপজেলার মাথাভাঙা মোড় সড়কের পাশে অবস্থিত একটি ডোবা থেকে ওই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জহুরুল ইসলাম উপজেলার ৩নং গুনারীতলা ইউনিয়নের বাকুরচর এলাকার মৃত তোফাজ্জল এর ছেলে।
জানা গেছে যে, দুপুরে মাথাভাঙা সড়কের পাশে ডোবায় একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন, এরপর দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত অটোচালক গত দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর, মাদারগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশিষ রায় এ বিষয়ে জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে জামালপুর মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আদালত আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত নতুন এই তারিখে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর, জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুষ্কৃতকারীরা ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদি হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। আহত ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এরপর, গত ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন।
এর আগে, ৬ জানুয়ারি গত বছরে ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ।
তবে, ডিবির দেওয়া চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদি। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। ডিবির দাখিল করা চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকি ছয় জন পলাতক রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমির বিরোধের কারণে সংঘটিত হত্যা মামলায় তিন সহোদরকে আদালত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং অনাদায়ে তাঁদের আরও ছয় মাসের জন্য সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোল্ল্যা সাইফুল আলম এই আদেশ প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত তিন ভাই হলেন— উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বাড়াইকান্দি গ্রামের মৃত ইব্রাহীম ব্যাপারির ছেলে আবদুল হালিম (৩৯), আবদুল হামিদ (৩৭) এবং মাহাবুর রহমান (৩৫)। এ সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে তাঁদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
আদালত ও মামলা নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ জানুয়ারি সকালে সুন্দরগঞ্জের শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর (বাড়াইকান্দি) গ্রামে আসামিরা একটি বিবাদমান জমির আইল উঠাতে গেলে তাঁদের ওয়ারিশ শাহাদাৎ হোসেন ও তাঁদের স্বজনরা তাঁদের বাধা দেয়। সেই সময় আসামিদের কোদাল ও লাঠির আঘাতে গুরতর আহত হন প্রতিপক্ষের শাহাদাৎ হোসেন, সাজেদা বেগম, সামছুল হক ও আবেদা বেগম। স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। শাহাদাৎ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। পরদিন ৫ জানুয়ারি সকাল ৯টা নাগাদ সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহাদাৎ হোসেন মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজন আতাউর রহমান ওই দিনই সুন্দরগঞ্জ থানায় ১৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে থানার পুলিশ ১৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার বিকালে আদালত এ রায় প্রদান করে। রায়ে ১৩ আসামির মধ্যে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মিজান বলেন, "মামলার দীর্ঘ ১৪ বছর পর সাক্ষ্য প্রমাণের শুনানি শেষে এই মামলায় তিন সহোদরকে যাবজ্জীবন এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দণ্ডিত করেছে আদালত। অনাদায়ে তাঁদের আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার অপর ১০ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংবিধানের বহুল আলোচনা হওয়া ৭০ অনুচ্ছেদে সংশোধন আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশোধিত বিধান অনুযায়ী ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান।
তিনি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ বিষয়ে অবগত করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ৩৫ বছর পর সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিরোধী দল থেকেও প্রার্থী রয়েছেন, সরকারি দলের পক্ষ থেকেও প্রার্থী রয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বহুবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন হয়েছে। তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে নির্বাচন হওয়া উচিত।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ প্রত্যাশিত গণতান্ত্রিক চর্চা দেখতে পাবে এবং এভাবে আমাদের গণতন্ত্র আবার নতুনভাবে সূচনা হবে।
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে গণতান্ত্রিক মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে— বিরোধী দলের এই অভিযোগের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা সংবিধান সংশোধনসংক্রান্ত যে সংসদীয় কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটির সদস্য হিসেবে বিরোধীদলীয় সদস্যরা এখনও যোগদান করেননি। তিনি উল্লেখ করেন যে, ভবিষ্যতে আসা পরিবর্তনগুলির মধ্যে ৭০ ধারাতেও সংশোধনী আসবে। এটি একটি রাজনৈতিক সমঝোতা যা জুলাই জাতীয় সনদে হয়েছে।
এ সময় তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এই সংশোধিত ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য যদি দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে তার সংসদীয় আসন শূন্য হয়ে যায়। এই বিধান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক বিতর্ক চলছে এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই অনুচ্ছেদকে নিয়ে নতুন আলোচনা আবার শুরু হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। সেইসাথে, পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশে নতুন প্রেসিডেন্টকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন ও আমন্ত্রণ জানান আসিফ আলী জারদারি। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট তাঁর বিবৃতিতে বলেছিলেন, "আমার বিশ্বাস মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশিদের উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।"
তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আর এই সম্পর্কের শিকর একই ইতিহাস, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতিতে নিহিত। আমার আশা, দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।"
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে, দুই দেশের মধ্যে বিনিময় তথা সহযোগিতাকে আরও বর্ধিত করা হবে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও বাড়াতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ অনুভব করছেন তিনি।
বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে আসিফ আলী জারদারি আরো বলেন, "আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের পাকিস্তান সফর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক আরও গভীর করবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ