বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৩০ পি.এম
বোয়ালখালী জেলার অসহায় ২৫০টি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় ধরে উপজেলার চরখিজিরপুর, পশ্চিম গোমদণ্ডীসহ নদী তীরবর্তী এলাকার অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে তিনি এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন।
এই সময় এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, "গত ১০ বছরেও এমন বৃষ্টি হয়নি। বৃষ্টির কারণে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়েছে। এই সরকার মানবিক সরকার, তাই অসহায় পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক কর্তব্য।"
এদিন প্রায় ২৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে।
খাদ্য বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কামরুল হোসাইন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা শহীদুল্লাহ চৌধুরী ও কপিল উদ্দিন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের দ্রুত বিকাশমান বৈদ্যুতিক যানবাহন (ইভি) খাতের জন্য একটি সুসংগঠিত রোডম্যাপ প্রণয়নের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় এবং জার্মানির উন্নয়ন সংস্থা- জিআইজেড, বাংলাদেশ যৌথভাবে আজ ‘ইলেকট্রিক ভেহিকল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট পলিসি-২০২৬’ শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন পরামর্শের কর্মশালার আয়োজন করেছে।
কর্মশালায় আলোচনা করা হয়, ২০২৩ সালের ‘ইলেকট্রিক মোটর রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড অপারেশন গাইডলাইন’-এ খ্যাপানো ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব ধরনের পরিবহনে ৩০ শতাংশ ইভি ব্যবহারের সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিল্প ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোকে আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের পরিবহন খাত থেকে মোট কার্বন নিঃসরণের ৮১ শতাংশই সড়ক পরিবহন থেকে আসে। তাই পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে নিয়ন্ত্রিতভাবে ই-মোবিলিটিতে রূপান্তর এখন সময়ের দাবি।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুন নাসের খান। তিনি উল্লেখ করেন, যথাযথ প্রস্তুতি না নিলে বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় শিল্প খাত গড়ে তোলার সুযোগ হারাবে এবং বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলে (গ্লোবাল ভ্যালু চেইন-জিভিসি) পিছিয়ে পড়তে হবে।
তিনি জানান, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু বৈদ্যুতিক যানবাহন আমদানিকারক হওয়া নয়, বরং বাংলাদেশকে একটি ইভি উৎপাদনকারী দেশে পরিণত করা।’
জার্মান ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের পক্ষে জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব কো-অপারেশন ইয়ানিস হোসেন এবং জিআইজেড-বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্ক গমবার্ট টেকসই পরিবহন ব্যবস্থায় বাংলাদেশের রূপান্তরে জার্মানির অব্যাহত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
জার্মান ফেডারেল অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন মন্ত্রণালয় (বিএমজেড)-এর অর্থায়নে পরিচালিত এবং জিআইজেড দ্বারা বাস্তবায়িত ‘ট্রানজিশন টু সাসটেইনেবল ই-মোবিলিটি (ট্রান্স২এসএমও)’ প্রকল্পের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক যানবাহন নীতি প্রণয়নে শিল্প মন্ত্রণালয়কে কারিগরি ও পরামর্শমূলক সহায়তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এই সহায়তার অংশ হিসেবে জিআইজেড দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নীতিমালার খসড়া পর্যালোচনা করে তা আরও উন্নত করার জন্য কিছু কৌশলগত সুপারিশ করেছে। এর ফলে একটি মানসম্মত ও আনুষ্ঠানিক ইভি ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা সম্ভব হবে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।
সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাত্র প্রায় ২ শতাংশ ছিল নিম্ন-কার্বন উৎসভিত্তিক। তবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ গ্রিড ইভিতে রূপান্তরের চাপ সামাল দিতে সক্ষম হবে। এর জন্য পরিকল্পিত গ্রিড ব্যবস্থাপনা, স্মার্ট চার্জিং ব্যবস্থা এবং স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তির অগ্রাধিকারমূলক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিদ্যুতের ঘাটতি মোকাবিলা সম্ভব হবে।
ইভির বাজার সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তুলতে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
প্রস্তাবিত নীতিমালার আওতায়, ২০৩০ সাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রস্তুত (সিবিইউ) অবস্থায় আমদানি করা বৈদ্যুতিক মোটরগাড়ির ওপর মোট করের হার (টোটাল ট্যাক্স ইনসিডেন্স-টিটিআই) ৩৭ শতাংশ নির্ধারণ এবং ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অংশ (সিকেডি) আকারে আমদানি করা সব ধরনের ইভির ওপর মোট করের হার ১৫ দশমিক ২৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এভাবে দেশের স্থানীয় সংযোজন ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করা হবে।
এছাড়া, ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য ১০ বছরের আয়কর অব্যাহতির মতো গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক প্রণোদনার বিষয়টিও নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কর্মশালার সমাপনীতে গণপরিবহন আধুনিকায়ন অব্যাহত রাখা এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এই সময় জানানো হয়েছে, শিল্প মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, বিআরটিএ, এনবিআর, স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিডি) এবং অন্যান্য অংশীজন যৌথভাবে প্রয়োজনীয় কারিগরি, শিল্প ও প্রশাসনিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মোকাবিলায় জর্ডানের আল আজরাক বিমান ঘাঁটিতে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ ঘাঁটিতে উপস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে একযোগে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সেখানে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা অব্যাহত রাখে তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর আরও কঠোর হামলার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনী যদি আবারও আগ্রাসী কার্যক্রম চালায়, তাহলে অঞ্চলটির অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিগুলোও আমাদের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হতে পারে।'
জর্ডন আগেই জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে নিক্ষেপিত আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত কিংবা ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার (৮ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে। মার্কিন বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র অবস্থান এবং সামরিক লজিস্টিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, মার্কিন বাহিনী গোলেস্তান প্রদেশের আককালা শহরের বাইরে অবস্থিত আক তেকেহ খান সেতুর কাছে সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার ফলে সেতুর আশেপাশের একটি রেলপথে অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটেছে, তবে হতাহত কিংবা অবকাঠামোগত ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মার্কিন বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হামলার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার বিরুদ্ধে তাদের 'শাস্তিমূলক জবাবের' প্রথম ধাপ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলাটি আইআরজিসির নৌ ও মহাকাশ বাহিনীর যৌথ অভিযান হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
এছাড়া আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানকে ব্যাহত করা এবং জনগণকে আতঙ্কিত করা। খামেনিকে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে এবং এর আগে সেখানে লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের লক্ষ্যে হামলা চালায়, তাহলে তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযান আরও বিস্তৃত হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্যান্য মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করা হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে ইরানের জবাব কঠোর ও ব্যাপকভাবে প্রকাশ পাবে।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক একজন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৪১টি ‘ঘোস্ট’ বা ভুয়া মোবাইল সিম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার সাথে যুক্ত চারজনকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পীরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পীরগঞ্জ পৌরসভার ওসমানপুর মৌজার বাসস্ট্যান্ড ওভারপাসের সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে একবারপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আতিকুর রহমানকে (২৪) আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪১টি ‘ঘোস্ট’ মোবাইল সিম জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্যানুযায়ী, এসব মোবাইল সিম অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ এর ২৪/২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আরও চারজনকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীনের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই), এই বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি।
সংবাদ সংস্থাটি জানাচ্ছে, প্রাথমিক হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২৮ জন।
কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জিনজিয়াং শহরের ওই কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল এবং উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ডজন সদস্য কাজ করছেন।
চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরের হুইতেং শুজ কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগুন লাগার কয়েক ঘণ্টা পরে কারখানার ভেতরে মানুষ আটকে ছিল। তাদের উদ্ধারে ১৮৩ জন দমকলকর্মী এবং ৩৫টি উদ্ধার যান মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এর মধ্যে কতজন নিহত বা আহত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনায় ‘ব্যাপক প্রাণহানির’ কথা উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন, কিন্তু তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সরাসরি সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, দমকলকর্মীরা আগুনে পুড়ে যাওয়া বহুতল ভবনে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। ভবনের ভাঙা জানালা থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়া বের হচ্ছে।
শোকবার্তায় শি জিনপিং জানান, অনুসন্ধান এবং উদ্ধার কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রচেষ্টার ঘাটতি থাকতে দেওয়া উচিত নয়। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন।
তিনি আরও জানান, এই দুর্ঘটনার কারণ যত দ্রুত সম্ভব খুঁজে বের করতে হবে এবং দায়ীদের কঠোরভাবে জবাবদিহি করতে হবে।
জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং আহতদের চিকিৎসায় ‘সর্বাত্মক’ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনও কয়েকজন ব্যক্তি কারখানার ভেতরে আটকে রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।
গত নভেম্বরে হংকংয়ে বেশ কিছু বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬৮ জন নিহত হওয়ার পর চীন সারাদেশে উঁচু ভবনগুলোতে অগ্নি ঝুঁকি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু করে।
এর এক মাস পরে দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগে ১২ জন নিহত হন। সুত্র: বাসস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ