বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৩৪ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার মোকাবিলায় জর্ডানের আল আজরাক বিমান ঘাঁটিতে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ ঘাঁটিতে উপস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো এবং মধ্যপ্রাচ্যে নিযুক্ত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র লক্ষ্য করে একযোগে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
ফার্স নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সেখানে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র হামলা অব্যাহত রাখে তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর আরও কঠোর হামলার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হতে পারে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সন্ত্রাসী মার্কিন বাহিনী যদি আবারও আগ্রাসী কার্যক্রম চালায়, তাহলে অঞ্চলটির অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটিগুলোও আমাদের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হতে পারে।'
জর্ডন আগেই জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে নিক্ষেপিত আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো হতাহত কিংবা ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, বুধবার (৮ জুলাই) রাতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে। মার্কিন বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানের সামরিক অবকাঠামো, উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র অবস্থান এবং সামরিক লজিস্টিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে এ হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, মার্কিন বাহিনী গোলেস্তান প্রদেশের আককালা শহরের বাইরে অবস্থিত আক তেকেহ খান সেতুর কাছে সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার ফলে সেতুর আশেপাশের একটি রেলপথে অন্তত দুটি বিস্ফোরণ ঘটেছে, তবে হতাহত কিংবা অবকাঠামোগত ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
মার্কিন বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হামলার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করেছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার বিরুদ্ধে তাদের 'শাস্তিমূলক জবাবের' প্রথম ধাপ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে। হামলাটি আইআরজিসির নৌ ও মহাকাশ বাহিনীর যৌথ অভিযান হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
এছাড়া আইআরজিসির বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানকে ব্যাহত করা এবং জনগণকে আতঙ্কিত করা। খামেনিকে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে এবং এর আগে সেখানে লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের লক্ষ্যে হামলা চালায়, তাহলে তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযান আরও বিস্তৃত হবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত অন্যান্য মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা করা হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'মার্কিন আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে ইরানের জবাব কঠোর ও ব্যাপকভাবে প্রকাশ পাবে।'
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ কর্তৃক একজন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ৪১টি ‘ঘোস্ট’ বা ভুয়া মোবাইল সিম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন ২০২৬ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার সাথে যুক্ত চারজনকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পীরগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পীরগঞ্জ পৌরসভার ওসমানপুর মৌজার বাসস্ট্যান্ড ওভারপাসের সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে একবারপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. আতিকুর রহমানকে (২৪) আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে ৪১টি ‘ঘোস্ট’ মোবাইল সিম জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্যানুযায়ী, এসব মোবাইল সিম অনলাইন ক্যাসিনো ও জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এ ঘটনায় পীরগঞ্জ থানায় নতুন জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬ এর ২৪/২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আরও চারজনকে পলাতক আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানিয়েছেন, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীনের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই), এই বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি।
সংবাদ সংস্থাটি জানাচ্ছে, প্রাথমিক হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২৮ জন।
কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জিনজিয়াং শহরের ওই কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল এবং উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ডজন সদস্য কাজ করছেন।
চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরের হুইতেং শুজ কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগুন লাগার কয়েক ঘণ্টা পরে কারখানার ভেতরে মানুষ আটকে ছিল। তাদের উদ্ধারে ১৮৩ জন দমকলকর্মী এবং ৩৫টি উদ্ধার যান মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এর মধ্যে কতজন নিহত বা আহত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনায় ‘ব্যাপক প্রাণহানির’ কথা উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন, কিন্তু তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সরাসরি সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, দমকলকর্মীরা আগুনে পুড়ে যাওয়া বহুতল ভবনে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। ভবনের ভাঙা জানালা থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়া বের হচ্ছে।
শোকবার্তায় শি জিনপিং জানান, অনুসন্ধান এবং উদ্ধার কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রচেষ্টার ঘাটতি থাকতে দেওয়া উচিত নয়। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন।
তিনি আরও জানান, এই দুর্ঘটনার কারণ যত দ্রুত সম্ভব খুঁজে বের করতে হবে এবং দায়ীদের কঠোরভাবে জবাবদিহি করতে হবে।
জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং আহতদের চিকিৎসায় ‘সর্বাত্মক’ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনও কয়েকজন ব্যক্তি কারখানার ভেতরে আটকে রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।
গত নভেম্বরে হংকংয়ে বেশ কিছু বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬৮ জন নিহত হওয়ার পর চীন সারাদেশে উঁচু ভবনগুলোতে অগ্নি ঝুঁকি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু করে।
এর এক মাস পরে দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগে ১২ জন নিহত হন। সুত্র: বাসস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, গতকাল বুধবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- মো. দুদু আলামিন (৩০), মো. দুখু মিয়া (২৩), মো. শামীম (১৯), মো. সোহানুর রহমান সোহান (২৯), মো. শান্ত মিয়া (২০), মো. আকাশ (২০), মো. ইসরাফিল (২১), মো. কুতুব উদ্দীন (২৯), মো. রবিন (২৪), মো. সোহান (১৮), মো. রতন (৩৮), মো. সাইনুল ইসলাম (৩০), মো. রাফি (২১), মো. শেখ রাকিব আহমেদ (১৮), মো. শুভ (২১), শেখ শান্ত রহমান (ইমন) (১৯), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. হামজা (১৯), মনির হোসেন রতন (২১), মো. ফারুক (৪১), মো. জসিম (২৫), মো. আরিফ (২৬), মো. মিঠুন (৩৭), মো. রনি (৫০), মন্টা পাটোয়ারী (২৭), মো. মনির (৪০), মো. শাকিল আহম্মদ পরি (৫৩), মো. নুরুল আমিন (২২), মো. আকাশ ওরফে পান্না, মো. আকাশ ওরফে পান্না, মো. আকাশ ওরফে পান্না, মো. সাহেব, মো. সাহেব বিশ্বাস (২৭), মো. রুবেল, মো. রকি (২০), মো. তামিম (২৩), মো. রাজীব (২১), মো. কিরন মিয়া (১৯), মো. জালাল উদ্দিন (৩৭), মো. আরিফ (২৮), মো. নজরুল ইসলাম (৩০), মো. সিফাত (২১), সাজু (১৮), মো. রনি (২০), মো. তোফাজ্জাল (৫২), মো. রেজাউল (৭২), মো. মিরাজ উদ্দিন (২৮), রোকসানা বেগম (২৮), ইয়াছিন আরাফাত (২৭), মো. হৃদয় খান (২৪), মো. আনিছুর রহমান (৫২), মোসলেহ উদ্দিন (৩২), শাহীনুর রহমান (৩১) ও মো. আবুল কাশেম (২৪)।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৬ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ১০ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২৫ জন, আদাবর থানায় ৪ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৫ জন ও হাতিরঝিল থানায় ৪ জন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ভোলার উপকূলীয় জেলার আবহাওয়া বৈরী অবস্থায় ছিল। তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। রবিবার (৫ জুলাই) সকাল থেকে মাঝে মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হলে আজ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। কিন্তু আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং গুমোট পরিবেশ বিরাজ করছে।
এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল থাকা সত্ত্বেও, ভোলার মেঘনা নদীর পানি স্বাভাবিক অবস্থানে রয়েছে। নিম্নাঞ্চলগুলোতে বৃদ্ধি পাওয়া জোয়ারের পানি কমতে শুরু করেছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তাগণ।
জেলার মনপুরা উপজেলার চরাঞ্চল, চরফ্যাশনের ঢাল চর, চর কুকরী-মুকরী, চর পাতিলা, কচ্ছপিয়া, ভোলা সদরের ইলিশা, রামদাসপুর, মাঝের চর, বরাইপুর, দৌলতখানের মদনপুর, এবং হাজীপুর চর নেয়ামতপুরে প্লাবিত এলাকাগুলোর পানির উচ্চতা এখন কমতে শুরু করেছে, যা স্থানীয় অধিবাসী ও জনপ্রতিনিধিগণ জানিয়েছেন।
ভোলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বাসসকে বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। এর প্রভাবে গত কয়েকদিন ভোলার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল এবং কিছু বৃষ্টিপাত হয়েছিল। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নাগাদ বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
তিনি জানিয়েছেন, গত রোববার ভোর ৬টা পর্যন্ত ভোলা জেলায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও বর্তমানে আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে, তবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র ভোলা নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় বাসসকে বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে যে সব নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল, তা আজ থেকে স্বাভাবিক করা হয়েছে। ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুর-ঢাকা নৌপথে ফেরি ও যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব মৎস্য খাতেও পড়েছে। ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান গণমাধ্যমকে জানান, দুর্যোগের সার্বিক খোঁজখবর রাখতে উপজেলাব্যাপী নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো পরিস্থিতির ওপর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। আবহাওয়া অস্বাভাবিক না হলে নদীপথ ব্যবহারকারী যাত্রী ও নৌযান সংশ্লিষ্টদের জন্য সতর্কতার নতুন বার্তা দেওয়া হবে।
তবে আজ বিকেল ৬টা নাগাদ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ