বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৪১ পি.এম
চীনের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জুতা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই), এই বিষয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি।
সংবাদ সংস্থাটি জানাচ্ছে, প্রাথমিক হিসাবে নিহতের সংখ্যা ২৮ জন।
কর্তৃপক্ষ তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জিনজিয়াং শহরের ওই কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল এবং উদ্ধারকর্মীদের কয়েক ডজন সদস্য কাজ করছেন।
চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরের হুইতেং শুজ কারখানায় আগুনের সূত্রপাত হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগুন লাগার কয়েক ঘণ্টা পরে কারখানার ভেতরে মানুষ আটকে ছিল। তাদের উদ্ধারে ১৮৩ জন দমকলকর্মী এবং ৩৫টি উদ্ধার যান মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, অগ্নিকাণ্ডের ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এর মধ্যে কতজন নিহত বা আহত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনায় ‘ব্যাপক প্রাণহানির’ কথা উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছেন, কিন্তু তিনি নিহতের নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করেননি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির সরাসরি সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, দমকলকর্মীরা আগুনে পুড়ে যাওয়া বহুতল ভবনে পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। ভবনের ভাঙা জানালা থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়া বের হচ্ছে।
শোকবার্তায় শি জিনপিং জানান, অনুসন্ধান এবং উদ্ধার কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রচেষ্টার ঘাটতি থাকতে দেওয়া উচিত নয়। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশও দেন।
তিনি আরও জানান, এই দুর্ঘটনার কারণ যত দ্রুত সম্ভব খুঁজে বের করতে হবে এবং দায়ীদের কঠোরভাবে জবাবদিহি করতে হবে।
জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আটকে পড়া ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং আহতদের চিকিৎসায় ‘সর্বাত্মক’ প্রচেষ্টা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, এখনও কয়েকজন ব্যক্তি কারখানার ভেতরে আটকে রয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে।
গত নভেম্বরে হংকংয়ে বেশ কিছু বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬৮ জন নিহত হওয়ার পর চীন সারাদেশে উঁচু ভবনগুলোতে অগ্নি ঝুঁকি প্রতিরোধে বিশেষ অভিযান শুরু করে।
এর এক মাস পরে দক্ষিণ চীনের গুয়াংডং প্রদেশের একটি আবাসিক ভবনে আগুন লেগে ১২ জন নিহত হন। সুত্র: বাসস।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ জানানো হয়, গতকাল বুধবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে- মো. দুদু আলামিন (৩০), মো. দুখু মিয়া (২৩), মো. শামীম (১৯), মো. সোহানুর রহমান সোহান (২৯), মো. শান্ত মিয়া (২০), মো. আকাশ (২০), মো. ইসরাফিল (২১), মো. কুতুব উদ্দীন (২৯), মো. রবিন (২৪), মো. সোহান (১৮), মো. রতন (৩৮), মো. সাইনুল ইসলাম (৩০), মো. রাফি (২১), মো. শেখ রাকিব আহমেদ (১৮), মো. শুভ (২১), শেখ শান্ত রহমান (ইমন) (১৯), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. হামজা (১৯), মনির হোসেন রতন (২১), মো. ফারুক (৪১), মো. জসিম (২৫), মো. আরিফ (২৬), মো. মিঠুন (৩৭), মো. রনি (৫০), মন্টা পাটোয়ারী (২৭), মো. মনির (৪০), মো. শাকিল আহম্মদ পরি (৫৩), মো. নুরুল আমিন (২২), মো. আকাশ ওরফে পান্না, মো. আকাশ ওরফে পান্না, মো. আকাশ ওরফে পান্না, মো. সাহেব, মো. সাহেব বিশ্বাস (২৭), মো. রুবেল, মো. রকি (২০), মো. তামিম (২৩), মো. রাজীব (২১), মো. কিরন মিয়া (১৯), মো. জালাল উদ্দিন (৩৭), মো. আরিফ (২৮), মো. নজরুল ইসলাম (৩০), মো. সিফাত (২১), সাজু (১৮), মো. রনি (২০), মো. তোফাজ্জাল (৫২), মো. রেজাউল (৭২), মো. মিরাজ উদ্দিন (২৮), রোকসানা বেগম (২৮), ইয়াছিন আরাফাত (২৭), মো. হৃদয় খান (২৪), মো. আনিছুর রহমান (৫২), মোসলেহ উদ্দিন (৩২), শাহীনুর রহমান (৩১) ও মো. আবুল কাশেম (২৪)।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানায় ৬ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ১০ জন, মোহাম্মদপুর থানায় ২৫ জন, আদাবর থানায় ৪ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৫ জন ও হাতিরঝিল থানায় ৪ জন রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে গত কয়েকদিন ধরে ভোলার উপকূলীয় জেলার আবহাওয়া বৈরী অবস্থায় ছিল। তবে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। রবিবার (৫ জুলাই) সকাল থেকে মাঝে মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হলে আজ বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই কমেছে। কিন্তু আকাশ এখনও মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং গুমোট পরিবেশ বিরাজ করছে।
এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল থাকা সত্ত্বেও, ভোলার মেঘনা নদীর পানি স্বাভাবিক অবস্থানে রয়েছে। নিম্নাঞ্চলগুলোতে বৃদ্ধি পাওয়া জোয়ারের পানি কমতে শুরু করেছে, এমন তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তাগণ।
জেলার মনপুরা উপজেলার চরাঞ্চল, চরফ্যাশনের ঢাল চর, চর কুকরী-মুকরী, চর পাতিলা, কচ্ছপিয়া, ভোলা সদরের ইলিশা, রামদাসপুর, মাঝের চর, বরাইপুর, দৌলতখানের মদনপুর, এবং হাজীপুর চর নেয়ামতপুরে প্লাবিত এলাকাগুলোর পানির উচ্চতা এখন কমতে শুরু করেছে, যা স্থানীয় অধিবাসী ও জনপ্রতিনিধিগণ জানিয়েছেন।
ভোলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বাসসকে বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। এর প্রভাবে গত কয়েকদিন ভোলার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল এবং কিছু বৃষ্টিপাত হয়েছিল। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) নাগাদ বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
তিনি জানিয়েছেন, গত রোববার ভোর ৬টা পর্যন্ত ভোলা জেলায় ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও বর্তমানে আবহাওয়ার উন্নতি হয়েছে, তবে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র ভোলা নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক নির্মল কুমার রায় বাসসকে বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে যে সব নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ ছিল, তা আজ থেকে স্বাভাবিক করা হয়েছে। ভোলার ইলিশা-লক্ষ্মীপুর-ঢাকা নৌপথে ফেরি ও যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব মৎস্য খাতেও পড়েছে। ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান গণমাধ্যমকে জানান, দুর্যোগের সার্বিক খোঁজখবর রাখতে উপজেলাব্যাপী নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো পরিস্থিতির ওপর নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। আবহাওয়া অস্বাভাবিক না হলে নদীপথ ব্যবহারকারী যাত্রী ও নৌযান সংশ্লিষ্টদের জন্য সতর্কতার নতুন বার্তা দেওয়া হবে।
তবে আজ বিকেল ৬টা নাগাদ এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এইচপিভি টিকার শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি ‘ডিভিশনাল অ্যাডভোকেসি কর্মশালা’।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর মহাখালীতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) মিলনায়তনে এই কর্মশালাটি আয়োজন করে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), ঢাকা বিভাগ। ইউনিসেফের অর্থায়নে আয়োজিত এই কর্মশালার প্রধান লক্ষ্য ছিল এইচপিভি টিকাকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে একীভূতকরণের প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা।
কর্মশালায় জানানো হয়, সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে নিয়মিত টিকাদান সেশনের মাধ্যমে এইচপিভি টিকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২৩ সালে ঢাকা বিভাগে এবং ২০২৪ সালে অন্যান্য বিভাগে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকা প্রদান করা হয়েছিল। বর্তমানে থেকে ১০ বছর বয়সী (১০ বছর ০ দিন থেকে ১০ বছর ১১ মাস ২৯ দিন) সকল কিশোরী নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এই টিকাটি গ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে টিকাদান কর্মীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডের ১০ বছর বয়সী কিশোরীদের চিহ্নিত করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমেই ১ ডোজ এইচপিভি টিকার প্রদান নিশ্চিত করবেন। এছাড়া, ভ্যাক্স-ইপিআই অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং স্মার্ট হেলথ বিডি, ই-ট্র্যাকার অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
টিকা অপচয় রোধে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে যদি দুজন বা তার বেশি কিশোরী উপস্থিত হন, তাহলে টিকা ভায়াল খোলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
কর্মশালায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিভাগের সিভিল সার্জনগণসহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী স্টেকহোল্ডাররা নিজ নিজ অবস্থান থেকে এইচপিভি টিকা কর্মসূচি সফল করার কৌশল প্রণয়ন ও তা উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া, উল্লেখ্য যে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই টিকাদান কার্যক্রমকে নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকার ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন যৌথভাবে ফুটবলের প্রতি একত্রে ভালোবাসা উদ্যাপনের জন্য একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে ৮ জুলাই, বাফুফে ভবনে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে, পাকিস্তান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের কাছে ১ হাজার উন্নত মানের ‘মেড ইন পাকিস্তান’ ফুটবল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, পাকিস্তান হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিশ্বব্যাপী প্রিমিয়াম কোয়ালিটির স্পোর্টস সামগ্রী ও ফুটবল তৈরির জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। শিয়ালকোট, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলগুলো তৈরির গৌরব পেয়েছে। পাকিস্তানের ফুটবল উৎপাদন শিল্প, তার গুণগত মান ও আধুনিকতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এই বিশ্বমানের বলগুলো বাংলাদেশের তরুণদের ফুটবলের প্রতি উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়িয়ে দিবে।
হাইকমিশনার এবং বাফুফে সভাপতি ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশদ আলোচনা করেন। তাদের আলোচনা থেকে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, খেলাধুলার মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে। আলোচনার সময় স্পোর্টস মেডিসিন, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ, স্পোর্টস কমার্স, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের পারস্পরিক সফরের মতো বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে এসেছে।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখতে, বাফুফে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল দলের একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, নারী খেলোয়াড়দের অসাধারণ প্রতিভা এবং প্রতিশ্রুতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।
পাকিস্তানের এই বিশেষ উপহারের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে, বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার এবং তরুণ ফুটবলারদের ফুটবল চর্চায় এই বলগুলো দ্রুত সারা দেশে বিতরণ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ