শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪০ পি.এম
এল নিনোর প্রভাবে ইউরোপ মহাবিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। চলতি বছরের গ্রীষ্মে মহাদেশটির বিভিন্ন স্থানে অন্তত ৫০ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটেছে তীব্র গরমের কারণে।
সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন, এই মৃত্যুর মধ্যে প্রতি তিনজনের মধ্যে দুজনের জন্য মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী।
গবেষকদের মতে, জুন থেকে আগস্ট মাসের মধ্যে অতিরিক্ত গরমের কারণে শহরাঞ্চলে অন্তত ৩২ হাজার মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। দিনের বেলায় তীব্র গরমের পাশাপাশি রাতেও তাপমাত্রা না কমায় মানুষের শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার সুযোগ পায়নি।
লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের জলবায়ু ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞানী ম্যালকম মিস্ত্রি মন্তব্য করেন, '৮৫৪টি শহর এলাকায় তাপমাত্রাজনিত মৃত্যুর এই সংখ্যা সত্যিই বিস্ময়কর। তবে এর চেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব মৃত্যুর একটি বড় অংশ মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘটেছে।'
গবেষণায় দেখা গেছে, মাল্টা, ইতালি ও হাঙ্গেরিতে গরমে মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি ছিল। তবে মোট মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে ইতালি, ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য এগিয়ে রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী কেটি হোয়াইট বলেছেন, 'এই মর্মান্তিক পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, জলবায়ু সংকটের কারণে এই গ্রীষ্মে হাজার হাজার পরিবার তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছে।'
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইতালির নেপলস শহর। সেখানে প্রতি ১০ লাখ মানুষের মধ্যে ৮১৫ জন গরমে মারা গেছেন। মৃতদের প্রায় অর্ধেক ৮৫ বছরের বেশি বয়সী হলেও, কম বয়সীরাও ঝুঁকিমুক্ত ছিলেন না। ২০ থেকে ৪৪ বছর বয়সী অন্তত ৮৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এই গরমে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যগত জটিলতার পাশাপাশি একাকীত্ব ও দারিদ্র্য পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে।
নেপলসের চিকিৎসক মারিও গুয়ারিনো বলেন, 'বর্তমান সময়ে আসল মহামারি হলো একাকীত্ব। গ্রীষ্মের সময় অনেক প্রবীণ মানুষ পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকেন। আয় কম থাকায় তারা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র কিনতে পারেন না, অথবা বিদ্যুৎ বিলের ভয়ে তা চালানো থেকে বিরত থাকেন।'
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ মন্তব্য করেছেন যে, এনসিপি পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ঢুকে গেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টে এই কথা বলেন।
পোস্টে আবু হানিফ উল্লেখ করেন, ‘শুধু জামায়াতের বিরোধিতা করার কারণে আজকে এনসিপির এই দুই নারী নেত্রীকে নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে বাদ দিয়ে দিলো। এই দুই নারী নেত্রীকে বাদ দিয়ে এনসিপি প্রমাণ করলো তারা এখন পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে।’
তিনি আরও বলেন, "এনসিপি গঠনের পর থেকেই মানুষের মধ্যে একটি ধারণা তৈরি হয়েছিলো যে এটি জামায়াত নিয়ন্ত্রিত একটি সংগঠন। নির্বাচনের সময় মানুষের ধারণা বাস্তবে প্রমাণিত হয়। জামায়াতের সাথে জোটের বিষয়ে এনসিপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের দুই সদস্য সামান্তা শারমিন ও নাহিদা সারওয়ার নিভা সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা করেছিলেন। এই দুই নারীর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো, শুধু জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নয়, বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনেও তারা সামনে ছিলেন। শুধু জামায়াতের বিরোধিতা করার কারণে আজকে এনসিপির এই দুই নারী নেত্রীকে নীতিনির্ধারণী ফোরাম থেকে বাদ দিয়ে দিলো। এই দুই নারী নেত্রীকে বাদ দিয়ে এনসিপি প্রমাণ করলো তারা এখন পুরোপুরি জামায়াতের পেটে ডুকে গেছে। কারণ এখন আর জামায়াতের বিরোধিতা করার মতো এনসিপির নীতিনির্ধারণী ফোরামে আর কেউ নেই। এর ফলে জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এনসিপি পূর্বের তুলনায় আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। তার উদ্যোগের ফলস্বরূপ, ইউক্রেনের রুশ নিয়ন্ত্রণাধীন ওলেশকি শহরে সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে উভয় দেশ। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ২৯ অক্টোবর থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হোয়াইট হাউসের একটি বিবৃতিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উভয় দেশ ওলেশকিতে সাময়িকভাবে সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে। এর ফলে শহরটিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং নির্ধারিত নিরাপদ পথের মাধ্যমে বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
দক্ষিণ ইউক্রেনের এই শহরটি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সেখানে খাদ্যসংকট পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে উঠেছে।
মেলানিয়া ট্রাম্প বিবৃতিতে উল্লেখ করেছেন, ওলেশকির পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। শহরটি যুদ্ধের সম্মুখসারিতে অবস্থান করছে, ফলে এটি বড় ধরনের বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে। সেখানে যারা বসবাস করছেন, তাদের মধ্যে অধিকাংশই বয়স্ক মানুষ। তাদের জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ, খাবার ও বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন রয়েছে।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে, রুশ বাহিনীর হাতে আটক ইউক্রেনীয় শিশুদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টায়ও মেলানিয়া ট্রাম্প সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। এবার, ওলেশকিতে মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তার উদ্যোগে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এসেছে।
সূত্র: রয়টার্স
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে, সংসদ সদস্য ড. কেরামত আলী দুস্থ, অসহায়, রোগাক্রান্ত, প্রতিবন্ধী এবং গৃহহীনদের জন্য বিশেষ অনুদান প্রদান করেছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে, উপজেলা প্রশাসন ভবনের সম্মেলন কক্ষে, অসহায় ২৫ জন ব্যক্তির মধ্যে এ অনুদান বিতরণ করা হয়। এমপি, সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এই অনুদান প্রদান করেন। তিনি ২৫ জন দুস্থ ব্যক্তির প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন।
অনুদান বিতরণের সময় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শিবগঞ্জ উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা সাদিকুল ইসলাম, নায়েবে আমীর অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, সেক্রেটারি মো: বাবুল ইসলাম এবং শিবগঞ্জ পৌরসভার আমীর আবু বকর সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
ড. কেরামত আলী অনুদান প্রদানকালে বলেন, "অত্র আসনের প্রত্যেক জন নাগরিকের দায়িত্ব আমার কাঁধে রয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, বিভিন্ন সময়ে অসহায় মানুষ সহযোগিতার আবেদন করেছেন। বরাদ্দ অনুযায়ী এবং সমস্যা বিবেচনায় আজ ২৫ জনকে এ অনুদান প্রদান করা হলো। তিনি আরও জানান, "ইতিপূর্বেও অনেক অসহায় ব্যক্তির মাঝে এমন সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।" এমপি এইভাবে সর্বাবস্থায় অসহায় জনগণের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। বরং, এই বাহিনীকে দেশের স্বার্থে এবং জনগণের কল্যাণে ব্যবহার করতে হবে। নির্বাচিত সরকারের জন্য এটি একটি গুরুতর দায়িত্ব, কারণ তাদের জবাবদিহিতা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স এসোসিয়েশনের (বাজুস) লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির শপথ বাক্য পাঠ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
পানিসম্পদমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের কোনো জবাবদিহিতা ছিল না। তারা যা ইচ্ছা তা করেছেন, যখন যা প্রয়োজন মনে করেছেন, সেটাই করেছেন। এর ফলে স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা, অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এবং সাধারণ মানুষ কেউই উপকৃত হয়নি। এজন্য ভোটের অধিকারকে অগ্রাধিকার দিয়ে আন্দোলন করতে হয়েছে। গণতন্ত্র যত শক্তিশালী হবে, ব্যবসা ও অবস্থান ততই মজবুত হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু সরকার দেশপ্রেমিক হলেই হবে না, আমাদের সকলকেই দেশপ্রেমিক হতে হবে। প্রত্যেককে দায়িত্বশীল হতে হবে। যদি স্বর্ণ ব্যবসার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা যায়, তাহলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। সেই সুযোগ তৈরির জন্য দেশের আইনশৃঙ্খলাকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। প্রতিটি ব্যবসা দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপর নির্ভরশীল। তাই আইন শৃঙ্খলাকে স্বাভাবিক রাখার জন্য আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।
বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খানের সভাপতিত্বে এবং লক্ষ্মীপুর জেলা বাজুসের চেয়ারম্যান সমীর কর্মকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন ডিস্ট্রিক মনিটরিংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট আজাদ আহমেদ, বাজুস ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, বাজুসের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, বাজুস নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মানিক, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি শংকর মজুমদার, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি স্বপন চন্দ্র নাথ, সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ