ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

রাষ্ট্রপতি দেশের বিশাল যুবশক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানালেন


রাষ্ট্রপতি দেশের বিশাল যুবশক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান জানালেন

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘দেশের জনসংখ্যার কাঠামোতে সবচেয়ে বড় অংশ হচ্ছে যুবসমাজ। এটিকে বলা হয় ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ। এটি দেশের জন্য একটি বড় সম্পদ ও সুযোগ। এই বিশাল যুবশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে নিঃসন্দেহে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে।’

রাষ্ট্রপতি আজ জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: পিএসসির নতুন সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন অধ্যাপক শামীমা সুলতানা

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ এখনো স্বল্পোন্নত দেশ। স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার কথা। এ জন্য প্রস্তুতির সময় আরও তিন বছর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ, এই সময়ে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করতে হবে, যাতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।’

রাষ্ট্রপতি জানান, ‘এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে দেশের যুবসমাজ। তারাই ভবিষ্যতের প্রধান চালিকাশক্তি এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের দায়িত্বও তাদের হাতেই।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকে কর্মমুখী করতে হবে। তাদের হাতে উৎপাদনের চালিকাশক্তি তুলে দিতে হবে। রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, শুধু রাজনৈতিক বিপ্লব বা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়, একই সঙ্গে দেশকে নির্মাণও করতে হয়।

এ সময় রাষ্ট্রপতি যুব উন্নয়নে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিভিন্ন অবদান ও কার্যক্রমের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: স্পিকারের সঙ্গে ঢাকায় নরওয়ের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

দেশ ও যুবসমাজের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, যুবকদের সামনে নিয়ে আসতে হবে। দেশ গঠনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুবসমাজকে সবক্ষেত্রে সম্পৃক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং যুবসমাজের ভাগ্য পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা রাখা যাবে না।

রাষ্ট্রপতি নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের প্রশংসা করে বলেন, আমাদের তরুণ-তরুণীরা এত ভালো কাজ করছেন, দেখে অত্যন্ত আনন্দিত ও উৎসাহিত হয়েছি। তাঁরা খুব স্বল্প পুঁজি নিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও নিজেদের পণ্য উৎপাদন করছেন। দেশের বাজারের পাশাপাশি রপ্তানির ক্ষেত্রেও সাফল্য অর্জন করছেন।

তিনি বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের সাফল্যকে উল্লেখ করে বলেন, একজন নারী উদ্যোক্তা দেশীয় খাবার ও মিষ্টি তৈরি করে উল্লেখযোগ্য আয় করছেন। নিজের পরিবারকে সহযোগিতার পাশাপাশি তাঁর পণ্য বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ নিয়েছেন।

এ ধরনের সাফল্য উৎসাহব্যঞ্জক বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: নিজ উদ্যোগে খেলার মাঠ তৈরি, বাবুপুর গ্রাম হতে পারে রোলমডেল

তিনি যুব সমাজকে চাকরির পেছনে না ছুটে স্বনির্ভর ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার আহ্বান জানান। একইসাথে উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার জন্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করার কথাও বলেন।

তিনি আরো বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম রয়েছে। প্রশিক্ষণ-পরবর্তী ঋণ সহায়তার ব্যবস্থাও রয়েছে। এসব উদ্যোগকে আরও কার্যকর ও বিস্তৃত করতে হবে। প্রশিক্ষণ, ঋণ এবং অন্যান্য সহায়তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় উপযুক্ত উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে বেকারত্ব কমানো এবং আত্মনির্ভরশীল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সুযোগ পেলে একজন মানুষ নিজের অবস্থার পরিবর্তন করে অন্যদের জন্যও সম্ভাবনা তৈরি করতে পারেন। তিনি বলেন, আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এ ধরনের সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা, তাঁদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য ন্যূনতম মূলধনের ব্যবস্থা করা।

আরও পড়ুন: জ্বালানী সংকট মোকাবিলায় পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের যথাযথভাবে সহযোগিতা করা গেলে তাঁরা নিজেরাই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

একই সাথে তিনি দেশের যুব সমাজকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

যুব সমাজকে মাদকাসক্তি থেকে বেঁচে থাকার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমানে আমাদের যুবসমাজের একটি বড় সমস্যা হচ্ছে মাদকাসক্তি। তরুণদের মধ্যে মাদকের আসক্তি যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ।

তিনি বলেন, এই আসক্তি বন্ধ করতে আমাদের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন সচেতনতা সৃষ্টি, প্রচারণা এবং কার্যকর কর্মসূচি গ্রহণ।

আরও পড়ুন: পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নবীন কর্মকর্তাদের প্রতি

রাষ্ট্রপতি এ সময় নারীর প্রতি সহিংসতা, যৌতুক, বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যসহ সকল সামাজিক অনিয়মের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, আমি মনে করি, এসব সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুবসমাজের আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন।

নিজেদের উদ্যোগে এবং প্রতিটি অঞ্চলে সংগঠন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম গড়ে তুলতে হবে, যাতে সমাজকে নষ্ট করে এমন সব নেতিবাচক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা যায়।

দেশে বায়োগ্যাস উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বায়োগ্যাস প্রকল্পের ধারণাটি অনেক পুরোনো হলেও এটি অত্যন্ত কার্যকর ও উপযোগী। বর্তমানে আমরা যে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছি, বায়োগ্যাসের ব্যবহার বাড়ানো গেলে সেই চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিবেশবান্ধব জ্বালানি প্রকল্প সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: হামে ২ জনের মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৪১৭

জাতীয় যুব পুরস্কারপ্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, আপনাদের এই অর্জন ও সাফল্য দেশের অন্য তরুণ-তরুণী ও যুবকদের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বক্তব্য শেষে রাষ্ট্রপতি জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী জব ফেয়ার এবং দেশব্যাপী স্থাপিত বায়োগ্যাস প্ল্যান্টসমূহের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এর আগে তিনি জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে যুব পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল খায়ের ভূঁইয়া এবং মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান।

অনুষ্ঠানে যুব কার্যক্রমের ওপর নির্মিত ভিডিও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন স্টল ও যুবমেলা পরিদর্শন করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গত সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে ১৩.৮৮ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


গত সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে ১৩.৮৮ শতাংশ

ঢাকা, ১ নভেম্বর ২০২৬ : দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে প্রধান সূচকগুলোর পতন ঘটলেও লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সপ্তাহটিতে আগের সপ্তাহের তুলনায় দৈনিক গড় লেনদেন ১৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে গেছে। তবে বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, লেনদেনের পরিমাণ প্রত্যাশিত পর্যায়ে নিয়ে যেতে দৈনিক গড় লেনদেন অন্তত ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা প্রয়োজন।

ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৪৫০ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে এই পরিমাণ ছিল ৩৯৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। গত সপ্তাহে পাঁচ কার্যদিবসে মোট লেনদেন হয়েছে ২ হাজার ২৫০ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যেখানে আগের সপ্তাহে তিন কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ১৮৫ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাসসকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। দেশের অর্থনীতির আকার ও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের কম লেনদেন প্রত্যাশিত নয়। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে, তবে তা এখনও বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমে যাওয়ার মতো তেমন খারাপ পরিস্থিতি নেই। ব্যাংকিং খাত ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে এবং পুঁজিবাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে বাজারের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

এদিকে, গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহ শেষে এই সূচক ছিল ৫ হাজার ৪৫০ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট।

একই সময়ে, ডিএস৩০ সূচক ১৬ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ কমে ২ হাজার ৮৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে নেমেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ১৯ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫০ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে রয়েছে। তবে এসএমই সূচক ডিএসএমইএক্স ৬ দশমিক ৪ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে ৯৭০ দশমিক ৮১ পয়েন্টে উঠেছে।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৮৭ কোটি ১৩ লাখ শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যেখানে আগের সপ্তাহে এ পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি ৭৩ লাখ শেয়ার। অর্থাৎ, টাকার অঙ্কে লেনদেনের পাশাপাশি শেয়ার কেনাবেচার পরিমাণও বেড়েছে।

তবে, দরবৃদ্ধির চেয়ে দরপতনের প্রবণতা ছিল বেশি। সপ্তাহজুড়ে ১০৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ২৫টির দাম অপরিবর্তিত ছিল এবং ২৫০টির দাম কমেছে। এ সময়ে ২৭টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়নি।

এছাড়া, গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৭৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, এসএমই বোর্ডে ১২ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, অলটারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে ৫২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ৩০ কোটি ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশের অর্থনীতির আকার প্রায় অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এই বিবেচনায় পুঁজিবাজারে দৈনিক ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হওয়া প্রত্যাশিত। যদি এ পর্যায়ে লেনদেন না পৌঁছায়, তবে বিনিয়োগকারী, তালিকাভুক্ত কোম্পানি এবং পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠান—কোনো পক্ষের জন্যই বাজার টেকসই হবে না।

বাজারে লেনদেন বাড়াতে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড দ্রুত মূল বোর্ডে আনার উদ্যোগ বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তার মতে, বন্ডগুলো মূল বোর্ডে এনে লেনদেন নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও বাড়বে।

সাইফুল ইসলাম বলেন, বন্ডের তুলনামূলক বেশি সুদের হার ও সহজে কেনাবেচার সুযোগ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে। যদি কোনো বিনিয়োগকারী প্রায় ১৩ শতাংশ মুনাফার সুযোগ পায় এবং প্রয়োজনের সময় সহজে বন্ড বিক্রি করতে পারে, তবে তাতে তার আগ্রহ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বন্ড মূল বোর্ডে আনার বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এ ক্ষেত্রে সফটওয়্যার সংশোধনের কিছু প্রক্রিয়াগত বিষয় রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবহৃত সফটওয়্যারটি একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা হওয়ায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তনে কিছুটা সময় লাগছে।’

তবে চলতি বছরের মধ্যেই বন্ডগুলো মূল বোর্ডে লেনদেনের জন্য আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ডিবিএ সভাপতি।

তিনি আরও বলেন, পুঁজিবাজার ও সামগ্রিক অর্থনীতি বর্তমানে পুনরুদ্ধারের পর্যায়ে রয়েছে। এ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে বাজার সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ফেসবুকে অস্ত্রসহ ভিডিও প্রকাশে চার কিশোর গ্যাং সদস্য আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


কুমিল্লায় ফেসবুকে অস্ত্রসহ ভিডিও প্রকাশে চার কিশোর গ্যাং সদস্য আটক

কুমিল্লা, ১ নভেম্বর ২০২৬ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেশীয় অস্ত্র হাতে থাকা কিশোর-তরুণদের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় পুলিশ কিশোর গ্যাংয়ের চার সদস্যকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে ÔSBSÕ নামে পরিচিত কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য এবং ÔCTGÕ নামের একটি গ্রুপের একজন অ্যাডমিন রয়েছেন। এ তথ্য আজ কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. লুৎফর রহমান জানিয়েছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতকাল শনিবার (৩১ অক্টোবর) সদর দক্ষিণ মডেল থানার ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির আওতাধীন টমছম ব্রিজ এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনের ছাদে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দলের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। জেলা পুলিশের নজরে আসার পর সদর দক্ষিণ মডেল থানার একটি অভিযানিক দল ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তের কাজ শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর দক্ষিণ থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ÔSBSÕ গ্রুপের তিন সদস্য এবং ÔCTGÕ গ্রুপের একজনসহ মোট চারজনকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা পুলিশকে জানিয়েছেন, গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল। নিজেদের অবস্থান জানান দিতেই তারা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন কর্তব্যরত পুলিশ।

আটককৃতদের মধ্যে ÔSBSÕ গ্রুপের সদস্য মো. হাবিব (১৭), ইয়াছিন আহমেদ আকাশ (১৭) ও হাবিব (১৭) রয়েছেন। অপরজন ÔCTGÕ গ্রুপের অ্যাডমিন মো. শাওন (১৯)।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আটক তিন কিশোরের বর্তমান ঠিকানা সদর দক্ষিণ উপজেলার উনাইসার এলাকা। তাদের স্থায়ী ঠিকানা নরসিংদী, হবিগঞ্জ ও কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় অবস্থিত। অপরদিকে শাওনের স্থায়ী ঠিকানা বরুড়া উপজেলা হলেও বর্তমানে তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ডের উনাইসার এলাকায় বসবাস করছেন।

পুলিশ জানায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটির সূত্র ধরে তাদের শনাক্ত করে আটক করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভায় ১০ কোটি টাকায় পানি শোধনাগার স্থাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


মুন্সীগঞ্জ পৌরসভায় ১০ কোটি টাকায় পানি শোধনাগার স্থাপন

মুন্সীগঞ্জ, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের ৩৭ জেলা শহরে পানি শোধনাগার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা বিশুদ্ধ ও সুপেয় পানির চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে। মুন্সীগঞ্জ পৌর এলাকার চাহিদা মেটাতে ১০ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকা ব্যয়ে নির্মিত পানি শোধনাগারটি নিরাপদ সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এই শোধনাগার প্রতিদিন ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি শোধন করে পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করবে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার আয়তন প্রায় ১৭.৭৪ বর্গকিলোমিটার। এখানে ১ লাখ জনসংখ্যা রয়েছে এবং পৌরসভায় প্রায় ২৫ হাজার পরিবার বাস করে। পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে পাইপলাইনে সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা নেই। প্রতিদিন পানির চাহিদা প্রায় ৩৩ লাখ গ্যালন, কিন্তু সরবরাহ করা হয় মাত্র ২৩.০৫ লাখ গ্যালন।

মুন্সীগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৗশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর বাসসকে জানান, ২০১৮ সালে মুন্সীগঞ্জ শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে হাটলক্ষীগঞ্জ এলাকায় পানি শোধনাগার স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ১০ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পানি শোধনাগারটি সুপেয় পানির ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মুন্সীগঞ্জ শহরের সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর পানি তুলে এনে প্রতিদিন ৩ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি শোধন করে পৌর এলাকার বাসিন্দাদের পাইপলাইনে সরবরাহ করা হবে। শোধনাগারটির নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে পানি সরবরাহ শুরু করা হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে। নদী থেকে শোধন করে সরবরাহ করা পানি বিশুদ্ধ, নিরাপদ, স্বাস্থ্য সম্মত এবং আয়রন মুক্ত হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর জানান, বাকি থাকা কিছু চলমান কারিগরি কাজ শেষ হলে প্রকল্পটি পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পৌর কর্তৃপক্ষকে শোধনাগারটি বুঝে নিতে অবহিত করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (পানি) মো. আনিসুর রহমান বাসসকে বলেন, বর্তমানে পৌরসভায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার পানির লাইন রয়েছে, যা জনসংখ্যা এবং এলাকার তুলনায় অপর্যাপ্ত। পানি শোধনাগার প্রকল্পটি চালু হলে পৌর এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটার নতুন লাইন সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে, যা পাইপ লাইনে সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতি করবে। এতে পৌর এলাকার আরো ৫ শতাধিক পরিবার উপকৃত হবে।

জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক মো. আরিফ উল ইসলাম বাসস’কে বলেন, পানি শোধনাগার থেকে শহরের পাইপলাইনে পানি সরবরাহ শুরু হলে পৌরবাসী নিরাপদ এবং আর্সেনিক ও আয়রন মুক্ত সুপেয় পানি পাবে। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত প্রকল্পটি চালু করে পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানান।

গনকপাড়া নিবাসী প্রধান শিক্ষক মো. মাহবুবুর রহমান বাসসকে বলেন, পানি শোধনাগারটি চালু হলে পাইপলাইনে পানি সরবরাহের উন্নতি হবে। তবে পানি উন্নয়ন কর যেন বৃদ্ধি করা না হয়, সে দিকে পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি রাখতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা চালু করেছে ব্র্যাক ব্যাংক, যা গ্রাহককেন্দ্রিক ও সম্পর্কভিত্তিক ব্যাংকিং সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যাংকের প্রথাগত (শাখা/উপশাখা) এবং ডিজিটাল সেবার চ্যানেলগুলোকে একত্রিত করা হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা এখন আরও ধারাবাহিক, নিরবচ্ছিন্ন এবং পারসোনালাইজড ব্যাংকিং সেবা উপভোগ করতে সক্ষম হবেন।

ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় গ্রাহকরা কখন, কোথায় এবং কীভাবে ব্যাংকিং করবেন, সেই বিষয়ে পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারবেন।

আজ ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিংয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান, ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব এসএমই ব্যাংকিং সৈয়দ আব্দুল মোমেন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব রিটেইল ব্যাংকিং মো. মাহীযুল ইসলাম এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব ব্রাঞ্চ ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক শেখ মোহাম্মদ আশফাক।

ব্র্যাক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেহেরিয়ার এম. হাসান বলেন, ‘গ্রাহককেন্দ্রিক আর্থিক সেবার ক্ষেত্রে ওমনিচ্যানেল ব্যাংকিং দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তর। এটি ডিজিটাল সুবিধা ও মানুষকেন্দ্রিক সেবাকে একই সুতোয় গেঁথেছে। বাংলাদেশের মানুষের প্রয়োজন ও আচরণের সাথে বৈশ্বিক ব্যাংকিংয়ের আধুনিক রীতিনীতির সমন্বয় ঘটিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক সেবার মান, সহজলভ্যতা ও গ্রাহক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগটি সকল সেবার কেন্দ্রে গ্রাহকদের রাখা এবং ব্যাংকিং খাতের ডিজিটাল রূপান্তরকে এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আমাদের ব্যক্ত করা প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।

তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ লুকিয়ে আছে গ্রাহকদের আরও ভালোভাবে বোঝা এবং তাদের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতাকে তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার সুবিধার মধ্যে।’

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ব্যক্তিকেন্দ্রিক সহায়তার মেলবন্ধনে আমরা নির্দিষ্ট কোনো চ্যানেলের মধ্যে আবদ্ধ না থেকে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সমন্বিত ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা তৈরি করছি। আমাদের লক্ষ্য হলো, গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিংকে আরও সহজ, দ্রুত ও সুবিধাজনক করার পাশাপাশি গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ও সম্পর্কের ভিতকে আরও মজবুত করা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, নতুন এই মডেলে ব্যাংকের শাখা, কল সেন্টার এবং ডিজিটাল চ্যানেলগুলোকে একটি সমন্বিত সার্ভিস ইকোসিস্টেমের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। গ্রাহকরা এখন যেকোনো একটি চ্যানেলে তাদের ব্যাংকিং জার্নি শুরু করে কোনো ঝামেলা ছাড়াই অন্য যেকোনো চ্যানেলে সেটি চালিয়ে যেতে বা শেষ করতে পারবেন।

এই উদ্যোগটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কৌশলগত পরিবর্তনের প্রতিফলন, যেখানে ব্যাংকটি সাধারণ ট্রানজ্যাকশন-ভিত্তিক ব্যাংকিং থেকে বেরিয়ে রিলেশনশিপ-ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের ওপর জোর দিচ্ছে।

আধুনিক প্রযুক্তি, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং ব্যাংক প্রতিনিধির সহায়তার সমন্বয়ে গ্রাহকদের প্রয়োজন আরও ভালোভাবে বোঝা এবং সেই অনুযায়ী সেবা দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সব চ্যানেলে গ্রাহক তথ্য ও সেবা প্রক্রিয়াকে যুক্ত করার মাধ্যমে ব্র্যাক ব্যাংক ব্যাংকিংকে আরও অধিকতর গ্রাহককেন্দ্রিক, সহজলভ্য এবং ব্যক্তিচাহিদা উপযোগী করে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই নতুন ব্যবস্থার একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, যেকোনো মাধ্যমে গ্রাহকের তথ্য ও পূর্ববর্তী যোগাযোগের বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে। এর ফলে ব্যাংকের সেবাপ্রদানকারী কর্মকর্তারা গ্রাহকের আগের কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবেন এবং গ্রাহকদের আরও নিখুঁত ও দ্রুত সেবা দিতে পারবেন।

ব্র্যাক ব্যাংকের এই ওমনিচ্যানেল কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো গ্রাহক সম্পৃক্ততা বাড়ানো, সেবাদান প্রক্রিয়াকে উন্নত করা, নতুন গ্রাহক তৈরিতে সহায়তা করা এবং গ্রাহকদের সাথে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক স্থাপন করা।

সুশাসন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং সেবার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখে ব্যাংকিংকে আরও সহজ ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে ব্র্যাক ব্যাংক নিজেদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%