ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধদের চিকিৎসার অগ্রগতি জানতে বার্ন ইউনিটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী


সেলুন বিস্ফোরণে দগ্ধদের চিকিৎসার অগ্রগতি জানতে বার্ন ইউনিটে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রাজধানীর গুলিস্তানের আলু বাজার এলাকায় একটি সেলুনে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের দেখতে আজ সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) তিনি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন নাছির, যুগ্ম পরিচালক ডা. ইকবাল আহমেদ, আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান এবং আহতদের স্বজনরা।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

গত ১৪ জুলাই দিবাগত রাত ১টার দিকে গুলিস্তানের ওই সেলুনে বিস্ফোরণের ঘটনায় ১০ জন অগ্নিদগ্ধ হন। হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাছির উদ্দীন জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে ৩ জনের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে এবং তাদের অবস্থার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শনকালে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। এর সঙ্গে তিনি সরকারিভাবে সব ধরনের সহায়তার নিশ্চয়তা প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে হামলা-ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৪ পি.এম


ভারতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে হামলা-ভাঙচুর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সুভাস গ্রামের একটি নির্মাণাধীন চার্চে হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে জানা যায়, একদল ব্যক্তি ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে চার্চে প্রবেশ করে ক্রস, দরজা ও পিলার ভাঙচুর করে। এছাড়া, তারা খ্রিস্টান পরিবারগুলোকে হুমকি দেয়।

বিবিসি বাংলার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৫ জুলাই দুপুরে বুড়িবরতলা এলাকার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলাকারীরা চার্চের ওপর স্থাপিত তিনটি ক্রস ভেঙে ফেলে এবং নির্মাণাধীন স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা শিউলি ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা খ্রিস্টান পরিবারগুলোর নাম ও ফোন নম্বরের তালিকা দাবি করেছিল। তাদের দাবি ছিল, পানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। তাদের দাবির মধ্যে ছিল, হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় চার্চ নির্মাণ অগ্রহণযোগ্য। পাশাপাশি, অর্থের বিনিময়ে ধর্মান্তরের অভিযোগও তোলা হয়।

আরেক বাসিন্দা বর্ণালি ভূঁইয়া হামলাকারীদের একটি বক্তব্য শেয়ার করে বলেন, হামলাকারীরাও দাবি করেছে শাখা-সিঁদুর পরার অধিকার শুধুই হিন্দু নারীদের। তিনি আরও মন্তব্য করেন, “আমরা যদি অর্থের বিনিময়ে ধর্মান্তরিত হতাম, তাহলে আজও ঝুপড়ি ঘরে থাকতে হতো না।” অন্যদিকে, হামলাকারীরা চার্চের ক্রস ভাঙার সময় তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করে।

স্থানীয়দের দাবি, হামলাকারীরা নিজেদের ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চ’-এর কর্মী হিসেবে পরিচয় দেয়। তবে সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক তাপস বারিক বলেন, তিনি নিশ্চিত নন তাদের কোনো সদস্য ওই ঘটনায় জড়িত ছিল কি না। কিন্তু তিনি এক্ষেত্রে জোরপূর্বক বা প্রলোভনের মাধ্যমে ধর্মান্তরের বিরোধিতা করেন।

অন্যদিকে, খ্রিস্টান সংগঠনগুলো ধর্মান্তরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ জানায়, সম্পত্তি নষ্ট, অনধিকার প্রবেশ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত বর্তমানে চলছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনজনকে আটক করা হলেও পুলিশ এখনও কোনো গ্রেপ্তারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

এদিকে, খ্রিস্টান কল্যাণ সংস্থা বঙ্গীয় খ্রিষ্টীয় পরিষেবা দাবি করেছে, এটি বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হেরোদ মল্লিক জানান, গত দুই সপ্তাহে পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান সহ বিভিন্ন এলাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর অন্তত চারটি বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। সংগঠনটি জানায়, এসব ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই আন্দোলন ঘিরে ম র দেহ নদীতে ভাসানোর তথ্য পেল ট্রাইব্যুনাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


জুলাই আন্দোলন ঘিরে ম র দেহ নদীতে ভাসানোর তথ্য পেল ট্রাইব্যুনাল

জুলাই আন্দোলনের সময় একটি হাসপাতাল থেকে কিছু মরদেহ নদীতে ভাসানোর তথ্য পাওয়া গেছে, বলে জানান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বুধবার (১৫ জুলাই) রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের গণকবর পরিদর্শন শেষে এ বিষয়টি বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ শহীদের সবার পরিচয় শনাক্ত করা হবে এবং তাদের হত্যাকারীদের বিচারের নিশ্চয়তা দেওয়া হবে। তিনি এছাড়া বলেন, "আমরা জুলাই আন্দোলনের সময় একটি হাসপাতাল থেকে কিছু মরদেহ নদীতে ভাসানোর তথ্য পেয়েছি।" বিজ্ঞপ্তির তদন্ত এ বিষয়ে চলছে। পাশাপাশি এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদেরও বিচার করতে হবে।

তিনি আরও জানান, ঢাকার মাতুয়াইল, জুরাইন, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জে জুলাই আন্দোলনে নিহতদের গণকবরের সন্ধান পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

এছাড়া আমিনুল ইসলাম দাবি করেন, জাতিসংঘ ঘোষিত নিহতের সংখ্যা থেকে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা বেশি হতে পারে। এই বিষয়টি উদঘাটনের জন্য ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা তদন্ত করে চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগ নেতা টাকা নিয়ে উধাও, সমবায় সমিতির দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


আ.লীগ নেতা টাকা নিয়ে উধাও, সমবায় সমিতির দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

সিলেটের বিয়ানীবাজারের শাহজালাল সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডের টাকা আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠান প্রধান আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নান মিন্টু পালিয়ে এসেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে সমিতির দুই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে নতুন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির।

গ্রেপ্তার হওয়া দুই কর্মকর্তার পরিচয় হলো- বিয়ানীবাজার উপজেলার মাথিউরা ইউনিয়নের মাথিউরা দুধবকশী গ্রামের খালেদা বেগম এবং বিয়ানীবাজার পৌরসভার নয়াগ্রামের খয়রুল ইসলাম। তাদের মধ্যে খালেদা বেগম হলেন সমিতির ক্যাশিয়ার এবং খয়রুল ইসলাম রিসিপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত।

তাহেরা পারভীন শেফা নামে একজন ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় পৌর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে আব্দুল মান্নান মিন্টুর নাম রয়েছে, এবং খয়রুল ইসলাম ও খালেদা বেগম ২ ও ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

এটা জানা গেছে যে, পৌরশহরের কলেজ রোডে প্রতিষ্ঠিত শ্রেণির সমিতি বেশ কয়েক বছর ধরে বিয়ানীবাজারসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলার হাজার হাজার গ্রাহক সংগ্রহ করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অধিক মুনাফা ও আকর্ষণীয় লাভাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আমানত সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রথম অবস্থায় নিয়মিত লাভাংশ পরিশোধ করা হলেও পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি নানা অজুহাতে অর্থ ফেরত দেওয়া বন্ধ করে দেয়।

অভিযোগ উঠেছে যে, গত year's ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে সমিতির কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে গেছে। এরপর থেকে আমানতকারীরা বারবার অফিসে গেলেও তাদের জমা টাকা কিংবা প্রতিশ্রুত লাভাংশ ফেরত পাচ্ছেন না। অনেক ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, টাকা চাইতে গেলে তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হইয়েছে। এমনকি কয়েকজন মারধরের শিকারও হয়েছেন।

মামলার বাদী তাহেরা পারভীন শেফা গণমাধ্যমকে বলেন, "আমি এক প্রতিবন্ধী বোন ও একমাত্র ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করছি। কষ্টার্জিত টাকা মিন্টু স্যারের কথায় শাহজালাল সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতিতে ডিপোজিট করেছিলাম। বিগত দুই বছর থেকে সেই টাকা পাওয়ার আশায় বারবার অফিসে ধর্না দিয়েও মেলেনি। তাই বাধ্য হয়ে আমি কোর্টে মামলা করেছি।"

তিলপাড়া ইউনিয়নের দাসউরা গ্রামের ভুক্তভোগী হলেন সিদ্দিক আহমদ। তিনি বলেন, "আমি দীর্ঘদিন সৌদে ছিলাম। সেখানে অবস্থানকালীন সময়ে শাহজালাল সঞ্চয় ও ঋণদান সমবায় সমিতি লিমিটেডে ৭-৮ লাখ টাকা সঞ্চয় করি। আমি ভেবেছিলাম, দেশে ফিরে লাভাংশসহ মূল অর্থ দিয়ে ঘরবাড়ি নির্মাণ ও বৈবাহিক কাজ সম্পন্ন করব। দেশে ফিরে তাদের অফিসে অনেকবার গিয়েও টাকা পাইনি। বরং তারা আমাকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।"

একই ইউনিয়নের আরও দুই ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন ও জয়নুল ইসলাম বলেছেন, "বিগত প্রায় দেড় বছর ধরে আব্দুল মান্নান মিন্টু ও তার অফিসের কর্মকর্তাদের পেছনে ঘুরে ২/৩ বার ৫০০/১০০০ টাকা করে পেয়েছি। কিন্তু মূলধনের দেখা নেই। আমরা এই সমিতিতে সঞ্চয় করে নিঃস্ব হয়ে গেছি। বারবার তাদের অফিসে গিয়ে আশ্বাস আর হুমকি-ধমকি ও গালিগালাজ শুনেছি।"

এই বিষয়ে জানতে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল মান্নান মিন্টুর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

ওসি আবু জাফর মোহাম্মদ মাহফুজুল কবির বলেন, "এক ভুক্তভোগীর করা মামলায় দুই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা প্রধান আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করবো। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


আবারও বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং এতে অবস্থিত ভারতের উত্তর ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি নতুন লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলি ও উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) সকালবেলা আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের সই করা এক আবহাওয়া সতর্কবার্তায় এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

লঘুচাপের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে যে সব মাছ ধরার নৌকা এবং ট্রলার রয়েছে, তাদেরকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলেছে।

বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সম্পর্কে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, এই লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপে রূপান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা কম। তবে এর প্রভাবের কারণে আগামী এক থেকে দুদিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। পরে বৃষ্টির প্রবণতা আবার কমে আসবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%