শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:২৮ পি.এম
গাজীপুরের কালীগঞ্জে অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ির ধাক্কায় নিহত হয়েছেন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান (৩০)। তিনি ছিলেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি (বিএমবি) বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে তার অকালমৃত্যুর খবর শোকের ছায়া ফেলেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলার তুমুলিয়া এলাকায় সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় রফিক মোল্লা (৪৫) নামে একজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পুলিশের অপর এক উপপরিদর্শক জাবেদ ওমর (২৮) এবং গাড়িচালক রাব্বি (২৮)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তুমুলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আহিদ মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে নিয়ে পুলিশের একটি দল থানায় ফিরছিল। পথে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ি তাদের ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে চারজন আহত হন।
পরে আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক রফিক মোল্লাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত এসআই মিজানুর রহমান ও এসআই জাবেদ ওমরকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এসআই মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়।
এদিকে, মাভাবিপ্রবির বিএমবি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এসআই মিজানুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান শিকদার।
তিনি বলেন, "ঘটনাটি জানার পর আমি খুবই মর্মাহত। তার এই অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষার্থীর অকালপ্রয়াণে শোকাহত তার সহপাঠী, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপের তিনটি দেশ থেকে ৩৫ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই ব্যক্তিদের মধ্যে ১৯ জন ইতালি থেকে, ১০ জন গ্রিস থেকে এবং ৬ জন সাইপ্রাস থেকে এসেছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তাঁরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দেশে ফেরত আসা ব্যক্তিদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে ফেরার জন্য আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
ফেরত আসা বাংলাদেশিদের সহায়তা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তাঁদের কাউন্সেলিং ও প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তাঁরা দেশে ফিরে নতুন করে জীবিকা গড়ে তুলতে সক্ষম হন।
ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, গত কয়েক বছরে ইউরোপ থেকে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ইতালি, গ্রিস ও জার্মানি থেকে আসা ব্যক্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। দেশে ফেরার পর তাঁদের জরুরি সহায়তা ও কাউন্সেলিং প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি উল্লেখ করেন, ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিত পথে ইউরোপে যাত্রা নিরুৎসাহিত করতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বৈধ পথে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের সুযোগ তৈরিতেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইউরোপে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ফেরত আনার প্রক্রিয়া সহজ করতে ২০১৭ সালে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরস (এসওপি) চুক্তি করে বাংলাদেশ সরকার। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ ব্যবস্থার আওতায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক এসেছেন সাইপ্রাস, ইতালি, রোমানিয়া ও ফ্রান্স থেকে।
অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অনিয়মিত পথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকে প্রতারণা, আর্থিক ক্ষতি, মানবপাচার ও জীবনহানির ঝুঁকিতে পড়েন। এ কারণে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ পথ অনুসরণ, ভিসা ও কাজের অনুমতিপত্র যাচাই এবং নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাবুগঞ্জে মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা হারুন অর রশিদ মোল্লা আজ দুপুর ৩টায় সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে সস্ত্রীক পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য যাত্রা করবেন।
হারুন অর রশিদ মোল্লার প্রতিষ্ঠিত হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চিকিৎসাসেবায় সহায়তা প্রদান, দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, মসজিদ-মাদ্রাসায় সহযোগিতা এবং ছিন্নমূল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশনটির কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে সমাজের অসচ্ছল মানুষের প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁদের পাশে দাঁড়ানো।
মানবিক এসব কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় হারুন অর রশিদ মোল্লা সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তাঁর এই পবিত্র সফর উপলক্ষে বাবুগঞ্জ উপজেলার সকল স্তরের মানুষের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
তিনি ও তাঁর স্ত্রী যেন নিরাপদে সৌদি আরবে পৌঁছে নির্বিঘ্নে পবিত্র ওমরাহ পালন করতে পারেন এবং ইবাদত শেষে সুস্থভাবে দেশে ফিরে আসতে পারেন, সে জন্য এলাকাবাসীসহ সবার কাছে দোয়া কামনা করেছেন। মহান আল্লাহ যেন তাঁদের পবিত্র ওমরাহ কবুল করেন, সফর নিরাপদ ও বরকতময় করেন এবং সুস্থতার সঙ্গে ইবাদত সম্পন্ন করে দেশে ফেরার তৌফিক দান করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়াকে সামরিক বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে সীমান্তের সুনির্দিষ্ট অবস্থান যৌথভাবে নির্ধারণ এবং সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
শুক্রবার, দুই দেশের মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলে (ডিএমজেড) বিস্ফোরণের কারণে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটার পর এই প্রস্তাবটি দেওয়া হয়।
এটি সম্পর্কে খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিবিষয়ক উপপ্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম হং-চল সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক বৈঠকের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছি, যার উদ্দেশ্য হলো স্থলসীমান্তের সামরিক বিভাজনরেখার (এমডিএল) সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিশ্চিত করা, সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা পুনরায় চালুর উপায় নিয়ে আলোচনা করা এবং সীমান্ত এলাকায় অনাকাক্সিক্ষত সংঘর্ষ প্রতিরোধ করা।”
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ত্রিপক্ষীয় বৈঠক আয়োজনের সম্ভাবনাও রয়েছে, যাতে জাতিসংঘ কমান্ড অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
কিম আরও বলেন, “পানমুনজমের মাধ্যমে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ ও স্থান নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সিউল উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাবে।
গত মাসে, দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী অসামরিকীকৃত অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণ কোরিয়ার তিন সেনা আহত হন। এ বিষয়ে উত্তর কোরিয়া সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানকে উপহাসের সঙ্গে নাকচ করেছে।
১৯৫৩ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে ডিএমজেড দুই কোরিয়াকে পৃথক করে রেখেছে। এটি একটি ভারী মাইন পোঁতা বাফার অঞ্চল, যেখানে দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষ এড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন মন্তব্য করেছেন যে, পরিবারের সকল সদস্যের যত্ন নিলেও নারীরা নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যথেষ্ট মনোযোগ দেন না। লজ্জাবোধের কারণে অনেক নারী স্তনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা সমস্যা দেখা দিলেও চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ব্যাপারে দ্বিধাগ্রস্ত হন। তাই পরিবারের প্রতিটি নারী সদস্যকে নিজের প্রতি যত্নবান হওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা এবং স্তন ক্যানসার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ডাকবাংলা মোড়ে ‘গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা’ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন উল্লেখ করেন, এই গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা মূলত ঢাকা শহরকেন্দ্রিক ছিল। তবে স্তন ক্যানসার সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে ২০২০ সালের পর থেকে ঢাকার বাইরেও এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। স্তন ক্যানসার সচেতনতার বার্তা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, বাঙালি নারীরা পরিবারের সবার প্রতি যত্নবান হলেও অনেক সময় নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে অবহেলা করেন। আবার লজ্জাবোধের কারণে অনেকে স্তন ক্যানসারের লক্ষণ দেখা দিলে তা গোপন রাখেন। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে নারীদের নিজের শরীরের প্রতি সচেতন হতে হবে এবং কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
স্তন ক্যানসার বিষয়ে জনসচেতনতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখে ‘গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা’ শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে শ্রীনগর উপজেলার ডাকবাংলা মোড় থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় স্থানীয় মানুষের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশসহ স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করা অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। গোলাপি রঙে সজ্জিত একটি বিশেষ বাসে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, বিশেষজ্ঞ সার্জন, ক্যানসারজয়ী ব্যক্তি, সংগঠক ও সংস্কৃতিকর্মীরা এ অভিযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
প্রথম দিনের কর্মসূচিতে শ্রীনগর, ভাঙ্গা, টেকেরহাট, রাজৈর, কালকিনি, টরকী বন্দর, গৌরনদী, বাটাজোর, শিকারপুর ও উজিরপুর হয়ে বরিশালে পৌঁছানোর কথা রয়েছে শোভাযাত্রাটির। নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও লিফলেট বিতরণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের বরিশালে রাত্রিযাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পরবর্তী ধাপে বরিশাল থেকে যাত্রা শুরু করে নলছিটি, ঝালকাঠি, দুর্গাসাগর, বানারীপাড়া, বাবুগঞ্জ, রহমতপুর, মস্তফাপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর ও নড়িয়াসহ প্রায় ৪০টি ছোট-বড় জনপদে প্রচার কার্যক্রম চালানো হবে। স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পথসভা ও প্রচারপত্র বিতরণ শেষে শোভাযাত্রাটি ঢাকায় ফিরে আসবে।
শোভাযাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ স্তন ক্যানসার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী ও ক্যানসার রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ