মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৫ পি.এম
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী (১৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাঁচ দিন ধরে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে ভুক্তভোগীর বাবার দায়ের করা মামলায় পুলিশ অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে, তবে মূল অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের হাসানপুর গ্রামের মো. জাহেদ আহমেদ (২৪), রাজনগর উপজেলার খারপাড়া গ্রামের রাজু আহমেদ (২২) এবং একই উপজেলার বাহাদুরগঞ্জ গ্রামের জুবেল মিয়া (৩০)। মামলার অপর আসামি, রাজনগর হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা কবির (৩০), এখনও পলাতক রয়েছে। এদিকে, ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, প্রধান অভিযুক্ত জাহেদ আহমেদের সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিকালে তাকে ফুসলিয়ে বাড়ি থেকে বের করে নেওয়া হয়। পরে মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনীঘাট থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজনগরের বাহাদুরগঞ্জে আসামি জুবেল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে সহযোগীদের সহায়তায় রাতভর ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
এরপর ১৩ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রধান অভিযুক্ত জাহেদের বাড়িতে আটক রেখে ওই ছাত্রীর ওপর নির্যাতন চালানো হয়। টানা নির্যাতনের ফলে ছাত্রীটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে আসামিরা তাকে কমলগঞ্জের রহিমপুর ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর কমলগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর ভোরে পৃথক স্থান থেকে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেফতার করে।
কমলগঞ্জ থানার ওসি কমর উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পলাতক আসামি কবিরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি কঠোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর উড়াল সম্পূর্ণরূপে থামিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে।
আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে আন্তর্জাতিক আকাশে ইরানি বিমানগুলোর কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। মার্কিন সরকারের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যদি কোনো দেশের বিমানবন্দর বা কোম্পানি ইরানি বিমানকে জ্বালানি, ল্যান্ডিং বা টিকিট বিক্রির মতো সুবিধা প্রদান করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন অর্থমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সারা বিশ্বে ইরানের সব এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাবে। যে বিমানবন্দর বা বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর সহায়তা করবে, তাদেরকে আন্তর্জাতিক ডলার লেনদেন ব্যবস্থার বাইরে রাখা হবে। এর অর্থ হলো, মার্কিন ডলারের সুবিধা হারালে ওই বিদেশি কোম্পানিগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবং ইরানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সংঘাত ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের ওপর এই নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে আমেরিকা ইরানের বাকি থাকা সব এয়ারলাইন্স এবং তাদের যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। বহু বছর ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি এয়ারলাইন্সগুলো নতুন বিমান কেনা বা পুরনো বিমানের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
আমেরিকার ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা থেকে একঘরে করার যে বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে, এটি তার একটি অংশ। জ্বালানি, জাহাজ চলাচল, প্রযুক্তি বা সোনা—যেকোনো খাতে ইরানের সাথে ব্যবসা করা বিদেশি কোম্পানিগুলোর ওপর এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা একটি বড় ধাক্কা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের আগে চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হি লিফেংয়ের সাথে বৈঠক করেন স্কট বেসেন্ট। চীন ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক বন্ধু। তাই ইরানকে কোণঠাসা করার এই প্রক্রিয়ায় বেজিংয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সাথে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং চীন এতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকা বর্তমানে দীর্ঘদিনের তীব্র বায়ুদূষণের চিত্র থেকে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছে। বৈশ্বিক বায়ুমান সূচকের তালিকায় শহরটির অবস্থান এখন ৩৯ নম্বরে নেমে এসেছে। ঢাকার বাতাসের স্কোর বর্তমানে ৬১, যা ‘মাঝারি’ বা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে, আজও বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বায়ুমান সূচক (এএকিউআই) ২০৭, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নির্দেশ করে।
আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান আজ ৩৯; এর বায়ুমান স্কোর ৬১, যা ‘মাঝারি বা সহনীয়’ পর্যায়ের নির্দেশক। তবে, বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় পাকিস্তানের লাহোর আজ শীর্ষে রয়েছে। শহরটির বায়ুমান স্কোর ২০৭, অর্থাৎ এখানকার বাতাসও ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
একই সময়ে, ভারতের দিল্লি ১৯১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দূষণের দিক থেকে ১৮৬ স্কোর নিয়ে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। চতুর্থ স্থানে ১৫৭ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং অবস্থান করছে। ১৫১ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতা শহর। এছাড়া, ১১৪ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা রয়েছে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘বায়ুর মান ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর বিবেচিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টের মতো আরও কিছু গণমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি জানান।
এর আগে, হোয়াইট হাউসে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো নামক সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এই তিনটি গণমাধ্যমের দাবি, তাদের সংবাদ পরিবেশনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধিকার লঙ্ঘন করে।
স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি দাখিল করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রাম্পের অস্বীকৃত সংবাদ প্রকাশের কারণে গণমাধ্যমগুলোকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয় এবং শুধুমাত্র প্রশংসামূলক সংবাদ প্রকাশকারী গণমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যায় না। তারা সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণের ‘সাম্প্রতিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য’ পাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করেছে।
সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো একটি যৌথ বিবৃতিতে জানায়, কোনো ধরনের নোটিশ বা প্রক্রিয়া ছাড়া তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতিপত্র বাতিল করা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, এই পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ না করলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার হুমকির মুখে পড়বে।
গণমাধ্যমগুলো জানায়, তারা তাদের প্রথম সংশোধনী অধিকার রক্ষা করতে এবং সরকার যাতে সংবাদমাধ্যম কী প্রকাশ করবে তা নির্ধারণ করতে না পারে, এই নীতির প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছে যে, এই মামলার দ্রুত শুনানি হবে।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো জবাব দেয়নি।
তবে মামলার পর, সোমবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি দাবি করেন, তার সরকার ‘মুক্ত সংবাদমাধ্যমের’ ওপর আক্রমণ করছে না, বরং ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যমের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি এসব গণমাধ্যমকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও উল্লেখ করেন, তবে এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
ট্রাম্প এর আগে শুক্রবার সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো-কে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। শনিবার, এসব প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তাদের প্রবেশপত্র বাতিল বা জব্দ করা হয়।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, অন্য কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার কারণে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। তিনি ভবিষ্যতে নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টের মতো আরও গণমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা প্রকাশ করেন।
ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন সমালোচনা করেছে। তারা সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
গত বছর এপি ও রয়টার্সের সাংবাদিকদের প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন কর্মসূচি কভার করা সাংবাদিকদের দলে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এপি এ বিষয়ে আলাদাভাবে মামলা করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৌসুমি অসুস্থতার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। জীবাণুর সংক্রমণ কমাতে একটি সহজ অভ্যাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, যা হলো নিয়মিত হাত ধোয়া।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘকাল ধরেই হাত ধোয়ার গুরুত্বকে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণুর সংস্পর্শ কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে চিহ্নিত করে আসছেন।
কেন ছড়ায় মৌসুমি রোগ?
কোনো অসুস্থ ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, তখন জীবাণু আশপাশের বিভিন্ন পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের কিবোর্ড, ডেস্ক এবং নিয়মিত স্পর্শ করা অন্যান্য জিনিসে এসব জীবাণু জমা হতে পারে।
এছাড়া, কাশি বা হাঁচির সময় কেউ যদি মুখ বা নাক ঢেকে পরে বিভিন্ন জিনিস স্পর্শ করে, তবে জীবাণু তার হাতেও লেগে যায়। পরে সুস্থ কোনো ব্যক্তি সেই দূষিত বস্তু স্পর্শ করলে নিজের নাক, মুখ বা চোখে হাত দিলে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়।
কীভাবে উপকার করে হাত ধোয়া?
মৌসুমি অসুস্থতার জন্য দায়ী কিছু ভাইরাস বিভিন্ন পৃষ্ঠে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এর ফলে নিয়মিত স্পর্শ করা বস্তুগুলোর মাধ্যমে এসব জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।
নিয়মিত হাত ধোয়া হাতে থাকা জীবাণু দূর করতে সাহায্য করে, ফলে তা মুখে পৌঁছানোর আগেই অপসারণ করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে অসুস্থ ব্যক্তি থেকে অন্যদের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাত ধোয়ার সঙ্গে শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমার সম্পর্ক রয়েছে। এক গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের দিনে অন্তত পাঁচবার হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং দুই বছর ধরে তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, যারা নিয়মিত হাত ধুয়েছেন তাদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতার হার ৪৫ শতাংশ কম ছিল।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাত ধোয়া সংক্রমণ প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলেও এটি শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করে না। অসুস্থতা প্রতিরোধে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা প্রয়োজন।
সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়ম
কার্যকরভাবে হাত ধোয়ার জন্য সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো—
কখন হাত ধোয়া উচিত?
প্রতিদিন কতবার হাত ধোয়া প্রয়োজন, তার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই। তবে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি থাকে এমন সময়ে অবশ্যই হাত ধোয়া উচিত। যেমন—
বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে মৌসুমি সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
সূত্র: সামা টিভি অনলাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ