প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি কঠোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর উড়াল সম্পূর্ণরূপে থামিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে।
আগামী বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে আন্তর্জাতিক আকাশে ইরানি বিমানগুলোর কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। মার্কিন সরকারের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, যদি কোনো দেশের বিমানবন্দর বা কোম্পানি ইরানি বিমানকে জ্বালানি, ল্যান্ডিং বা টিকিট বিক্রির মতো সুবিধা প্রদান করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন অর্থমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সারা বিশ্বে ইরানের সব এয়ারলাইন্সের কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাবে। যে বিমানবন্দর বা বিদেশি প্রতিষ্ঠান ইরানি এয়ারলাইন্সগুলোর সহায়তা করবে, তাদেরকে আন্তর্জাতিক ডলার লেনদেন ব্যবস্থার বাইরে রাখা হবে। এর অর্থ হলো, মার্কিন ডলারের সুবিধা হারালে ওই বিদেশি কোম্পানিগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবং ইরানের মধ্যে চলমান রাজনৈতিক সংঘাত ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তেহরানের ওপর এই নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে আমেরিকা ইরানের বাকি থাকা সব এয়ারলাইন্স এবং তাদের যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী বিদেশি কোম্পানির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছিল। বহু বছর ধরে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানি এয়ারলাইন্সগুলো নতুন বিমান কেনা বা পুরনো বিমানের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।
আমেরিকার ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থা থেকে একঘরে করার যে বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে, এটি তার একটি অংশ। জ্বালানি, জাহাজ চলাচল, প্রযুক্তি বা সোনা—যেকোনো খাতে ইরানের সাথে ব্যবসা করা বিদেশি কোম্পানিগুলোর ওপর এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা একটি বড় ধাক্কা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকের আগে চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হি লিফেংয়ের সাথে বৈঠক করেন স্কট বেসেন্ট। চীন ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক বন্ধু। তাই ইরানকে কোণঠাসা করার এই প্রক্রিয়ায় বেজিংয়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই বিষয়টি নিয়ে চীনা কর্মকর্তাদের সাথে ইতিবাচক আলোচনা চলছে এবং চীন এতে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন