মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৬ পি.এম
রাজধানী ঢাকা বর্তমানে দীর্ঘদিনের তীব্র বায়ুদূষণের চিত্র থেকে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছে। বৈশ্বিক বায়ুমান সূচকের তালিকায় শহরটির অবস্থান এখন ৩৯ নম্বরে নেমে এসেছে। ঢাকার বাতাসের স্কোর বর্তমানে ৬১, যা ‘মাঝারি’ বা সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে, আজও বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। শহরটির বায়ুমান সূচক (এএকিউআই) ২০৭, যা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নির্দেশ করে।
আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
বায়ুমান সূচক অনুযায়ী, ঢাকার অবস্থান আজ ৩৯; এর বায়ুমান স্কোর ৬১, যা ‘মাঝারি বা সহনীয়’ পর্যায়ের নির্দেশক। তবে, বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় পাকিস্তানের লাহোর আজ শীর্ষে রয়েছে। শহরটির বায়ুমান স্কোর ২০৭, অর্থাৎ এখানকার বাতাসও ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।
একই সময়ে, ভারতের দিল্লি ১৯১ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। দূষণের দিক থেকে ১৮৬ স্কোর নিয়ে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। চতুর্থ স্থানে ১৫৭ স্কোর নিয়ে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং অবস্থান করছে। ১৫১ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার জার্কাতা শহর। এছাড়া, ১১৪ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা রয়েছে।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে ‘বায়ুর মান ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়। ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর বিবেচিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে মনে করা হয়। ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টের মতো আরও কিছু গণমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি জানান।
এর আগে, হোয়াইট হাউসে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো নামক সংবাদমাধ্যমগুলো ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এই তিনটি গণমাধ্যমের দাবি, তাদের সংবাদ পরিবেশনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর অধিকার লঙ্ঘন করে।
স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির একটি ফেডারেল আদালতে মামলাটি দাখিল করা হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ট্রাম্পের অস্বীকৃত সংবাদ প্রকাশের কারণে গণমাধ্যমগুলোকে নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয় এবং শুধুমাত্র প্রশংসামূলক সংবাদ প্রকাশকারী গণমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যায় না। তারা সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণের ‘সাম্প্রতিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য’ পাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করেছে।
সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো একটি যৌথ বিবৃতিতে জানায়, কোনো ধরনের নোটিশ বা প্রক্রিয়া ছাড়া তাদের সাংবাদিকদের প্রবেশের অনুমতিপত্র বাতিল করা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, এই পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ না করলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারি হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন সাংবাদিকতার অধিকার হুমকির মুখে পড়বে।
গণমাধ্যমগুলো জানায়, তারা তাদের প্রথম সংশোধনী অধিকার রক্ষা করতে এবং সরকার যাতে সংবাদমাধ্যম কী প্রকাশ করবে তা নির্ধারণ করতে না পারে, এই নীতির প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা করেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছে যে, এই মামলার দ্রুত শুনানি হবে।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো জবাব দেয়নি।
তবে মামলার পর, সোমবার ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি দাবি করেন, তার সরকার ‘মুক্ত সংবাদমাধ্যমের’ ওপর আক্রমণ করছে না, বরং ‘ভুয়া সংবাদমাধ্যমের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তিনি এসব গণমাধ্যমকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও উল্লেখ করেন, তবে এর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
ট্রাম্প এর আগে শুক্রবার সিএনএন, এমএস নাউ ও পলিটিকো-কে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দেন। শনিবার, এসব প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং তাদের প্রবেশপত্র বাতিল বা জব্দ করা হয়।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, অন্য কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার কারণে এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি। তিনি ভবিষ্যতে নিউইয়র্ক টাইমস ও ওয়াশিংটন পোস্টের মতো আরও গণমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা প্রকাশ করেন।
ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি), হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সংগঠন সমালোচনা করেছে। তারা সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
গত বছর এপি ও রয়টার্সের সাংবাদিকদের প্রেসিডেন্টের দৈনন্দিন কর্মসূচি কভার করা সাংবাদিকদের দলে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এপি এ বিষয়ে আলাদাভাবে মামলা করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন মৌসুমি অসুস্থতার প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। জীবাণুর সংক্রমণ কমাতে একটি সহজ অভ্যাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, যা হলো নিয়মিত হাত ধোয়া।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘকাল ধরেই হাত ধোয়ার গুরুত্বকে শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণসহ বিভিন্ন রোগের জীবাণুর সংস্পর্শ কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে চিহ্নিত করে আসছেন।
কেন ছড়ায় মৌসুমি রোগ?
কোনো অসুস্থ ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, তখন জীবাণু আশপাশের বিভিন্ন পৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়তে পারে। মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের কিবোর্ড, ডেস্ক এবং নিয়মিত স্পর্শ করা অন্যান্য জিনিসে এসব জীবাণু জমা হতে পারে।
এছাড়া, কাশি বা হাঁচির সময় কেউ যদি মুখ বা নাক ঢেকে পরে বিভিন্ন জিনিস স্পর্শ করে, তবে জীবাণু তার হাতেও লেগে যায়। পরে সুস্থ কোনো ব্যক্তি সেই দূষিত বস্তু স্পর্শ করলে নিজের নাক, মুখ বা চোখে হাত দিলে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়।
কীভাবে উপকার করে হাত ধোয়া?
মৌসুমি অসুস্থতার জন্য দায়ী কিছু ভাইরাস বিভিন্ন পৃষ্ঠে কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এর ফলে নিয়মিত স্পর্শ করা বস্তুগুলোর মাধ্যমে এসব জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।
নিয়মিত হাত ধোয়া হাতে থাকা জীবাণু দূর করতে সাহায্য করে, ফলে তা মুখে পৌঁছানোর আগেই অপসারণ করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে অসুস্থ ব্যক্তি থেকে অন্যদের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও কমে।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাত ধোয়ার সঙ্গে শ্বাসতন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমার সম্পর্ক রয়েছে। এক গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের দিনে অন্তত পাঁচবার হাত ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং দুই বছর ধরে তাদের পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে দেখা যায়, যারা নিয়মিত হাত ধুয়েছেন তাদের মধ্যে শ্বাসতন্ত্রের অসুস্থতার হার ৪৫ শতাংশ কম ছিল।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাত ধোয়া সংক্রমণ প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলেও এটি শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করে না। অসুস্থতা প্রতিরোধে অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধিও মেনে চলা প্রয়োজন।
সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়ম
কার্যকরভাবে হাত ধোয়ার জন্য সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো—
কখন হাত ধোয়া উচিত?
প্রতিদিন কতবার হাত ধোয়া প্রয়োজন, তার নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা নেই। তবে জীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি বেশি থাকে এমন সময়ে অবশ্যই হাত ধোয়া উচিত। যেমন—
বিশেষজ্ঞদের মতে, দৈনন্দিন জীবনে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে মৌসুমি সর্দি-কাশিসহ বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
সূত্র: সামা টিভি অনলাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমান সময়ে ঘরোয়া ফুটবল নিয়ে আলোচনা মাঠের চেয়ে বেশি হচ্ছে সূচির টেবিলে। ম্যাচ পেছানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে অন্যান্য ক্লাব প্রশ্ন তুলছে। এবার মোহামেডানের পর আবাহনীর কাছে সেই প্রশ্ন পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের নতুন মৌসুম শুরু হয়েছে ১৮ সেপ্টেম্বর। আজ ফেডারেশন কাপ শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে জাতীয় দলের ব্যস্ততার কারণে সূচিতে পরিবর্তন এসেছে। মোহামেডানের নয় ফুটবলার জাতীয় দলে থাকায় তারা ২৫ ও ২৯ সেপ্টেম্বরের দুটি ম্যাচ পেছানোর জন্য আবেদন জানায়।
লিগ কমিটি সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে নতুন সূচিতে ২ অক্টোবর ফকিরেরপুলের বিপক্ষে লিগ এবং ৬ অক্টোবর আরামবাগের বিপক্ষে ফেডারেশন কাপে মোহামেডানের ম্যাচ পিছিয়ে দিয়েছে।
এখন আবাহনীও একই পথে হাঁটছে। সোমবার বাফুফের সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো চিঠিতে তারা ২২ সেপ্টেম্বর ফেডারেশন কাপ ও ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ম্যাচ দুটি পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করেছে। আবাহনীর চার ফুটবলারের মধ্যে দুজন অনুশীলনে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকায় তারা এই যুক্তি তুলে ধরেছে যে, চারজনের কেউ ওই দুই ম্যাচে খেলতে পারবেন না।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যে তারা চার দেশি ও চার বিদেশি ফুটবলারসহ দল প্রস্তুত করেছে। কিন্তু যদি একটি ক্লাবের আবেদনে সূচি পরিবর্তন করা যায়, তাহলে তাদের বাস্তব পরিস্থিতিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
এর আগে ব্রাদার্স ইউনিয়ন সূচি পরিবর্তনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। তাদের প্রশ্ন ছিল, একই পরিস্থিতিতে কি সকল ক্লাবকে একই মাপকাঠিতে দেখা হচ্ছে? মৌসুম শুরুর আগে মোহামেডান, আবাহনী ও ব্রাদার্সসহ ১০ ক্লাব যৌথভাবে সূচি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল। জাতীয় দলের ব্যস্ততা, দীর্ঘ বিরতি, খেলোয়াড়দের ফিটনেস এবং আর্থিক চাপ তাদের উদ্বেগের বিষয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গণেশোৎসব উপলক্ষে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত লালবাগচা রাজার পূজামণ্ডপে গিয়ে বলিউডের সুপরিচিত অভিনেতা শাহরুখ খান গণপতি বাপ্পার আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্ত্রী গৌরী খান, মেয়ে সুহানা খান এবং ম্যানেজার পূজা দাদলানি।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) শাহরুখ খানের উপস্থিতিতে লালবাগচা রাজার পূজামণ্ডপে ভক্ত ও অনুরাগীদের এক বিশাল ভিড় জমে ওঠে। তাকে একবার দেখার জন্য সেখানে অনেকে জড়ো হন। অভিনেতা কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে পূজামণ্ডপে প্রবেশ করেন।
এদিন শাহরুখের পরনে ছিল নীল রঙের কুর্তা, সুহানা পরেছিলেন সবুজ রঙের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, এবং গৌরী খানকে দেখা যায় হলুদ রঙের এথনিক পোশাকে।
এ বছরের গণেশোৎসবে লালবাগচা রাজার পূজামণ্ডপে আরও অনেক বলিউড তারকা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে পৃথ্বীরাজ সুকুমারন, রিতেশ দেশমুখ, জেনেলিয়া দেশমুখ, শিল্পা শেঠি, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা সহ আরও অনেকে উল্লেখযোগ্য।
চলতি মাসের শুরুতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ‘আস্কএসআরকে’ পর্বে ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথন করেন শাহরুখ খান। সেখানে তিনি পরিবারের সঙ্গে গণেশ চতুর্থী উদযাপন সম্পর্কেও আলোচনা করেন।
এক ভক্ত যখন তাকে বাড়িতে গণেশ চতুর্থী উদযাপন সম্পর্কে জানতে চান, শাহরুখ বলেন, "স্ত্রী আরতি করেন, এরপর প্রার্থনা করেন। আজ রাতে বিসর্জন হবে। সন্তান ও বন্ধুরা একত্র হয়, আড্ডা দেয় এবং অনেক হাসি-আনন্দ করে। খুবই সাধারণ এবং পারিবারিক সময়।"
শাহরুখের পরবর্তী সিনেমা
সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত ‘কিং’ সিনেমায় শাহরুখ খানকে দেখা যাবে। সিনেমাটি ২৪ ডিসেম্বর মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। একই সময়ে হলিউডের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ডুমসডে’ ও ‘ডিউন: পার্ট থ্রি’ এর মতো বড় সিনেমাও মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ