ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাঙ্গামাটিতে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার


রাঙ্গামাটিতে দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

রাঙ্গামাটিতে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সঙ্গে রয়েছে তিন হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট।

 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) মধ্যরাতে শহরের মারী স্টেডিয়াম এলাকার এই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

রাঙামাটির সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জলমনি চাকমা (৪৯) এবং নতুন বাবু (৩৯)।

 

রাঙ্গামাটির সদর সার্কেলর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার বলেন, কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দীনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম এই অভিযানটি মধ্যরাতে পরিচালনা করে এবং তাদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

সম্প্রতি পরিচালিত অভিযানের মধ্যে এই অভিযানটি ছিল সব থেকে বড় চালান। যেখানে মোট ৩ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে নিজেদের ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসাবে স্বীকার করে নিয়েছে। তারা এসব ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিল। এই বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে একটি মামলা করা হবে।

 

কোতয়ালী থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, জুন মাসে মাদকের ৯টি মামলায় মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এসময় উদ্ধার করা হয় ১৪৭ পিস ইয়াবা ও ১৮ লিটার চোলাইমদ।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে মিউজিক ডিভাইসকে কেন্দ্র করে বোমা আতঙ্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ এম


রাজশাহীতে মিউজিক ডিভাইসকে কেন্দ্র করে বোমা আতঙ্ক

রাজশাহীতে স্কুটিতে একটি ডিভাইস লাগানোকে কেন্দ্র করে বোমা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে ১০টার দিকে নগরের সাহেববাজার আরডিএ মার্কেটের নিচতলায় সাত নম্বর গলিতে এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে অজ্ঞাত এক যুবক ওই স্কুটিতে ডিভাইসটি লাগিয়ে দিয়ে চলে যান। পরে এর মালিক ডিভাইসটি দেখে বোমা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এরপর পুরো মার্কেটজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এসময় বিষয়টি পুলিশকেও জানানো হয়। খবর পেয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন।

আরএমপির মুখপাত্র উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, ‘স্কুটিতে লাগিয়ে দেয়া ডিভাইসটি আসলে মিউজিক ডিভাইস। এটি মোটরসাইকেলেই ব্যবহার করা হয়। আতঙ্ক ছড়াতে এটি লাগানো হয়।

তিনি জানান, জনমনে আতঙ্ক ছড়ানো একটি অপরাধ। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তারা আইনি পদক্ষেপ নেবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুপারি বাগানের আড়ালে গাঁজা চাষ, জব্দ ৪ গাছ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৬ এম


সুপারি বাগানের আড়ালে গাঁজা চাষ, জব্দ ৪ গাছ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাটগোপালপুর গ্রামের দুটি সুপারি বাগানে অভিযান চালিয়ে পুলিশ চারটি গাঁজাগাছ জব্দ করেছে। উদ্ধার হওয়া গাছগুলোর মধ্যে দুটি প্রায় ১২ ফুট উচ্চতা এবং অপর দুটি প্রায় ২ ফুট উচ্চতা রয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী-কচাকাটা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। এ সময় ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিম উদ্দিন, উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।

পুলিশের দাবি করেছে যে, স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাজেদুল ইসলাম মঞ্জু সুপারি বাগানের আড়ালে গোপনে গাঁজার চাষ করছিলেন। তবে অভিযানের সময় তিনি এলাকায় না থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাজেদুল ইসলাম মঞ্জু দীর্ঘদিন ধরে মাদকসেবন ও মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক-সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোন অপরাধীকেও ছাড় দেওয়া হবে না।

সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় সুপারি বাগানের আড়ালে গোপনে গাঁজা চাষের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার পর এবার কুড়িগ্রামে আতঙ্কের নাম নদীভাঙন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ এম


বন্যার পর এবার কুড়িগ্রামে আতঙ্কের নাম নদীভাঙন

কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি কমে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটলেও নতুনভাবে ভয়াবহ আকার নিয়েছে নদীভাঙন। জেলার বিভিন্ন নদীর তীরে ৩৬টি পয়েন্টে তীব্র ভাঙনে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও বিভিন্ন স্থাপনা। এর ফলে হাজারো পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, জেলার ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা—এই চারটি প্রধান নদীর পানিই বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমতে থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নদীতীরজুড়ে প্রচণ্ড ভাঙন শুরু হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভূরুঙ্গামারী, নাগেশ্বরী, চিলমারী, রাজারহাট ও সদর উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় একের পর এক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।

ভূরুঙ্গামারীর ধাউরারকুটি গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন বলেন, কয়েক দিনের ব্যবধানে তাদের গ্রামের ৩০ থেকে ৩৫টি বাড়ি নদীতে বিলীন হয়েছে। একাধিকবার জিও ব্যাগ ফেলার আবেদন করা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের রিপন মিয়া বলেন, ভাঙন প্রতিরোধের দাবি জানালেও দীর্ঘদিন ধরে কেবল আশ্বাসই মিলেছে। এর মধ্যে সরকারপাড়া ও বানিয়াপাড়ার প্রায় ৩০০ পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা চর উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, বর্ষার শুরুতেই নদীভাঙনের এই পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাময়িকভাবে জিও ব্যাগ ফেলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রক্ষায় দ্রুত স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের জন্য দাবি জানান তিনি।

এদিকে কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, জেলার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের ৪৯৯ হেক্টর জমির পাট, চীনাবাদাম, আউশ, আমনের বীজতলা ও মরিচের ক্ষেত বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষকদের জন্য এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেছেন, উজানে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে আবারও নদ-নদীর পানি বাড়তে পারে। সুতরাং নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ভাঙন মোকাবিলায় অতিরিক্ত জিও ব্যাগ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ জানিয়েছেন, বন্যা মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ২৮৫ মেট্রিক টন জিআর চাল, ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা এবং ৮০০ প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা করলেন প্রথম স্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ এম


দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে ৬ টুকরো করে হত্যা করলেন প্রথম স্ত্রী

ঢাকার মহাখালী এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ ছয় টুকরো করার ঘটনায় স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬ তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এই রায় ঘোষণা করেন।

সাজায় বলা হয়েছে, মরদেহ গুমের দায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম সাজা দেওয়া হয়েছে তাকে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শফি নেওয়াজ নাসির।

রায় ঘোষণার সময় ফাতেমাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টার সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় নীল রঙের ড্রামের ভেতর থেকে বনানী থানা-পুলিশ একজন পুরুষের মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। একই রাতে মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে একটি ব্যাগের ভিতরে উরু থেকে খণ্ডিত দুটি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দুটি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ।

দুই দিন পর আলাদা আলাদা স্থান থেকে ছয় টুকরো লাশ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয় ফাতেমাকে। গ্রেপ্তারের পর ফাতেমা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

ফাতেমা পুলিশকে জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বন্টন, এবং একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সাথে তার মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার অটোরিকশার চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরে জবাই করে লাশ ছয় টুকরো করেন। একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখেন।

এরপর, ১ হাজার ৩০০ টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেন। এরপর মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত ও দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে বাসায় চলে যান। সেখান থেকে খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগটি নিয়ে বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে গুলশান লেকে ফেলে দিয়ে বাসায় ফিরে আসেন।

এ ঘটনায় ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একই বছরের ১ জুন মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমাকে অভিযুক্ত করে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%