বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৭ পি.এম
কুলাউড়ায় চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া ১১ বছর বয়সী এক পানিবিক্রেতা শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন এক মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি। এই ঘটনাটি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা এলাকায় ঘটেছে।
আহত শিশুটির পরিচয় এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তার স্বজনদের কোনো যোগাযোগের নম্বরও সে দিতে পারেনি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, শিশুটির ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম রয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার ছকাপন এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত শিশুটিকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান খোকন চৌধুরী (৪৮) নামের ওই ভারসাম্যহীন ব্যক্তি। খোকন চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জ থানার তেতুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি একসময় পল্লিচিকিৎসক ছিলেন।
কুলাউড়া রেলওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অমর চন্দ্র বিশ্বাস জানান, খোকন চৌধুরী বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে নিখোঁজ ছিলেন। রেললাইন দিয়ে হাঁটার সময় তিনি শিশুটিকে রক্তাক্ত পড়ে থাকতে দেখে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসেন। খোকন নিজে অসুস্থ হলেও পুরো রাত হাসপাতালে ঘুমন্ত শিশুটির পাশে বসে থেকে অনন্য মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন। খবর পেয়ে তার স্বজনেরা তাকে বাড়ি নিয়ে যেতে কুলাউড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।
সাময়িক সুস্থ হয়ে সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মীদের শিশুটি জানায়, সে ট্রেনে পানির বোতল বিক্রি করত। কয়েকজন লোক তার সঙ্গে থাকা সব টাকাপয়সা ছিনিয়ে নিয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়।
কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আনিকা কাসেম জানান, শিশুটির শরীরে বড় ধরনের অভ্যন্তরীণ আঘাত বা হাড় ভাঙা থাকতে পারে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কুলাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ ও সমাজসেবা অধিদপ্তর শিশুটির আসল পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য চিকিৎসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ভারতে ভ্রমণের সময় আবাসন সংক্রান্ত অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যার সম্ভাবনা এড়াতে সতর্কবার্তা জারি করেছে। শহরটিতে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া একটি অগ্নিকাণ্ডের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থাগুলোর কথা মাথায় রেখে ভ্রমণকারীদের অগ্রিম হোটেল নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
৩ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই জরুরি নির্দেশনা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট কলকাতায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন নিরাপত্তা জোরদারে তৎপর হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে এমন বেশ কিছু আবাসিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা বিধি মেনে এসব হোটেল পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে এক মাসেরও বেশি সময় লাগতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে কলকাতায় এসে আবাসনের বিষয়ে কোনো সমস্যা যাতে না হয়, সেই জন্য ঢাকা ত্যাগ করার আগে হোটেলের কক্ষের প্রাপ্যতা ও কার্যক্রম সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়া রোগী এবং তাদের সফরসঙ্গীদের (অ্যাটেনডেন্ট) জন্য কলকাতায় পৌঁছানোর পূর্বেই হোটেল বুকিং সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে হোটেল থেকে হাসপাতালের দূরত্ব, বুকিংয়ের বৈধতা এবং প্রাসঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে আগেভাগেই খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উপ-হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ভ্রমণকালীন ভোগান্তি এবং যেকোনো অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়াতে বাংলাদেশি পর্যটক ও রোগীদের স্থানীয় নিরাপত্তা বিধি মেনে সতর্কতার সঙ্গে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকের সময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের মতামত প্রকাশ করেন। বিশেষ করে, উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উন্নত পেশাগত প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
আধুনিক সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ সহযোগিতার বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নত করবে বলে বৈঠকে উভয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে চীনের সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকের সময় চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নে দেশটির অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি বর্তমানে একটি বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী এই সেবাটি ব্যবহার করতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চ্যাটবটটিতে প্রবেশ করার পর ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে অস্বাভাবিক ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চ্যাটজিপিটি বন্ধ থাকার কারণে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ এবং পড়াশোনায় সাময়িকভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে—এমনটাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই রসিকতা করে বলেছেন, চ্যাটজিপিটি না থাকায় দ্রুত উত্তর, তথ্য খোঁজা বা লেখালেখির কাজে এবার নিজেদের মস্তিষ্কের ওপর নির্ভর করতে হবে।
তবে বাংলাদেশে রাত পৌনে ১১টার দিকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে।
এই বিভ্রাটের প্রভাব শুধুমাত্র চ্যাটজিপিটিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রমেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার একটি বড় অংশই এআইভিত্তিক ফিচারের জন্য ওপেনএআইয়ের ওপর নির্ভরশীল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নতুন একটি মামলা দায়ের করেছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহানার বিরুদ্ধে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাতের।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ফান্ড (সিএসআর) থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা দায়ের করেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর জন্য সংগ্রহ করেছেন। এতে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ‘দ্য ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২’-এর আওতায় শেখ হাসিনা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং শেখ রেহানা ছিলেন সহ-সভাপতি। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, বাংলাদেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে তারা দেখতে পায়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার তার প্রভাব খাটিয়ে বিএবির নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ট্রাস্টের অনুকূলে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়। এর ফলস্বরূপ ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।
দুদকের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ‘পলিসি গাইডলাইন অন করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ফর ব্যাংকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস’-এ সিএসআর অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও ট্রাস্টে এ ধরনের অনুদান দেওয়ার কোনো বিধান নেই।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুদকের সরেজমিন পরিদর্শনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর ঠিকানায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাস্টের প্রতিশ্রুত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রমাণও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ করা হয়েছে যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলে বিএবির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন।
এজাহারে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিএবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব খাটিয়ে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রেখেছেন। এই ফান্ডের অর্থ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকগুলোকে অর্থ প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতি করে রাজউকের আবাসন প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করেছে দুদক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ