বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৫০ পি.এম
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকের সময় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান সামরিক এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী ও বেগবান করার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের মতামত প্রকাশ করেন। বিশেষ করে, উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উন্নত পেশাগত প্রশিক্ষণ, সামরিক শিক্ষা বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
আধুনিক সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দুই দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ সহযোগিতার বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উন্নত করবে বলে বৈঠকে উভয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন এবং ভবিষ্যতে চীনের সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
বৈঠকের সময় চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতের আধুনিকায়নে দেশটির অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি বর্তমানে একটি বড় ধরনের প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়েছে। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারী এই সেবাটি ব্যবহার করতে গিয়ে বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হচ্ছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চ্যাটবটটিতে প্রবেশ করার পর ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে অস্বাভাবিক ফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। চ্যাটজিপিটি বন্ধ থাকার কারণে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন কাজ এবং পড়াশোনায় সাময়িকভাবে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে—এমনটাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই রসিকতা করে বলেছেন, চ্যাটজিপিটি না থাকায় দ্রুত উত্তর, তথ্য খোঁজা বা লেখালেখির কাজে এবার নিজেদের মস্তিষ্কের ওপর নির্ভর করতে হবে।
তবে বাংলাদেশে রাত পৌনে ১১টার দিকে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে।
এই বিভ্রাটের প্রভাব শুধুমাত্র চ্যাটজিপিটিতে সীমাবদ্ধ নয়। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের কার্যক্রমেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার একটি বড় অংশই এআইভিত্তিক ফিচারের জন্য ওপেনএআইয়ের ওপর নির্ভরশীল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নতুন একটি মামলা দায়ের করেছে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার বোন শেখ রেহানার বিরুদ্ধে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ ও আত্মসাতের।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে বিভিন্ন ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা ফান্ড (সিএসআর) থেকে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। মামলায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) সাবেক সভাপতি ও এক্সিম ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারকেও আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ মামলা দায়ের করেন। দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর জন্য সংগ্রহ করেছেন। এতে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ‘দ্য ট্রাস্টস অ্যাক্ট, ১৮৮২’-এর আওতায় শেখ হাসিনা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি এবং শেখ রেহানা ছিলেন সহ-সভাপতি। ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে, বাংলাদেশের ৪১টি তফসিলি ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে তারা দেখতে পায়, তৎকালীন বিএবি সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার তার প্রভাব খাটিয়ে বিএবির নির্বাহী কমিটির সভায় আলোচ্যসূচিতে না থাকা সত্ত্বেও ‘বিবিধ’ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার বিষয়টি উপস্থাপন করেন। পরে নির্বাহী কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ট্রাস্টের অনুকূলে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকে চিঠি পাঠানো হয়। এর ফলস্বরূপ ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে মোট ২৭৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করা হয়।
দুদকের অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী ‘পলিসি গাইডলাইন অন করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি ফর ব্যাংকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস’-এ সিএসআর অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে নির্দেশনা থাকলেও ট্রাস্টে এ ধরনের অনুদান দেওয়ার কোনো বিধান নেই।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দুদকের সরেজমিন পরিদর্শনে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর ঠিকানায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে ট্রাস্টটি সমাজসেবা অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, ট্রাস্টের প্রতিশ্রুত কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রমাণও অনুসন্ধানে পাওয়া যায়নি। অভিযোগ করা হয়েছে যে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ব্যক্তিগত লাভের অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলে বিএবির মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ সংগ্রহ করেছেন।
এজাহারে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে, বিএবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রভাব খাটিয়ে ৪১টি ব্যাংকের সিএসআর ফান্ড থেকে ট্রাস্টে অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রেখেছেন। এই ফান্ডের অর্থ ট্রাস্টে অনুদান দেওয়ার বিধান না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ব্যাংকগুলোকে অর্থ প্রদানে বাধ্য করার অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতি করে রাজউকের আবাসন প্রকল্পে ১০ কাঠা করে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে ৬টি মামলা করেছে দুদক।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রশাসনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শীর্ষ পর্যায়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন কর্মকর্তাদের পদায়ন করা হয়েছে অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) এবং পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক পদে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন অনুবিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যেখানে এই পরিবর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব কামরুল হাসান প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের (চলতি দায়িত্ব) পদে থাকা মো. সুবক্তগীনকে পদোন্নতি দিয়ে ঢাকার রেলভবনে অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অবকাঠামো (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকায় অতিরিক্ত মহাপরিচালক-উন্নয়ন (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা মামুনুল ইসলামকে স্থানান্তর করে চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের নতুন মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব) বানানো হয়েছে।
এছাড়া, বর্তমানে অতিরিক্ত মহাপরিচালক-অবকাঠামো (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে কর্মরত আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমানকে অতিরিক্ত মহাপরিচালক-উন্নয়ন (চলতি দায়িত্ব) পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মূল পদায়নের পাশাপাশি তিনি পূর্বের ন্যায় মেগা প্রকল্প 'যমুনা সেতু রেল সংযোগ প্রজেক্টের' প্রকল্প পরিচালক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, জনস্বার্থে গৃহীত এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজার ৭১৭টি শিশু নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে, এখনো ২ হাজার ৩৮ শিশু নিখোঁজ রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। শিশু নিখোঁজের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর জনমনে উদ্বেগ, উৎকন্ঠা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানিয়েছেন, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশে ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদনে নিখোঁজ শিশুদের পরবর্তী অবস্থা, কতজন উদ্ধার হয়েছে বা পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে, সে বিষয়গুলো উল্লেখ না থাকায় শিশু নিখোঁজের প্রকৃত চিত্র সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
তিনি বলেন, জনমনে বিভ্রান্তি দূর করার জন্য স্থানীয় থানার মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। যাচাইয়ের ফলে জানা গেছে, জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত শূন্য থেকে নয় বছর বয়সী শিশুদের নিখোঁজের ঘটনায় ৪৭৪টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। এর মধ্যে ৪০৬ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, এবং ৬৮ জন এখনও উদ্ধার হয়নি।
একই সময়ে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ১৫ হাজার ২৪৩ শিশুর নিখোঁজের জিডি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ২৭৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং ১ হাজার ৯৭০ জন এখনও উদ্ধার হয়নি।
পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, দুই বয়সসীমা মিলিয়ে মোট ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর নিখোঁজের জিডি হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ জন উদ্ধার হয়েছে। এখনো ২ হাজার ৩৮ জন নিখোঁজ রয়েছে, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
পুলিশ জানিয়েছে, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুরা সাধারণত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অপরিচিত স্থানে ঘুরতে গিয়ে পথ হারাচ্ছে, পরিবারের সদস্যদের নাম-ঠিকানা বলতে না পারা এবং একাকী বাড়ি ফেরার সময় অন্যত্র চলে যাওয়ার কারণে নিখোঁজ হচ্ছে।
অন্যদিকে, ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে অভিমান, পড়ালেখার চাপ, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে লজ্জার ভয়ে পালিয়ে থাকা, স্বাধীনভাবে জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষা, পরিবারের কাছ থেকে অর্থ বা অন্য সুবিধা আদায়ের চেষ্টা, পারিবারিক কলহ ও অশান্তি এবং বন্ধু বা সহপাঠীদের প্রভাবের মতো বিভিন্ন কারণ রয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, বর্তমানে অনলাইন জিডি সুবিধা চালু হওয়ায় নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে শিশু নিখোঁজের জিডি হয়েছিল ১৭ হাজার ৮০৮টি। ২০২৪ সালে তা কমে ১৬ হাজার ৪১৪ হলেও ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ২২ হাজার ৫৫০টিতে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ