ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোংলা পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ভিডিও ভাইরাল


মোংলা পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ভিডিও ভাইরাল

মোংলা পোর্ট পৌরসভার অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়ে গেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, প্রায়ই রাতের বেলায় অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে ছাগল পরিবহন করা হয়।

জানা গেছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার জিরো পয়েন্ট থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ড্রাইভার মো. শরীফুল ছাগলগুলো অ্যাম্বুলেন্সে তোলেন। একজন তাৎক্ষণিকভাবে সেটার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। পরে ওই ছাগলগুলো মোংলায় আনা হয়। মোংলার ছাগল ব্যবসায়ী মো. রশিদের ছাগল ছিল সেগুলো। অভিযোগ রয়েছে যে, শরীফুল টাকার বিনিময়ে প্রায়ই অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহন করে আসছিলেন।

এ বিষয়ে অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুল বলেন, "অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল পরিবহনের ঘটনা এটাই প্রথম।" তিনি দাবি করেছেন যে, ছাগল পরিবহন বাবদ তিনি কোনো টাকা নেননি।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ছাগল ব্যবসায়ী কসাই রশিদ জানান, "আমি চুকনগর থেকে ছাগল কিনে জিরো পয়েন্টে আসি। সেখানে কোনো গাড়ি না পেয়ে অ্যাম্বুলেন্সকে সিগন্যাল দিয়ে থামিয়ে ৬টি ছাগল অ্যাম্বুলেন্সে করে মোংলায় নিয়ে আসি। এ বাবদ ড্রাইভারকে আমি কোনো টাকা দিইনি।"

এদিকে, এই ঘটনার পর পৌর কর্তৃপক্ষ শুক্রবার (২ অক্টোবর) অ্যাম্বুলেন্সের চালক শরীফুলের কাছ থেকে চাবি নিয়ে নিয়েছে। ছাগল পরিবহনের এই ঘটনায় আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।

এ বিষয়ে জানতে মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমীর মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুল পাকার সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক নিয়ে নতুন গবেষণার ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


চুল পাকার সঙ্গে ক্যানসারের সম্পর্ক নিয়ে নতুন গবেষণার ইঙ্গিত

বয়সের সাথে সাথে চুলের পেকে যাওয়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রথম সাদা চুল দেখা দিলে অনেকেই এটিকে বয়সের চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করেন। অন্যরা চুলের রঙ ঢাকতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। তবে সম্প্রতি একটি গবেষণায় চুল পাকার সাথে শরীরের কোষীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থার অপ্রত্যাশিত সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞান গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীরা ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা করে দেখেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত কিছু কোষ ক্যানসারে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি এড়াতে নিজেদের পরিবর্তন করে ফেলতে পারে। এই পরিবর্তনের ফলে চুলের রঙ তৈরির কোষের মজুত কমে গিয়ে চুল সাদা বা ধূসর হয়ে যেতে পারে। গবেষণার ফলাফল দ্য টেলিগ্রাফ ও সায়েন্স ডেইলির প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটি নেচার সেল বায়োলজি সাময়িকীতেও প্রকাশিত হয়েছে।

চুলের রং তৈরি হয় যেভাবে

মেলানোসাইট স্টেম সেল চুলের রঙ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। চুলের গোড়ার গভীরে অবস্থিত এই কোষ প্রয়োজন অনুযায়ী রঞ্জক কোষ তৈরি করে। এই রঞ্জক কোষগুলি চুল ও ত্বকের রঙ নির্ধারণ করে।

চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ঝরে পড়ার চক্রের সাথে তাল মিলিয়ে এই কোষগুলো নিয়মিতভাবে সক্রিয় হয়। নতুন কোষ তৈরি করে আবার বিশ্রামে চলে যায়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চুলের স্বাভাবিক রঙ বজায় থাকে।

ক্ষতিগ্রস্ত কোষের অদ্ভুত সিদ্ধান্ত

শরীরের অন্যান্য কোষের মতো চুলের রঙ তৈরির এই কোষগুলোও বিভিন্ন কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অতিবেগুনি রশ্মি, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ এবং শরীরের স্বাভাবিক বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় তৈরি ক্ষতির কারণে তাদের বংশগত উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, মেলানোসাইট স্টেম সেলের বংশগত উপাদানে গুরুতর ক্ষতি হলে কোষটি একটি বিশেষ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াকে সেনো-ডিফারেনশিয়েশন নাম দিয়েছেন। সহজ ভাষায়, ক্ষতিগ্রস্ত স্টেম সেল দ্রুত পূর্ণাঙ্গ রঞ্জক কোষে পরিণত হয়ে যায় এবং এরপর সেটি আর আগের অবস্থায় ফিরে আসে না।

ফলে নতুন রঞ্জক কোষ তৈরির মজুত ধীরে ধীরে কমে যেতে থাকে। এর ফলস্বরূপ চুলে ধূসর বা সাদা রঙ দেখা দিতে পারে। অর্থাৎ একটি সাদা চুলকে এমন একটি কোষীয় পরিবর্তনের চিহ্ন হিসেবে দেখা যেতে পারে, যেখানে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ কোষটি বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই নিজের স্টেম সেল অবস্থান ছেড়ে দেয়।

চুল পাকা মানেই ক্যানসার থেকে সুরক্ষা নয়।

তবে গবেষকেরা এমন দাবি করেননি যে চুল পেকে গেলে ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায় বা ক্যানসার থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। বরং তাদের ধারণা, চুল পাকার এই প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে ভবিষ্যতে বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সুযোগ কমানোর একটি স্বাভাবিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হতে পারে।

তবে এই নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সব সময় একইভাবে কাজ করে না। ক্ষতির ধরন এবং কোষের আশপাশের পরিবেশের ওপর নির্ভর করে এর পরিণতি ভিন্ন হতে পারে।

একই কোষ, দুই রকম পরিণতি

গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো, সব ধরনের ক্ষতির ক্ষেত্রে কোষ একই পথ বেছে নেয়নি। কিছু পরিস্থিতিতে আশপাশের টিস্যু থেকে পাওয়া সংকেত ক্ষতিগ্রস্ত স্টেম সেলকে আবার বিভাজিত হয়ে সংখ্যা বাড়াতে উৎসাহিত করেছে।

এর ফলে বংশগত উপাদান ক্ষতিগ্রস্ত থাকা সত্ত্বেও কোষগুলো টিকে থেকে বিভাজিত হতে পারে। এমন পরিস্থিতি ত্বকের মেলানোমা নামের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে গবেষকেরা মনে করছেন।

বিজ্ঞানীরা এই দুই বিপরীত পরিণতিকে পরস্পরবিরোধী পরিণতি হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। অর্থাৎ একই ধরনের স্টেম সেল ক্ষতির ধরন ও আশপাশের পরিবেশের সংকেত অনুযায়ী কখনো চুল পাকার কারণ হতে পারে, আবার কখনো ক্যানসারের সূচনাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

বয়স বাড়লে কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ

বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের কোষে বংশগত উপাদানের ক্ষতি জমতে থাকে। একই সাথে ক্ষতি শনাক্ত করা, মেরামত করা কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত কোষ সরিয়ে ফেলার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাতেও পরিবর্তন আসতে পারে।

নতুন গবেষণা বলছে, চুল পাকা ও ত্বকের মেলানোমার মতো বিষয়গুলোর পেছনে কিছু অভিন্ন কোষীয় প্রক্রিয়া থাকতে পারে। শরীর কোনো ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে সরিয়ে দেবে, নাকি তাকে টিকে থেকে বিভাজিত হওয়ার সুযোগ দেবে—এই সিদ্ধান্তের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করতে পারে।

মানুষের ক্ষেত্রে এখনও নিশ্চিত নয়

তবে গবেষণার ফল থেকে এখনই মানুষের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়। গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ইঁদুরের ওপর পরিচালিত হয়েছে। ইঁদুর ও মানুষের জীববিজ্ঞানে পার্থক্য রয়েছে। মানুষের বংশগত বৈশিষ্ট্য, জীবনযাপন ও পরিবেশও এই প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।

অতএব, মানুষের চুল পাকার সাথে মেলানোমার ঝুঁকির সম্পর্ক কেমন, তা নিশ্চিতভাবে জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন। নতুন এই গবেষণা চুল পাকার মতো স্বাভাবিক একটি ঘটনাকে শরীরের কোষীয় প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সাথে বোঝার ক্ষেত্রে নতুন একটি দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেরুর আন্দিজে রঙিন টিকটিকির নতুন প্রজাতি ‘লিওলাইমাস আর্কিপেনসিস’ আবিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


পেরুর আন্দিজে রঙিন টিকটিকির নতুন প্রজাতি ‘লিওলাইমাস আর্কিপেনসিস’ আবিষ্কার

বিজ্ঞানীরা পেরুর আন্দিজ পর্বতমালার প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার উচ্চতায় টিকটিকির একটি নতুন প্রজাতির সন্ধান করেছেন। এই ক্ষুদ্র সরীসৃপটি চরম প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য পরিচিত, এবং এর বাহারি রং ও শরীরের বিশেষ নকশা গবেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

নতুন প্রজাতির আবিষ্কারের তথ্য নিশ্চিত করেছে পেরুর সান মার্কোস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর। এই প্রজাতির নামকরণ করা হয়েছে ‘লিওলাইমাস আর্কিপেনসিস’ নামে।

দক্ষিণ পেরুর আরেকিপা অঞ্চলের পাহাড়ি এলাকায়, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা ১৫ হাজার ৭৫০ ফুট উচ্চতায় এই প্রজাতির সন্ধান পাওয়া যায়। এনডিটিভির রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন টিকটিকিটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৬ থেকে ৮ সেন্টিমিটার।

খাদ্যাভ্যাসের দিক থেকে এই প্রজাতির বৈচিত্র্য রয়েছে। ছোট উদ্ভিদের পাশাপাশি, মাকড়সা, গুবরে পোকা এবং অন্যান্য পোকামাকড়ের লার্ভা খেয়ে বেঁচে থাকে তারা।

নতুন প্রজাতিটির পুরুষ ও স্ত্রী সদস্যদের শরীরের রং এবং নকশায় পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। স্ত্রী টিকটিকির পিঠে বর্গাকার দাগ রয়েছে, যেখানে পুরুষদের পিঠে তির্যক দাগ ও সাদা আঁশ দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, এই বৈশিষ্ট্যগুলো পাথুরে পাহাড়ি পরিবেশের সঙ্গে মিশে শিকারির চোখ এড়াতে সহায়তা করে।

গবেষণার প্রধান জীববিজ্ঞানী লিং হুয়ামানি-ভালদেররামা জানিয়েছেন, পেরুতে বর্তমানে ২৯৬ প্রজাতির টিকটিকি বিদ্যমান। নতুন এই প্রজাতির আবিষ্কার দেশটির জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের জ্ঞানের পরিধি আরও বাড়াবে।

গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ‘ডাইভারসিটি’-তে। উচ্চ পর্বতাঞ্চলের প্রতিকূল পরিবেশে প্রাণীদের অভিযোজন এবং জীববৈচিত্র্যের অজানা দিক উন্মোচনে এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন গবেষকেরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


সরকারি সফরে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নয় দিনের সরকারি সফরের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাদের ফেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সফরের প্রথম পর্যায়ে সেনাপ্রধান অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিতব্য আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী (The Chief of Army Symposium and Land Forces International Defence Exposition 2026) এ অংশগ্রহণ করবেন।

এছাড়া, তিনি মেলবোর্নে ডেকিন ইউনিভার্সিটি (Deakin University) পরিদর্শন করবেন। সফরের পর, অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির উদ্দেশ্যে রওনা হবেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

যুক্তরাষ্ট্রে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর প্রধান বার্ষিক সভা ও প্রদর্শনী (Association of the US Army (AUSA) Annual Meeting and Exposition) তে অংশগ্রহণ করবেন।

সরকারি সফরের সময় সেনাবাহিনী প্রধান অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময় করবেন বলেও জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা জানালেন চিকিৎসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


সকালে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা জানালেন চিকিৎসক

সুস্থ থাকার জন্য খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের অন্তর্ভুক্তি অপরিহার্য। স্বাস্থ্যসচেতন ব্যক্তিদের মধ্যে চিয়া সিড ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই ছোট্ট বীজে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। তবে প্রশ্ন হলো, চিয়া সিড খাওয়ার সঠিক সময় কখন? সকাল, দুপুর, নাকি রাত?

পুষ্টিবিদদের মতে, চিয়া সিড খাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নির্ধারণ করা হয়নি। তবে সকালের নাশতা কিংবা মধ্যসকালের নাশতায় এটি খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করতে পারে।

চিয়া সিডের ফাইবার এবং প্রোটিন ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। তাই সকালের নাশতায় এটি রাখলে দুপুরের খাবারের আগে ক্ষুধা অনুভবের প্রবণতা কমে যেতে পারে। পাশাপাশি, পানির সংস্পর্শে চিয়া সিড জেলির মতো আকার ধারণ করে, যা পেট ভরা অনুভূতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

চিয়া সিডের উপকারিতা

১. পুষ্টির জোগান: চিয়া সিডে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ও জিঙ্কের মতো খনিজ উপাদান।

২. হৃদযন্ত্রের সুস্থতা: সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে চিয়া সিডের ফাইবার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডও হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

৩. ওজন নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার ও প্রোটিন দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করে। ফলে অতিরিক্ত খাবার গ্রহণের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হতে পারে।

৪. হজমে সহায়তা: চিয়া সিডের ফাইবার অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক।

৫. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: ফাইবার খাবার থেকে গ্লুকোজ শোষণের গতি ধীর করতে পারে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চিয়া সিডের কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

৬. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎস: চিয়া সিডে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

যেভাবে খাবেন চিয়া সিড

চিয়া সিড দই, স্মুদি, ওটস, ফল বা পুডিংয়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে। স্যুপ, সালাদ এবং প্যানকেকেও এটি যোগ করা সম্ভব।

তবে খাওয়ার আগে একটি বিষয় মনে রাখা আবশ্যক—শুকনো চিয়া সিড সরাসরি খাওয়া উচিত নয়। এটি দ্রুত পানি শোষণ করে ফুলে ওঠে, ফলে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। তাই পানি বা অন্য কোনো তরলে ভালোভাবে ভিজিয়ে কিংবা দইয়ের মতো আর্দ্র খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া নিরাপদ।

চিয়া সিড পুষ্টিকর খাবার হলেও এটি কোনো রোগের বিকল্প চিকিৎসা নয়। সুস্থ থাকতে সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং পর্যাপ্ত ঘুমের পাশাপাশি পরিমিত পরিমাণে চিয়া সিড খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।

সূত্র: ভেরিওয়েল হেলথ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%