মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২২ পি.এম
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে এক অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে হামিদুল শেখ (৫৫) নামক একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। আদালত একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার নির্দেশ দিয়েছে, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার সময় জয়পুরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আব্দুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হামিদুল শেখ পাঁচবিবি উপজেলার শন্তাদিগর গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ দুপুরে শন্তাদিগর গ্রামের ওই ছাত্রী নিজ বাড়ির আঙিনায় ঝাড়ু দিচ্ছিল। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী চাচা হামিদুল শেখ জোরপূর্বক মুখে ওড়না চাপা দিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। ভয়ভীতি দেখিয়ে হামিদুল একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার প্রায় ৫ মাস পর ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার পরিবার ঘটনাটি জানতে পারে। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট পাঁচবিবি থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাসুম। বিচার প্রক্রিয়ায় উপযুক্ত সাক্ষী ও প্রমাণাদি উপস্থাপন করার পর আদালত আজ এ রায় প্রদান করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড এশিয়া-প্যাসিফিক ওপেন চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬’-এ ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে বাংলাদেশের টিম ব্লুপ্রিন্ট। একই প্রতিযোগিতায় ফিউচার ইনোভেটরস সিনিয়র ক্যাটাগরিতে ‘টিম অডিসি এক্স’ সপ্তম স্থান অধিকার করেছে।
২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় ২৫টি দেশের ১৪৯টি দল অংশগ্রহণ করে।
ব্রোঞ্জ পদক জয়ী টিম ব্লুপ্রিন্টের সদস্যরা হলেন সৈয়দ সুবেহ-সাদিক শোলক, মো. আজমাইন শাক এবং সাম্মান রাহিন। ‘টিম অডিসি এক্স’-এর সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন আবিদা ওয়াদুদ ও সাদমান আল হক।
এছাড়া, বাংলাদেশের হয়ে ‘টিম নেবুকোডার্স’ এবং ‘টিম রোবোম্যানিয়া’ও এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। ৯ জন প্রতিযোগীসহ ১৩ সদস্যের বাংলাদেশ দলের নেতৃত্ব দেন প্রমি নাহিদ। কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন নাসির খান সৈকত। বিশ্বমঞ্চে এই সাফল্যকে ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন বিজয়ী ও আয়োজকরা।
এর আগে, ১৪ আগস্ট ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে অনুষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ ২০২৬-এর জাতীয় পর্ব। ৪টি ক্যাটাগরিতে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় ৭২টি দলের ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। জাতীয় পর্বের ফলাফলের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য দলগুলো নির্বাচিত হয়।
প্রতিযোগিতার এ বছরের থিম ছিল ‘রোবট মিটস কালচার’। জাতীয় পর্বের আগে শিক্ষার্থীদের রোবোটিকসে আগ্রহী করার উদ্দেশ্যে জুন মাসে দেশের ৫টি জেলায় ১৪টি অ্যাকটিভেশন প্রোগ্রাম আয়োজন করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশ একটি প্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে, যার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পূর্বনয়াহাটি গ্রামে বাড়ির পাশের একটি গাছ থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবক রোকন উদ্দিন (২৫) ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্বনয়াহাটি গ্রামের ছাত্তার মিয়ার পুত্র। তিনি দুই ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে একমাত্র অবিবাহিত ছেলে ছিলেন। প্রায় তিন বছর সিঙ্গাপুরে থাকার পর দেড় মাস আগে দেশে ফেরেন রোকন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে বাড়ির পাশের গাছে রোকনের মরদেহ ঝুলতে দেখে তারা। তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রোকনের বাবা ছাত্তার মিয়া বলেন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি কৃষিজমিতে সেচপাম্প চালানোর জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়িতে ছিলেন রোকনের মা হনুফা বেগম ও বড় ভাই। রোকন বাড়ির একটি আলাদা কক্ষে থাকতেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, রাত একটার দিকে রোকন ঘর থেকে বের হন। তারা মনে করেছিলেন, ফোনে কথা বলার জন্য তিনি বাইরে গেছেন। এরপর তিনি ঘরে ফিরেছিলেন কিনা, তা কেউ জানেন না। কারা এবং কী কারণে ছেলেকে হত্যা করতে পারে, সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই।
রোকনের মা হনুফা বেগম জানান, মরদেহের কাছ থেকে রোকনের ব্যবহৃত মুঠোফোন পাওয়া গেছে, তবে ফোনটিতে কোনো সিমকার্ড ছিল না।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুর থেকে দেড় মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন রোকন। মঙ্গলবার রাতে তার বন্ধুদের সঙ্গে ট্রেনে করে কক্সবাজার যাওয়ার কথা ছিল।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাকে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। আবার হাত-পা বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে রেখেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার অভিযোগে কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর প্রেক্ষিতে জামায়াত এমপি তার অবস্থান তুলে ধরার জন্য একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিবৃতিটি পাঠান।
বিবৃতিতে আব্দুল গফুর উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ঢাকার মাটিকাটা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং তাকে কেন্দ্র করে ‘আমার দেশ’সহ কিছু দৈনিক পত্রিকা ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, "প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে এবং আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পৃক্ত করে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"
তিনি আরও বলেন, "প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছে, মিজানুর রহমানকে আমার নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। প্রকৃত সত্য হলো, ঢাকায় মাটিকাটায় আমার নিজস্ব কোনো ব্যক্তিগত বাসা নেই। আমি সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ‘ন্যাম ভবন’-এ অবস্থান করি। অথচ প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমাকে বিতর্কিত ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।"
জামায়াত এমপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "মিজানুর রহমানের সঙ্গে সংঘটিত বিষয়টি তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিষয়। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। একইভাবে, মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃত ঘটনা সম্পূর্ণরূপে একটি ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে।" তিনি জানান, মিজানুর রহমানের সঙ্গে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’র দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল এবং ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে তার পাওনা টাকা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ছিল। তিনি আইনানুগভাবে তা পরিশোধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম পাওনা টাকা পরিশোধ না করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মিজানুর রহমান থানায় মামলা দায়ের করেন।
আব্দুল গফুর বলেন, "উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’-এর মালিক সাইফুল ইসলাম বাধ্য হয়ে মিজানুর রহমানকে পাওনা টাকার একটি অংশ পরিশোধ করেন। তবে অবশিষ্ট পাওনা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম পাল্টা একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ হয়ে যায়।" তিনি আরও বলেন, "প্রকৃত বিষয় হলো সম্প্রতি সংঘটিত ভাঙচুর বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে আমার জানামতে মিজানুর রহমানের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং নেই।" তিনি মনে করেন, "বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’-এর মালিক সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে একটি সাজানো ঘটনা ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, "মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি ঘটনাকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা মূলত রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের একটি অপকৌশল ছাড়া আর কিছু নয়।"
এ সংসদ সদস্য বলেন, "আমি মনে করি, একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধকে রাজনৈতিক রং দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা এবং একই সঙ্গে আমাকে এ ঘটনায় জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।" তিনি উল্লেখ করেন, "এ ধরনের অপপ্রচার শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং জনগণের কাছে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করারও সুযোগ তৈরি করে।" তিনি মনে করেন, "জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, রাজনৈতিকভাবে আমাকে ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং প্রকৃত বিষয় আড়াল করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে।" তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান, "কোনো পক্ষের দেওয়া একতরফা, অসম্পূর্ণ বা যাচাই-বাছাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ না করে ঘটনার প্রকৃত সত্য অনুসন্ধান করুন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করুন।" একই সঙ্গে তিনি দাবি জানান, "‘আমার দেশ’সহ যেসব গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেসব সংবাদ দ্রুত সংশোধন করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে বসবাসরত অনেকেই ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহন করছেন, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা ফ্যাসিবাদীদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি। ফ্যাসিবাদ চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের নেতৃত্ব চলে গেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক লোকই বাংলাদেশে বসে আছে।"
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, "কোনো অবস্থাতেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে দেওয়া হবে না।" তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী যারা গোপনে বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড ও নাশকতায় লিপ্ত, তাদের প্রশাসনের দায়িত্ব হলো নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় আনা, বিচারের সম্মুখীন করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
তিনি বলেন, "বহু লড়াই ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেকের জীবনের আত্মাহুতি, অনেকে শহীদ হয়েছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টে ফ্যাসিবাদ পতনের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়ার লক্ষ্য, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সূচনা করতে পেরেছি।"
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, "আমরা মাঝে মাঝে তার কিছু আলামত দেখছি। জনজীবন অস্থিতিশীল করা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য মাঝে মাঝে ভোরবেলায়ও কোথাও কোথাও ঝটিকা মিছিল, কখনো কখনো পটকা ফাটানো এবং বোমা ফাটানোর মতো ঘটনা সারাদেশের মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে।"
তিনি বলেন, "আমরা জাতীয়তাবাদী দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এই ব্যাপারে জনগণের পক্ষে সজাগ আছি। গণতন্ত্র ব্যাহত হবে-এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।"
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, "সরকার নিশ্চয়ই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সক্রিয় অবস্থান নেবেন।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ