ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভৈরবে বাড়ির পাশের গাছ থেকে প্রবাসী যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার


ভৈরবে বাড়ির পাশের গাছ থেকে প্রবাসী যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশ একটি প্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে, যার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পূর্বনয়াহাটি গ্রামে বাড়ির পাশের একটি গাছ থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবক রোকন উদ্দিন (২৫) ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্বনয়াহাটি গ্রামের ছাত্তার মিয়ার পুত্র। তিনি দুই ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে একমাত্র অবিবাহিত ছেলে ছিলেন। প্রায় তিন বছর সিঙ্গাপুরে থাকার পর দেড় মাস আগে দেশে ফেরেন রোকন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে বাড়ির পাশের গাছে রোকনের মরদেহ ঝুলতে দেখে তারা। তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

রোকনের বাবা ছাত্তার মিয়া বলেন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি কৃষিজমিতে সেচপাম্প চালানোর জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়িতে ছিলেন রোকনের মা হনুফা বেগম ও বড় ভাই। রোকন বাড়ির একটি আলাদা কক্ষে থাকতেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, রাত একটার দিকে রোকন ঘর থেকে বের হন। তারা মনে করেছিলেন, ফোনে কথা বলার জন্য তিনি বাইরে গেছেন। এরপর তিনি ঘরে ফিরেছিলেন কিনা, তা কেউ জানেন না। কারা এবং কী কারণে ছেলেকে হত্যা করতে পারে, সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই।

রোকনের মা হনুফা বেগম জানান, মরদেহের কাছ থেকে রোকনের ব্যবহৃত মুঠোফোন পাওয়া গেছে, তবে ফোনটিতে কোনো সিমকার্ড ছিল না।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুর থেকে দেড় মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন রোকন। মঙ্গলবার রাতে তার বন্ধুদের সঙ্গে ট্রেনে করে কক্সবাজার যাওয়ার কথা ছিল।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাকে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। আবার হাত-পা বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে রেখেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামাতা গ্রেপ্তারের ঘটনায় জামায়াত এমপির বিবৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


জামাতা গ্রেপ্তারের ঘটনায় জামায়াত এমপির বিবৃতি

রাজধানীর নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলার অভিযোগে কুষ্টিয়া-২ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য আব্দুল গফুরের জামাতা মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর প্রেক্ষিতে জামায়াত এমপি তার অবস্থান তুলে ধরার জন্য একটি বিবৃতি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হক গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে বিবৃতিটি পাঠান।

বিবৃতিতে আব্দুল গফুর উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ঢাকার মাটিকাটা এলাকা থেকে মিজানুর রহমানের গ্রেপ্তার এবং তাকে কেন্দ্র করে ‘আমার দেশ’সহ কিছু দৈনিক পত্রিকা ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, "প্রকাশিত এসব প্রতিবেদনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নাম জড়িয়ে এবং আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পৃক্ত করে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।"

তিনি আরও বলেন, "প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়েছে, মিজানুর রহমানকে আমার নিজস্ব বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক। প্রকৃত সত্য হলো, ঢাকায় মাটিকাটায় আমার নিজস্ব কোনো ব্যক্তিগত বাসা নেই। আমি সরকারিভাবে বরাদ্দকৃত ‘ন্যাম ভবন’-এ অবস্থান করি। অথচ প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে আমাকে বিতর্কিত ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।"

জামায়াত এমপি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, "মিজানুর রহমানের সঙ্গে সংঘটিত বিষয়টি তার সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিষয়। এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। একইভাবে, মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রকৃত ঘটনা সম্পূর্ণরূপে একটি ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে।" তিনি জানান, মিজানুর রহমানের সঙ্গে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’র দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল এবং ওই প্রতিষ্ঠানের কাছে তার পাওনা টাকা দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ছিল। তিনি আইনানুগভাবে তা পরিশোধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের মালিক সাইফুল ইসলাম পাওনা টাকা পরিশোধ না করার জন্য নানা কৌশল অবলম্বন করেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য মিজানুর রহমান থানায় মামলা দায়ের করেন।

আব্দুল গফুর বলেন, "উক্ত মামলার প্রেক্ষিতে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’-এর মালিক সাইফুল ইসলাম বাধ্য হয়ে মিজানুর রহমানকে পাওনা টাকার একটি অংশ পরিশোধ করেন। তবে অবশিষ্ট পাওনা পরিশোধ না করার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে সাইফুল ইসলাম পাল্টা একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ হয়ে যায়।" তিনি আরও বলেন, "প্রকৃত বিষয় হলো সম্প্রতি সংঘটিত ভাঙচুর বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে আমার জানামতে মিজানুর রহমানের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা ছিল না এবং নেই।" তিনি মনে করেন, "বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে ‘নিউ গ্রিন প্রপার্টিজ’-এর মালিক সাইফুল ইসলাম পরিকল্পিতভাবে একটি সাজানো ঘটনা ও ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছেন।" তিনি আরও বলেন, "মিজানুর রহমানের ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক বিরোধের সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পর্ক নেই। অথচ সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত একটি ঘটনাকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা মূলত রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের একটি অপকৌশল ছাড়া আর কিছু নয়।"

এ সংসদ সদস্য বলেন, "আমি মনে করি, একটি ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক বিরোধকে রাজনৈতিক রং দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা এবং একই সঙ্গে আমাকে এ ঘটনায় জড়িয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।" তিনি উল্লেখ করেন, "এ ধরনের অপপ্রচার শুধু বিভ্রান্তিই সৃষ্টি করে না, বরং জনগণের কাছে প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করারও সুযোগ তৈরি করে।" তিনি মনে করেন, "জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি, রাজনৈতিকভাবে আমাকে ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং প্রকৃত বিষয় আড়াল করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে।" তিনি সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান, "কোনো পক্ষের দেওয়া একতরফা, অসম্পূর্ণ বা যাচাই-বাছাইহীন তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ না করে ঘটনার প্রকৃত সত্য অনুসন্ধান করুন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করুন।" একই সঙ্গে তিনি দাবি জানান, "‘আমার দেশ’সহ যেসব গণমাধ্যমে এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, সেসব সংবাদ দ্রুত সংশোধন করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেকেই দেশে বসে আছে: গয়েশ্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেকেই দেশে বসে আছে: গয়েশ্বর

বাংলাদেশে বসবাসরত অনেকেই ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহন করছেন, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা ফ্যাসিবাদীদের এই দেশ থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছি। ফ্যাসিবাদ চলে গেছে, ফ্যাসিবাদের নেতৃত্ব চলে গেছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক লোকই বাংলাদেশে বসে আছে।"

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, "কোনো অবস্থাতেই গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে দেওয়া হবে না।" তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী যারা গোপনে বিভিন্ন ধরনের কর্মকাণ্ড ও নাশকতায় লিপ্ত, তাদের প্রশাসনের দায়িত্ব হলো নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় আনা, বিচারের সম্মুখীন করা এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, "বহু লড়াই ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেকের জীবনের আত্মাহুতি, অনেকে শহীদ হয়েছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টে ফ্যাসিবাদ পতনের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়ার লক্ষ্য, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সূচনা করতে পেরেছি।"

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, "আমরা মাঝে মাঝে তার কিছু আলামত দেখছি। জনজীবন অস্থিতিশীল করা, গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করার জন্য মাঝে মাঝে ভোরবেলায়ও কোথাও কোথাও ঝটিকা মিছিল, কখনো কখনো পটকা ফাটানো এবং বোমা ফাটানোর মতো ঘটনা সারাদেশের মানুষকে উদ্বিগ্ন করেছে।"

তিনি বলেন, "আমরা জাতীয়তাবাদী দলের সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এই ব্যাপারে জনগণের পক্ষে সজাগ আছি। গণতন্ত্র ব্যাহত হবে-এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।"

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, "সরকার নিশ্চয়ই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য সক্রিয় অবস্থান নেবেন।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে তায়িফাকে হত্যার পর বাক্সে লুকিয়ে রাখেন ফুফু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


বান্দরবানে তায়িফাকে হত্যার পর বাক্সে লুকিয়ে রাখেন ফুফু

বান্দরবানে নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ একটি বাক্স থেকে তায়িফা সুলতানা (৩) নামের এক শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় শিশুটির ফুফু নার্গিস সুলতানাকে (৪৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের সুয়ালক বাজারসংলগ্ন ময়দার মিল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু তায়িফা সুলতানা ওই এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস খানের কন্যা। সোমবার সকালে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে তার বাবা ইলিয়াস খান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস খানের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নার্গিস সুলতানা শিশু তায়িফাকে তার কক্ষে নিয়ে যাচ্ছেন। পরে নার্গিসের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে একটি বাক্সের ভেতর থেকে তায়িফার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নার্গিস সুলতানা স্বীকার করেছেন যে, তিনি ভাতিজিকে গলাটিপে হত্যা করেছেন। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাননি।

নিহত শিশুটির পরিবারের একজন সদস্য জানান, নার্গিস সুলতানা তার স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর ভাই ইলিয়াস খানের সঙ্গে একই বাড়িতে বসবাস করতেন। আপন ভাতিজিকে হত্যার ঘটনায় পরিবারের সবাই হতবাক। তারা ধারণা করছেন, ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তবে নার্গিস হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলছেন না।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে নার্গিস সুলতানার কক্ষে তল্লাশি চালানো হয়। সেখানকার একটি বাক্স থেকে শিশু তায়িফার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় নার্গিস সুলতানাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বোয়িংয়ের পর এবার ১০টি এয়ারবাস কিনবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


বোয়িংয়ের পর এবার ১০টি এয়ারবাস কিনবে সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির কাছ থেকে নতুন উড়োজাহাজ কেনার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, সরকার এবার ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই ক্রয় চুক্তি আগামী অক্টোবর মাসেই চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রী জানান, দেশের আকাশপথের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে বাংলাদেশ মোট ২৫টি উড়োজাহাজ সরবরাহের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করেছে। এই চুক্তির প্রথম চালানটি ২০৩১ সালে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেই বড় চুক্তির ধারাবাহিকতায় এবার ইউরোপের এয়ারবাসের বহরে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন কেনা উড়োজাহাজগুলোর হস্তান্তরে কয়েক বছর সময় লাগবে, তাই মধ্যবর্তী সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার লিজের মাধ্যমে আরও ১০টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া চালাচ্ছে।

বিমানমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রুটে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো অধিক ফ্লাইট পরিচালনা করছে। বাংলাদেশি এয়ারলাইনসের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন গন্তব্যে আরও ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, নিউইয়র্কে পুনরায় ফ্লাইট চালুর চেষ্টা চলছে এবং সিডনি রুট চালুর বিষয়ে পরিকল্পনা রয়েছে। জাপানে একটি ফ্লাইট চালু রয়েছে এবং সেখানে দ্বিতীয় ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এয়ারবাস কেনার বিষয়ে কোনো চাপ বা শর্ত রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, "আমরা কোনো চাপে কিছু করছি না। আমাদের প্রয়োজনের কারণে করছি। আমাদের ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য করছি।"

তিনি আরও বলেন, কোন দেশ থেকে কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। দেশের প্রয়োজন ও অ্যাভিয়েশন খাতের স্বার্থ বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%