প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশ একটি প্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে, যার হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ছিল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পূর্বনয়াহাটি গ্রামে বাড়ির পাশের একটি গাছ থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবক রোকন উদ্দিন (২৫) ভৈরবের কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্বনয়াহাটি গ্রামের ছাত্তার মিয়ার পুত্র। তিনি দুই ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে একমাত্র অবিবাহিত ছেলে ছিলেন। প্রায় তিন বছর সিঙ্গাপুরে থাকার পর দেড় মাস আগে দেশে ফেরেন রোকন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে বাড়ির পাশের গাছে রোকনের মরদেহ ঝুলতে দেখে তারা। তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
রোকনের বাবা ছাত্তার মিয়া বলেন, সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তিনি কৃষিজমিতে সেচপাম্প চালানোর জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাড়িতে ছিলেন রোকনের মা হনুফা বেগম ও বড় ভাই। রোকন বাড়ির একটি আলাদা কক্ষে থাকতেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তিনি জানতে পারেন, রাত একটার দিকে রোকন ঘর থেকে বের হন। তারা মনে করেছিলেন, ফোনে কথা বলার জন্য তিনি বাইরে গেছেন। এরপর তিনি ঘরে ফিরেছিলেন কিনা, তা কেউ জানেন না। কারা এবং কী কারণে ছেলেকে হত্যা করতে পারে, সে বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা নেই।
রোকনের মা হনুফা বেগম জানান, মরদেহের কাছ থেকে রোকনের ব্যবহৃত মুঠোফোন পাওয়া গেছে, তবে ফোনটিতে কোনো সিমকার্ড ছিল না।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুর থেকে দেড় মাস আগে দেশে ফিরেছিলেন রোকন। মঙ্গলবার রাতে তার বন্ধুদের সঙ্গে ট্রেনে করে কক্সবাজার যাওয়ার কথা ছিল।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তাকে হত্যা করে হাত-পা বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়ে থাকতে পারে। আবার হাত-পা বেঁধে গাছে ঝুলিয়ে রেখেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনার তদন্তে পুলিশ কাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন