শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:২৬ পি.এম
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান শুক্রবার প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা গেছে, মূল্যস্ফীতির হার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে। ফলে সুদের হার আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে।
জাপানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, তাজা খাদ্যপণ্যের অস্থিতিশীল মূল্য বাদ দিলে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ২ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছেছে। আগের মাস আগস্টে এই হার ছিল ১ দশমিক ৭ শতাংশ।
সেপ্টেম্বরের এই মূল্যস্ফীতির হার বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও এটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশের চেয়ে বেশি। এই কারণে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে।
ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সূর্য মন্তব্য করেছেন, ‘মূল্যস্ফীতির অন্তর্নিহিত প্রবণতা আবারও জাপান ব্যাংকের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার ওপরে উঠে আসায় মুদ্রানীতি আরও কঠোর করার পক্ষে জোরালো ভিত্তি রয়েছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস বাড়াতে পারে। এতে ডিসেম্বরে আবারও সুদের হার বাড়ানোর পথ তৈরি হতে পারে।’
মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলায় জাপান ব্যাংক গত সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে সুদের হার বাড়িয়েছিল। বিশ্বের অন্যান্য প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো জাপানও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ সামাল দিতে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে এই চাপ আরও তীব্র হয়েছে।
এদিকে, জাপানি মুদ্রা ইয়েনের দুর্বলতার কারণে আমদানি করা পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাড়িভাড়া এবং মোটরযান-সংশ্লিষ্ট ব্যয়ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে।
অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সূর্যের মতে, বাড়িভাড়ার মূল্যস্ফীতি প্রায় ২৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তবে পেট্রল ও বিদ্যুতের বিলে সরকারি সহায়তা জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কিছুটা কমিয়েছে বলে অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
খাদ্য ও জ্বালানি—উভয় খাতের মূল্য বাদ দিয়ে হিসাব করলেও সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ২ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আগের মাস আগস্টে এই হার ছিল ১ দশমিক ৯ শতাংশ। সেপ্টেম্বরের এই হার বাজার বিশ্লেষকদের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
মূল্যস্ফীতির কারণে পরিবারের ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ কমাতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৫ সালের শেষ দিকে গৃহীত বড় ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ এবং জ্বালানির ওপর ব্যাপক করছাড়।
প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পূর্বসূরিরা মূল্যস্ফীতি নিয়ে জনঅসন্তোষের কারণে রাজনৈতিকভাবে বিপাকে পড়েছিলেন।
সরকার জানিয়েছে, আগামী এপ্রিল থেকে দুই বছরের জন্য খাদ্যপণ্যের ওপর ভোগকর ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করা হবে।
তবে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তের ফলে সরকারের কর রাজস্ব প্রায় ১০ লাখ কোটি ইয়েন (৬ হাজার ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার) কমতে পারে।
এতে জাপানের সরকারি অর্থব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। দেশটির মোট সরকারি ঋণের পরিমাণ বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের দ্বিগুণেরও বেশি, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ ঋণ-জিডিপি অনুপাতগুলোর একটি।
প্রাকৃতিক সম্পদে সীমিত জাপান জ্বালানির চাহিদা মেটাতে আমদানি করা তেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : রাশিয়া ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা পুনরায় শুরু করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে মস্কো স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে চূড়ান্ত শান্তিচুক্তির আওতায় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলার সময় পুতিন উল্লেখ করেন, ‘এই আলোচনার লক্ষ্য হবে চূড়ান্ত চুক্তির কাঠামোর মধ্যে ইউক্রেন ও রাশিয়া—উভয় দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা। যুদ্ধের মধ্যে স্বল্প সময়ের কোনো বিরতির পর নয়, বরং চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবেই এ বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬ : ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং তার ডানপন্থি প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারো শুক্রবার দ্বিতীয় এবং শেষবারের মতো টেলিভিশন বিতর্কে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া চূড়ান্ত দফার ভোটের আগে, দুই প্রার্থীই সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের সমর্থন অর্জনের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফায় সাবেক কট্টর ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো লুলার চেয়ে দুই শতাংশ পয়েন্ট বেশি ভোট পেয়ে মোট ভোটের ৪৭ শতাংশ অর্জন করেন।
ফ্লাভিওর এই অপ্রত্যাশিত অগ্রগতি বামপন্থিদের মধ্যে সক্রিয়তা বৃদ্ধি করেছে। রোববারের রান-অফ বা দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দেশজুড়ে বড় বড় নির্বাচনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এদিকে, ৮১ বছর বয়সের কাছাকাছি পৌঁছানো বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলাও শেষ মুহূর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বাড়িয়েছেন। তিনি নিজের হাতে মোবাইল ধরে ভিডিও প্রকাশ করছেন এবং জীবনে প্রথমবারের মতো একটি মুঠোফোন কিনেছেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ডেটাফোলহা ইনস্টিটিউটের এক জরিপে দেখা গেছে, দুই প্রার্থীর ভোটারদের সমর্থন ৫০ শতাংশ করে। অথচ দুই সপ্তাহ আগে প্রকাশিত জরিপে ফ্লাভিও বলসোনারো চার শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন।
রাজনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডোমিনিয়ামের পরিচালক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক লিয়ান্দ্রো গাবিয়াতি এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘লুলার জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার গতিপথ পুরোপুরি বদলে দিতে পারে—এমন কোনো নির্ণায়ক আঘাত তিনি এখনো হানতে পারেননি। এই বিতর্কই হতে পারে তার শেষ সুযোগ।’
শুক্রবার রাতে রিও ডি জেনেইরোতে দেশটির বৃহত্তম টেলিভিশন নেটওয়ার্ক টিভি গ্লোবো আয়োজিত বিতর্কের দিকে তাকিয়ে আছেন ব্রাজিলের ভোটাররা।
রোববার অনুষ্ঠিত প্রথম বিতর্ক দ্রুতই পাল্টাপাল্টি অপমান ও কটাক্ষে রূপ নেয়, ফলে সেখানে নীতিগত প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ খুব কম ছিল।
রিওর দন্তচিকিৎসক লিজি মোরেইরা এএফপিকে বলেন, ‘বিতর্কগুলো আবারও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মতো পর্যায়ে নেমে গেছে, যা একেবারেই অযৌক্তিক।’
৬০ বছর বয়সী মোরেইরা বলসোনারোকে ভোট দেবেন। তার মতে, লুলার নীতিগুলো ‘জনতুষ্টিবাদী’ বলে মনে হচ্ছে।
‘ভুয়া খবর’ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
বিতর্কে দুই প্রার্থীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করার ব্যবস্থা চালুর দাবিতে অনলাইনে একটি আবেদন করা হয়েছে। এতে ১০ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। আবেদনকারীরা টিভি গ্লোবোকে সরাসরি তথ্য যাচাইয়ের ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।
নির্বাচনী প্রচারে ব্যাপক হারে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে তুলেছে।
বুধবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর ফোর্তালেজায় এক নির্বাচনী সমাবেশে ফ্লাভিও বলসোনারো বলেন, তাকে ‘অনেক ভুয়া খবরের’ জবাব দিতে হয়েছে। বিশেষ করে ব্যয় কমানোর জন্য তিনি সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচি বন্ধ করে দেবেন—এমন অভিযোগের প্রতিবাদ জানান তিনি।
লাতিন আমেরিকার অন্যান্য ডানপন্থি নেতার মতো ফ্লাভিওও কঠোর নিরাপত্তানীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং লুলাকে রাজনীতি থেকে ‘অবসর নেওয়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন।
জবাবে লুলা বলেছেন, ‘পরিবর্তন মানে মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া নয়।’
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেলো হরিজন্তেতে এক বামপন্থি সমাবেশে ২২ বছর বয়সী গ্যাব্রিয়েলা ফেরেইরা বলেন, ‘লুলা আমার সবকিছুর প্রতিনিধিত্ব করেন। আমি দরিদ্র। আমি একজন শিক্ষার্থী। পড়াশোনা শেষ করতে আমি বৃত্তির ওপর নির্ভরশীল।’
সাবেক শ্রমিকনেতা লুলা নিজেকে গণতন্ত্রের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরছেন। বলসোনারো পরিবারের আবার ক্ষমতায় ফেরার বিরোধিতার ওপরও তিনি অনেকাংশে নির্ভর করছেন।
২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে পরাজয়ের পর অভ্যুত্থানের চেষ্টা করার দায়ে জাইর বলসোনারো ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদে আগামীকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজে ইমামতি কারা করবেন, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মক্কার মসজিদুল হারামে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। অন্যদিকে, মদিনার মসজিদে নববিতে ইমামতি করবেন শায়খ আলী হুযাইফি।
হিজরি ১৪৪৮ সালের ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে পবিত্র দুই মসজিদে তাদের ইমামতির বিষয়টি জানানো হয়েছে। শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ একজন প্রখ্যাত আলেম, ইসলামি চিন্তাবিদ এবং পবিত্র মসজিদুল হারামের জ্যেষ্ঠ ইমাম। তিনি ১৯৫০ সালে সৌদি আরবের কাসিম প্রদেশের বুরাইদাহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৪ সালে তিনি মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সেখানে ইমামতি, খুতবা প্রদান এবং ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের সদস্য এবং রাজদরবারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ইসলামি জ্ঞানচর্চা ও ইসলামের সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর একাধিক ধর্মীয় গ্রন্থও রয়েছে।
অন্যদিকে, শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি সৌদি আরবের একজন প্রখ্যাত কোরআন তিলাওয়াতকারী এবং মদিনার মসজিদে নববির জ্যেষ্ঠ ইমাম। ১৯৪৭ সালে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলের দক্ষিণাঞ্চলে তাঁর জন্ম। শৈশবে তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ করেন এবং পরবর্তীতে শরিয়াহ ও ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৭৯ সালে তিনি মসজিদে নববির ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি এ পবিত্র মসজিদে ইমামতি ও খুতবা প্রদানের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮১ সালে তিনি মসজিদুল হারামেও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন।
কোরআনের বিভিন্ন কিরাআতে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তাঁর ধীরস্থির, স্পষ্ট এবং সুমধুর তিলাওয়াত মুসলিম বিশ্বের বহু মানুষের কাছে পরিচিত। তিনি মদিনার মুসহাফ পর্যালোচনাসংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক কমিটির প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সউদি আরবে হুথিদের হামলার কারণে বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় মক্কা ও মদিনায় আটকা পড়ে আছেন কয়েক হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত এক সপ্তাহে প্রায় ৩ হাজার যাত্রী দেশে ফিরেছেন। তবে আরও প্রায় ৪ হাজার ভারতীয় আটকা রয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির এক সংসদ সদস্য।
গত বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সউদির দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের দিকে হামলার ঘটনা ঘটে। পরদিন বৃহস্পতিবার সউদি কর্তৃপক্ষ জানায়, হামলায় একজন ভারতীয় ও একজন সউদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আটজন, যাঁদের মধ্যে দুইজন ভারতীয় ও দুইজন বাংলাদেশি রয়েছেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জানান, রিয়াদে ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দায় কনস্যুলেট বিমান সংস্থা ও ভ্রমণ পরিচালনাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। আটকে পড়া যাত্রীদের দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি ভারতীয় বিমান সংস্থা সউদিগামী এবং সউদি থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এবং ইন্ডিগোর ফ্লাইট ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এবং আকাসা এয়ারের ফ্লাইট ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়েছে। যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করতে বলা হয়েছে।
আটকে পড়া যাত্রীদের সহায়তায় ভারতীয় দূতাবাস ও কনস্যুলেটে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রয়েছে। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখার পাশাপাশি যাত্রীদের দেশে ফেরাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করছে ভারত সরকার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ