প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সৌদি আরবের পবিত্র দুই মসজিদে আগামীকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জুমার নামাজে ইমামতি কারা করবেন, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। মক্কার মসজিদুল হারামে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ। অন্যদিকে, মদিনার মসজিদে নববিতে ইমামতি করবেন শায়খ আলী হুযাইফি।
হিজরি ১৪৪৮ সালের ১২ জমাদিউল আউয়াল তারিখে পবিত্র দুই মসজিদে তাদের ইমামতির বিষয়টি জানানো হয়েছে। শায়খ সালেহ বিন হুমাইদ একজন প্রখ্যাত আলেম, ইসলামি চিন্তাবিদ এবং পবিত্র মসজিদুল হারামের জ্যেষ্ঠ ইমাম। তিনি ১৯৫০ সালে সৌদি আরবের কাসিম প্রদেশের বুরাইদাহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। মক্কার উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৪ সালে তিনি মসজিদুল হারামের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি সেখানে ইমামতি, খুতবা প্রদান এবং ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ আলেম পরিষদের সদস্য এবং রাজদরবারের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের শুরা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ইসলামি জ্ঞানচর্চা ও ইসলামের সেবায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৬ সালে তিনি কিং ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন। তাঁর একাধিক ধর্মীয় গ্রন্থও রয়েছে।
অন্যদিকে, শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুযাইফি সৌদি আরবের একজন প্রখ্যাত কোরআন তিলাওয়াতকারী এবং মদিনার মসজিদে নববির জ্যেষ্ঠ ইমাম। ১৯৪৭ সালে সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলের দক্ষিণাঞ্চলে তাঁর জন্ম। শৈশবে তিনি পবিত্র কোরআন হিফজ করেন এবং পরবর্তীতে শরিয়াহ ও ইসলামি শিক্ষায় উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শরিয়াহ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি মদিনার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। ১৯৭৯ সালে তিনি মসজিদে নববির ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি এ পবিত্র মসজিদে ইমামতি ও খুতবা প্রদানের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮১ সালে তিনি মসজিদুল হারামেও ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন।
কোরআনের বিভিন্ন কিরাআতে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তাঁর ধীরস্থির, স্পষ্ট এবং সুমধুর তিলাওয়াত মুসলিম বিশ্বের বহু মানুষের কাছে পরিচিত। তিনি মদিনার মুসহাফ পর্যালোচনাসংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক কমিটির প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন