ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মসজিদে নামাজ পড়াকালীন মুসল্লির মৃত্যু


মসজিদে নামাজ পড়াকালীন মুসল্লির মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে নামাজ পড়ার সময় এক মুসল্লির মৃত্যু ঘটে।

রোববার (১৯ জুলাই) আসরের নামাজের সময় পৌর এলাকার দরগাহ কলামহলা জামে মসজিদে এই ঘটনা ঘটে।

মৃত ব্যক্তির নাম তারা মিয়া (৬৫)। তিনি পৌর এলাকার বাগরাইট গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

স্থানীয়রা জানান, তারা মিয়া প্রতিদিনের মতো জামাতের সঙ্গে আসরের নামাজ আদায় করছিলেন।

নামাজ চলাকালীন হঠাৎ তিনি লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা তাকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দরগাহ কলামহলা জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ মো. জুনায়েদ আহমেদ বলেন, তারা মিয়া মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি ছিলেন এবং আসরের নামাজ পড়ার সময় অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিথানলকে মদ ভেবে পান করে দুই যুবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৬ পি.এম


মিথানলকে মদ ভেবে পান করে দুই যুবকের মৃত্যু

গাজীপুরে একটি বিয়ে বাড়িতে অ্যালকোহল মনে করে মিথানল পান করায় ঘটেছে দুই যুবকের মৃত্যু। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার সময় সজিব (২২) এবং বিকেল সাড়ে চারটার সময় রনি (২০) মিয়া নামে ওই দুই যুবকের মৃত্যু হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

নিহত সজিব ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার জুনিয়ার বাজার এলাকার বাসীন্দা ছিল। তিনি কোনাবাড়ী থানাধীন বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকায় মফিজ উদ্দিন এর বাসায় ভাড়া থেকে কাঁচা মালের ব্যবসা করতেন। রনি মিয়া একই জেলার বাসীন্দা ও বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকার তোবারক মোল্লার বাসায় ভাড়া থেকে আশুলিয়া পলিট্যাকনিক্যালে পড়াশোনা করছিল।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ১০ জুলাই রাতে বাইমাইল কাদের মার্কেট এলাকার ভাড়াটিয়া রমজানের বিয়ের অনুষ্ঠানে অ্যালকোহল মনে করে তারা মিথানল পান করে। পরের দিন সকাল থেকে তারা অসুস্থ অনুভব করলে স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ গ্রহণ করে। কিন্তু তাদের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় কোনাবাড়ী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার (১৯ জুলাই) ভোর চারটার দিকে প্রথমে সজিব এবং সাড়ে চারটার দিকে রনি মিয়া মারা যায়।

রনি মিয়ার নানী রেজিয়া খাতুন বলেন, সে আমার সাথে বসবাস করে পড়াশোনা করতো। আমি ভিক্ষাবৃত্তি করে তাকে পড়াশোনা করাচ্ছি। সে এতটাই ভদ্র ছিল যে কোন নেশা পান করত না। তাকে যড়যন্ত্র করে হত্যা করা হয়েছে। এর সাথে জড়িতদের শাস্তি চাই।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, মিথানল পান করার কারণে তাদের মৃত্যু ঘটে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইফতেখার হোসেন জানান, শাহবাগ থানা থেকে একটি বার্তা পেয়েছি সজিব নামে একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে। পরে আন অফিশিয়ালি বিকেলে রনি মিয়া নামে আরও একজনের মৃত্যুর খবর পাই।

এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত কাঁচা মালের ব্যবসায়ী সাগর পলাতক রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি এবং বিষয়টির তদন্তে কাজ করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লাঠিতে ভর দিয়ে জীবিকার লড়াই, প্রতারণায় শেষ সম্বলও হারালেন হযরত আলী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


লাঠিতে ভর দিয়ে জীবিকার লড়াই, প্রতারণায় শেষ সম্বলও হারালেন হযরত আলী

বেশ কয়েক বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত স্ত্রীকে তিনি হারিয়েছেন। স্ত্রীর পাশাপাশি ক্যানসারে আক্রান্ত মেয়েকে চিকিৎসা দিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হলেও বাঁচাতে পারেননি মেয়েকে। সব কিছু হারিয়ে জীবনের শেষপ্রান্তে এসে বয়স, দরিদ্রতা এবং অসুস্থতা যেন একসঙ্গে এসে চাপিয়ে বসেছে হযরত আলীর (৭০) উপর। তিনি ঠিকমতো হাঁটতে পারেন না। লাঠিতে ভর করে ধীরে ধীরে পা ফেলেন; কিন্তু দারিদ্র্য তাকে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ দেয়নি। তিনি প্রতিদিন কষ্টের শরীর নিয়ে বের হন মিশুক (অটো) চালাতে, এক ছেলে ও এক মেয়ের সংসারের ভাত জোগাতে। লাঠিতে ভর দিয়ে মিশুকে উঠা ও শেষে মিশুক চালিয়ে বাড়িতে এসে নামা—এভাবেই চলে তার জীবন। মিশুকই ছিল তাঁর এবং তাঁর পরিবারের একমাত্র অবলম্বন। কিন্তু সেই শেষ সম্বলটিও একটি প্রতারণার মাধ্যমে প্রতারক চক্র ছিনিয়ে নিয়েছে।

ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার কালিবাড়ী এলাকার রামচানপুর গ্রামে হযরত আলীর বাড়ি। তিনি মৃত আবদুল মালেকের পুত্র। জীবনের এই বয়সেও তিনি অন্যের মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের শ্রমের ওপরেই সংসার চালিয়ে আসছিলেন।

রোববার (১৯ জুলাই) প্রতিদিনের মতোই জীবিকার সন্ধানে মিশুক নিয়ে বের হন তিনি। বেলা প্রায় ১১টার দিকে কালিবাড়ী থেকে দুই ব্যক্তি তার মিশুক ভাড়া করে নিয়ে যান পাশের উপজেলার পৌর শহর মধুপুরে। হাটখোলা-বোয়ালী সেতু এলাকায় পৌঁছানোর পর মিশুকে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কিনতে তাকে কাছেই কল্লোল সিনেমা হলের সামনে একটি দোকানে যেতে হয়।

হাঁটতে অক্ষম বৃদ্ধকে সহানুভূতির ভান করে দুই যাত্রীের একজন হাত ধরে তাকে হাটখোলা মাছবাজার হয়ে রাস্তা পার করে দেয়। অসহায় মানুষটি তখনো বুঝতে পারেননি এটি ছিল সুপরিকল্পিত প্রতারণার অংশ। যন্ত্রাংশ ক্রয় করার পর তিনি যখন বোয়ালী সেতুর উপর ফিরে আসেন, তখন দেখেন—তার মিশুক নেই, নেই সেই দুই যাত্রীও। মুহূর্তেই যেন অন্ধকার নেমে আসে তার জীবনে।

একটি লাঠি হাতে সেতুর পাশে বসে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, এই মিশুকটাই ছিল তার তিন সদস্যের পরিবারের বাঁচার ভরসা। এখন কিভাবে সংসার চলবে, এই ভাবনায় সে চিন্তিত। তিনি মিশুক চালান, جبکہ শিশু পুত্র চায়ের দোকানে কাজ করেন।

বৃদ্ধের আহাজারি শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসেন। তারা জানান, হযরত আলীর কাছে কোনো মোবাইল ফোন ছিল না, আর পরিবারের কারও ফোন নম্বরও তিনি জানতেন না। তাই স্বজনদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করাও সম্ভব হয়নি।

বোয়ালী এলাকার অনেকেই মানবিক কারণে তাকে বাড়ি ফেরার ভাড়া ও কিছু আর্থিক সহায়তা দেন। একই সঙ্গে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে প্রতারকদের শনাক্ত এবং চুরি হওয়া মিশুক উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে, স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এদিকে, স্থানীয়দের কথায়- এমন একজন বৃদ্ধ, শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং অসহায় মানুষের সঙ্গে এই প্রতারণা শুধু একটি চুরির ঘটনা নয়, এটি মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের একটি নির্মম চিত্রও। মিশুকটি উদ্ধার, জড়িতদের গ্রেফতার এবং হযরত আলীর জীবিকার একমাত্র অবলম্বন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম ফজলুল হক জানান, এ বিষয়ে কেউ এখনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে প্রা-ণ হারালেন নোয়াখালীর সোহাগ, স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচালেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


নিউইয়র্কে প্রা-ণ হারালেন নোয়াখালীর সোহাগ, স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচালেন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার মধ্যে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে রক্ষা করতে গিয়ে গুরুতর দগ্ধ হওয়া প্রবাসী বাংলাদেশি রফিকুল ইসলাম সোহাগ (৪৭) মারা গেছেন।

ঘটনার ২১ দিন পর শনিবার (১৮ জুলাই) ব্রুকলিনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে স্থানীয় বাইতুল মামুন মসজিদে তার জানাজা সম্পন্ন হয় এবং এরপর নিউ জার্সির একটি মুসলিম কবরস্থানে মরহুমের দাফন করা হয়।

নিহত রফিকুল ইসলাম সোহাগ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ২ নম্বর নদনা ইউনিয়নের দক্ষিণ শাকতলা গ্রামের একজন বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে নিউইয়র্কে বসবাস করে আসছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২৬ জুন ভোরে নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা এলাকায় একটি ব্যক্তিমালিকানাধীন দুইতলা আবাসিক ভবনের বেজমেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিউইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টের (এফডিএনওয়াই) প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি লিথিয়াম-আয়ন চালিত ডেলিভারি ই-বাইকের ব্যাটারি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আগুন লাগার সময় সোহাগের স্ত্রী ও দুই সন্তান গভীর ঘুমে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যেই বিষাক্ত ধোঁয়া ও আগুন পুরো বেজমেন্টে ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ছিলেন সোহাগ, যে নিজের জীবনের পরোয়া না করে স্ত্রী ও সন্তানদের নিরাপদ স্থানে বের করে আনেন।

তবে, পরিবারের সকল সদস্যকে নিরাপদে বের করে আনতে পারলেও, তিনি নিজে মারাত্মকভাবে অগ্নিদগ্ধ হন এবং ফুসফুসে বিষাক্ত ধোঁয়া প্রবেশ করায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছিল।

সোহাগের এই মৃত্যুতে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ অনেকেই তাকে একজন প্রকৃত ‘সুপারহিরো বাবা’ এবং আত্মত্যাগী মানুষ হিসেবে স্মরণ করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙ্গামাটিতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের হাতে পৌঁছাল ত্রাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


রাঙ্গামাটিতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের হাতে পৌঁছাল ত্রাণ

রাঙ্গামাটি, ১৯ জুলাই ২০২৬ : আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে জেলা কাউখালী উপজেলায়।

আজ রোববার বিকালে কাউখালী উপজেলা পরিষদ মিলনায়ন চত্বরে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি ২৯৯ নং সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান এসব ত্রাণ বিতরণ করেন।

কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে এই ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রেজাউল করিম, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাজীব হোসেন, কাউখালীর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আওয়ালীন খালেক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান এবং নানিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. নুরুজ্জামান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান আরো বলেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাঙ্গামাটি তথা পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকার পাহাড় ধস এবং বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনঃনির্মাণ এবং কৃষিখাতের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিবে।

তিনি জানান, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ইতিমধ্যে ৩৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আরও আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%