ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য, শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্দীপনা খুঁজে পেতে আহ্বান


আজকের দিনটি ব্যর্থদের জন্য, শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্দীপনা খুঁজে পেতে আহ্বান

সব সময়ই ‘সফলতাকে উৎযাপন’ করার কথা শোনা যায় বা পত্রিকায় লেখা দেখা যায়। তবে কখনো কি নিজের ব্যর্থতাকে উদযাপন করার কথা ভাবা হয়েছে? আজ ১৩ অক্টোবর ব্যর্থতা উদযাপনের দিন ‘Day for Failure’। আজকের দিনটি ব্যর্থতার মাধ্যমে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর উদ্দীপনা খুঁজে পাওয়ার জন্য নির্ধারিত।

ফিনল্যান্ডের আল্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন Aalto Entrepreneurship Society (Aaltoes) ১৩ অক্টোবর ব্যর্থতা দিবসের সূচনা করে। উদ্যোক্তা হতে আগ্রহী তরুণদের মধ্যে ব্যর্থতা নিয়ে ভয় এবং সামাজিক সংকোচ কমানোর উদ্দেশ্যেই এই দিবসটি পালিত হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ দিনটির প্রচারকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন এবং International Day for Failure নামটি ব্যবহার করেন।

বলা হয়ে থাকে ‘বীরভোগ্যা এ বসুধা’ অর্থাৎ পৃথিবী কেবল জয়ীদের জন্য। আমাদের সমাজ কেবল জয়ীদের গল্প শুনতে চায়। জয়ীদের যুদ্ধ জয়ের কাহিনী ইতিহাসের পাতায় লেখা হয়, কিন্তু ব্যর্থদের ইতিহাস হারিয়ে যায়। প্রতিটি ব্যর্থতার পেছনে যে এক পাহাড় সমান প্রচেষ্টা থাকে, তা সমাজে স্বীকৃতি পায় না এবং প্রচারেও আসে না। আমাদের হাজারো প্রচেষ্টার মাঝে কিছু ছোট ছোট ভুল আমাদেরকে নিজেদের যুদ্ধেই হারিয়ে দিয়ে ব্যর্থতার মুকুট পরিয়ে দেয়। আজ সেই ভুলগুলো নিয়ে আলোচনা করার দিন। নিজের সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর দিন আজ।

আরও পড়ুন: শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিদুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ে, নিরাপদ থাকতে মেনে চলুন অগ্নিনিরাপত্তার নিয়ম

একজন মানুষের ছাত্রজীবন শুরু হয় স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা থেকে, এরপর এসএসসি, এইচএসসি, ভর্তি যুদ্ধ কিংবা চাকরির লড়াই—প্রতিটি ধাপেই ব্যর্থতা আসতে পারে। আমাদের উচিত ব্যর্থতাকে জীবনের শেষ পরিণতি হিসেবে না দেখে, তা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা এবং নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে যাওয়া।

আপনি হয়তো ভর্তি যুদ্ধে হেরে গিয়ে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ে পছন্দের বিষয়ে ভর্তির সুযোগ পাননি। কিন্তু সেই ব্যর্থতার গ্লানি বয়ে বেড়াতে গিয়ে যদি নিজের আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন, তবে তার প্রভাব আপনার পরবর্তী জীবনে, এমনকি ক্যারিয়ারেও পড়তে পারে। একটি ব্যর্থতার হতাশা সামলাতে না পেরে আপনি ডেকে আনতে পারেন আরেকটি ব্যর্থতা।

ব্যর্থতা এভাবেই কখনো কখনো একটি চক্র তৈরি করে। ধরুন, এসএসসিতে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল করতে না পারার হতাশা আপনাকে এমনভাবে গ্রাস করল যে আপনি এইচএসসিতেও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারলেন না। ফলে আগের ব্যর্থতার প্রভাবেই জীবনে যুক্ত হলো আরেকটি ব্যর্থতা। এভাবেই একটি ব্যর্থতা থেকে একের পর এক ব্যর্থতা জন্ম নিতে পারে, যদি না আমরা সময়মতো সেই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে পারি।

কেবল ছাত্রজীবনেই নয়, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে সাংসারিক জীবন—জীবনের প্রতিটি ধাপেই মানুষকে ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়। তবে ব্যর্থ হওয়াই জীবনের শেষ কথা নয়। বরং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোই হওয়া উচিত জীবনের মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: পোষা বেড়াল ভেবে এক বছর লালন-পালন, নতুন প্রজাতি ‘লিওপার্ডাস টিলকাও’ শনাক্ত

আর তাই আজকের দিনটি ব্যর্থতার স্মৃতি মনে করে কষ্ট পাওয়ার দিন নয়; বরং সেই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কীভাবে আবার সফলতার পথে ফেরা যায়, তার প্রেরণা খুঁজে নেওয়ার দিন। অতীতের ভুলগুলোকে নিজের দুর্বলতা হিসেবে আঁকড়ে না ধরে, সেগুলোকে ভবিষ্যতের পথচলার পাথেয় করে নেওয়ার দিন আজ।

দিনটি উদ্‌যাপনের জন্য আপনি অনেক কিছুই করতে পারেন। ব্যক্তিগত ডায়েরিতে নিজের ভুলগুলো লিখে রাখতে পারেন, বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পারেন ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা, কিংবা একান্তে বসে ভেবে দেখতে পারেন—কোথায় ভুল ছিল, কী করলে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে একই ভুলের পুনরাবৃত্তি এড়ানোর প্রস্তুতিও নিতে পারেন।

ব্যর্থতার জন্য নিজেকে দোষারোপ করে থেমে থাকা নয়, বরং ব্যর্থতাকে স্বীকার করে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়াই হোক আজকের দিনের অঙ্গীকার।

আজ ব্যর্থতার জন্য দুঃখ নয়, ব্যর্থতা থেকে শিক্ষাগ্রহণের উদযাপন হোক।

আরও পড়ুন: সন্তান হারানোর শোক অন্য প্রাণীদেরও সমান কষ্ট দেয়, সাক্ষী অতল সমুদ্র

লেখক: আতিক মাহবুব তানজিম

শিক্ষার্থী, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,

রসায়ন বিভাগ।

আরও পড়ুন: নোবেল পুরস্কারের ফেসবুক পেজে রবীন্দ্রনাথ ও রাসেলের ১১৪ বছরের পুরনো চিঠি প্রকাশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিহাতীতে প্রতিবেশীর বিরোধে রাস্তা বন্ধ, মৃতের দাফনের জন্য ঘর ভেঙে পথ তৈরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


কালিহাতীতে প্রতিবেশীর বিরোধে রাস্তা বন্ধ, মৃতের দাফনের জন্য ঘর ভেঙে পথ তৈরি

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধের কারণে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাস্তা বন্ধ থাকায় আব্দুল সালাম (৬০) নামে এক ব্যক্তির লাশ দাফন করতে স্বজন ও এলাকাবাসী ঘরের অংশ ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেছেন।

রোববার (১২ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বিলপালিমা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

আব্দুল সালাম কালিহাতী উপজেলার বিলপালিমা গ্রামের একাব্বর আলীর ছেলে। তিনি শনিবার রাতে ঘাটাইল উপজেলায় অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। রাতের কোনো এক সময়ে স্বজনরা তার লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাতেই দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও কবরস্থানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। পরে সকালে লাশ দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিলপালিমা গ্রামের মাতবর মোজাফফর হোসেন বলেন, "কবরস্থানে লাশ দাফন করতে যাওয়ার রাস্তা না থাকায় প্রতিবেশীদের রাস্তা বের করে দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেননি।"

মৃত সালামের ভাই পুলিশ সদস্য আবু সাঈদ জানান, এলাকাবাসীর শরণাপন্ন হলে রোববার সকাল ১০টার দিকে বাড়ি থেকে কবরস্থানে লাশ নেওয়ার সময় চলাচলের রাস্তা না থাকায় স্থানীয়রা ঐক্যবদ্ধ হন। পরে রাস্তার মাঝখানে থাকা ঘর ও টিনের বেড়া ভেঙে চলাচলের পথ তৈরি করেন তারা।

তিনি আরও বলেন, "এলাকাবাসীর সহায়তায় পরে কবরস্থানে লাশ দাফন করা সম্ভব হয়েছে। তার ভাইয়ের জানাজা শনিবার রাতে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লাশ নেওয়ার রাস্তা না থাকায় রোববার সকাল ১১টায় দাফন করতে হয়েছে।"

এলাকাবাসী জানান, প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো বিলপালিমা বর্তা বিলের চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রতিবেশী একাব্বর আলীর সঙ্গে বিরোধের কারণে প্রায় দুই বছর ধরে বিলপালিমা গ্রামের মোতাহের মাস্টার, কবির, মজিদ ও কাশেমের লোকজন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে রেখেছেন।

বাংড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শাহজালাল জানান, "প্রতিপক্ষরা রাস্তার মাঝখানে ঘর তুলেছিল। ঘর থাকায় লাশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ঘর ভেঙে রাস্তা তৈরি করেন। এরপর লাশ কবরস্থানে নিয়ে দাফন করা হয়।"

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ওসি কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, "ঘটনাটি শুনেছেন। লাশ দাফন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবিবাহিত বন্ধুদের সঙ্গে ৬টি কথাবার্তা না বলাই শ্রেয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪২ পি.এম


অবিবাহিত বন্ধুদের সঙ্গে ৬টি কথাবার্তা না বলাই শ্রেয়

বয়স বিশের সীমা অতিক্রম করার পর বন্ধুমহলে বিয়ের আয়োজন শুরু হয়। কেউ নতুন সংসার গড়েন, আবার কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুগল ছবি শেয়ার করেন। এর মধ্যে কিছু অবিবাহিত বন্ধুকে আড্ডা কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

অনেক সময় নিছক কৌতূহল বা মজার ছলে বলা কথাগুলো অবিবাহিত বন্ধুকে বিব্রত করতে পারে। এমনকি এসব মন্তব্য বন্ধুত্বের মধ্যে দূরত্বও তৈরি করতে পারে। তাই বন্ধুর মানসিক স্বস্তি এবং সম্পর্কের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে কিছু কথা বলা থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন।

১. ‘তোমার বিয়ের বয়স তো পার হয়ে যাচ্ছে’
প্রত্যেক মানুষের জীবনযাপনের ধরন এবং অগ্রাধিকার আলাদা। কেউ আগে নিজের কর্মজীবন গুছিয়ে নিতে চান, কেউ মানসিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। আবার কেউ হয়তো নিজের পছন্দের মানুষটিকে এখনো খুঁজে পাননি।

তাহলে বয়সের সঙ্গে বিয়ের সিদ্ধান্তকে মিলিয়ে কাউকে চাপ দেওয়া উচিত নয়। এমন মন্তব্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অস্বস্তিতে পড়তে পারেন এবং বিয়ে নিয়ে বাড়তি মানসিক চাপ অনুভব করতে পারেন।

২. ‘আর কত বাছবিচার করবে?’

জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের নিজস্ব পছন্দ এবং চাহিদা থাকে। সারাজীবন একসঙ্গে কাটানোর জন্য উপযুক্ত মানুষ খুঁজতে সময় নেওয়া অস্বাভাবিক নয়।

কিন্তু কেউ পছন্দের মানুষ খুঁজতে সময় নিলেই তাকে অতিরিক্ত বাছবিচার করছেন বলে মন্তব্য করা উচিত নয়। এমন কথা তার সিদ্ধান্ত এবং আত্মবিশ্বাসকে আঘাত করতে পারে।

৩. ‘বিয়ে না করলে একা হয়ে যাবে’
বিয়ে না করলেই যে মানুষ একাকী হয়ে পড়বেন, এমন ধারণা সঠিক নয়। অনেকেই অবিবাহিত থেকেও পরিবার, বন্ধু এবং নিজের পছন্দের কাজ নিয়ে পরিপূর্ণ জীবন কাটান।

অন্যদিকে, বিয়ে করলেই যে একাকিত্ব থাকবে না, তারও নিশ্চয়তা নেই। তাই বন্ধুর ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য না করে তার বর্তমান জীবন এবং সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই শ্রেয়।

৪. ‘বিয়ে করলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যাবে’
বিবাহিত জীবনে ভালো লাগা এবং আনন্দের পাশাপাশি দায়িত্ব এবং নানা চ্যালেঞ্জও থাকে। বিয়ে করলেই জীবনের সব সমস্যা দূর হয়ে যায় না।

কেউ মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকলে কিংবা উপযুক্ত সঙ্গী খুঁজে না পেলে শুধু অন্যের কথায় বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া তার জন্য আরও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। তাই বিয়ের ভালো দিক তুলে ধরতে গিয়ে এর দায়িত্ব এবং বাস্তবতাগুলো উপেক্ষা করা উচিত নয়।

৫. ‘তোমার কি কোনো সমস্যা আছে?’

নির্দিষ্ট বয়সে বিয়ে না করলে অনেক সময় মানুষকে নিয়ে নানা ধরনের অনুমান শুরু হয়। এমনকি বন্ধুরাও কখনো কখনো ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করে বসেন।

কিন্তু কেউ অবিবাহিত কেন, তা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয়। এমন প্রশ্নে তিনি বিব্রত বা অপমানিত বোধ করতে পারেন। তাই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে অযাচিত মন্তব্য না করাই ভালো।

৬. ‘তোমার তো কোনো দায়িত্বই নেই’

অবিবাহিত মানুষের জীবনে দায়িত্ব বা মানসিক চাপ নেই, এমন ধারণাও ভুল। পরিবার, কর্মক্ষেত্র, আর্থিক অবস্থা কিংবা নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদেরও নানা চিন্তা এবং দায়িত্ব থাকতে পারে।

বিয়ে না করার কারণে কারও জীবনকে সহজ বা দায়িত্বহীন বলে ধরে নেওয়া তার ব্যক্তিগত সংগ্রামকে ছোট করে দেখার শামিল। তাই অন্যের পরিস্থিতি না জেনে এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

বিয়ের সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত

বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। কখন বিয়ে করবেন, কাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেবেন কিংবা আদৌ বিয়ে করবেন কি না—এটি প্রত্যেকের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

বন্ধুত্বের অর্থ শুধু একসঙ্গে আনন্দ করা নয়, বরং একে অপরের পছন্দ, সিদ্ধান্ত এবং অনুভূতির প্রতিও শ্রদ্ধাশীল থাকা। তাই অবিবাহিত বন্ধুকে বারবার বিয়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার বদলে তার পাশে থাকা, কথা শোনা এবং সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরান ঢাকায় ১২ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে, ৪ ফায়ার ফাইটার হাসপাতালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


পুরান ঢাকায় ১২ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে, ৪ ফায়ার ফাইটার হাসপাতালে

পুরান ঢাকার চকবাজারের ছোটকাটারার ইউসুফ খান প্লাজা মার্কেটে সোমবার বিকেলে আগুনের ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা প্রায় ১২ ঘণ্টা চেষ্টা চালানোর পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুন নেভানোর সময় ধোঁয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন চারজন ফায়ার ফাইটার, যাদেরকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ভোর ৫টা ২০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও সকাল ৭টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত পুরোপুরি নির্বাপণ করা সম্ভব হয়নি।

অসুস্থ ফায়ার ফাইটারদের মধ্যে রয়েছেন পলাশী ফায়ার স্টেশনের মো. জিল্লুর রহমান, এই স্টেশনের লিডার মো. নজরুল ইসলাম, সিদ্দিক বাজারের স্টেশন অফিসার মো. মারুফ এবং খিলগাও স্টেশনের লিডার মো. মাহাফুজুর হক মজুমদার।

ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র মো. তালহা বিন জসিম জানিয়েছেন, আগুন সম্পূর্ণরূপে নেভাতে এখনও ১০টি ইউনিট কাজ করছে। বর্তমানে আগুন নির্বাপনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লে. কর্নেল মো. মাহমুদুল হাসান সোমবার (১২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাংবাদিকদের জানান, আগুন নেভানোর কাজে প্রায় ১৫০ জন ফায়ারফাইটার অংশগ্রহণ করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, সরু রাস্তা এবং ভবনের কাঠামোগত জটিলতার কারণে আগুন নেভানোর কাজে বাধা সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে বড় অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি এবং পানিবাহী যান প্রবেশ করানো কঠিন ছিল। এছাড়া, ভবনের বিভিন্ন অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতেও সমস্যা হয়।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা জানান, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং কতটি দোকান বা গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যামিলি কার্ডে বৈষম্যের সুযোগ নেই: কেসিসি প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৪৩ পি.এম


ফ্যামিলি কার্ডে বৈষম্যের সুযোগ নেই: কেসিসি প্রশাসক

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) এলাকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ সম্পর্কিত একটি অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রেস কনফারেন্সটি সোমবার (১২ অক্টেবর) বিকেলে কেসিসির শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে খুলনাপ্রান্ত থেকে ঢাকায় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রেস কনফারেন্সে অনলাইনে সব অতিথিসহ অংশগ্রহণকারীরা যুক্ত হন।

মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এই সময় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক বিস্তারিত তুলে ধরেন।

কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা প্রান্তের প্রেসকনফারেন্সে বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, তথ্য সংগ্রহকারীরা ট্যাবের মাধ্যমে তথ্য ইনপুট দিলে তা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে যুক্ত হবে।

তিনি আরও জানান, খুলনা সিটি করপোরেশনের আওতায় ১ হতে ৩১নং ওয়ার্ডের মধ্যে ২নং, ৩নং ও ১২নং (আংশিক), ১৬নং, ১৭নং (আংশিক), ২৯নং ও ৩০নং (আংশিক) ওয়ার্ডে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

উক্ত ওয়ার্ডসমূহের জন্য মোট ৬০টি ট্যাব পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে ট্যাব পাওয়ার সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাকিদের প্রশিক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, ২, ৩ ও ১২নং ওয়ার্ড খুলনা-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত এবং ১৬, ১৭, ২৯ ও ৩০নং ওয়ার্ড খুলনা-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত।

তিনি আরও জানান, খুলনা-৩ আসনের আওতাধীন (শহর সমাজসেবা কার্যালয়-৩) ১ হতে ১৫নং ওয়ার্ডে রিজার্ভসহ মোট ১১৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১২ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত করা হয়েছে। খুলনা-২ আসনের আওতাধীন (শহর সমাজসেবা কার্যালয়-১) ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২৫ ও ২৬নং ওয়ার্ডে রিজার্ভসহ মোট ৮৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৯ জন সুপারভাইজার এবং (শহর সমাজসেবা কার্যালয় ২) ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১নং ওয়ার্ডে রিজার্ভসহ মোট ১০৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১০ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত হয়েছে।

কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো. রেজা রশিদ, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, সোমবার (১২ অক্টেবর) থেকে দেশব্যাপী একযোগে সব এলাকায় খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্যভাণ্ডার এর তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত করা হয়েছে।

কর্মীরা মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করবে এবং সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে ইনপুট করবে।

এ পদ্ধতিতে ডিসেম্বর, ২০২৬ এর মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪.৪৫ কোটি পরিবারের (প্রতি ৫ জন সদস্য মিলে একটি পরিবার) তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইজে ইনপুট প্রদান করা হবে।

পিএমটি পদ্ধতিতে ডেটাবেইজ হতে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন সম্পন্ন হবে। বর্তমান অর্থবছরে নতুন ৪০ লাখ নারী পরিবার প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামেলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা’ ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক হালনাগাদকৃত প্রক্সি মিন টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে দেশের সব পরিবারকে আর্থ-সামাজিক পেক্ষাপটে ৫টি কোয়ান্টইলে (অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত) বিভাজন করা হয়েছে।

সব নারী পরিবার প্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে শুধুমাত্র ১ম, ২য় এবং ৩য় কোয়ান্টইলভুক্ত (নিম্ন স্কোর প্রাপ্ত পরিবার) নারী পরিবার প্রধান ভাতা পাবেন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%