প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) এলাকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ সম্পর্কিত একটি অবহিতকরণ প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রেস কনফারেন্সটি সোমবার (১২ অক্টেবর) বিকেলে কেসিসির শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে খুলনাপ্রান্ত থেকে ঢাকায় তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রেস কনফারেন্সে অনলাইনে সব অতিথিসহ অংশগ্রহণকারীরা যুক্ত হন।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এই সময় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ক বিস্তারিত তুলে ধরেন।
কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা প্রান্তের প্রেসকনফারেন্সে বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই।" তিনি উল্লেখ করেন যে, তথ্য সংগ্রহকারীরা ট্যাবের মাধ্যমে তথ্য ইনপুট দিলে তা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে যুক্ত হবে।
তিনি আরও জানান, খুলনা সিটি করপোরেশনের আওতায় ১ হতে ৩১নং ওয়ার্ডের মধ্যে ২নং, ৩নং ও ১২নং (আংশিক), ১৬নং, ১৭নং (আংশিক), ২৯নং ও ৩০নং (আংশিক) ওয়ার্ডে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।
উক্ত ওয়ার্ডসমূহের জন্য মোট ৬০টি ট্যাব পাওয়া গেছে। পরবর্তীতে ট্যাব পাওয়ার সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাকিদের প্রশিক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, ২, ৩ ও ১২নং ওয়ার্ড খুলনা-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত এবং ১৬, ১৭, ২৯ ও ৩০নং ওয়ার্ড খুলনা-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত।
তিনি আরও জানান, খুলনা-৩ আসনের আওতাধীন (শহর সমাজসেবা কার্যালয়-৩) ১ হতে ১৫নং ওয়ার্ডে রিজার্ভসহ মোট ১১৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১২ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত করা হয়েছে। খুলনা-২ আসনের আওতাধীন (শহর সমাজসেবা কার্যালয়-১) ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২৫ ও ২৬নং ওয়ার্ডে রিজার্ভসহ মোট ৮৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৯ জন সুপারভাইজার এবং (শহর সমাজসেবা কার্যালয় ২) ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৭, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১নং ওয়ার্ডে রিজার্ভসহ মোট ১০৪ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ১০ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত হয়েছে।
কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, সচিব মো. রেজা রশিদ, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক অনিন্দিতা রায়, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ গণমাধ্যমকর্মীরা প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, সোমবার (১২ অক্টেবর) থেকে দেশব্যাপী একযোগে সব এলাকায় খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্যভাণ্ডার এর তথ্য সংগ্রহ নির্দেশিকা ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।
তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত করা হয়েছে।
কর্মীরা মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করবে এবং সংগৃহীত তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে ইনপুট করবে।
এ পদ্ধতিতে ডিসেম্বর, ২০২৬ এর মধ্যে দেশব্যাপী আনুমানিক ৪.৪৫ কোটি পরিবারের (প্রতি ৫ জন সদস্য মিলে একটি পরিবার) তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইজে ইনপুট প্রদান করা হবে।
পিএমটি পদ্ধতিতে ডেটাবেইজ হতে যোগ্য উপকারভোগী নির্বাচন সম্পন্ন হবে। বর্তমান অর্থবছরে নতুন ৪০ লাখ নারী পরিবার প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামেলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা’ ২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কর্তৃক হালনাগাদকৃত প্রক্সি মিন টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতিতে দেশের সব পরিবারকে আর্থ-সামাজিক পেক্ষাপটে ৫টি কোয়ান্টইলে (অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত) বিভাজন করা হয়েছে।
সব নারী পরিবার প্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে শুধুমাত্র ১ম, ২য় এবং ৩য় কোয়ান্টইলভুক্ত (নিম্ন স্কোর প্রাপ্ত পরিবার) নারী পরিবার প্রধান ভাতা পাবেন। সূত্র: বাসস
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন