মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৩৩ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রে সাময়িক বিভ্রাটের পর মেটার সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের সেবা আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। রোববার রাতে কয়েক হাজার ব্যবহারকারী উভয় প্ল্যাটফর্মে সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার কথা জানান।
স্থানীয় সময় অনুযায়ী রোববার রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিভ্রাটটি শুরু হয়। এ তথ্যটি রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবার বিভ্রাটের তথ্য সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান ডাউনডিটেক্টরের তথ্য অনুযায়ী, ফেসবুকের জন্য ১৭ হাজারের বেশি এবং ইনস্টাগ্রামের জন্য পাঁচ হাজারের বেশি সমস্যার প্রতিবেদন জমা পড়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাত ১০টার দিকে উভয় প্ল্যাটফর্মের সমস্যার প্রতিবেদন দ্রুত কমতে শুরু করে। ফলে ধারণা করা হয়, ওই সময়ের মধ্যে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের সেবা অনেকাংশে স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
তবে বিভ্রাটের কারণ সম্পর্কে মেটার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে রয়টার্সের করা প্রশ্নেরও প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে জবাব দেয়নি।
ডাউনডিটেক্টরের তথ্য মূলত ব্যবহারকারীদের পাঠানো সমস্যার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি হয়। তাই প্রকৃতপক্ষে কতজন ব্যবহারকারী এই বিভ্রাটে আক্রান্ত হয়েছেন, তা নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
এর আগে, গত জুলাই মাসেও ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে একই ধরনের বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল। সে সময় ডাউনডিটেক্টরে ফেসবুকের জন্য সর্বাধিক চার হাজার ৮০৮টি এবং ইনস্টাগ্রামের জন্য দুই হাজার ৮২৯টি সমস্যার প্রতিবেদন জমা পড়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়ার কারণে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসাইন হৃদয়কে কেন্দ্রীয় কমিটি শোকজ নোটিশ প্রদান করেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সাজ্জাদ হোসাইন হৃদয় ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, "ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকে বিএনপির যেসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি, তার অধিকাংশই ছিল তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে। আজ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। প্রতিবাদ জানালাম।"
সাজ্জাদের কাছে পাঠানো শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দায়িত্বশীল পদে আসীন থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনার বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তার ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হলো।"
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
এ বিষয়ে হৃদয় মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, "হ্যাঁ, শোকজের ঘটনাটি সত্য। এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। দলের প্রতি আমি সবসময় অনুগত। আর শোকজের বিষয়ে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই কেন্দ্রকে ব্যাখ্যা দেব।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রেডিও কলোনি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যা পার্কিং করে রাখা অবস্থায় ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে বাসটির অধিকাংশ সিট পুড়ে গেছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে রেডিও কলোনি এলাকায় মহাসড়কের পাশে পার্কিং করা বাসটিতে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, রাত ২টা ৫৫ মিনিটের দিকে রেডিও কলোনি এলাকায় মহাসড়কের পাশে পার্কিং করা ‘সাভার পরিবহণ’ নামের বাসটিতে আগুন লাগে।
সাভার ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর সাভার ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তিনি ধারণা করছেন, আগুনটি বাসের ভেতরের সিট থেকে লেগেছে।
তিনি আরও জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের প্রচেষ্টায় রাত ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে বাসটির কিছু সিট পুড়ে গেছে। তবে, কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সাভার মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম যুগান্তরকে জানিয়েছেন, এই আগুনের সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে, ওই বাসের ইঞ্জিন বিকল থাকায় এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় সড়কের পাশে পার্কিং করা ছিল। বাসের ভেতর মাদকসেবীদের আড্ডা থাকত, তাই তাদের কারণে মশার কয়েল বা ধূমপানের আগুন থেকে বাসটিতে আগুন ধরে যেতে পারে।
তিনি বলেন, বাসটির মালিক থানায় এসে আগুন লাগার বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অধিকাংশ বিলিয়নিয়ারের কাছে সুপারইয়টের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ হলো বিশাল মাস্টার স্যুট। তবে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের ৪৩৯ ফুট দীর্ঘ বিলাসবহুল ইয়ট ‘সেরিন’-এ সবচেয়ে চমকপ্রদ শয়নকক্ষটি মূল স্যুটের তিন ডেক নিচে অবস্থিত। এই কক্ষটির নাম ‘সি কেবিন’। এটি আকার কিংবা চাকচিক্য দিয়ে নজর কাড়ার জন্য তৈরি হয়নি। বরং ইয়ট সমুদ্রে চলার সময় যাত্রী যাতে আরামে ঘুমাতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই বিশেষভাবে নকশা করা হয়েছে।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সমুদ্রযাত্রায় অসুস্থতাবোধ করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দীর্ঘদিন ধরে উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণেই ‘সেরিন’-এর এই বিশেষ কেবিনটি আলোচনায় এসেছে। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়া হোক কিংবা দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা, ইয়টের অনেক ওপরে থাকা বিশাল মালিকের স্যুটের তুলনায় এই বালিনিজ ধাঁচের কক্ষটি অপেক্ষাকৃত শান্ত ও স্থির জায়গা হিসেবে কাজ করে। এখানে নকশার মূল লক্ষ্য ছিল চারপাশের দৃশ্য দেখানো নয়, বরং উত্তাল সমুদ্রে ইয়টের দুলুনি যতটা সম্ভব কম অনুভব করা।
বিজ্ঞান মাথায় রেখে তৈরি
‘সেরিন’-এর দ্বিতীয় ডেকের মাঝামাঝি, ডান পাশের অংশে এই ‘সি কেবিন’ অবস্থিত। ইয়টের এই অবস্থানটিকে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নৌযানের নকশাবিদ্যার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ঢেউয়ের বিপরীতে চলার সময় ইয়টের সামনের অংশ সবচেয়ে বেশি ওঠানামা করে। অন্যদিকে পেছনের অংশে ইয়টের দুলুনি, কম্পন এবং প্রপেলারের কারণে তৈরি নড়াচড়া বেশি অনুভূত হয়। একই সঙ্গে ওপরের ডেকগুলো ইয়ট দুললে তুলনামূলকভাবে বড় পরিসরে ওঠানামা করে।
এর বিপরীতে ইয়টের নিচের দিকে এবং মাঝামাঝি অংশে থাকা কেবিনটি নৌযানের দোলা ও ওঠানামার স্বাভাবিক কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকে। ফলে সেখানে নড়াচড়া তুলনামূলকভাবে কম অনুভূত হয়। ‘সেরিন’-এ অত্যাধুনিক স্ট্যাবিলাইজার বা দুলুনি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে, যা ইয়টের পাশ থেকে পাশের দোলা অনেকটাই কমিয়ে দেয়। তবে দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রা বা প্রতিকূল আবহাওয়ায় কোনো স্ট্যাবিলাইজারই সব ধরনের নড়াচড়া পুরোপুরি বন্ধ করতে পারে না। সমুদ্রযাত্রায় অসুস্থতাবোধ করেন এমন কারও জন্য নিচের দিকে ও মাঝামাঝি অবস্থানে ঘুমানো তাই বেশ কার্যকর হতে পারে।
বালিনিজ আবহে শান্ত শয়নকক্ষ
কেবিনটির নকশায় রয়েছে পরিমিত বিলাসিতা। পেছনের দিকে মুখ করা একটি ডাবল বেড ঘরের মূল আকর্ষণ। এর ওপরের ছাদটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ঐতিহ্যবাহী বালিনিজ খড়ের ছাদের নিচের অংশের মতো দেখায়। মাটির কাছাকাছি রঙের উপকরণ ও আধুনিক বালিনিজ ধাঁচের সাজসজ্জা পুরো কক্ষটিকে শান্ত একটি সৈকত অবকাশকেন্দ্রের আবহ দিয়েছে। মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত বিস্তৃত একটি হেডবোর্ড ঘুমানোর জায়গাকে খোলা ধরনের বাথরুম থেকে আলাদা করেছে।
কেবিনটির অন্যতম আকর্ষণ হলো বড় একটি শেল দরজা। এটি ভাঁজ করে নামিয়ে দিলে একটি ব্যক্তিগত জলপারের বারান্দায় পরিণত হয়। ইয়ট যখন শান্ত সমুদ্রে নোঙর করা থাকে, তখন ঘুম থেকে উঠে প্রায় সমুদ্রপৃষ্ঠের সমান উচ্চতায় দাঁড়ানোর সুযোগ পাওয়া যায়। তবে ইয়ট চলার সময় বারান্দাটি বন্ধ রাখা হয়। অর্থাৎ এটি মূলত সমুদ্রে চলার সময় আরামে ঘুমানোর জন্য তৈরি একটি ব্যবহারিক শয়নকক্ষ, নিছক বিলাসী অবকাশযাপনের জায়গা নয়।
ইয়টটির ডিজাইনার পাসকেল রেমন্ড একসময় কক্ষটিকে ইয়টের অন্যতম আকর্ষণীয় ধারণা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তার মতে, এর নকশায় মাটির সঙ্গে এক ধরনের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। কক্ষটির অবস্থানও বেশ সুবিধাজনক। এর ঠিক পাশেই রয়েছে অতিথিদের রান্নাঘর। ফলে রাতে হালকা কিছু খেতে চাইলে আলাদা করে কর্মীদের ডাকতে হয় না কিংবা কয়েক ডেক ওপরে-নিচে যেতে হয় না।
কেবিনের পেছনেই অল্প দূরত্বে রয়েছে স্পা ও বিচ ক্লাব। আর একটি ব্যক্তিগত লিফটের মাধ্যমে কক্ষটি সরাসরি পঞ্চম ডেকে থাকা মূল মালিকের স্যুটের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যায়। অর্থাৎ মোহাম্মদ বিন সালমানের জন্য এখানে কার্যত দুটি মাস্টার বেডরুমের ব্যবস্থা রয়েছে। নোঙর করা অবস্থায় আরাম ও চারপাশের দৃশ্য উপভোগের জন্য রয়েছে বিশাল ও খোলামেলা মূল স্যুট। আর ইয়ট সমুদ্রে চলার সময় শান্তিতে ঘুমানোর জন্য রয়েছে নিচের এই নিরিবিলি ‘সি কেবিন’।
ধারণাটি নতুন নয়, তবে ‘সেরিন’ ব্যতিক্রম। ইয়টের নিচের দিকে মাঝামাঝি অংশে এ ধরনের ‘সি কেবিন’ রাখার ধারণা একেবারে নতুন নয়। বড় আকারের কয়েকটি ইয়টেই নড়াচড়া কম অনুভব করার জন্য হালের মাঝামাঝি নিচের ডেকগুলোতে এ ধরনের কেবিন রাখা হয়েছে।
তবে ‘সেরিন’-কে আলাদা করেছে এর বিস্তৃত বালিনিজ সাজসজ্জা, সরাসরি সমুদ্রের সঙ্গে কক্ষটির সংযোগ এবং মালিকের ব্যক্তিগত স্যুটের সঙ্গে এর সরাসরি যোগাযোগ।
ভাসমান প্রাসাদ যেন ‘সেরিন’
ইতালির ফিনকান্তিয়েরি নির্মিত ‘সেরিন’ ২০১১ সালে পানিতে নামানো হয়। এটি ইতালিতে নির্মিত সবচেয়ে বড় ইয়টগুলোর একটি। ইয়টটির দৈর্ঘ্য ৪৩৯ ফুট বা ১৩৪ মিটার এবং প্রস্থ ৬০ দশমিক ৭ ফুট বা ১৮ দশমিক ৫ মিটার। এস্পেন ওইনোর নকশা করা বাইরের অংশে রয়েছে সাতটি বিশাল ডেক। আর রেমন্ড ল্যাংটন ডিজাইন এর ভেতরের অংশ তৈরি করেছে। বিশাল পরিসরের পাশাপাশি ইয়টের ভেতরে তুলনামূলক ছোট ও ব্যক্তিগত আবাসনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
আটটি এমটিইউ ৪০০০ সিরিজের ইঞ্জিনে চলে ‘সেরিন’। ইয়টটির স্বাভাবিক চলার গতি প্রায় ১৫ নট এবং সর্বোচ্চ গতি ২০ নট। এতে সর্বোচ্চ ২৪ জন অতিথির থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে ১২টি কেবিন। আর তাদের সেবা দিতে কাজ করেন ৫২ জন কর্মী। এসব তথ্য চার্টার ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
হেলিপ্যাড থেকে সাবমেরিন হ্যাঙ্গার
‘সেরিন’-এর সুযোগ-সুবিধার তালিকাও বেশ দীর্ঘ। ইয়টে রয়েছে দুটি হেলিকপ্টার অবতরণ ও ওঠানামার জায়গা। এর একটি প্রয়োজন অনুযায়ী সুইমিংপুল কিংবা নাচের মঞ্চে রূপান্তর করা যায়। এতে রয়েছে সাবমেরিন রাখার হ্যাঙ্গার। রয়েছে ‘টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড লিগস আন্ডার দ্য সি’ উপন্যাস থেকে অনুপ্রাণিত পানির নিচের ‘নিমো রুম’ও।
এ ছাড়া ইয়টে রয়েছে গম্বুজ আকৃতির ফায়ারপ্লেসসহ একটি পর্যবেক্ষণ লাউঞ্জ, সম্মেলনকক্ষ, পিয়ানো লাউঞ্জ, খোলা আকাশের নিচে সিনেমা দেখার ব্যবস্থা, বিচ ক্লাব, বিউটি সেন্টার, হাম্মাম, সনা, স্টিম রুম এবং একাধিক স্পা পুল।
সবচেয়ে চমকপ্রদ ব্যবস্থাগুলোর একটি হলো ইয়টের বিখ্যাত ‘স্নো রুম’।
ইয়টের ভেতরেই তুষারপাত!
‘সেরিন’-এর স্নো রুমের তাপমাত্রা প্রায় ১২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে বা প্রায় মাইনাস ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনা যায়। সেখানে ছাদ থেকে সত্যিকারের তুষার পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। অতিথিরা চাইলে এই বরফশীতল কক্ষ থেকে সরাসরি সনা, হাম্মাম কিংবা উষ্ণ স্পা পুলে যেতে পারেন। মধ্যপ্রাচ্যের মতো উষ্ণ অঞ্চলে চলাচলকারী একটি ইয়টের জন্য গরম থেকে বাঁচার এটি নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা।
সব মিলিয়ে ‘সেরিন’-এর বিলাসিতা চোখ ধাঁধানো। তবে ইয়টটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক সম্ভবত এর গোপন ‘সি কেবিন’। মালিকের বিশাল ও জাঁকজমকপূর্ণ মূল স্যুটের নিচে থাকা তুলনামূলক ছোট এই বালিনিজ ধাঁচের কক্ষটি দেখিয়ে দেয়, বিলাসিতার অর্থ সবসময় আড়ম্বর নয়।
তথ্যসূত্র: লাক্সারিলঞ্চেস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি, মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের নিকটবর্তী অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ না পরবর্তী নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত সতর্কবার্তায় এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর আন্দামান সাগর এলাকায় একটি সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে, যা পশ্চিম উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান নিয়েছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘণীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এ পরিস্থিতির কারণে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এছাড়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে সাবধানে চলাচল করার জন্য উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করতে বলা হয়েছে, যতক্ষণ না নতুন নির্দেশনা আসে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ