রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৩৩ পি.এম
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ এবং লোহিত সাগর উপকূলবর্তী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।
এই তথ্য ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া আল-সারিয়া অনলাইনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, সৌদি রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনা রিয়াদের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং উপকূলীয় শহর ইয়ানবুর লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সানায় সৌদি জোটের বিমান হামলা এবং ইয়েমেনজুড়ে ৩০০টিরও বেশি হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে তারা বিপুলসংখ্যক ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে এই সমন্বিত আক্রমণ চালিয়েছেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, রিয়াদের দিকে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা সফলভাবে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তবে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী একটি জ্বালানি ট্যাংকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়, যা কিছু সময়ের জন্য বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে, বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহরে চালানো আরও বেশ কিছু হামলা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করা হয়েছে।
হামলা ও পাল্টাহামলা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তারা উল্লেখ করে, বেসামরিক বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থানে হুতিদের হামলা দ্রুত সামরিক সংঘাত বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং মার্কিন নাগরিকদের ওই অঞ্চলে ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের মুম্বাইয়ে একটি দ্রুতগতির বিএমডব্লিউ প্রাইভেট কার সেতু থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনজন তরুণের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে মুম্বাইয়ের কোস্টাল রোডে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর এনডিটিভির
কালো রঙের বিএমডব্লিউটি মেরিন ড্রাইভ থেকে হাজি আলীর দিকে যাচ্ছিল। সেতুর ওপর ওঠার পর চালক গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে, ফলে গাড়িটি রেলিংয়ে ধাক্কা দিয়ে নিচে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর চারজনকেই নায়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া, ২০ বছর বয়সী এক যুবককে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ট্রমা ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে শনয় গজ্জল (২১) ও ধিরিয়া শেঠ (১৭) নামে দুজনের পরিচয় জানা গেছে। অন্য নিহতের বয়স আনুমানিক ২৫ বছর, তবে তার পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
রোববার ভোর ৫টা ২০ মিনিটে কোস্টাল রোড কন্ট্রোল রুমে দুর্ঘটনার খবর আসে। গাড়িটি সেতুর ঝুলন্ত একটি সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে। দুর্ঘটনার ফলে বিএমডব্লিউটির ছাদ দুমড়ে যায়, উইন্ডশিল্ড চূর্ণ হয়ে যায় এবং সামনের অংশ পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়ে যায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসারে ভালোবাসা, যত্ন এবং দায়িত্বের উপস্থিতি রয়েছে। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় প্রিয় মানুষটির প্রশংসা করা হয়ে ওঠে না। অথচ একটি ছোট্ট প্রশংসা, আন্তরিক কিছু কথা কিংবা হঠাৎ করে বলা ‘আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’—সম্পর্কে নতুন উষ্ণতা আনতে পারে।
প্রশংসা করার জন্য সব সময় বড় কোনো আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। বরং সহজ এবং মন থেকে বলা কথাগুলোই সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে। তবে প্রশংসা করতে গিয়ে এমন কিছু বলা উচিত নয়, যা উল্টো নতুন ঝামেলার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন, ‘আজ তোমাকে আগের চেয়ে রোগা লাগছে’—এটি প্রশংসা নাকি অন্য কোনো প্রশ্নের সূচনা, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।
তাহলে স্ত্রীকে খুশি করতে চাইলে বলা যেতে পারে এমন ১০টি সহজ কথা।
১. ‘আজ তোমাকে খুব সুন্দর লাগছে’
প্রতিদিন দেখা হওয়ার কারণে অনেক সময় প্রিয় মানুষের সৌন্দর্য চোখে অভ্যাস হয়ে যায়। তাই হঠাৎ একদিন আন্তরিকভাবে বলুন, ‘আজ তোমাকে বেশ সুন্দর লাগছে।’
কিন্তু কথাটি যেন মুখস্থ সংলাপের মতো শোনায় না। সত্যি মনে হলে বলুন। এই ছোট্ট কথাটি স্ত্রীর মনে আনন্দ দিতে পারে।
২. রান্নার প্রশংসা করুন
যদি স্ত্রী রান্না করে খাওয়ান এবং আপনি শুধু ‘ভালো হয়েছে’ বলে উঠে যান, তাহলে প্রশংসার বড় সুযোগটি হাতছাড়া হয়ে যাবে।
মাঝেমধ্যে একটু বাড়িয়ে বলতেই পারেন, ‘এই রান্না তো রেস্তোরাঁতেও পাওয়া যাবে না!’ তবে প্রতিদিন একই কথা বলার প্রয়োজন নেই। নইলে কোনো দিন রান্না একটু ভিন্ন হলে প্রশ্ন আসতে পারে—‘কাল তাহলে মিথ্যা বলেছিলে?’
৩. তার পরিশ্রমের কথা বলুন
ঘরের কাজ, অফিস, সন্তান সামলানো কিংবা পরিবারের বিভিন্ন দায়িত্ব—অনেক কাজই চোখে পড়ে না। তাই শুধু চেহারা বা সাজের প্রশংসা নয়, তার পরিশ্রমের কথাও স্বীকার করা উচিত।
বলতে পারেন, ‘তুমি যেভাবে সবকিছু সামলে রাখো, সত্যিই সেটা সহজ নয়।’ এ ধরনের কথাগুলো অনেক বেশি অর্থবহ হতে পারে।
৪. ভালো সিদ্ধান্তের প্রশংসা করুন
স্ত্রী যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেন, তখন সব সময় নিজের মত চাপিয়ে না দিয়ে তার ভালো সিদ্ধান্তের কথাও স্বীকার করুন।
‘তুমি যেভাবে বিষয়টি ভেবেছ, সেটা ভালো হয়েছে’—এমন একটি বাক্য সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান বৃদ্ধি করতে পারে।
৫. পোশাক বা সাজের প্রশংসা করুন
নতুন পোশাক, চুলের ধরন কিংবা সাজে ছোট কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লে তা বলুন। ‘কিছুই তো বদলায়নি’ বলে চুপ করে থাকার চেয়ে একটি ছোট্ট প্রশংসা অনেক বেশি আনন্দ দিতে পারে।
তবে প্রশংসা করার সময় অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করবেন না।
৬. তার হাসির প্রশংসা করুন
‘তোমার হাসিটা খুব সুন্দর’—এটি একটি সাধারণ কথা। কিন্তু এই সাধারণ কথাটিই বেশ কার্যকর হতে পারে।
যদি স্ত্রী আপনার কথা শুনে হেসে ফেলেন, তাহলে বুঝবেন প্রশংসার ফলও মিলতে শুরু করেছে।
৭. তার রসবোধের প্রশংসা করুন
সংসারে হাসতে পারাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্ত্রী যদি আপনাকে হাসাতে পারেন, তার সেই গুণটিরও প্রশংসা করুন।
বলতে পারেন, ‘তোমার সঙ্গে থাকলে জীবনটা অন্তত একঘেয়ে লাগে না।’ তবে এর পর যদি স্ত্রী বলেন, ‘তাই নাকি? তাহলে আজ বাসনগুলোও তুমি মাজো’—তাহলে প্রশংসার সঙ্গে বাড়তি দায়িত্বও এসে যেতে পারে!
৮. তার যত্নের কথা স্বীকার করুন
অসুস্থ হলে ওষুধের কথা মনে করিয়ে দেওয়া, সময়মতো খেয়েছেন কি না জিজ্ঞেস করা কিংবা ছোটখাটো প্রয়োজনের কথা মনে রাখা—এসবই ভালোবাসার প্রকাশ।
তাহলে এসব যত্নকে স্বাভাবিক ধরে না নিয়ে মুখে বলুন, ‘তুমি আমার এত যত্ন নাও, সেটা আমি সত্যিই মনে রাখি।’ এমন কথা সম্পর্ককে আরও উষ্ণ করতে পারে।
৯. সবার সামনে সম্মান করুন
একান্তে প্রশংসা করা ভালো। তবে পরিবার বা বন্ধুদের সামনে স্ত্রীর কোনো ভালো দিক তুলে ধরলে সেটির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে।
তার কাজ, সাফল্য কিংবা কোনো গুণের কথা অন্যদের সামনে বলুন। এতে তিনি বুঝতে পারবেন, আপনি শুধু একান্তে নয়, অন্যদের সামনেও তাকে সম্মান করেন।
১০. সরাসরি বলুন, ‘তোমাকে পেয়ে আমি খুশি’
সব প্রশংসার মধ্যে সবচেয়ে সহজ অথচ গভীর কথাগুলোর একটি হতে পারে—‘তোমাকে আমার জীবনে পেয়ে আমি খুশি।’
এর সঙ্গে মজার কোনো স্মৃতিও যোগ করতে পারেন। যেমন, ‘তুমি না থাকলে আমার মোবাইল, চাবি আর চার্জার কোনোটাই ঠিক জায়গায় থাকত না!’ এতে হাসির সঙ্গে ভালোবাসার কথাটিও পৌঁছে যাবে।
প্রশংসার জন্য বিশেষ দিনের দরকার নেই
স্ত্রীর প্রশংসা করার জন্য বিশেষ কোনো দিনের প্রয়োজন নেই। তবে কোনো উপলক্ষ থাকলে সেটিকে ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে।
সংসারে বড় উপহার, দামি রেস্তোরাঁয় খাওয়া কিংবা চমকপ্রদ আয়োজনের পাশাপাশি কখনো কখনো কয়েকটি আন্তরিক কথাই সবচেয়ে বেশি মনে থাকে।
তবে প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের প্রশংসা চেয়ে বসবেন না। ‘আমি তো তোমার অনেক প্রশংসা করি, আমারটা কোথায়?’—এ ধরনের প্রশ্নটি না করাই ভালো। এতে ভালোবাসার মুহূর্তটি মুহূর্তেই হিসাব-নিকাশে পরিণত হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিকাশ ও উন্নয়নের গতিকে কৃত্রিমভাবে কমানোর উদ্দেশ্যে অবৈধ গোপন চুক্তি করার অভিযোগে চারটি শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান—অ্যানথ্রোপিক, ওপেনএআই, স্পেসএক্সএআই এবং গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বড় ধরনের ট্রাস্টবিরোধী (অ্যান্টি-ট্রাস্ট) মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলাটি গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে চ্যাটজিপিটি, ক্লড, গ্রোক ও জেমিনির চার পেইড গ্রাহকের পক্ষ থেকে ক্লাস-অ্যাকশন হিসেবে করা হয়। বাদীপক্ষের অভিযোগ, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে এআইয়ের গতি ধীর করার জন্য একটি যৌথ সমঝোতা প্রতিযোগিতা-বিরোধী আইন লঙ্ঘন করেছে, যা প্রিমিয়াম গ্রাহকদের প্রাপ্য সেবা ও অর্থ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করবে।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১২ সেপ্টেম্বর অ্যানথ্রোপিকের সিইও দারিও আমোদেই এআই নিরাপত্তা জোরদারের জন্য শিল্পের অগ্রগতি ধীর করার আহ্বান জানিয়ে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। একই দিনে ওপেনএআই-এর স্যাম অল্টম্যান, স্পেসএক্সএআই-এর ইলন মাস্ক ও গুগল ডিপমাইন্ডের ডেমিস হাসাবিস প্রকাশ্যে এই প্রস্তাবে ঐকমত্য পোষণ করেন, যা এই সমন্বিত সমঝোতার বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে।
বাদীপক্ষের আইনজীবী নিক রোলে জানান, নিরাপত্তার নামে প্রযুক্তির স্বাভাবিক গতি যদি ক্ষমতাধর কোম্পানিগুলোর গোপন সমঝোতার ওপর নির্ভর করে, তবে তা সাধারণ মানুষের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করবে। তবে মামলার বিষয়ে বিবাদী চার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পূর্বে প্রকাশিত প্রবন্ধে আমোদেই ট্রাস্টবিরোধী আইনের জটিলতার কথা স্বীকার করে আইনি ছাড়পত্রের জন্য মার্কিন সরকারের মধ্যস্থতার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছিলেন। অন্যদিকে স্যাম অল্টম্যান জানান, গ্রাহকের নিরাপত্তা ও আস্থা নিশ্চিত করতে সরকারি সুনির্দিষ্ট কাঠামোর প্রয়োজন থাকলেও অ্যান্টি-ট্রাস্ট ছাড়পত্রের জন্য কাজ আটকে রাখা উচিত নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের জনপ্রিয় বলিউড অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে চলচ্চিত্রে অপ্রয়োজনীয় নগ্নতা এবং শুটিং সেটে অস্বস্তিকর প্রস্তাব নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে সিনেমা জগতের কাজের পরিবেশ এবং নিজের কিছু অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আলোচনা করেছেন।
রাধিকা জানিয়েছেন, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিছু চলচ্চিত্রে সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করার পর ইন্ডাস্ট্রির একটি অংশের ধারণা তৈরি হয় যে, তিনি যেকোনো ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করতে প্রস্তুত।
অভিনেত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ক্যারিয়ারের শুরুতে চার-পাঁচটি ছবিতে অনাবৃত দৃশ্যে কাজ করার পর ইন্ডাস্ট্রির কিছু মানুষের মধ্যে এই ধারণা জন্ম নেয় যে, তিনি সহজেই এ ধরনের দৃশ্যে রাজি হবেন।
ফলে, চিত্রনাট্যের প্রয়োজন না থাকলেও অতিরিক্ত চুমুর দৃশ্য যুক্ত করার মতো প্রস্তাব তিনি পেয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে তাকে স্পষ্টভাবে ‘না’ বলতে হয়েছে।
রাধিকার কথায়, শুরুর দিকে এমন পরিস্থিতিতে তাকে সরাসরি জানাতে হতো যে, তিনি এসব করতে রাজি নন।
সবচেয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে একটি অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিংয়ের ঘটনা তুলে ধরেন রাধিকা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি ছবির সেটে তাকে শার্টের বোতাম খুলে অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং করতে বলা হয়েছিল।
এরপর নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আরও অস্বস্তিকর প্রস্তাব দেওয়া হয়। বলা হয়, অ্যাকশন করার সময় শার্ট সরে যেতে পারে, তাই শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরে দৃশ্যটি ধারণ করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না।
এমন প্রস্তাবে রাধিকা স্তব্ধ হয়ে যান। তার মতে, এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতাগুলোর একটি।
নিজের কাজের বিষয়ে বরাবরই স্পষ্টভাষী রাধিকা। তার বক্তব্যে উঠে এসেছে, পর্দায় কোনো চরিত্রের প্রয়োজন অনুযায়ী সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করা এবং দর্শক টানতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে নগ্নতা বা ঘনিষ্ঠ দৃশ্য যোগ করার মধ্যে একটি সুস্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সেই পার্থক্যই স্পষ্ট করেছেন এই অভিনেত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ