বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৬ পি.এম
সংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার বাবা ফজলুল হক মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বাবার মৃত্যুর খবরটি নিজেই জানিয়েছেন সালমা।
স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, "আমার আব্বা আর নেই।"
বাবার আকস্মিক মৃত্যুর ফলে পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে ফজলুল হকের মৃত্যুর কারণ, জানাজা ও দাফনের সময় ও স্থান সম্পর্কে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে নতুন গান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছিলেন সালমা। সম্প্রতি তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার ও সংগীতশিল্পী বিপ্লব সাহার সঙ্গে ‘প্রেম লীলা’ শিরোনামের একটি দ্বৈত গান প্রকাশ করেছেন। এই গানটি আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত এবং এর ভিডিও দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এ ছাড়া, সংগীতাঙ্গনে দীর্ঘ বিরতির পর গুরু শফি মণ্ডলের লেখা ও সুরে ‘কুঞ্জে আর ভালো লাগে না বন্ধু বিহনে’ শিরোনামের একটি লালনগীতির রেকর্ডিং শেষ করেছেন সালমা। গানটি আসন্ন দুর্গাপূজায় প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর পাশাপাশি, রোহান রাজের আলোচিত গান ‘মানুষ বড়ই স্বার্থপর’-এর নতুন আয়োজনেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। সুমী শবনম, তসিবা, জারিন ও রোহান রাজের সঙ্গে গাওয়া গানটির শুটিং ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর গানটি প্রকাশের কথা ছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০১৬ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে সশস্ত্র ডাকাতির শিকার হয়েছিলেন মার্কিন তারকা কিম কার্দাশিয়ান। ওই ঘটনায় ৬০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের গয়না লুট করা হয়েছিল। প্রায় ১০ বছর পর প্যারিসের একটি আদালত কার্দাশিয়ানকে মাত্র ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে তিনি এই ১ ইউরো ক্ষতিপূরণই চেয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এই রায়কে অর্থের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন না কার্দাশিয়ান। সংবাদ সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানানো হয়েছে, তার এবং তার রূপসজ্জাশিল্পী সিমন হারুশের যৌথ বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই রায় মূলত জবাবদিহি এবং ঘটনার স্বীকৃতির প্রতীক।
কার্দাশিয়ান বলেন, ২০১৬ সালের ওই ডাকাতির ঘটনা ছিল তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। এর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তার এবং পরিবারের ওপর রয়ে গেছে। তবে বর্তমানে তিনি সেই ঘটনা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চান।
২০১৬ সালের ২ অক্টোবর প্যারিসে ফ্যাশন সপ্তাহ চলাকালে একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন কার্দাশিয়ান। ওই সময় পুলিশের পোশাক পরা দুই ডাকাত জোর করে তার কক্ষে ঢুকে পড়ে।
ডাকাতরা জিপ টাই ও টেপ দিয়ে কার্দাশিয়ানকে বেঁধে ফেলে। এরপর তার কাছ থেকে ৬০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের গয়না নিয়ে পালিয়ে যায়। লুট হওয়া গয়নার মধ্যে একটি হীরার আংটিও ছিল, যেটি ওই রাতে একটি ফ্যাশন প্রদর্শনীতে পরেছিলেন তিনি।
বয়স বেশি হওয়ায় ফ্রান্সে ডাকাত দলের সদস্যদের ‘দাদু ডাকাত’ নামে পরিচিতি দেওয়া হয়েছিল। বিচার চলাকালীন তাদের মধ্যে ছয়জনের বয়স ছিল ৬০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে।
গত বছর এই ডাকাতির ঘটনায় আটজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন আদালত। বিচার-পূর্ব আটক অবস্থায় তাদের মধ্যে কেউ নতুন করে কারাগারে যেতে হয়নি। রায়ের বিরুদ্ধে তাদের কেউ আপিলও করেননি।
এরপর ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
আদালত কার্দাশিয়ানকে ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি তার রূপসজ্জাশিল্পী সিমন হারুশকেও ১ ইউরো দিয়েছে। ডাকাতির সময় হারুশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ওই হোটেলের সাবেক এক কর্মীকে ১ লাখ ৯ হাজার ৫১৬ ইউরো এবং হোটেল কর্তৃপক্ষকে ৫০ হাজার ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। সাবেক ওই কর্মী মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হওয়ার কথা জানিয়ে ক্ষতিপূরণ ও সুদ বাবদ সাড়ে ৫ লাখ ইউরো দাবি করেছিলেন। তার আইনজীবী আদালতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
রায়ের পর কার্দাশিয়ান এবং হারুশ যৌথ বিবৃতিতে ফ্রান্সের বিচারব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
তারা বলেন, ওই অভিজ্ঞতা ছিল অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক এবং এর প্রভাব এখনো তাদের মনে রয়েছে। তাদের মতে, আদালতের এই সিদ্ধান্ত শুধু ক্ষতিপূরণের বিষয় নয়; বরং এটি জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি স্বীকৃতির প্রমাণ।
কার্দাশিয়ান আরও বলেন, ঘটনাটি তিনি কখনো ভুলতে পারবেন না। তবে মানুষের মানসিকভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা এবং জবাবদিহির শক্তিতে তিনি বিশ্বাস করেন। বর্তমানে তিনি এবং তার পরিবার এই ঘটনা পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, দেশের সব মাদরাসাকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: নারী ও শিশুর অধিকার সুরক্ষায় সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো সব শিশুর কাছে মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মনিটরিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার শিশুদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
নারীর পরিচয় কেবল কন্যা, মা বা স্ত্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজে নারীর বহুমাত্রিক পরিচয় ও সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে শারীরিক শক্তির চেয়ে যোগ্যতা, অংশগ্রহণ এবং জনগণের আস্থা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্যানিটারি সামগ্রী সরবরাহ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আকস্মিক পরিদর্শনকালে প্রধান ফটকসহ পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্র তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম। কিছু সময় অপেক্ষার পর কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে তালা ভেঙে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি এবং সেখানে আড্ডায় ব্যস্ত কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে দেখতে পান।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান। এ সময় ভেতরে কোনো চিকিৎসক বা মেডিকেল কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে সেখানে বসে গল্প করতে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘হাসপাতালের গেট দেখে মনে হয়েছে, এই তালা কত বছর আগে লাগানো হয়েছে কে জানে। তালায় একেবারে মরিচা ধরে গেছে। এটি অনেক দিন আগে লাগানো তালা বলে মনে হয়েছে। আমি অনেক সময় অপেক্ষা করে এক পাশের দেয়াল টপকে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নেই, চিকিৎসক নেই, মেডিকেল অফিসারও নেই। কয়েকজন কর্মচারী ভেতরে বসে গল্প-আড্ডায় মেতেছেন। গাজীপুর ইউনিয়ন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জরুরি। উপজেলা ও জেলা শহরে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নেওয়াও তাদের জন্য কষ্টসাধ্য।’
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে মহাপরিচালকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান ফটকের চাবি কেন তার কাছে ছিল না— এ বিষয়ে ইউনিয়ন ফ্যামিলি প্ল্যানিং ইনস্পেক্টর হাসান আল মামুন জানান, ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান ফটকের চাবি ভুলবশত বাড়িতে রেখে এসেছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আপেল মাহমুদ বলেন, ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাঁচটি পদের বিপরীতে বর্তমানে একজনও কর্মরত নেই। কয়েকজন মাঠকর্মী মাঠে যাওয়ার আগে সেখানে মিটিং করেন। হঠাৎ করে এমপি মহোদয় সেখানে যাওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এককালীন চিকিৎসা অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর প্রান্তে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান নির্দেশিকা, ২০২০’ অনুযায়ী এই অনুদান প্রদান করা হবে। চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের ই-চিকিৎসা অনুদান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় একবারই চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময়টি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর অথবা এর আগের এক বছরের মধ্যে হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করতে হলে আগের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে জিপিএ-৫-এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে জিপিএ-৪-এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.০০ প্রাপ্তির প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে।
সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ অনুযায়ী ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানদের আবেদনের সঙ্গে অফিসপ্রধানের কাছ থেকে বাবা-মা বা অভিভাবকের বেতন গ্রেডসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি দিতে হবে। অন্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে বাবা-মা বা অভিভাবক দরিদ্র—এ মর্মে প্রত্যয়নপত্র আপলোড করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নসহ চিকিৎসা সনদের কপি আপলোড করতে হবে।
কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় আবেদনের কোনো হার্ডকপি ট্রাস্টে পাঠাতে হবে না। অনলাইনে আবেদনের সময় নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন, শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদ, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্রের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।
এসব তথ্য বা কাগজপত্র যথাযথভাবে আপলোড না করলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার সময় শিক্ষার্থী অথবা বাবা-মায়ের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক হিসাবের পূর্ণাঙ্গ নম্বর ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের প্রমাণ হিসেবে চেকের ভেতরের পাতা অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্যও অনলাইনে আপলোড করতে হবে।
শিক্ষার্থী বা বাবা-মায়ের ব্যাংক হিসাব ছাড়া অন্য কারও হিসাব নম্বর বিবেচনা করা হবে না। তবে বাবা-মায়ের মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে শিক্ষার্থী সম্পূর্ণভাবে কোনো অভিভাবকের ওপর নির্ভরশীল হলে সেই অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর দেওয়া ব্যাংক হিসাবের তথ্য অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ ও সচল হতে হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল ব্যাংক হিসাবের কারণে অনুদানের টাকা ব্যাংক থেকে ফেরত এলে তা পুনরায় পাঠানো সম্ভব হবে না।
আবেদনের ওয়েবসাইট:
https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical
বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ