বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৭ পি.এম
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, দেশের সব মাদরাসাকে মনিটরিংয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘অঙ্গীকার থেকে বাস্তবায়ন: নারী ও শিশুর অধিকার সুরক্ষায় সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এই তথ্য প্রকাশ করেন।
ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো সব শিশুর কাছে মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছে দেওয়া। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি মনিটরিংয়ের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার শিশুদের জন্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
নারীর পরিচয় কেবল কন্যা, মা বা স্ত্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সমাজে নারীর বহুমাত্রিক পরিচয় ও সক্ষমতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে। গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে শারীরিক শক্তির চেয়ে যোগ্যতা, অংশগ্রহণ এবং জনগণের আস্থা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য সমাজে সঠিক ও ইতিবাচক ন্যারেটিভ প্রতিষ্ঠা করা অপরিহার্য।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে স্যানিটারি সামগ্রী সরবরাহ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে গাজীপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের আকস্মিক পরিদর্শনকালে প্রধান ফটকসহ পুরো স্বাস্থ্যকেন্দ্র তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম। কিছু সময় অপেক্ষার পর কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে তালা ভেঙে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি এবং সেখানে আড্ডায় ব্যস্ত কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে দেখতে পান।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি পরিদর্শনে যান। এ সময় ভেতরে কোনো চিকিৎসক বা মেডিকেল কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকজন স্বাস্থ্যকর্মীকে সেখানে বসে গল্প করতে দেখা যায়।
পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম মন্তব্য করেন, ‘হাসপাতালের গেট দেখে মনে হয়েছে, এই তালা কত বছর আগে লাগানো হয়েছে কে জানে। তালায় একেবারে মরিচা ধরে গেছে। এটি অনেক দিন আগে লাগানো তালা বলে মনে হয়েছে। আমি অনেক সময় অপেক্ষা করে এক পাশের দেয়াল টপকে কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখানে কোনো স্বাস্থ্যকর্মী নেই, চিকিৎসক নেই, মেডিকেল অফিসারও নেই। কয়েকজন কর্মচারী ভেতরে বসে গল্প-আড্ডায় মেতেছেন। গাজীপুর ইউনিয়ন একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল। এখানকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জরুরি। উপজেলা ও জেলা শহরে গিয়ে চিকিৎসাসেবা নেওয়াও তাদের জন্য কষ্টসাধ্য।’
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে মহাপরিচালকের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান ফটকের চাবি কেন তার কাছে ছিল না— এ বিষয়ে ইউনিয়ন ফ্যামিলি প্ল্যানিং ইনস্পেক্টর হাসান আল মামুন জানান, ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রধান ফটকের চাবি ভুলবশত বাড়িতে রেখে এসেছি।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. আপেল মাহমুদ বলেন, ‘স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাঁচটি পদের বিপরীতে বর্তমানে একজনও কর্মরত নেই। কয়েকজন মাঠকর্মী মাঠে যাওয়ার আগে সেখানে মিটিং করেন। হঠাৎ করে এমপি মহোদয় সেখানে যাওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি হয়েছে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এককালীন চিকিৎসা অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর প্রান্তে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান নির্দেশিকা, ২০২০’ অনুযায়ী এই অনুদান প্রদান করা হবে। চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের ই-চিকিৎসা অনুদান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় একবারই চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময়টি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর অথবা এর আগের এক বছরের মধ্যে হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করতে হলে আগের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে জিপিএ-৫-এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে জিপিএ-৪-এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.০০ প্রাপ্তির প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে।
সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ অনুযায়ী ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানদের আবেদনের সঙ্গে অফিসপ্রধানের কাছ থেকে বাবা-মা বা অভিভাবকের বেতন গ্রেডসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি দিতে হবে। অন্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে বাবা-মা বা অভিভাবক দরিদ্র—এ মর্মে প্রত্যয়নপত্র আপলোড করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নসহ চিকিৎসা সনদের কপি আপলোড করতে হবে।
কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় আবেদনের কোনো হার্ডকপি ট্রাস্টে পাঠাতে হবে না। অনলাইনে আবেদনের সময় নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন, শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদ, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্রের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।
এসব তথ্য বা কাগজপত্র যথাযথভাবে আপলোড না করলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার সময় শিক্ষার্থী অথবা বাবা-মায়ের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক হিসাবের পূর্ণাঙ্গ নম্বর ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের প্রমাণ হিসেবে চেকের ভেতরের পাতা অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্যও অনলাইনে আপলোড করতে হবে।
শিক্ষার্থী বা বাবা-মায়ের ব্যাংক হিসাব ছাড়া অন্য কারও হিসাব নম্বর বিবেচনা করা হবে না। তবে বাবা-মায়ের মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে শিক্ষার্থী সম্পূর্ণভাবে কোনো অভিভাবকের ওপর নির্ভরশীল হলে সেই অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর দেওয়া ব্যাংক হিসাবের তথ্য অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ ও সচল হতে হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল ব্যাংক হিসাবের কারণে অনুদানের টাকা ব্যাংক থেকে ফেরত এলে তা পুনরায় পাঠানো সম্ভব হবে না।
আবেদনের ওয়েবসাইট:
https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical
বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বিয়ের মাত্র আড়াই মাস পর শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসী যুবকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্ত পুত্রবধূ আকলিমা আক্তার (১৯) কে গ্রেপ্তার করেছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টুনার গাজির বাড়িতে। আহত শাশুড়ির নাম শাহেদা বেগম (৫৩)। অভিযুক্ত আকলিমা রোসাংগিরি ইউনিয়নের মনুর বাপের বাড়ির বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী মঈন উদ্দিন ফয়সালের সঙ্গে গত ১৯ জুন আকলিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আকলিমা তার শাশুড়ির সঙ্গেই একই ঘরে বসবাস করছিলেন। ঘটনার রাতে খাবার শেষে তারা একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১টার দিকে আকলিমা ধারালো ছুরি নিয়ে ঘুমন্ত শাহেদা বেগমের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে শাহেদা বেগম মারাত্মক জখম হন। আত্মরক্ষার্থে শাশুড়ি পুত্রবধূর হাতে কামড় দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন।
আহত শাহেদা বেগমকে প্রথমে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পুত্রবধূর কোনো পরকীয়া সম্পর্ক শাশুড়ি দেখে ফেলার কারণে আকলিমা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। তবে আকলিমার বাবার পক্ষ থেকে পরকীয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। তার বাবার দাবি, তার মেয়েকে কেউ তন্ত্রমন্ত্র করেছে এ কাজ করার জন্য।
এ ঘটনায় আহত শাহেদা বেগমের মেয়ে ফারজানা আকতার পপি বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন (মামলা নং-১৯, তারিখ: ১৫/০৯/২০২৬ ইং)।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আলম খান জানান, এখন পর্যন্ত পরকীয়া সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। মামলার তদন্ত ও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার ধুনট এলাকায় গত দুই বছর ধরে রাতের অন্ধকারে সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। পুলিশ একাধিক অভিযান পরিচালনা করে কাটা গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করলেও, এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়নি।
সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে ধুনট উপজেলা সদর থেকে চিকাশি ইউনিয়নের জোড়শিমুল পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পাকা সড়কের দুই পাশে প্রায় ১২ বছর আগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল। গত দুই বছর ধরে সেই গাছগুলো এলাকার সংঘবদ্ধ চক্র রাতের অন্ধকারে কেটে নিচ্ছে। প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকটি কাটা গাছের গুঁড়িও উদ্ধার করেছে। তবে, জড়িতদের শনাক্ত বা আটক করতে তারা সক্ষম হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতরা একটি চিহ্নিত সংঘবদ্ধ চক্র। কিন্তু তাদের নাম বলার সাহস পায় না কেউ। পুলিশ অভিযানে আসার আগেই তারা খবর পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ শুধুমাত্র ডালপালা উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। বনবিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।’
উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, ‘গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করা হবে। জড়িতদের নামের তালিকা পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে নামগুলো প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফউল্লাহ নিজামী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র। খুব দ্রুত চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে মামলা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ