বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৩:৫৯ এম
আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) খুলনায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সুন্দরবন রক্ষা ও মোংলা বন্দরের উন্নয়নকাজ সরাসরি দেখার উদ্দেশ্যে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই একদিনের সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যাচাই করা, সুন্দরবনের প্রাকৃতিক পরিবেশের সংরক্ষণ এবং মোংলা বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করা। তিনি হেলিকপ্টারে করে যাবেন এবং বিকেলেই ঢাকায় ফিরে আসবেন। বিশেষভাবে সুন্দরবন সুরক্ষার উদ্যোগ, মোংলা সমুদ্র বন্দরের পরিস্থিতি এবং সেখানে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রকল্পগুলো পরিদর্শনের পাশাপাশি একটি পর্যালোচনা সভাতেও অংশগ্রহণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফর শুরু হবে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে যাত্রার মাধ্যমে। সকাল ১০টায় তিনি আকাশ থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন এলাকা পরিদর্শন করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার হেলিকপ্টার অবতরণ করবে। সেখান থেকে দুপুর পৌনে ১টায় নৌপথে বাগেরহাটের মোংলায় অবস্থিত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঘাঁটি ‘বানৌজ মোংলা’য় পৌঁছাবেন এবং মধ্যাহ্নভোজের বিরতি নেবেন।
দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে নৌঘাঁটির ওয়ার্ড রুমে একটি পর্যালোচনা সভায় যোগ দেবেন। এরপর দুপুর ৩টায় মোংলা বন্দরের জেটি এবং সাড়ে ৩টায় প্রস্তাবিত মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করবেন। সবশেষে বিকেল ৪টায় হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মন্তব্য করেছেন যে, এবারের দুর্গাপূজায় বিএনপি সরকার প্রত্যাশা অনুযায়ী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।
তিনি বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও বিসর্জনস্থলের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরে পূজারিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এবারের দুর্গাপূজায় সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। মানুষ আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যে নির্বিঘ্নে উৎসব উদযাপন করেছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। এ বছর দুর্গাপূজার ছুটি বাড়ানোর পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে সরকারি অনুদানের পরিমাণও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি কথা বলেন- ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা বাস্তবায়ন করেন। এবারের দুর্গাপূজায় সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তার প্রতিফলন ঘটেছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অনেকেই নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে জাতীয়তাবাদী দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি তাদের আস্থা ও প্রত্যাশা রয়েছে। বিগত নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারা যে প্রত্যাশা করেছিলেন, সরকার তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবার সহযোগিতা নিয়ে টাঙ্গাইল থেকে মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা দূর করতে কাজ করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে ভালো সাড়া পেয়েছি। সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন করতে চাই। মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গঠনে আমাদের কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে আরও জোরদার করা হবে।
মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহীন মিয়া, কেন্দ্রীয় কালীবাড়ী মন্দিরের সভাপতি স্বপন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক জীবন কৃষ্ণ চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক অমল ব্যানার্জীসহ জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাজ্যের উইন্ডসর ক্যাসেলে ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সফরের উপলক্ষে এক নৈশভোজের আয়োজন করেছেন। এই অনুষ্ঠানে রানী ক্যামিলাসহ দুই দেশের বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। রাজা চার্লস ওমানের সুলতানকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি বিখ্যাত হাদিস উদ্ধৃত করেন এবং ওমানের জনগণের স্বভাব ও শান্তির প্রতি তাদের অনুরাগের প্রশংসা করেন।
রাজা চার্লস তার বক্তব্যে ওমানি জনগণের চমৎকার আচরণের কথা উল্লেখ করে মহানবীর বাণী তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যদি তোমরা ওমানের মানুষের কাছে যেতে, তারা তোমাদের কখনোই গালি দিত না কিংবা আঘাত করত না।’ এই মহানবীর বাণীর উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, যুগ যুগ ধরে ওমানের মানুষ তাদের শান্তিকামী স্বভাব ধরে রেখেছে, যা পুরো বিশ্বের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত।
রাজা চার্লস যুক্তরাজ্য ও ওমানের শত বছরের পুরনো বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করে বলেন, যুদ্ধ ও সংঘাতের এই সময়ে ওমান সবসময় আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বজায় রাখতে ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে সমুদ্রপথে বিশ্ববাণিজ্য নিরাপদ রাখতে ওমানের প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। দুই দেশের এই শক্ত সম্পর্কের কারণে বিশ্ব যেমন অনেক নিরাপদ থাকে, তেমনই ভবিষ্যতেও ওমান যুক্তরাজ্যের এক বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে পাশে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সূত্র: ওমান অবজারভার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের সহায়তা করতে গিয়ে মার্কিন নাগরিকদের গ্রেফতার করার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি ইসরাইলি বাহিনীর এই ধরনের আচরণের তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর নীরবতার বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
সিনেটরের মতে, শীর্ষ পর্যায়ের পক্ষ থেকে কোনো প্রতিবাদ না করার ফলেই ইসরাইল ক্রমাগতভাবে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে এবং একের পর এক অন্যায় কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়ে যাচ্ছে।
এই ঘটনা ঘটে অধিকৃত পশ্চিম তীরে, যেখানে স্থানীয় ফিলিস্তিনিরা জলপাই সংগ্রহ করছিলেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সাহায্য করতে গিয়ে সেখানে উপস্থিত হন মার্কিন প্রতিনিধিদের একটি দল। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্র্যাড ল্যান্ডার, যিনি আগামী মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী। কিন্তু ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ তাদের সবাইকে গ্রেফতার করে। পরে ব্র্যাড ল্যান্ডারকে মুক্তি দেওয়া হলেও, তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য মার্কিন আন্দোলনকারী এবং কয়েকজন ধর্মযাজক এখনও বন্দি রয়েছেন।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে সিনেটর ভ্যান হোলেন স্পষ্ট করে জানান, একজনকে মুক্তি দিলেই সব কিছু মিটে যায় না, ইসরাইল সরকারের উচিত বাকিদেরও অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যদি ইসরাইল আমেরিকানদের সঙ্গেও এমন আচরণ করতে পারে, তবে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর তারা কতটা নির্যাতন চালাচ্ছে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।"
সূত্র: আল-জাজিরা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আইসিটি দপ্তরের স্বীকৃত সহযোগী ও সমমনা পেশাজীবী সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের (এনআইসিটিএফ) পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে প্রকৌশলী রাফেল কবির সভাপতি এবং প্রকৌশলী মো. মামুন অর রশিদ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ সংগঠনটির পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১০৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে অধ্যাপক এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান রয়েছেন। উপদেষ্টা হিসেবে ড. মারুফ মল্লিক, প্রকৌশলী মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি, প্রকৌশলী শাহ খালেদ হাসান চৌধুরী, প্রফেসর ড. আতিকুর রহমান এবং প্রকৌশলী শোয়েব বাশরী হাবলু দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটিতে ১ নম্বর সহ-সভাপতি পদে প্রকৌশলী রূপম রাজ্জাক দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্যান্য সহ-সভাপতিরা হলেন- প্রকৌশলী হাসিবুর রশিদ, প্রকৌশলী হাসিব মুস্তাবসির, ইমতিয়াজ মির্জা, প্রকৌশলী এ কে আজাদ কল্লোল, মো. জহিরুল ইসলাম, মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম এবং জান্নাতুল হক শাপলা।
এতে ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ফুয়াদ হাসান দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্যান্য যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা হলেন- প্রকৌশলী সজিব বড়ুয়া, মহিউদ্দিন আহমেদ সৈকত, প্রকৌশলী শফিউল আযম ফাহিম এবং প্রকৌশলী আবদুল আজিজ।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জুবায়ের রিয়েল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম রোহান, দপ্তর সম্পাদক পদে মো. মিজানুর রহমান মুন এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক পদে প্রকৌশলী ফারজাদ খান মিরন দায়িত্ব পেয়েছেন।
অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- অর্থ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. রুহুল রাব্বি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক, গবেষণা সম্পাদক ড. আরমান আহমেদ সিদ্দিকী ও প্রকৌশলী ইমাম আহসান ইয়ামীন, পরিকল্পনা সম্পাদক রাশেদুল হাসান রবিন, মিডিয়া বিষয়ক সম্পাদক ইয়াছির ওয়ারদাদ (তন্ময়), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. মোশারেফ হোসেন সিকদার, আইন বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান জুয়েল, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক হাসান আল বান্না, ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি সম্পাদক মো. ইলিয়াস মোল্লা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসাইন মিলন, ই-কমার্স বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার সাদাত, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মো. গোলাম ফারুক সরকার।
এছাড়া রয়েছেন ক্রীড়া সম্পাদক আল শাহারিয়ার, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মো. তুহিনুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান ফারাবি, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক শারমিন হক, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী শায়েরুল হক জোয়ার্দার, যুব বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী সানাউল করিম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কাজী মুকিতুজ জামান, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম তানিম, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী নূর আলম সুমন, উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ বিষয়ক সম্পাদক নিশাত আনজুম, জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী হারিসুজ্জামান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান এবং সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত রশিদ।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে কমিটিতে রয়েছেন ওবায়দুর রহমান চন্দন, প্রকৌশলী এস ওয়াজেদ আলী, ফেরদৌস আলম ইপন, প্রকৌশলী মো. ফাত্তাহুল আলম, প্রকৌশলী কানাজ ইফাত রিসভা, প্রকৌশলী সেজান আহমাদ, প্রকৌশলী আশিকুর খান আসিফ, প্রকৌশলী মো. মাহফুজ উল হাসান, প্রকৌশলী আবু জাফর আনসারী বিন কায়েস, প্রকৌশলী মো. আবদুল্লাহ আল মামুন (সবুজ), প্রকৌশলী ইমতিয়াজ সোহান, প্রকৌশলী শাহীন হাওলাদার, প্রকৌশলী সাঈদ হাসান সাব্বির, নাজিবা ওয়াজিহা মাহবুব, এহসানুল হক শুভ্র, প্রকৌশলী ফারহান হাবিব, প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান আসিফ, প্রকৌশলী রাসেল আহমেদ এবং প্রকৌশলী শাহাদাৎ হোসেন।
কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে আরও রয়েছেন প্রকৌশলী মো. মোস্তাফিজুর রহমান শিমুল, প্রকৌশলী সোহাগ আল আমিন, রেদওয়ানুল হক বাবু, মাহমুদুর রহমান সানজিদ, আবুল বাশার, নিয়ামুল হুদা খান তৌহিদ, মো. কামরুল হাসান চঞ্চল, প্রকৌশলী মাহাবুবুল ইসলাম মেহেদী, প্রকৌশলী মো. বেলাল উদ্দিন, সাব্বির হোসেন শুভ, প্রকৌশলী মো. আলমগীর মিঞা, গোলাম মোস্তফা, আরফান আলী রনি, প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, মো. আরিফ বিন খন্দকার, মারকাজুল হাসনাইন আলিফ, মো. রাকিব হাসান, প্রকৌশলী মো. মঈনুল হাসান (রনি), আকতারুজ্জামান জীবন, তাসলিমুর রহমান, আরিফুর রহমান, মোহাম্মদ এম রহমান (রেদোয়ান), গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, রিয়াজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, প্রকৌশলী জামাল উদ্দিন, মো. শাহাদৎ রশিদ, মাহমুদ হাসান, মো. মহিউদ্দিন, সোলাইমান কবীর আহমেদ, আজম হোসেন খান এবং আসাদুজ্জামান রিংকু।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, সুসংগঠিত ও কার্যকর করতে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, দেশ-বিদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পেশাজীবী, উদ্যোক্তা, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও তরুণ প্রযুক্তিবিদদের নিয়ে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত কমিটি ফোরামের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি সদস্যদের যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং সংগঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এটি কাজ করবে।
চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তি দপ্তর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনআইসিটিএফ-এর প্রথম কমিটি অনুমোদন দেয়। টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতের জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্বদের সুপারিশে সেই কমিটি গঠিত হয়। তখন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন এবং প্রয়োজনে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এবার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হলো।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনআইসিটিএফ একটি শক্তিশালী ও কার্যকর পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে এগিয়ে যাবে। দলটি বিএনপির ভিশনের সাথে মিল রেখে দেশের আইসিটি পলিসি, ডিজিটাল গভর্নেন্স, সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স শিল্পের বিকাশ এবং ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতে কাজ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ