ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্রান্সের আদালতের কঠিন সিদ্ধান্ত, হাকিমিকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে


ফ্রান্সের আদালতের কঠিন সিদ্ধান্ত, হাকিমিকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে

ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আদালত আপিল খারিজ করার ফলে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) এবং মরক্কোর তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমিকে ধর্ষণের মামলায় বিচারের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

এই খবর সম্প্রতি ক্রীড়াবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দি অ্যাথলেটিক’ দ্বারা নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্যারিসের পশ্চিমে ও-দে-সেন বিভাগের একটি অপরাধ আদালতে এই মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যদিও এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবে আগামী বছরেই মামলাটির বিচার শুরু হতে পারে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

মামলাটি ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বুলোন-বিলঁকুরে হাকিমির নিজ বাসভবনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার সূত্রপাত। ওই তরুণী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে হাকিমির সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তার বাড়িতে যান।

পরে তিনি হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। ঘটনার পাঁচ দিন পর হাকিমির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠিত হয়।

তবে এই তারকা ফুটবলার শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে হাকিমির আইনজীবী দল প্রথমে মামলাটি খারিজের জন্য আবেদন করেছিলেন।

কিন্তু গত বছরের ১৯ জুন ভার্সাইয়ের আপিল আদালত সেই আবেদনটি খারিজ করে দেয়। এরপর হাকিমি উচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব ক্যাসেশন’-এ যান, যা সম্প্রতি চূড়ান্তভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরায়েলকে জমি দিতে চাইলে নিউ জার্সি দিয়ে দিন: সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:২৭ পি.এম


ইসরায়েলকে জমি দিতে চাইলে নিউ জার্সি দিয়ে দিন: সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন সিরিয়ার দখলকৃত গোলান মালভূমি ইসরায়েলকে লিখে দেওয়ার পরিবর্তে তার নিজ দেশের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য তাদের দিয়ে দেন—এমন একটি কৌতুকের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় আল-শারা এই মন্তব্যটি করেন।

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, হোয়াইট হাউসে তার সফরের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন গোলান মালভূমির ওপর ইসরায়েলি সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন, তখন তিনি ট্রাম্পকে এই কৌতুকটি বলেন। তিনি ট্রাম্পকে বলেছিলেন, "ইসরায়েলকে জমি দিতে আপনার যদি এতই আগ্রহ থাকে, তবে নিউ জার্সি দিয়ে দিচ্ছেন না কেন? নিউ জার্সি তো ডেমোক্র্যাটদের অধীনে এবং তারা আপনাকে ভোটও দেয় না।"

আল-শারা আরও বলেন, নিউ জার্সির ওপর ট্রাম্পের রাজনৈতিক এখতিয়ার থাকতে পারে, তবে গোলান মালভূমির মালিকানা তার নেই। তিনি উল্লেখ করেন, সিরিয়া বা আমেরিকার কোনো প্রেসিডেন্টের এই ভূখণ্ড অন্য কাউকে দিয়ে দেওয়ার অধিকার নেই; গোলান মালভূমি কেবল সেখানকার জনগণের।

কৌতুকের বাইরে ট্রাম্পের প্রশংসা করে আল-শারা বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং দেশটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের বিশেষ ও শ্রদ্ধাপূর্ণ সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর থেকে ইসরায়েল সিরিয়ার গোলান মালভূমি দখল করে রেখেছে এবং ১৯৮১ সালে তারা এটি নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করে, যা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ৪৯৭ নম্বর প্রস্তাবে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ গোলানকে সিরিয়ার ভূখণ্ড মনে করলেও যুক্তরাষ্ট্র এবং কলম্বিয়া এই অঞ্চলে ইসরায়েলি সার্বভৌমত্বকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আ.লীগ ক্ষমতায় ফিরলে জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


আ.লীগ ক্ষমতায় ফিরলে জামায়াত নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলতে হবে: রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, রাষ্ট্র পুনর্গঠনের একটি ঐতিহাসিক সুযোগ যদি হাতছাড়া হয়, তাহলে দেশের পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে না। একাত্তরের ঘাতক এবং চব্বিশের পরাজিত শক্তি বর্তমানে একত্রিত হয়ে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, আওয়ামী লীগ যদি আবার ক্ষমতায় আসে, তাহলে জামায়াত নেতাদেরকে পুনরায় ফাঁসির কাঠে ঝুলতে হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ শিশু কুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাশেদ খান বলেন, যখন সরকার রাষ্ট্র পুনর্গঠনের মূল ধারায় আলোকপাত করছে, তখন একটি মহল পতিত আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।

জামায়াত আমিরের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং শেখ হাসিনার দেশে ফেরার হুমকির মধ্যে একটি স্পষ্ট যোগসূত্র রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের পরিবর্তে জামায়াতের নেতৃত্বে গঠিত ছায়া মন্ত্রিসভা সরকারের যৌক্তিক সংস্কারকাজে বাধা সৃষ্টি করছে। তারা এমনকি জ্বালানি সংকটের মতো বৈশ্বিক ইস্যুকে পুঁজি করে লংমার্চের নামে রাজপথ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।

জামায়াত নেতৃত্বের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে রাশেদ খান বলেন, নির্বাচনের পূর্বে আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার যে মনোভাব জামায়াত দেখাচ্ছে, তা আত্মঘাতী। তাদের এই ইন্ধনে নিষিদ্ধঘোষিত ও গণধিকৃত ছাত্রলীগ-যুবলীগ রাজপথে মিছিল করার সাহস পাচ্ছে। জামায়াত নেতাদের মনে রাখা উচিত যে, আওয়ামী লীগকে তারা ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে, সেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরলে আবারও তাদের নেতাদের ফাঁসি দেবে। সুতরাং, এই দেউলিয়া রাজনীতি বন্ধ করে জামায়াত নেতাদের সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

এর আগে সকালে শিশু কুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাশেদ খান। অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে ৭ বছরে মৃত্যু ১২ গুণ, আক্রান্ত ১৫ গুণের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


ডেঙ্গুতে ৭ বছরে মৃত্যু ১২ গুণ, আক্রান্ত ১৫ গুণের বেশি

বাংলাদেশে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মশাবাহিত এই রোগে মৃত্যুর সংখ্যা এবং আক্রান্তের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজার ২০৮ জন। পরবর্তী ৭ বছর ৯ মাসে ডেঙ্গুতে ৩ হাজার ৪৬৬ জনের মৃত্যু এবং ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯১ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

অর্থাৎ, মৃত্যুর হার ১১ দশমিক ৭১ গুণ এবং আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ দশমিক ৬৬ গুণ বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে অন্তত ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮৬৮ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০১ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩৬৭ জনে পৌঁছেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এডিস মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, আক্রান্তের সংখ্যা কম নথিভুক্ত হওয়া, হাসপাতালে ভর্তিতে দেরি করা এবং একই ব্যক্তি বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মুস্তাক হুসাইন মন্তব্য করেন, "ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও জনকেন্দ্রিক জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রয়োজন।"

তিনি আরও বলেন, এডিস মশা বিভিন্ন পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিয়েছে। অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিতেও এই মশা বংশবিস্তার করতে পারে। এমনকি ফেলে দেওয়া ছোট পাত্রের ভেতরেও এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। বর্তমানে ডেঙ্গুর বিস্তার শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি ক্রমেই গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বারবার সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। যেসব জনগোষ্ঠীর মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কম বা শূন্যের কোটায় ছিল, তারাও এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের কার্যকারিতা কীভাবে পরিমাপ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুস্তাক।

স্বল্পমেয়াদি অভিযানের পরিবর্তে কয়েক বছর ধরে কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি চালানোর আহ্বান জানান তিনি। যেখানে আবর্জনা, পানি জমে থাকে এবং মশার প্রজনন বেশি হয়, সেসব এলাকাকে সেই কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন। মুস্তাক বলেন, "ডেঙ্গুকে আর শুধুমাত্র মৌসুমি রোগ হিসেবে দেখা উচিত না।"

ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় তিন স্তরের ব্যবস্থা চালুর পরামর্শ দিয়ে এই বিশেষজ্ঞ বলেন, কমিউনিটি পর্যায়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বিনা মূল্যে বা কম খরচে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ ও প্রাথমিক পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। যেসব রোগীর নিবিড় পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতালের মতো মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পাঠাতে হবে। গুরুতর বা জটিল রোগীদের চিকিৎসা দিতে হবে মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে।

ঢাকার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন, রেলওয়ে, ব্যাংক ও অন্যান্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান পরিচালিত বিদ্যমান হাসপাতালগুলোকে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। মুস্তাক আরও মনে করেন, প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য অতিরিক্ত শয্যা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। এতে তৃতীয় স্তরের হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং গুরুতর অসুস্থ রোগীরা বিশেষায়িত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, আক্রান্তের সংখ্যা কম রিপোর্ট হওয়া এবং বারবার সংক্রমণের ঘটনা ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি হওয়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। ২০১৯ সালের পরে অধিকাংশ বছরেই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি ছিল। আগের মতো নির্দিষ্ট সময় পরপর ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়া বা কমার প্রবণতা এখন আর দেখা যাচ্ছে না।

এর একটি সম্ভাব্য কারণ, ডেঙ্গু আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। অনেক আক্রান্ত ব্যক্তির তথ্যই সরকারি হিসাবে আসে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক হাসপাতাল ও ক্লিনিক থাকলেও এর অল্প একটি অংশ নিয়মিত ডেঙ্গু রোগীর তথ্য জানায়। বাশার বলেন, ডেঙ্গুতে মৃত্যুহার বা কেস ফ্যাটালিটি রেট হিসাবের ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা কম রিপোর্ট করার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অনেকেই গুরুতর অবস্থায় থাকেন। আবার মৃত্যুর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঘটে।

বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়াও আরেকটি কারণ। পরবর্তী সংক্রমণে মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে দুই দশকের বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ায় ক্রমেই বেশি মানুষ একবার বা একাধিকবার এতে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে তাদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি শনাক্তের বাইরে থেকে যায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোপালগঞ্জে বছরে কোটি টাকার শাপলা বিক্রি, তিন হাজার মানুষ পাচ্ছে জীবিকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪২ পি.এম


গোপালগঞ্জে বছরে কোটি টাকার শাপলা বিক্রি, তিন হাজার মানুষ পাচ্ছে জীবিকা

কাশিয়ানী উপজেলা, গোপালগঞ্জ, একটি বিল অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। বর্ষা মৌসুমে, এই অঞ্চলের বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে তলিয়ে যায়। এই পানিতে প্রাকৃতিকভাবে শাপলা ফুল জন্ম নেয়। বর্ষাকালে, উপজেলার প্রায় তিন হাজার মানুষ শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।

বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের তেমন কোনো কাজ না থাকায়, অনেক কৃষক, বেকার এবং অন্যান্য পেশার লোকজন বর্তমানে শাপলা সংগ্রহের পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই শাপলা একদিকে সবজির চাহিদা পূরণ করছে, অন্যদিকে বর্ষাকালে কাজ না থাকা বেকারদের জন্য আয়ের সুযোগ তৈরি করছে।

উপজেলার সিংগা, রাহুথড়, হাতিয়াড়া, শিল্টাসহ বিভিন্ন বিলে, খুব ভোরে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষরা নৌকা নিয়ে ঘুরে ঘুরে শাপলা সংগ্রহ করেন। কোনো পুঁজির প্রয়োজন না হওয়ায়, এই পেশা বেশ লাভজনক বলে মনে হচ্ছে।

শাপলা ফুল সাধারণত বর্ষায় ডুবে যাওয়া বোরো ধানক্ষেত, পাটক্ষেত ও আমন ধানক্ষেতে বেশি জন্মায়। শাপলা শুধু জাতীয় ফুলই নয়, বরং বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কাছে সবজি হিসেবেও জনপ্রিয়।

শাপলা বিক্রির জন্য উপজেলার রাহুথড়ে একটি পাইকারি বাজার গড়ে উঠেছে। ভোরের আলো ফুটতেই, আশপাশের গ্রামসহ প্রত্যন্ত এলাকা থেকে শাপলা সংগ্রহকারীরা এখানে জড়ো হন। ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে বাজার মুখরিত হয়ে ওঠে। শাপলা ফুলের সাদা আভায় পুরো বাজার আচ্ছাদিত হয়ে যায়। পাইকাররা এসব শাপলা কিনে জেলা সদরসহ পার্শ্ববর্তী যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, নড়াইল ও লোহাগড়ায় বিক্রি করেন।

রাহুথড় শাপলার পাইকারি আড়তের ইজারাদার শংকর কুমার বসু জানান, "প্রতিদিন সকালে বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষরা শাপলা সংগ্রহ করে নৌকায় করে পাইকারি দামে বিক্রির জন্য এখানে নিয়ে আসে।" পাইকাররা এসব শাপলা কিনে ভ্যান, ইজিবাইক ও নছিমন করে কাশিয়ানী সদরসহ যশোর, খুলনা, আলফাডাঙ্গা ও ভাটিয়াপাড়া নিয়ে বিক্রি করেন। প্রতিদিন প্রায় ২০-৩০ গাড়ী শাপলা এখান থেকে বিভিন্ন জেলায় যায়।

শাপলা সংগ্রহকারী গোবিন্দ বিশ্বাস বলেন, "আমি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বর্ষাকালে শাপলা বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছি। প্রতিদিন প্রায় ৫-৭শ’ টাকার শাপলা সংগ্রহ করতে পারি। ভোরে রাহুথড় বাজারে পাইকারি দামে বিক্রি করে দেই।"

কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এজাজুল করীম বলেন, "শাপলা একদিকে যেমন মানুষের পুষ্টির দাহিদা মেটাচ্ছে, অন্যদিকে মানুষের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে। কাশিয়ানীর বিলাঞ্চলে বর্ষাকালে কোনো ফসল হয় না। তখন কৃষকদের কোনো কাজ থাকে না। তারা তখন বিল থেকে শাপলা সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করে সংসারের খরচ যোগান। প্রায় তিন হাজার পরিবার শাপলা সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।" সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%