বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩৪ পি.এম
আফ্রিকার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সুদানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সোনার খনি ধসে অন্তত ৮২ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫০ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বর্তমানে স্থানটি দেশের প্রভাবশালী প্যারা-সামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাহিনীটির একজন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ঠিক কতজন খনির ভেতর আটকা পড়ে আছেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেখানে উদ্ধার তৎপরতা অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এই খনি ধসের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার সময় কয়েক ডজন শ্রমিক খনির গভীরে কাজ করছিলেন। পরবর্তীতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত টানা অভিযান চালিয়ে মোট ৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরা শ্রমিক খায়ের আল সায়েদ জাবারা জানান, সারারাত তারা নিজেদের সাধারণ সরঞ্জাম দিয়েই উদ্ধার কাজ চালানোর চেষ্টা করেছেন। তবে বিশাল পাথর ও বিপুল পরিমাণ মাটি সরানোর জন্য সেখানে কোনো ভারী যন্ত্রপাতি না থাকায় উদ্ধার তৎপরতা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সুদান সেনাবাহিনী এবং প্যারা-সামরিক আরএসএফ-এর মধ্যে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়ে। ব্যাপক বেকারত্বের মুখে দেশটির হাজার হাজার যুবক কোনো সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই এসব অনুমোদনহীন ও ঝুঁকিপূর্ণ হাতুড়ে সোনার খনিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্তমানে গৃহযুদ্ধের বিশাল অর্থের বড় একটি অংশ যোগান আসছে অবৈধভাবে পরিচালিত এসব সোনার খনি থেকে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে প্রাইভেটকার থেকে গুলি ছোঁড়ার ঘটনায় অভিযুক্ত তরুণ-তরুণীকে ঢাকার গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে র্যাব ও ভাঙ্গা থানার পুলিশের যৌথ টিম অভিযানে তাদেরকে আটক করে র্যাব-১-এর কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভাঙ্গা থানার দায়ের করা মামলায় তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর পর ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান শুরু করে ভাঙ্গা থানার পুলিশ।
অস্ত্র উদ্ধার হলে, রাতের পর আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান।
পুলিশ জানায়, গত (১৭ আগস্ট) সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে গাড়ি পার্কিং নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রাইভেটকার থেকে এক তরুণ জনসম্মুখে গুলি করে পালিয়ে যায়।
গুলির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এই ঘটনায় ছোটাছুটিতে দুজন আহত হন। সংবাদটি প্রচারের পর পুলিশ প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে এবং ১৮ আগস্ট ভাঙ্গা থানার এসআই প্রশান্ত কুমার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন ভাঙ্গা থানার এসআই মিজানুর রহমান।
মামলা ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী একটি প্রাইভেটকার থেকে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার সামনে চা খেতে নামেন এক তরুণ ও তরুণী। রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা স্থানীয়রা ওই তরুণকে বলেন, ভাই প্রাইভেটকারটি সাইড করে দাঁড়ান।
এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ওই তরুণ গাড়িতে গিয়ে পিস্তল বের করে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করেন। এরপর তারা প্রাইভেটকার নিয়ে দ্রুত খুলনা রোডে চলে যান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পুলিশ ও র্যাবের একটি টিম ঢাকার গুলশান এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এরপর আমরা গুলি করা অস্ত্র উদ্ধারের জন্য ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জ এলাকায় আসামিদের নিয়ে অভিযান পরিচালনা করছি।
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যদি সহায় থাকে অস্ত্রটি উদ্ধার হলে রাতে ভাঙ্গা থানায় হাজির করা হবে। পরদিন বৃহস্পতিবার তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে আটটার দিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থার ওয়েবসাইটে একযোগে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
সারাদেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপে মোট ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। তবে, প্রথম ধাপে আবেদন করেও আসন পাননি ১৪ হাজার ৪১৫ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েও কাঙ্ক্ষিত পছন্দক্রম বা প্রতিযোগিতার কারণে ২ হাজার ২০৫ জন শিক্ষার্থী প্রথম ধাপে কোনো প্রতিষ্ঠানে মনোনীত হননি।
ফলাফল দেখতে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (xiclassadmission.gov.bd) প্রবেশ করে এসএসসি রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসের সাল দিয়ে লগ ইন করতে হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমেও ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে ভর্তি নিশ্চয়ন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও প্রাথমিক আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফলাফল আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় প্রকাশ করা হবে। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের আবেদন ও ফল প্রকাশ শেষে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে একাদশ শ্রেণিতে চূড়ান্ত ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সারাদেশে কলেজ ও মাদ্রাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে মোট ২৫ লাখের বেশি আসন রয়েছে। বিপরীতে এবারের ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। গত ১০ আগস্ট অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ১১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছেন, যাদের মধ্যে প্রায় পৌনে দুই লাখ শিক্ষার্থী ভর্তি প্রক্রিয়ায় আবেদনই করেননি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, বোর্ডের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থী টিসির মাধ্যমে ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন কোনো শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি ও এমপিওভুক্তি বাতিল হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নীলু ড্রাইভার নামে পরিচিত এক বাড়ির কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক রয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার হরিণহাটি এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী জেলা থেকে জীবিকার তাগিদে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন শফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী ময়না বেগম। তারা পরে হরিণহাটি এলাকায় লেহাজ উদ্দিনের বাসায় ভাড়া নিয়ে একমাত্র সন্তানকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। উক্ত দম্পতি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত। তাদের কিশোরী মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করে।
বুধবার সকালে, বাবা-মা কাজের জন্য চলে যান এবং কিশোরী মাদরাসায় যায়। দুপুরে মাদরাসা ছুটি শেষে কিশোরী বাড়িতে ফিরে আসে। এ সময় বাড়ির কেয়ারটেকার নীলু ড্রাইভার ঘরে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়। অভিযোগ রয়েছে যে, পরে গামছা দিয়ে কিশোরীর মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে সে।
পরবর্তীতে কিশোরীকে অচেতন অবস্থায় ঘরে ফেলে রেখে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। বিকেলে কারখানা থেকে ফিরে ময়না বেগম ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। দরজা ধাক্কা দিয়ে ভেতরে ঢুকে তিনি মেয়েকে অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন।
পরে পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী কিশোরীকে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশও হাসপাতালে উপস্থিত হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, এর আগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ওই কেয়ারটেকার তাদের হুমকি দিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েক দিন আগে তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগও করা হয়েছিল।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জমির নামজারি বা খতিয়ান খোলার সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক তহশিলদারের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসে কর্মরত আছেন। সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, পৃথক চারটি জমির দলিলের বিপরীতে নামজারি বা নতুন করে খতিয়ান খুলে দিতে এক সেবাগ্রহীতার কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করছেন মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান। এ সময় ওই সেবাগ্রহীতা আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘১ হাজার ১৫০ টাকার কাজে ৭০ হাজার টাকা লাগবে কেন? এত টাকা দিতে হলে তো জমি বিক্রি করতে হবে।’ জবাবে তহশিলদার সার্ভেয়ার-কানুনগোসহ মোট আটটি টেবিলের খরচের হিসাব তুলে ধরেন।
পরে দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান খুলে দিতে ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। এরপর ওই সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা নেন আবদুস সোবাহান। বাকি ১০ হাজার টাকা বিকাশে দেওয়ার প্রস্তাব করা হলে তাতে আপত্তি জানিয়ে হাতে হাতে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন তহশিলদার।
ওই সেবাগ্রহীতার নাম মহিউদ্দিন খন্দকার (৪২)। তিনি রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘পৃথক চারটি দলিলের জমি একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করাতে চরমোন্তাজ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার মোহাম্মদ আবদুস সোবাহানের কাছে যাই। এ সময় তিনি সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ১৫০ টাকা ফির পরিবর্তে ৭০ হাজার টাকা দাবি করেন।’
মহিউদ্দিন বলেন, ‘দর-কষাকষির এক পর্যায়ে সরকারি ফিসসহ ২০ হাজার টাকায় চুক্তি হয় অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে। তাকে নগদ ১০ হাজার টাকা অগ্রিম এবং বাকি টাকা কাজের পর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এরপর আমাকে কয়েক মাস হয়রানি করে চারটি দলিলের মধ্যে দুটি বাদ দিয়ে বাকি দুটি দলিলের বিপরীতে একটি খতিয়ান করে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সরকারি রাজস্ব খাতের ফি বাবদ ১ হাজার ১৫০ টাকা পরিশোধ করতে চাপ দেয়।’
জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, জমির নামজারি হলো বৈধ উপায়ে জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর সরকারি রেকর্ড বা খতিয়ানে আগের মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত বা হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। এটিকে মিউটেশনও বলা হয়। এ জন্য সরকার নির্ধারিত ফি ১ হাজার ১৫০ টাকা।
তবে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন মোহাম্মদ আবদুস সোবাহান। তিনি বলেন, ‘অভিযোগকারী মহিউদ্দিন খন্দকার আমার কাছে আসেননি এবং জমি-সংক্রান্ত কোনও কাগজপত্রও কাছে জমা দেওয়া হয়নি।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখে ওই তহশিলদারের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানান রাঙ্গাবালী উপজেলা ভূমি অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘অভিযোগটির বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ