ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নীরবে বৃদ্ধি পায় ফুসফুসের ক্যান্সার, কারা করাবেন পরীক্ষা?


নীরবে বৃদ্ধি পায় ফুসফুসের ক্যান্সার, কারা করাবেন পরীক্ষা?

ফুসফুসের ক্যান্সার হলো একটি মারাত্মক রোগ। সবচেয়ে বড় সমস্যা এটি যে, রোগটি শুরু হলেও অনেক সময় দীর্ঘদিন তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায় না। সাধারণ কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, কিংবা হঠাৎ ওজন কমার মতো উপসর্গ দেখা দিলে, ততদিনে রোগ অনেকটাই ছড়িয়ে পড়তে পারে।

তাহলে ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য রোগটি আগেভাগে শনাক্ত করতে নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে, এমনটাই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তবে, এই পরীক্ষা সবার জন্য নয়।

এখন প্রশ্ন হলো, কারা ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তের পরীক্ষা করাবেন? চিকিৎসকদের মতে, যাদের বয়স ৫০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে রয়েছে এবং বর্তমানে ধূমপান করেন অথবা আগে দীর্ঘদিন ধরে ধূমপান করেছেন, তাদের ঝুঁকি বেশি থাকে।

আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ দ্বীপ চর হেয়ার ঘুরে আসুন

বিশেষভাবে যাদের অন্তত ২০ প্যাক-ইয়ার ধূমপানের ইতিহাস রয়েছে এবং যারা এখনো ধূমপান করছেন অথবা গত ১৫ বছরের মধ্যে ধূমপান ছেড়েছেন, তাদের বছরে একবার কম মাত্রার সিটি স্ক্যান করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

প্যাক-ইয়ার কিভাবে হিসাব করবেন? ধূমপানের পরিমাণ ও সময় হিসাব করার জন্য প্যাক-ইয়ার একটি পদ্ধতি রয়েছে। যেমন, যদি কেউ ২০ বছর ধরে প্রতিদিন একটি প্যাকেট সিগারেট পান করেন, তাহলে তার হিসাব হবে ২০ প্যাক-ইয়ার। আবার, যদি কেউ ১০ বছর ধরে প্রতিদিন দুই প্যাকেট সিগারেট পান করেন, তবে সেটি ২০ প্যাক-ইয়ার হিসাবেই ধরা হবে।

সাধারণ এক্স-রে নয় কেন? কারণ সাধারণ বুকের এক্স-রেকে ফুসফুসের ছোট বা প্রাথমিক পর্যায়ের টিউমার সনাক্ত করা কঠিন হতে পারে। কিন্তু, কম মাত্রার সিটি স্ক্যান তুলনামূলক কম তেজস্ক্রিয়তা প্রয়োগ করে ফুসফুসের আরও স্পষ্ট ছবি প্রদান করতে সক্ষম।

ফলে, কোনো লক্ষণ প্রকাশের আগেই ছোট টিউমার শনাক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। শুরুতেই রোগ ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ

কিন্তু, ধূমপান না করলেও কি ফুসফুসের ক্যান্সার হতে পারে? হ্যাঁ, ফুসফুসের ক্যান্সার শুধু ধূমপায়ীদের মধ্যে হয়—এমন ধারণা সঠিক নয়। বায়ুদূষণ, কর্মক্ষেত্রে বিষাক্ত রাসায়নিকের সংস্পর্শ এবং বংশগত কারণেও এই রোগ হতে পারে।

তবে, যারা কখনো ধূমপান করেননি, তাদের সবার নিয়মিত কম মাত্রার সিটি স্ক্যান করানোর প্রয়োজন নেই। যদি পারিবারিক ইতিহাস, বিশেষ ঝুঁকি, অথবা কোনো উপসর্গ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ফুসফুসের ক্যান্সার অনেক সময় নীরবে শরীরে বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য সময়মতো পরীক্ষা রোগটি আগেভাগে শনাক্ত করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপায় হতে পারে।

আরও পড়ুন: স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, প্রেমিকা এআই জানালেন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেশাগত প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ আইনজীবী গড়ে উঠছে না: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


পেশাগত প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ আইনজীবী গড়ে উঠছে না: আইনমন্ত্রী

বর্তমানে শর্টকাটে অনেকেই আইনজীবী হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু পেশাগত প্রশিক্ষণের অভাবে দক্ষ আইনজীবী গড়ে উঠছে না বলেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। 

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ভবনে আইনজীবীদের জন্য বেসরকারি এক ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ১৭ হাজার আইনজীবী থাকলেও চূড়ান্ত শুনানি করার মতো পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনজীবী তৈরি করা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে আইন পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হলে যা করা সম্ভব আমরা সেটা করতে চাই। তবে এ জন্য বার কাউন্সিলের সদস্য ও আইনজীবীদেরও দায়িত্ব রয়েছে।

আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় সরকারের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, পেশার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সরকারের কাছে দাবি জানাতে হয়। কিন্তু গত ছয় মাসে আমার কাছে এ রকম কোনো দাবি জানানো হয়নি।

আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য পর্যায়ক্রমে ৮০ হাজার আইনজীবীকে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এটা একমাত্র প্রফেশন যাদের কোনো ট্রেনিং হয় না। সরকারি চাকরিজীবী ও বিচারকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলেও আইনজীবীদের জন্য পেশাগত প্রশিক্ষণের তেমন কোনো কাঠামো নেই। আইনজীবীরা আইন পেশার সনদ নিয়ে সিনিয়রের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে একদিন নিজেও সিনিয়র হয়ে যান। এর মাঝে তার আর কোনো ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা নেই।

আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, নিজেদের সমৃদ্ধ, প্রস্তুত ও প্রশিক্ষিত করার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বার কাউন্সিলের যে প্রশিক্ষণব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন, বিগত বছরগুলোতে তা করা সম্ভব হয়নি। আমরা উদ্যোগ নিয়েছি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে ঢেলে সাজাবো। বাংলাদেশের আইন পেশাকে ঢেলে সাজাতে চাই।

মো. আসাদুজ্জামান জানান, আইনজীবীদের প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নামে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিবছর এই বরাদ্দ বাড়ানো হতে পারে বলেও তিনি জানান।

আইনজীবীদের পেশাগত পরিসরও ধীরে ধীরে সংকুচিত হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ এখন নানান ধরনের বিরোধের সমাধান নিজেরাই করার চেষ্টা করছেন।

বিচার বিভাগ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় ও বিচার বিভাগের বাজেট নিয়েও কথা বলেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, কোর্ট ফি ও ওকালতনামার মাধ্যমে বিচার বিভাগ থেকে প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা আয় হলেও পুরো বিচার বিভাগের জন্য বার্ষিক বাজেট দুই হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি।

তার মতে, সুপ্রিম কোর্টের জন্য বরাদ্দও খুবই অপ্রতুল। আইনজীবী পেশার মর্যাদা বাড়াতে বার কাউন্সিলকে একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি রুহুল কুদ্দুস কাজল। বিশেষ অতিথি ছিলেন বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীন ও সদস্য বদরুদ্দোজা বাদল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে দাদি ও নাতনি নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৪ পি.এম


কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে দাদি ও নাতনি নিহত

কুমিল্লায় ট্রেনে কাটা পড়ে ৫০ বছরের জোসনা বেগম ও তাঁর ১৪ বছরের নাতনি চাঁদনী আক্তার নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার সময় কুমিল্লা রেলস্টেশনের পাশে শাসনগাছা ক্রসিংয়ের এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের মধ্যে কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদরের উত্তরপাড়া এলাকার মৃত মিজানুর রহমানের স্ত্রী জোসনা বেগম এবং একই এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে চাঁদনী আক্তার রয়েছেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, চিকিৎসকের কাছে দেখানোর উদ্দেশ্যে জোসনা বেগম তাঁর নাতনি চাঁদনী আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে কুমিল্লা শহরে এসেছিলেন। চিকিৎসক দেখানোর পর ফেরার পথে বাসস্টেশনে যাওয়ার পথে শাসনগাছা ক্রসিং এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনার শিকার হন।

কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ জানালেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন কুমিল্লা রেলস্টেশনের প্রবেশমুখে পৌঁছায়, তখন ওই নারী ও তাঁর নাতনি রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তখন ট্রেনের ধাক্কায় তাঁরা ঘটনাস্থলেই কাটা পড়ে মারা যান।

জোসনা বেগমের ভাইয়ের মেয়ে জোহরা আক্তার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, চিকিৎসকের কাছে দেখানোর জন্য জোসনা বেগম তাঁর নাতনি চাঁদনী আক্তারকে নিয়ে কুমিল্লা এসেছিলেন। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার সময় ট্রেনের ধাক্কায় তাদের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে কুমিল্লা রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ সোহরাব হোসেন জানান, দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির স্বামী তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন

সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু গণমাধ্যমকে জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কোথায় এবং কখন দাফন ও জানাজা অনুষ্ঠিত হবে, তা বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে ২০১৯ সালে স্ট্রোক করে তৌফিক নেওয়াজ। গত ২৭ মে হুইলচেয়ারে করে কারাবন্দী স্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে দেখা করাতে তাকে আদালতে নিয়ে গিয়েছিলেন তার স্বজনেরা।

উল্লেখ্য, ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন সিনিয়র আইনজীবী ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গঠনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। নতুন কাঠামোর অধীনে একটি হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ, অন্যটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ দেয়া বক্তব্যের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেন, রাজস্ব নীতি বিভাগ হবে সরকারের ‘চিন্তনকেন্দ্র’ হিসেবে কাজ করবে। এই প্রতিষ্ঠানে বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিযোগিতামূলক ও উন্নয়নবান্ধব কর কাঠামো তৈরি করবে। অন্যদিকে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হবে ‘কার্যকরী দল’, যারা কার্যকরভাবে রাজস্ব আদায় করবে। তিনি আরও বলেন, কর প্রদান প্রক্রিয়াকে সহজ করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা সরকারের মূল লক্ষ্য। রাজস্ব নীতি প্রণয়নে অর্থনীতিবিদ, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, গবেষক এবং শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির আকার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বেড়ে ওঠেনি। এই ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর বাড়তি করের বোঝা চাপানো হবে না।

বরং করের আওতা সম্প্রসারণ, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করা, কর ফাঁকি ও কর পরিহার বন্ধ করার পাশাপাশি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতাদের নিয়ম মেনে কর দেয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে জানিয়ে আমির খসরু বলেন, এটি আগের বছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যটি উচ্চাভিলাষী হলেও তা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায়। উন্নয়নের অর্থায়ন তাদের নিজস্ব সম্পদ থেকেই করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও অংশীদারিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও অর্থমন্ত্রী জানান। এ ক্ষেত্রে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া করদাতাদের কর্মকর্তাদের কাছে যাওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করার কথাও তিনি জানান। আমির খসরু বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সম্পূর্ণ যোগাযোগমুক্ত ও ব্যক্তিনির্ভরতা-বিহীন রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তোলা। ইতোমধ্যে ই-ট্যাক্স ব্যবস্থাপনা, আসিকুডা ওয়ার্ল্ড, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো এবং আধুনিক স্ক্যানিং পদ্ধতির মতো ব্যবসাবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থার অন্যতম বড় কাঠামোগত দুর্বলতা হিসাবে কম কর-জিডিপি অনুপাত উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। এ হার বিশ্বের অন্যতম নিম্ন।

তিনি জানান, ২০২৩ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে গড় কর-জিডিপি অনুপাত ছিল ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ, কিন্তু বাংলাদেশের ছিল মাত্র ৭ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, রাজস্ব সম্মেলন শুধু রাজস্ব আদায়ের হিসাব-নিকাশের বিষয় নয়; এটি জাতীয় ঐকমত্য গঠনের একটি প্ল্যাটফর্মও। নিজস্ব অর্থায়নে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথ নির্ধারণে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%