ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় ৮ কোটিরও বেশি খতিয়ান, সহজ হচ্ছে ভূমিসেবা


ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় ৮ কোটিরও বেশি খতিয়ান, সহজ হচ্ছে ভূমিসেবা

মোশতাক আহমদ

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে জমির রেকর্ড সংগ্রহ, খতিয়ান যাচাই এবং ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রেকর্ড রুমের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, দেশের এ পর্যন্ত আট কোটির বেশি খতিয়ান বা পর্চা ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এটি জমির রেকর্ড সংগ্রহের জন্য সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে বারবার যাতায়াতের প্রয়োজন কমিয়ে, সময় ও অর্থ সাশ্রয় করার পাশাপাশি সহজে ভূমিসংক্রান্ত তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: কমার্স ব্যাংকের পর্ষদে দুই স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাইজেশন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পারভেজ হাসান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে জানান, দেশের সব খতিয়ান সরকারি ব্যবস্থায় অনলাইনে আপলোড করার লক্ষ্যে ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় ইতোমধ্যে ১১টি উপজেলায় পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরবর্তী সময়ে সারা দেশে কার্যক্রমটি সম্প্রসারণের জন্য একটি ক্রয় প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। অনুমোদন এবং পরবর্তী দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

প্রকল্প পরিচালকের মতে, সব খতিয়ান অনলাইনে পাওয়া গেলে জমিজমা নিয়ে মানুষের দৈনন্দিন বিরোধ অনেকাংশে কমতে পারে। নাগরিকেরা সহজেই অনলাইন থেকে নিজেদের জমির খতিয়ান সংগ্রহ করতে পারবেন। এর ফলে জমির রেকর্ড খুঁজতে বিভিন্ন দপ্তরে ঘোরাঘুরি এবং তথ্য সংগ্রহে দীর্ঘসূত্রতা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অনলাইন ভূমিসেবার আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের পুরোনো খতিয়ান ও ভূমিসংক্রান্ত নথি ডিজিটাল ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, পর্যায়ক্রমে সব খতিয়ানের তথ্য অনলাইনে নিয়ে আসা, যাতে নাগরিকেরা সহজে নিজেদের জমির রেকর্ড খুঁজে পেতে পারেন এবং ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্ভরযোগ্য তথ্য ব্যবহার করতে পারেন।

আরও পড়ুন: এলপি গ্যাসের দাম ২২৩ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৬০ টাকা নির্ধারণ

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত খতিয়ানের সংখ্যা আট কোটি ছাড়ানোর বিষয়টি দেশের ভূমি প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তবে এই সংখ্যার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের রেকর্ড রয়েছে। একদিকে রয়েছে সিএস, এসএ, আরএস ও বিএসসহ বিভিন্ন জরিপের খতিয়ান।

অন্যদিকে রয়েছে ই-নামজারির মাধ্যমে তৈরি ও হালনাগাদ হওয়া খতিয়ান।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, অনলাইন সার্ভে খতিয়ানের ডাটাবেজে প্রায় পাঁচ কোটি ১২ লাখ থেকে পাঁচ কোটি ১৩ লাখ খতিয়ান রয়েছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রায় পাঁচ কোটি ১২ লাখ খতিয়ান অনলাইনে উন্মুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ই-নামজারি এবং অন্যান্য ভূমিসেবা ডিজিটাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডাটাবেজে রেকর্ডের সংখ্যা বেড়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের উপজেলা ও সার্কেল ভূমি অফিস এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে ই-নামজারি ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ৫১৬টি উপজেলা ও সার্কেল ভূমি অফিস এবং ৩ হাজার ৪৬৭টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ই-নামজারি কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইনে প্রতি মাসে প্রায় পাঁচ লাখ নামজারি মামলা নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অ্যামচ্যামের

নামজারি হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর সরকারি ভূমি রেকর্ডে নতুন মালিকের তথ্য হালনাগাদ করার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়, উত্তরাধিকার, দান বা অন্যান্য বৈধ উপায়ে মালিকানা পরিবর্তনের পর প্রযোজ্য নিয়মে নামজারি প্রয়োজন হতে পারে। এ প্রক্রিয়া ডিজিটাল হলে আবেদন গ্রহণ, নথি যাচাই, মামলার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত জানার ক্ষেত্রে নাগরিকদের সুবিধা বাড়ে।

আগে নামজারি বা খতিয়ান সংগ্রহের কাজে অনেক ক্ষেত্রে একাধিকবার ভূমি অফিসে যেতে হতো।

প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ, আবেদন কোথায় রয়েছে তা জানা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সময় ব্যয় করতে হতো। অনলাইন ব্যবস্থার কারণে এসব ধাপের কাজগুলো সহজ হয়ে গেছে।

ভূমি উন্নয়ন কর অনলাইনে আদায়ের ব্যবস্থাও ডিজিটাল ভূমিসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়, ই-পর্চা এবং ই-নামজারির মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব আদায় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের ১৫ মে পর্যন্ত ভূমিসেবা ব্যবস্থার বিভিন্ন খাতে রাজস্ব জমার হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বেড়েছে।

আরও পড়ুন: চার মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১১.৫১ শতাংশ

এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কোটি ৭০ লাখ হোল্ডিংয়ের তথ্য ম্যানুয়াল পদ্ধতি থেকে ডিজিটাল ব্যবস্থায় রূপান্তর করা হয়েছে এবং প্রায় এক কোটি ১০ লাখ অনলাইন দাখিলা দেওয়া হয়েছে। ই-পর্চার মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের মে পর্যন্ত সরকারের কোষাগারে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা জমা হয়েছে।

ডিজিটাল খতিয়ানের ফলে সরাসরি জমির রেকর্ড সংগ্রহের প্রক্রিয়া সহজ হয়েছে। অনলাইনে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান নাগরিকেরা ঘরে বসে তথ্য অনুসন্ধান করতে পারবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদনও করতে পারবেন। এতে যাতায়াত খরচ, কর্মঘণ্টার অপচয় এবং মধ্যস্বত্বভোগীর ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

জমি কেনাবেচার আগে ক্রেতার জন্য রেকর্ড যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। ডিজিটাল ব্যবস্থায় খতিয়ানের তথ্য সহজে পাওয়া গেলে জমির দাগ নম্বর, রেকর্ডভুক্ত মালিকের নাম এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া সহজ হবে।

একইভাবে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া জমির রেকর্ড খুঁজে বের করা, পুরোনো দলিলের তথ্যের সঙ্গে খতিয়ান মিলিয়ে দেখা এবং নামজারির প্রস্তুতি নেওয়ার কাজও সহজ হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: শ্রমিক নেতাদের দাবি: আন্দোলনে সহিংসতা-ভাঙচুরের জন্য ভাড়াটে লোক নিয়োগ

প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও এ ধরনের ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশে অবস্থান করেও অনলাইনে জমির রেকর্ড খুঁজে দেখা গেলে দেশে থাকা আত্মীয়স্বজনের ওপর নির্ভরতা কমবে।

জমির তথ্য যাচাইয়ের প্রাথমিক কাজ দ্রুত করা সম্ভব হবে। তবে প্রয়োজনীয় পরিচয় যাচাই, অনুমোদিত আবেদন এবং সার্টিফাইড কপি সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

ডিজিটাল রেকর্ড প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখছে। তথ্য সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানের প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট ব্যবস্থার আওতায় আসায় নথি খুঁজে পেতে বিলম্ব, কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি দূর হয়েছে। একই সঙ্গে ভূমিসেবার আবেদন, ফি পরিশোধ ও নিষ্পত্তির তথ্য ডিজিটাল উপায়ে সংরক্ষিত থাকলে সেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়।

তবে এসব সুবিধা নিশ্চিত করতে ওয়েবসাইট ও সার্ভারের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম, তথ্যের নিরাপত্তা, সহজ ব্যবহারব্যবস্থা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: অর্থ মন্ত্রণালয়ে ৩৫ জনের চাকরির সুযোগ, নতুন পে স্কেলে বেতন

তারা বলছেন, ডিজিটাল সেবা চালু থাকলেও কেউ যদি নিজের জমির তথ্য খুঁজে না পান, ভুল তথ্য সংশোধন করতে না পারেন কিংবা আবেদন সম্পর্কে জানতে না পারেন, তাহলে প্রত্যাশিত সুফল পুরোপুরি পাওয়া যাবে না।

ডিজিটাল ভূমিসেবার পাশাপাশি ভূমি অফিসগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নেও কাজ করছে সরকার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সারাদেশে ১ হাজার ৩৩০টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণ এবং ১৫০টি সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণের লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ধরনের অবকাঠামো উন্নয়ন বাস্তবায়িত হলে ভূমির নথি সংরক্ষণ, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মপরিবেশ এবং নাগরিকদের সেবা গ্রহণের পরিবেশ উন্নত হবে। পুরোনো কাগুজে নথি নিরাপদে সংরক্ষণ করা গেলে সেগুলো ডিজিটাইজ করার কাজেও সুবিধা হবে। কারণ, ডিজিটাল ডাটাবেজের নির্ভুলতা অনেকাংশে নির্ভর করে মূল নথির পাঠযোগ্যতা, সংরক্ষণ এবং যাচাইয়ের ওপর।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মধ্যে ড্রোন ব্যবহার করে ভূমি জরিপের চিন্তা-ভাবনাও রয়েছে সরকারের। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে জরিপের সময় কমানো এবং তথ্য সংগ্রহের নির্ভুলতা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে জমিসংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধানের সুযোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও বলা হয়েছে।

সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, রাজস্ব মামলা ব্যবস্থাপনা এবং ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ কমানোর ক্ষেত্রেও ডিজিটাল তথ্যব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে। সরকারি জমির রেকর্ড সহজে অনুসন্ধানযোগ্য হলে দখল, রেকর্ডের অসামঞ্জস্য এবং মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হতে পারে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. এমদাদুল হক চৌধুরী বাসসকে বলেন, ‘ভূমিসেবাকে আরও সহজ, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে সরকার ডিজিটাল কার্যক্রম সম্প্রসারণে কাজ করছে। সব খতিয়ান পর্যায়ক্রমে অনলাইনে আনা সম্ভব হলে নাগরিকেরা ঘরে বসেই তাদের জমির রেকর্ড সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে পারবেন। এতে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি ভূমি অফিসে মানুষের যাতায়াত কমবে। একই সঙ্গে ভূমির রেকর্ড সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে এবং জমিজমা নিয়ে বিরোধ কমাতে সহায়ক পরিবেশ তৈরি হবে।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার সুফল নিশ্চিত করতে তথ্যের নির্ভুলতা, নিয়মিত হালনাগাদ, তথ্যের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের সহজে সেবা পাওয়ার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর সেবার পাশাপাশি পুরোনো রেকর্ড সংরক্ষণ ও যাচাই, ভুল তথ্য সংশোধন এবং নাগরিকের অভিযোগ নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত, দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সাথে বৃষ্টি এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দেশের অন্যান্য স্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশের সাথে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘণীভূত হয়ে আজ সকাল ৬টায় দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় (১১.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৬.৫ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশে) গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরো পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘন্টায় (১০-১৫) কি.মি. হিসেবে রয়েছে।

সকাল ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ।

আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ১৯ মিনিটে এবং আগামীকাল ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৬ মিনিটে।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ফেনীতে ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গার্মেন্টস খাতে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


গার্মেন্টস খাতে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে সরকার

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : গার্মেন্টস শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ এবং নিরপেক্ষ প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আজ এই বিষয়ে দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, গার্মেন্টস শিল্প খাতে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক এবিএম সামছুদ্দিন এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অন্য একটি প্রজ্ঞাপনে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম-মহাসচিব আসিফ আইয়ুব এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০২৬)-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যানকে মালিকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষ এবং নিরপেক্ষ প্রতিনিধিদের নিয়ে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণের পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনভিডিয়ার প্রধান চীনের গুপ্তচরবৃত্তির ষড়যন্ত্রের শিকার, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


এনভিডিয়ার প্রধান চীনের গুপ্তচরবৃত্তির ষড়যন্ত্রের শিকার, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে: ট্রাম্প

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জেনসেন হুয়াংকে লক্ষ্য করে চীনের গুপ্তচরবৃত্তির ষড়যন্ত্রের অভিযোগের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে নজর রাখছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘটনায় হুয়াংয়ের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, ট্রাম্প গতকাল শনিবার ফ্লোরিডায় নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ‘খুব সতর্কতার সঙ্গে’ খতিয়ে দেখছে।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের বৃহস্পতিবারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চীনা এক নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন তথ্য বেইজিংয়ের কাছে পাচার করছিলেন।

তবে চীন এ প্রতিবেদনকে ‘ভিত্তিহীন জল্পনা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

এ বিষয়ে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ‘জেনসেনের প্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে। নির্দিষ্ট ঘটনাটি সম্পর্কে আমি আগে জানতাম না। তবে আশা করি, তিনি ভালো থাকবেন। তিনি একজন অসাধারণ ও মেধাবী মানুষ। আমরা আমাদের মেধাবী মানুষদের সুরক্ষা দিতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিষয়টি খুব সতর্কতার সঙ্গে খতিয়ে দেখব।’

এ ঘটনায় জেনসেন হুয়াংকে উপদেষ্টা হিসেবে বহাল রাখা হবে কি না— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অবশ্যই তাকে বহাল রাখতে চাই। তবে এ বিষয়ে বিপরীত কোনো তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত। এখন পর্যন্ত জেনসেন হুয়াংকে আমি সব সময়ই স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি হিসেবে পেয়েছি।’

তবে বিষয়টি বেশ জটিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিনির্ধারণের বিষয়ে জেনসেন হুয়াং ট্রাম্পের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। গত মে মাসে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করতে ট্রাম্পের বেইজিং সফরসঙ্গী প্রযুক্তি খাতের শীর্ষ নির্বাহীদের মধ্যেও তিনি ছিলেন।

তাইওয়ানে জন্ম নেওয়া এই ব্যবসায়ী চীনে এনভিডিয়ার তৈরি চিপ ব্যবহারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন।

এদিকে চীন নিজস্ব সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী চিপ প্রযুক্তির উন্নয়নে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়নে চীন থেকে আসা পার্সেলের ওপর নতুন দুই ইউরো শুল্ক কার্যকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


ইউরোপীয় ইউনিয়নে চীন থেকে আসা পার্সেলের ওপর নতুন দুই ইউরো শুল্ক কার্যকর

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) রোববার থেকে চীন থেকে আসা বিপুলসংখ্যক ছোট পার্সেলের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন হ্যান্ডলিং ফি চালু করেছে।

জোটের বাইরের দেশগুলো থেকে আসা প্রতিটি পার্সেলের ওপর দুই ইউরো (২ দশমিক ২৫ মার্কিন ডলার) ফি আরোপ করা হয়েছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

ব্ল্যাক ফ্রাইডে, সাইবার মানডে ও বড়দিনের কেনাকাটার মৌসুম শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে নতুন এই ফি কার্যকর হলো। এর ফলে ছোট পার্সেলের ওপর আগে থেকে আরোপিত তিন ইউরো শুল্কের পাশাপাশি নতুন করে দুই ইউরো হ্যান্ডলিং ফি দিতে হবে।

কীভাবে কার্যকর হবে নতুন ফি?

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের কোনো দেশ থেকে সরাসরি ক্রেতার কাছে পাঠানো পার্সেলে থাকা প্রতিটি ধরনের পণ্যের ওপর এ ফি প্রযোজ্য হবে। পার্সেলের মূল্য যাই হোক, এ নিয়ম কার্যকর থাকবে।

উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো পার্সেলে ১০টি টি-শার্ট থাকে, তাহলে এর জন্য দুই ইউরো হ্যান্ডলিং ফি দিতে হবে। তবে যদি একই পার্সেলে দুটি টুপি ও ১০টি টি-শার্ট থাকে, তাহলে দুটি ভিন্ন ধরনের পণ্য থাকায় ফি দিতে হবে চার ইউরো।

গত জুলাইয়ে ১৫০ ইউরোর কম মূল্যের ছোট পার্সেলের ওপর তিন ইউরো শুল্ক আরোপ করেছিল ইইউ। নতুন দুই ইউরো ফি ওই শুল্কের অতিরিক্ত।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দাবি, নতুন হ্যান্ডলিং ফি সরাসরি ভোক্তাদের দিতে হবে না। তবে অনলাইন খুচরা বিক্রেতারা বিক্রির আগে পণ্যের দামের সঙ্গে দুই ইউরো যুক্ত করতে পারবেন।

ইউরোপীয় ভোক্তা অধিকার সংস্থা (বিইইউসি) এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কেনাকাটার শেষ পর্যায়ে ক্রেতাদের ওপর নতুন এ খরচ চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

সংস্থাটি আরও বলেছে, এমনটি করা ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী বেআইনি। কারণ, আইন অনুসারে কেনাকাটার শুরুতেই ক্রেতাকে পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য জানাতে হবে।

কেন নতুন ফি চালু করছে ইইউ?

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রায় ৬০০ কোটি ছোট পার্সেল প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৯৩ শতাংশ পার্সেলই এসেছে চীন থেকে। এসব পণ্য সাধারণত আলিএক্সপ্রেস ও টেমুর মতো জনপ্রিয় এশীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ইউরোপে পৌঁছায়।

ব্রাসেলসের মতে, বিপুলসংখ্যক পার্সেল আসার কারণে শুল্ক কর্তৃপক্ষের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ তৈরি হচ্ছে।

এতে তাদের পরিচালন ব্যয়ও বাড়ছে। নতুন হ্যান্ডলিং ফি থেকে পাওয়া অর্থ দিয়ে শুল্ক বিভাগের এ অতিরিক্ত কাজের ব্যয় মেটানো হবে।

গত জুলাইয়ে ছোট পার্সেলের ওপর তিন ইউরো শুল্ক আরোপের পর ইউরোপে এ ধরনের পণ্য আমদানি প্রায় ৬৪ শতাংশ কমেছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য এখনই সময় হয়নি বলে সতর্ক করেছেন কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া চীনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিরাপত্তাবিধি লঙ্ঘনকারী খেলনাসহ বিভিন্ন অনিরাপদ পণ্য প্রবেশের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপ।

বিইইউসির কর্মকর্তা অগাস্টিন রেইনা বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে সীমিত জনবল ও সম্পদ নিয়ে শুল্ক বিভাগকে অবৈধ পণ্য আমদানি ঠেকানোর দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে। অথচ ছোট পার্সেলের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়েছে।’

এরপর কী হবে?

নতুন দুই ইউরো হ্যান্ডলিং ফি স্থায়ীভাবে কার্যকর থাকবে। তবে কম মূল্যের পার্সেলের ওপর আরোপিত তিন ইউরো শুল্ক আপাতত অস্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে চালু রয়েছে, যা ২০২৮ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

ওই তারিখ থেকে পণ্যের ধরন অনুযায়ী প্রচলিত নিয়মে নির্ধারিত শুল্ক কার্যকর হবে।

এ ছাড়া নতুন হ্যান্ডলিং ফির পরিমাণ প্রতি দুই বছর পরপর পর্যালোচনা করতে হবে। শুল্ক কার্যক্রম পরিচালনার প্রকৃত ব্যয়ের সঙ্গে ফির পরিমাণ সামঞ্জস্যপূর্ণ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতেই এ পর্যালোচনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%