ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনা সেনাবাহিনী ভারতে প্রবেশ করে বড় এলাকা দ-খল করেছে


চীনা সেনাবাহিনী ভারতে প্রবেশ করে বড় এলাকা দ-খল করেছে

ভারতীয় ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)। সেখানে তারা স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি ও ক্যাম্প নির্মাণ করছে। স্থানীয় আদিবাসীদের চারণভূমি ও কৃষিজমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা তারা নিজেদের দখলে নিয়েছে। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের একটি স্থানীয় আদিবাসী সংগঠন জানাচ্ছে, সীমান্ত এলাকায় চীনের এমন বড় ধরনের অনুপ্রবেশ ও দখলদারির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবনসিরি জেলার সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ‘নাহ’ আদিবাসীদের একটি সংগঠন দাবি করেছে, ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ঢুকে চীনা বাহিনী ইতিমধ্যে পাকাপোক্ত ঘাঁটি গড়ে তুলেছে। স্থানীয়দের চাষাবাদ, বনজ সম্পদ সংগ্রহ এবং পশুচারণ গত ছয় বছর ধরে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে, এই সকল দখলদারির কারণে।

নাহ আদিবাসীদের সংগঠন ‘নাহ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র সভাপতি কেরু চাদের জানিয়েছেন, আপার সুবানসিরি জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে এই বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি দিয়েছেন। কেরু চাদের বলেন, ‘ওই জমি আমাদের পূর্বপুরুষদের। সেখানে আমাদের মানুষরা বহু যুগ ধরে শিকার, পশুচারণ এবং চাষাবাদ করেছেন। কিন্তু কয়েক বছর আগেও যেসব জমিতে আমরা অবাধে চলতাম, সেগুলো এখন চীনা সামরিক বাহিনীর দখলে চলে গেছে।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

স্মারকলিপির তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (এলএসি) লাগোয়া আপার সুবনসিরি জেলার তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের আওতাধীন অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করে চীনা সামরিক বাহিনী স্থায়ী পরিকাঠামো ও সড়ক নির্মাণ করেছে। আসফিলা এলাকার ওয়িং এবং পনিয়ার (চুজার্তা এলাকা), মারপান, পোত্রাং ও টিনডিংতাংয়ে চীন এই দখলদারির ঘটনা ঘটিয়েছে। এসব অঞ্চলের কয়েকটি স্থান স্থানীয়রা পবিত্র তীর্থস্থান হিসেবেও বিবেচনা করেন।

কেরু চাদের জানান, প্রায় ১২ বছর আগে থেকেই মাঝেমধ্যে ওই এলাকাগুলোতে চীনের সেনাবাহিনী ঢুকে পড়ত। তবে ২০২০ সালে তারা কৌশলগতভাবে পাকাপোক্তভাবে ওই ভূখণ্ডগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। সেই সময় থেকেই স্থানীয় গ্রামবাসীদের সেখানে যেতে চীনা বাহিনী বাধা দিচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তাকসিং এলাকায় চীনা সামরিক বাহিনীর তৎপরতার গতি ও উদ্দেশ্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা প্রতিদিন ইঞ্চি ইঞ্চি করে আমাদের নিজেদের ভূমি হারাচ্ছি।’

এ বিষয়ে স্থানীয় নাচো এলাকার বিধায়ক নাকাপ নালো বলেছেন, বিষয়টি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই আদিবাসী সংগঠনের তোলা অভিযোগগুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।

তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই অনুপ্রবেশের দাবি সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, অরুণাচল প্রদেশে চীনের সামরিক বাহিনীর অনুপ্রবেশ এবং ঘাঁটি স্থাপনের অভিযোগ করে যেসব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, তা ভুল ও ভিত্তিহীন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন বা অরুণাচল প্রদেশ সরকার এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

প্রসঙ্গত, বছর কয়েক আগে লাদাখেও একইভাবে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে স্থানীয় পশুপালকদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল চীনের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে সে সময় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছিল, লাদাখে ভারতের এক ইঞ্চি ভূখণ্ডও চীন দখল করতে পারেনি。

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার সঙ্গে দুই জেলার অংশ যুক্ত হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


ঢাকার সঙ্গে দুই জেলার অংশ যুক্ত হচ্ছে

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অংশ ঢাকা জেলার সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার সম্পর্কে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বেলা ১১টায় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২১তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১০০০ নম্বর কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার-১ শাখা থেকে গত রোববার (২৮ জুন) জারি করা সভার নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অংশ ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার প্রশাসনিক সীমানা পুনর্গঠনের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে রয়েছে।

এই প্রস্তাবটি উপস্থাপন করবে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার অধীন আটটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবও সভায় বিবেচিত হবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, নতুন থানা ও উপজেলা গঠন এবং জেলা সীমানা পুনর্গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন ও আলোচনা করা হবে।

সভার আলোচ্যসূচিতে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব উপস্থাপন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সভায় আরও আলোচনা হবে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব নিয়ে।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সব খেলনায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিএসটিআই সনদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


সব খেলনায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিএসটিআই সনদ

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শিশুদের খেলনার জন্য সরকার বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ করেছে। এখন থেকে দেশে উৎপাদিত এবং আমদানি করা সব খেলনাকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর বাধ্যতামূলক সনদ নিতে হবে।

গত ২৩ জুন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশে খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শিশু অধিকার ও পারিবারিক কল্যাণে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো।

খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ করা হয়েছে যা শিশুদের ক্ষতিকর রাসায়নিকের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা এবং নিরাপদ খেলনার সহজলভ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

নতুন গেজেটটি বাংলাদেশের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে এবং খেলনার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডের সঙ্গে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে। ফলস্বরূপ, দেশি উৎপাদন বা আমদানি করা খেলনা বাজারজাত করার আগে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করতে হবে। একই সাথে বিএসটিআই অনুমোদিত পরীক্ষাগারে পণ্যের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।

এই সিদ্ধান্তটি এসেছে যখন গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বাংলাদেশের বাজারে বিক্রিত খেলনা ও শিশুদের ব্যবহৃত পণ্যগুলোর মধ্যে সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, পারদ, আর্সেনিকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি বারবার উঠে এসেছে। এসডো’র Toxic Toys (২০১৩), Innocence Touched by Shadows (২০২৩), Silent Poison (২০২৪) এবং Toxic Playtime (২০২৫) গবেষণাগুলোতে বাধ্যতামূলক খেলনা নিরাপত্তা মানদণ্ড প্রণয়ন ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এসডো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রমাণভিত্তিক নীতিগত সুপারিশ, বিএসটিআই ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। এই ছাড়াও নীতিগত সংলাপ, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ সভা এবং প্রচলিত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে নিরাপদ খেলনার দাবিতে নিরলসভাবে একত্রে কাজ করছে। খেলনার জন্য ‘আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা মানদণ্ড’ নিশ্চিতকরণ, ক্ষতিকর রাসায়নিকের বাধ্যতামূলক পরীক্ষা, বাজার তদারকি, পণ্যের সঠিক লেবেলিং এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য এসডো ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিল, যাতে অনিরাপদ খেলনা কোনোভাবে শিশুদের হাতে না পৌঁছে।

এসডো মনে করে, এই গেজেটটি বাংলাদেশের শিশু অধিকার, জনস্বাস্থ্য এবং পারিবারিক কল্যাণ নিশ্চিত করার পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। নিরাপদ খেলনা কেবল একটি ভোক্তা পণ্য নয়; এটি শিশুদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শিক্ষা এবং নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। প্রতিটি শিশু নিরাপদ পরিবেশে এমন খেলনা ব্যবহারের অধিকার রাখে, যা তাদের স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে না।

এসডো এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনকে বাংলাদেশ সরকার, বিএসটিআই, বান টক্সিকস, নীতিনির্ধারকসহ উৎপাদক, আমদানিকারক, ভোক্তা অধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি এসডো নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানি পর্যায়ে কার্যকর মান নিয়ন্ত্রণ, আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানায় এসডো, যাতে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রিত প্রতিটি খেলনা নির্ধারিত নিরাপত্তা মান পূরণ করে। যখন বাংলাদেশের খেলনা শিল্প দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন এই মানদণ্ড বাস্তবায়ন শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে, ভোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধি, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনামকে আরো শক্তিশালী করবে।

এসডো নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নে বিএসটিআই, সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ এবং অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। নিরাপদ, সুস্থ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে এসডো তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে গোসলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


নদীতে গোসলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিখোঁজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থী সহ মোট তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার আলিমনগর ঘাট এলাকার পদ্মা নদী ও রেহাইচর এলাকায় মহানন্দা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পদ্মা নদীতে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর নাম হলো সদর উপজেলা সুন্দরপুর ইউনিয়নের রঊফ হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা জেম আলীর ছেলে রিফাত (১৬) ও ইসলামপুর চরতেরোরশিয়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭)। নিখোঁজ এই দুইজনই সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তারা দুইজনই স্কুল থেকে বাসায় না ফিরে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে মিলে গোসল করতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

অন্যদিকে, মহানন্দা নদীর রাবার ড্যামে মাছ ধরতে গিয়ে মো. সাকিরুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। সাকিরুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আরামবাগ-আজাইপুরের রুহুল আমিনের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ দুইজন শিক্ষার্থী সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তারা কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে চরবাগডাঙা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর আলিমনগর ঘাটে গোসল করার জন্য গিয়েছিলেন, আর আমরাই সময় পানিতে তলিয়ে যান। এরপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করতে চেষ্টা করেন। পরবর্তীকালে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী ডুবুরি দলও সেখানে যোগ দেয়।

এদিকে, বেলা আড়াইটার দিকে সাকিরুল ইসলাম মাছ ধরার সময় ক্রমশ পানিতে তলিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা শুরু করেন। উল্লেখ্য, নিখোঁজ সাকিরুল ইসলাম গত এক মাস আগে আরব আমিরাত থেকে ছুটিতে দেশে ফিরে এসেছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, ‘পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছেন। সেই সঙ্গে মহানন্দা নদীর রাবার ড্যাম এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে এক প্রবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধারের জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার

জয়পুরহাটে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ পেশাদার চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

এর আগে সোমবার (২৯ জুন) রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার উথাইল গ্রামের মো. রবিউল ইসলাম (২৪), জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মালঞ্চা ফকিরপাড়ার মো. নাদিম (২৫) এবং একই উপজেলার নাকুলগাছি গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩১)।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় এই তিন পেশাদার চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা লতিরহাট এলাকা থেকে একটি কালো রঙের ‘ডিসকভার ১১০ সিসি’ এবং মালঞ্চা এলাকা থেকে একটি লাল রঙের ‘এপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি’ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত। তারা একটি সংঘবদ্ধ পেশাদার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় প্রায় দুই ডজন মামলা রয়েছে। এছাড়াও চোর চক্রের সাথে জড়িত অন্যদের ধরার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%