ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সব খেলনায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিএসটিআই সনদ


সব খেলনায় বাধ্যতামূলক হচ্ছে বিএসটিআই সনদ

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শিশুদের খেলনার জন্য সরকার বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ করেছে। এখন থেকে দেশে উৎপাদিত এবং আমদানি করা সব খেলনাকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর বাধ্যতামূলক সনদ নিতে হবে।

গত ২৩ জুন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশে খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় নিরাপত্তা মানদণ্ড কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

শিশু অধিকার ও পারিবারিক কল্যাণে এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডো।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

খেলনার জন্য বাধ্যতামূলক নিরাপত্তার মান নির্ধারণ করা হয়েছে যা শিশুদের ক্ষতিকর রাসায়নিকের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা এবং নিরাপদ খেলনার সহজলভ্যতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

নতুন গেজেটটি বাংলাদেশের ভোক্তা সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করবে এবং খেলনার নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডের সঙ্গে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলবে। ফলস্বরূপ, দেশি উৎপাদন বা আমদানি করা খেলনা বাজারজাত করার আগে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করতে হবে। একই সাথে বিএসটিআই অনুমোদিত পরীক্ষাগারে পণ্যের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় সনদ গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।

এই সিদ্ধান্তটি এসেছে যখন গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে পরিচালিত বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বাংলাদেশের বাজারে বিক্রিত খেলনা ও শিশুদের ব্যবহৃত পণ্যগুলোর মধ্যে সীসা, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম, পারদ, আর্সেনিকসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি বারবার উঠে এসেছে। এসডো’র Toxic Toys (২০১৩), Innocence Touched by Shadows (২০২৩), Silent Poison (২০২৪) এবং Toxic Playtime (২০২৫) গবেষণাগুলোতে বাধ্যতামূলক খেলনা নিরাপত্তা মানদণ্ড প্রণয়ন ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এসডো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রমাণভিত্তিক নীতিগত সুপারিশ, বিএসটিআই ও সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে আসছে। এই ছাড়াও নীতিগত সংলাপ, অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ সভা এবং প্রচলিত ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে নিরাপদ খেলনার দাবিতে নিরলসভাবে একত্রে কাজ করছে। খেলনার জন্য ‘আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা মানদণ্ড’ নিশ্চিতকরণ, ক্ষতিকর রাসায়নিকের বাধ্যতামূলক পরীক্ষা, বাজার তদারকি, পণ্যের সঠিক লেবেলিং এবং কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য এসডো ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার ছিল, যাতে অনিরাপদ খেলনা কোনোভাবে শিশুদের হাতে না পৌঁছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এসডো মনে করে, এই গেজেটটি বাংলাদেশের শিশু অধিকার, জনস্বাস্থ্য এবং পারিবারিক কল্যাণ নিশ্চিত করার পথে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। নিরাপদ খেলনা কেবল একটি ভোক্তা পণ্য নয়; এটি শিশুদের সুস্থ শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, শিক্ষা এবং নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। প্রতিটি শিশু নিরাপদ পরিবেশে এমন খেলনা ব্যবহারের অধিকার রাখে, যা তাদের স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করবে না।

এসডো এই গুরুত্বপূর্ণ অর্জনকে বাংলাদেশ সরকার, বিএসটিআই, বান টক্সিকস, নীতিনির্ধারকসহ উৎপাদক, আমদানিকারক, ভোক্তা অধিকারকর্মী, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিবেচনা করে। এই ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপনের পাশাপাশি এসডো নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের উপর জোর দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে নিয়মিত বাজার তদারকি, পরীক্ষাগারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আমদানি পর্যায়ে কার্যকর মান নিয়ন্ত্রণ, আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করার আহ্বান জানায় এসডো, যাতে বাংলাদেশের বাজারে বিক্রিত প্রতিটি খেলনা নির্ধারিত নিরাপত্তা মান পূরণ করে। যখন বাংলাদেশের খেলনা শিল্প দ্রুত বিকশিত হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে, তখন এই মানদণ্ড বাস্তবায়ন শিশুদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। অন্যদিকে, ভোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধি, পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনামকে আরো শক্তিশালী করবে।

এসডো নতুন মানদণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নে বিএসটিআই, সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পখাত, উন্নয়ন সহযোগী, নাগরিক সমাজ এবং অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে। নিরাপদ, সুস্থ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিটি শিশুর জন্য নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে এসডো তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে গোসলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


নদীতে গোসলের সময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থীসহ তিনজন নিখোঁজ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পদ্মা ও মহানন্দা নদীতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থী সহ মোট তিনজন নিখোঁজ রয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুর ১টার দিকে সদর উপজেলার আলিমনগর ঘাট এলাকার পদ্মা নদী ও রেহাইচর এলাকায় মহানন্দা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

পদ্মা নদীতে নিখোঁজ দুই শিক্ষার্থীর নাম হলো সদর উপজেলা সুন্দরপুর ইউনিয়নের রঊফ হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা জেম আলীর ছেলে রিফাত (১৬) ও ইসলামপুর চরতেরোরশিয়া এলাকার আলম হোসেনের ছেলে রাসেল (১৭)। নিখোঁজ এই দুইজনই সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। তারা দুইজনই স্কুল থেকে বাসায় না ফিরে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে মিলে গোসল করতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।

অন্যদিকে, মহানন্দা নদীর রাবার ড্যামে মাছ ধরতে গিয়ে মো. সাকিরুল ইসলাম (৩০) নামের এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন। সাকিরুল চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার আরামবাগ-আজাইপুরের রুহুল আমিনের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ দুইজন শিক্ষার্থী সোবহান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে তারা কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে চরবাগডাঙা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর আলিমনগর ঘাটে গোসল করার জন্য গিয়েছিলেন, আর আমরাই সময় পানিতে তলিয়ে যান। এরপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করতে চেষ্টা করেন। পরবর্তীকালে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী ডুবুরি দলও সেখানে যোগ দেয়।

এদিকে, বেলা আড়াইটার দিকে সাকিরুল ইসলাম মাছ ধরার সময় ক্রমশ পানিতে তলিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা শুরু করেন। উল্লেখ্য, নিখোঁজ সাকিরুল ইসলাম গত এক মাস আগে আরব আমিরাত থেকে ছুটিতে দেশে ফিরে এসেছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, ‘পদ্মা নদীতে গোসল করতে গিয়ে দুই শিক্ষার্থী পানিতে ডুবে নিখোঁজ রয়েছেন। সেই সঙ্গে মহানন্দা নদীর রাবার ড্যাম এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে এক প্রবাসী নিখোঁজ হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধারের জন্য তৎপরতা চালাচ্ছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


দুই চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার

জয়পুরহাটে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে দুটি চোরাই মোটরসাইকেলসহ পেশাদার চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

এর আগে সোমবার (২৯ জুন) রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার উথাইল গ্রামের মো. রবিউল ইসলাম (২৪), জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মালঞ্চা ফকিরপাড়ার মো. নাদিম (২৫) এবং একই উপজেলার নাকুলগাছি গ্রামের মো. সোহেল রানা (৩১)।

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি চৌকস দল বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় এই তিন পেশাদার চোরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা লতিরহাট এলাকা থেকে একটি কালো রঙের ‘ডিসকভার ১১০ সিসি’ এবং মালঞ্চা এলাকা থেকে একটি লাল রঙের ‘এপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি’ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মোটরসাইকেল চুরির সাথে জড়িত। তারা একটি সংঘবদ্ধ পেশাদার চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেল ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় প্রায় দুই ডজন মামলা রয়েছে। এছাড়াও চোর চক্রের সাথে জড়িত অন্যদের ধরার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে সরকার: জাহেদ উর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৪ পি.এম


কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে সরকার: জাহেদ উর রহমান

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের পেছনের পরিকল্পনা সরকার খতিয়ে দেখছে বলে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

দেশের বিভিন্ন স্থানে আরবিতে কালেমা লেখা পতাকা উত্তোলনের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, 'খুব বিস্তারিত বলছি না, এটা সরকার কগনিজেন্সে (আমলে নেওয়া) নিয়েছে, সরকার এটা দেখেছে। এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকার কোনো কারণ নেই। বরং এটা সরকার খতিয়ে দেখছে। কারণ এটি নিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা (আশঙ্কা) আছে গ্লোবালি, এ ব্যাপারে আমরা সচেতন আছি।'

তিনি জানান, 'আমরা এটা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবেও এই ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা আশা করি এই জিনিসটা এভাবে কন্টিনিউ করবে না।'

এগুলো কারা করছে—জানতে চাইলে জাহেদ উর রহমান বলেন, 'এগুলো তো বুঝতেই পারছেন, এটা কারা করছে, কেন করছে। কিছু মানুষকে আপনি দেখবেন সোশ্যাল মিডিয়াতে বলছে, কিন্তু তারাই তো আসলে হয়তো সবসময় মূল ব্যক্তি না।'

তিনি যোগ করেন, 'সো, এটা একটু খতিয়ে দেখার প্রশ্ন আছে। এটা যেহেতু এত ওয়াইডস্প্রেড (বিস্তৃতভাবে) হয়েছে, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে, সেটাই আমরা খতিয়ে দেখছি এবং আমরা ইনশাআল্লাহ এটা বের করতে পারব।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর্সেনিকের ঝুঁকিতে দেশের ১১ শতাংশ মানুষ: মির্জা ফখরুল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


আর্সেনিকের ঝুঁকিতে দেশের ১১ শতাংশ মানুষ: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশের ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য আর্সেনিক ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দানে তাঁর সরকার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকারি দলের সদস্য সেলিনা সুলতানার তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেছেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়িত করা হচ্ছে। এই সব প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের মধ্যে প্রায় ১২ লাখ ১৫ হাজার ৯৪৮টি আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হবে। তিনি আশা করেন, এর ফলে চলতি বছরে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সংখ্যা ৫ থেকে ৬ শতাংশ কমে আসবে।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪৯৭টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে উপকূলীয় জেলাগুলোর জন্য বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় এ পর্যন্ত ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে।

এছাড়া, পানি সরবরাহে আর্সেনিক ঝুঁকি নিরসন প্রকল্পে (সমাপ্ত) এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৬টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। আরও রয়েছে পল্লী অঞ্চলে পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) ৮৮ হাজার ২৩৫টি এবং অগ্রাধিকারমূলক গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পে (সমাপ্ত) ১ হাজার ৩৮ হাজার ৫৫টি পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে, বলে জানান মন্ত্রী মির্জা ফখরুল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%