মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪২ পি.এম
গর্ভধারণের পরিকল্পনা থাকলে প্রতিদিনের সকালের কফি একেবারে বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই—এমন একটি বিষয়। তবে, কতটা ক্যাফেইন গ্রহণ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে নজর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, যদি একাধিক কাপ কফি, চা বা অন্যান্য ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় নিয়মিত পান করা হয়, তাহলে পরিমাণের হিসাব রাখা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণের চেষ্টা করার সময় প্রতিদিনের ক্যাফেইন গ্রহণ ২০০ মিলিগ্রামের মধ্যে রাখা উচিত। কারণ কেবল কফি বা চা থেকেই নয়, বিভিন্ন খাবার, পানীয় এবং কিছু খাদ্য-পরিপূরকের মাধ্যমেও শরীরে ক্যাফেইন প্রবাহিত হতে পারে।
ক্যাফেইন কি গর্ভধারণের ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে?
ক্যাফেইন এবং গর্ভধারণের ক্ষমতার সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার ফলাফল সব ক্ষেত্রে একরকম নয়। প্রজনন চিকিৎসাবিষয়ক আমেরিকান সংগঠনের তথ্য অনুযায়ী, পরিমিত ক্যাফেইন—যেমন দিনে প্রায় এক থেকে দুই কাপ কফির সমপরিমাণ—গর্ভধারণের ক্ষমতার ওপর উল্লেখযোগ্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, এমন শক্ত প্রমাণ নেই।
তবে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণের সঙ্গে গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার সম্পর্ক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে। বিশেষ করে, দিনে প্রায় ৫০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন গ্রহণের ক্ষেত্রে এমন সম্পর্ক পাওয়া গেছে।
তাহলে, এক কাপ কফি পান করলে গর্ভধারণে সমস্যা হবে—এমনটি বলা যায় না। মূল বিষয় হলো দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ না করা।
গর্ভধারণের আগে ক্যাফেইন কমানোর পরামর্শ কেন?
ক্যাফেইন একটি উদ্দীপক পদার্থ। কফি, চা, কোমল পানীয়, শক্তিবর্ধক পানীয়, চকোলেট এবং কিছু খাদ্য-পরিপূরকেও ক্যাফেইন থাকতে পারে।
গর্ভধারণের চেষ্টা করার সময় পরিমিত ক্যাফেইন সাধারণত বড় উদ্বেগের কারণ নয়। তবে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন এড়িয়ে চলার একটি কারণ হলো, গর্ভধারণের প্রথম দিকে অনেক নারী বুঝতেই পারেন না যে তারা গর্ভবতী হয়েছেন। তাই আগে থেকেই ক্যাফেইনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সুবিধাজনক।
গর্ভাবস্থায় সাধারণত প্রতিদিন ২০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যাফেইন না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণের সঙ্গে গর্ভপাতসহ কিছু গর্ভাবস্থাজনিত ঝুঁকির সম্পর্কও পাওয়া গেছে।
কফির বদলে চা বা সবুজ চা কি ভালো?
কফির পরিবর্তে চা পান করলে অনেক ক্ষেত্রে ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমতে পারে। তবে, চা পুরোপুরি ক্যাফেইনমুক্ত নয়। কালো চা ও সবুজ চা—দুটিতেই ক্যাফেইন থাকে।
চায়ের ধরন, কতটা পাতা ব্যবহার করা হচ্ছে এবং কতক্ষণ পানিতে রাখা হচ্ছে, তার ওপর ক্যাফেইনের পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে। তাই, দিনে কয়েক কাপ কফি বা চা পান করার অভ্যাস থাকলে ধীরে ধীরে কিছু কাপ ক্যাফেইনমুক্ত পানীয় দিয়ে তা প্রতিস্থাপন করা যেতে পারে।
প্যাকেটজাত পানীয় বা খাদ্য-পরিপূরক কেনার সময়ও সতর্ক থাকা দরকার। প্যাকেটের গায়ে থাকা তথ্য দেখে এতে ক্যাফেইন আছে কি না এবং থাকলে কতটা আছে, তা জেনে নেওয়া ভালো।
তাহলে, গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলেই কফি পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে, প্রতিদিনের মোট ক্যাফেইনের পরিমাণ হিসাব করে তা পরিমিত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের টঙ্গীতে পূর্ব শত্রুতার কারণে জয় (২৩) নামের এক যুবককে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে টঙ্গী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত জয় টঙ্গীর ব্যাংক মাঠ বস্তি এলাকার সিরাজুল ইসলামের পুত্র।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জয় সোমবার দিবাগত রাতে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে, এলাকাবাসী টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জয় এর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
এই ঘটনার পর, পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কাউকেই আটক করতে পারেনি। তবে, পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে যে পূর্ব শত্রুতার কারণে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
এছাড়া, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হত্যাকারীদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এদিকে, ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন টঙ্গী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) নূর আলম হোসেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাট জেলায় বায়োমেট্রিক তথ্যের অপব্যবহারের মাধ্যমে সিম রিপ্লেসমেন্ট ও অর্থ হাতানোর চক্রের ৯ সদস্যকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা গ্রাহকের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ, স্ক্রিনে প্রদর্শিত ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্রিন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে ধারণ, ফিঙ্গারপ্রিন্টের দৃশ্যমান প্যাটার্ন আলাদা করা, ডিজিটাল প্যাটার্নকে পুনরুৎপাদন করা, কৃত্রিমভাবে তৈরি ও ছাপ ব্যবহার করে সিম রিপ্লেসমেন্ট করে এবং রিপ্লেস হওয়া সিমের এমএফএস হিসেবে প্রবেশ করে গ্রাহকের ফান্ড ট্রান্সফার করে অর্থ হাতিয়ে নিত। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪ জন কারাগারে রয়েছে এবং ৫ জনকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের কনফারেন্স কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম।
পুলিশ জানায়, গত ২৭ জুন ভোরে ৩টি সিমে থাকা ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে প্রতারকরা নিয়ে যায়। মোংলা থানায় এ সংক্রান্ত একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তদন্তের মাধ্যমে আরও ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের কাছ থেকে ১১ টি মুঠোফোন ও বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও এ চক্রের সঙ্গে অন্য যারা রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন- বাগেরহাট জেলার ইয়াছিন সওদাগর (২১), মো. শামীম মেখ (২৭), রাশেদ মোড়ল (২০), এহসানুল হাসান রাকিব (৩২), পটুয়াখালীর ফেরদাউস (২১), মুন্সিগঞ্জের আশরাফুল ইসলাম (২৬), মেহেদী হাসান (২৯), বরগুনার মো. নাজমুল হাসান (২০) ও পটুয়াখালীর মো. মামুন গাজী (২১)।
পুলিশ জানিয়েছে, এসব আসামিরা এর আগেও এ ধরনের জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে তাড়াহুড়ো করার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, এ বিষয়ে আলোচনা এখনও অত্যন্ত ইতিবাচক রয়েছে এবং উভয় দেশের সরকারপ্রধানদের সুবিধাজনক সময়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
দীনেশ ত্রিবেদী সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য ভারতের দেওয়া আমন্ত্রণের দরজা সবসময় উন্মুক্ত রয়েছে। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যখনই উপযুক্ত মনে করবেন, তখনই এই বহুল প্রতীক্ষিত সফরটি অনুষ্ঠিত হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি জানান, বৈঠকটি একটি চমৎকার পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা করা হয়েছে। কোনো একক সুনির্দিষ্ট ইস্যুর বদলে সার্বিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে তাদের আলোচনা হয়েছে।
পরে দেওয়া এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতের সঙ্গে সুদূরপ্রসারী, টেকসই এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ মনোভাব বজায় রেখে কাজ করে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ২০২১-২০২২ থেকে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য পরীক্ষাগুলো দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করার এবং পরীক্ষার পর নির্ধারিত সময়ে ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়ে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা কলেজের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাবি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সিদরাতুল আজাদ তানহা লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় ধরে একটি স্বতন্ত্র, আধুনিক ও মানসম্মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। প্রশাসনিক জটিলতা, সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রতা, শিক্ষক সংকট এবং অ্যাকাডেমিক অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বারবার রাজপথে নেমেছেন। হাজারো শিক্ষার্থীর সাহস, সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
নতুন ভিসি অধ্যাপক লুৎফর রহমানকে স্বাগত জানিয়ে সিদরাতুল আজাদ তানহা বলেন, "জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট নিরসন ও অ্যাকাডেমিক সংকট মোকাবিলায় অধ্যাপক লুৎফর রহমান স্যারের অভিজ্ঞতাকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি।"
তিনি আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান ও বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাবে। দীর্ঘদিন আমরা আন্দোলন করেছি, এখন আমরা একটি স্বতন্ত্র প্রশাসন পেয়েছি। তাই আমাদের প্রত্যাশা-প্রশাসন শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করবে এবং পুরোনো ব্যবস্থাকে কেবল বহাল রাখার পরিবর্তে বিদ্যমান সংকট নিরসনে কার্যকর ও দৃশ্যমান ভূমিকা পালন করবে।"
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত সাত দফা দাবিসমূহ হলো :
১. সেশনজট নিরসন : ২০২১-২০২২ থেকে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করতে হবে এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করতে হবে।
২. ফি কমানো : সেশন ফি ও পরীক্ষার ফর্ম পূরণের ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমাতে হবে।
৩. পূর্ণাঙ্গ প্রশাসন ও আধুনিক কারিকুলাম : দ্রুততম সময়ে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট গঠন করে পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে এবং সময়োপযোগী ও আধুনিক পাঠ্যক্রম প্রণয়ন করতে হবে।
৪. অ্যাকাডেমিক অবকাঠামোর উন্নয়ন : প্রতিটি ক্যাম্পাসে মানসম্মত শ্রেণিকক্ষ, পাঠদানের পরিবেশ, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার এবং গবেষণার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে হবে।
৫. স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন ও টিএসসি : ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির জন্য স্থায়ী প্রশাসনিক ভবন এবং ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) নির্মাণ ও নিশ্চিত করতে হবে।
৬. আবাসন সংকট নিরসন : শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনে প্রতিটি ক্যাম্পাসে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন আবাসিক হল নির্মাণ করতে হবে।
৭. পরিবহন সংকট নিরসন : শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রতিটি ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত সংখ্যক বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ