ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সন্তানদের নিয়ে নিজের জন্মদিন পারিবারিক আবহে উদ্‌যাপন করলেন পরীমণি


সন্তানদের নিয়ে নিজের জন্মদিন পারিবারিক আবহে উদ্‌যাপন করলেন পরীমণি

আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর) চিত্রনায়িকা পরীমণির জন্মদিন উদযাপনের দিন। বিশেষ এই দিনটির প্রথম প্রহরে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে নিজের জন্মদিন পালন করেন তিনি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নিজের জন্মদিন উপলক্ষে ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও শেয়ার করেন পরীমণি। মাত্র ১১ সেকেন্ডের এই ভিডিওতে দেখা যায়, লাল রঙের খোলা গাউনে আনন্দময় পরিবেশে দুই সন্তানকে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটছেন নায়িকা।

ভিডিওটির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘হ্যাপি বার্থডে টু মি!’ এবং সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন লাল হৃদয় ও ফুলের ইমোজি।

আরও পড়ুন: হয়রানি ও দাসত্বের অভিযোগে নতুন পরিবারের খোঁজে ব্রিটনি স্পিয়ার্স

সামাজিক মাধ্যমে নায়িকার এই পোস্ট প্রকাশের পর থেকেই কমেন্ট বক্সে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলছেন।

অতীতে ঢাকাই শোবিজের আলোচিত এই নায়িকা জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে নিজের জন্মদিন উদযাপন করলেও মা হওয়ার পর তিনি এখন সন্তানদের নিয়ে ঘরোয়া আয়োজনেই বিশেষ দিনটি উদযাপনে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। পুরো সময় কাটাতে তিনি সন্তানদের স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় ভালোবাসেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুতের উদ্যোগ, চাহিদা মিটিয়ে যাবে জাতীয় গ্রিডেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দরে সৌরবিদ্যুতের উদ্যোগ, চাহিদা মিটিয়ে যাবে জাতীয় গ্রিডেও

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ এবার ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিদ্যুতে স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে, ফলে ২০ বছরে মোট সাশ্রয় হবে ১০০ কোটি টাকা। তবে, আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের (আইএমও) ঘোষণার কারণে, বন্দর কর্তৃপক্ষকে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কাজে ১৮টি গ্যান্ট্রি ক্রেনসহ ১০ ধরনের ১৬৯টি বিশেষায়িত ক্রেন দিন-রাত কাজ করছে। একই সঙ্গে, বন্দরের জেটি ও ইয়ার্ডে ২২ ধরনের আরও ২৭২টি যন্ত্র কাজ করছে। এছাড়া, বন্দরে ৩০ হাজারের বেশি বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে।

এই যন্ত্রপাতি ও যানবাহনে ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিদ্যুতেরও ব্যবহার রয়েছে। ফলে, বন্দরের কার্যক্রম বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণও বাড়ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক সদস্য মো. জাফর আলম মন্তব্য করেন, ‘বন্দরে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়। জাহাজ থেকেও কার্বন নিঃসরণ হয়। আবার বন্দরে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়, তা জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর উৎস থেকে আসে। এটি কোনো সবুজ জ্বালানি নয়।’

চট্টগ্রাম বন্দরের কার্বন নিঃসরণ বিষয়ক গবেষক ড. মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, বন্দরের সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা সম্ভব। জাহাজ বন্দরে প্রবেশের পর মূল ইঞ্জিন বন্ধ রেখে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে জাহাজের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চালানো গেলে পুরো বন্দরকে সবুজ বন্দরে রূপান্তর করা যাবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ৭ থেকে ১৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চট্টগ্রাম বন্দর। এ জন্য প্রতি মাসে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (পিডিবি) ৫০ কোটি টাকার বেশি বিল পরিশোধ করতে হয়।

কার্বন নিঃসরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান করাও বন্দরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

এ লক্ষ্যে, বন্দরের বিভিন্ন শেড ও ভবনের ছাদ এবং পরিত্যক্ত জায়গায় সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে কর্তৃপক্ষ। এসব প্যানেল থেকে দিনে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। বন্দরের বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৭ মেগাওয়াট। চুক্তি অনুযায়ী, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে কিনবে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। সাবেক সদস্য মো. জাফর আলম বলেন, ‘বন্দরে অনেক ছাদ ও শেড রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করে ২০ থেকে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।’

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ‘এই বিদ্যুৎ চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবহার করলে একদিকে যেমন জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে, অন্যদিকে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতাও কমবে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ক্ষেত্রে আমরা আরও এগিয়ে যাব।’

বন্দর কর্তৃপক্ষের যন্ত্রপাতি ব্যবহারের কারণে কার্বন নিঃসরণ হচ্ছে না; প্রতিবছর পণ্য নিয়ে বন্দরে আসা চার হাজারের বেশি জাহাজও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনের ঘোষণার অনুযায়ী, কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য পূরণ করতে হবে চট্টগ্রাম বন্দরকেও।

এ অবস্থায়, সৌরবিদ্যুৎ থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বন্দরে আসা জাহাজগুলোতে সরবরাহ করা গেলে পরিবেশদূষণ কমানোর পাশাপাশি আর্থিকভাবেও লাভবান হতে পারে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গবেষক ড. মোহাম্মদ আল আমিন বলেন, ‘জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর প্রবণতা কমিয়ে দেশকে ভবিষ্যতের সবুজ ও জলবায়ুবান্ধব ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে এ উদ্যোগ একটি ভালো পদক্ষেপ হতে পারে।’

আগামী মাস থেকেই বন্দরে সোলার প্যানেল স্থাপনের কাজ শুরু হবে। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২০ বছর কারিগরি ও তদারকি সহায়তা দেবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানটি। এই ব্যবস্থায়, দিনে সৌরবিদ্যুৎ এবং রাতে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চলবে বন্দরের কার্যক্রম।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেবরনে ২ ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু, নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়ার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


হেবরনে ২ ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু, নেতানিয়াহুর ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয়ার নির্দেশ

অধ্যুষিত পশ্চিম তীরে একটি সামরিক তল্লাশিচৌকিতে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনার মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনার পরপরই ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ওই এলাকার বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে এবং বেশ কিছু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) তথ্য অনুযায়ী, হেবরন শহরে সংঘটিত এই হামলায় আরও তিন সেনা সামান্য আহত হয়েছেন। হামলা চালানো দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীও পরে নিহত হন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের ঘটনার পর এই প্রথম ইসরায়েলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি বড় পরীক্ষা। কারণ, তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থানের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে আসছেন।

হামলার পরপরই পুরো হেবরন শহর ঘেরাওয়ের ঘোষণা দেয় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। নেতানিয়াহু জানান, তিনি শুক্রবার থেকেই পশ্চিম তীরে সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তিনি অবস্থান কিছুটা শিথিল করে জানান, পুরো পশ্চিম তীর বন্ধ না করে হেবরন ও হালহুল শহর ঘিরে একটি 'বিশেষ নিরাপত্তা বলয়' তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা আইএসএ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, হেবরন এলাকায় তারা কয়েক দিনব্যাপী 'সন্ত্রাসবিরোধী' যৌথ অভিযান শুরু করেছে। সন্ত্রাসী অবকাঠামো ও অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। বাসিন্দারা তিনটি নির্দিষ্ট পথ দিয়ে এলাকা ত্যাগ করতে পারবেন, তবে তাদের নিরাপত্তা তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এলাকাটিতে অবৈধ এবং নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ইতোমধ্যে ড্রেজার দিয়ে ভেঙে ফেলা শুরু হয়েছে।

এদিকে, হেবরনের জনবসতি থেকে ফিলিস্তিনিদের এভাবে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসরায়েলের মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থা 'বি'তসেলেম'। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইউলি নোভাক বলেন, 'ইসরায়েল আগে থেকেই তাদের নতুন অপরাধের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছে। নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী কার্টজ হেবরনের একটি ফিলিস্তিনি এলাকা খালি করা এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর মনস্থাই প্রকাশ করেছেন।'

শুক্রবার বিকেলের মধ্যেই হেবরনের ফারশ আল-হাওয়া এলাকায় ভবন ভাঙার কাজ শুরু করে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী। সিএনএন জানায়, তাদের হাতে আসা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, এক ইসরায়েলি সেনা একটি আবাসিক ভবনের ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের মাইকে বলছেন, 'আপনাদের এলাকা ছেড়ে যাওয়ার জন্য মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হলো।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৮ সালে ১৫ দিনের ব্যবধানে দু’বার অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গাপূজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


২০২৮ সালে ১৫ দিনের ব্যবধানে দু’বার অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গাপূজা

বাংলা ও বাঙালি এক বছরে দুইবার শারদীয় দুর্গাপূজার সাক্ষী হতে চলেছে। নতুন এই খবর নেটদুনিয়ায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৬ সালের জোড়া সপ্তমী অথবা ২০২৭ সালের জোড়া মহাঅষ্টমীর পরের তিথি অনুযায়ী, ২০২৮ সালে বাঙালি এক বছরে দুইবার শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসবে অংশগ্রহণ করবে।

এটি পঞ্জিকার তিথি অনুসারে হবে। হিন্দু শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাংলায় দুর্গাপূজা আয়োজনের জন্য মূলত দুটি মত প্রচলিত রয়েছে। একটি হল বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত এবং অপরটি সূর্য সিদ্ধান্ত।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্তের আওতায় দুর্গাপূজা আয়োজনে দৃকসিদ্ধ গণনা করা হয়। অন্যদিকে, সূর্য সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মহাজাগতিক অবস্থান দেখে তিথি ও নক্ষত্র গণনা করা হয়। এই দুই সিদ্ধান্তের কারণে ২০২৮ সালে শারদীয় দুর্গাপূজা একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে না।

বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০২৮ সালের পূজার আয়োজন হবে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে। অন্যদিকে, সূর্য সিদ্ধান্ত মেনে পূজার আয়োজন করলে তা হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে। ফলে, দুই পূজার আয়োজনের মধ্যে ১৫ দিনের বেশি ব্যবধান থাকবে।

জানা গেছে, বেলুড় মঠ, রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘের মতো মঠ, মন্দির, আশ্রম ইত্যাদি সংস্থাগুলো বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পূজার আয়োজন করে। অন্যদিকে, বনেদি বাড়ি, বারোয়ারি ও সর্বজনীন পূজার আয়োজন সূর্য সিদ্ধান্ত মেনে করা হয়।

এ ধরনের বিরল ঘটনা এবারই প্রথম নয়। অতীতে ১৯৮০ সালে একবার দুই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেবী দুর্গার পূজার আয়োজন করা হয়েছিল। শাস্ত্রমতে, দুই পূজার আয়োজনই সঠিক। তবে, এক বছরে দুইবার দুর্গাপূজার ক্ষেত্রে সরকারি ছুটি দুইবার ঘোষণা করা হবে না। অফিস, স্কুল ও কলেজে ছুটি একবারই দেওয়া হবে, যা বারোয়ারি পূজার সঙ্গে মিল রেখে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাঙামাটিতে অর্ধদিবস অবরোধের প্রভাব তেমন অনুভূত হয়নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


রাঙামাটিতে অর্ধদিবস অবরোধের প্রভাব তেমন অনুভূত হয়নি

ছাত্রজনতা সংগ্রাম পরিষদের ডাকা অর্ধদিবস অবরোধের প্রভাব রাঙামাটিতে তেমনভাবে অনুভূত হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল থেকে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে যাত্রীবাহী বাসের চলাচল স্বাভাবিকভাবে অব্যাহত রয়েছে।

তবে, আন্দোলনকারীরা রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের কিছু স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ সৃষ্টি করেছেন। এর ফলে, এই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, রাঙামাটি লঞ্চঘাট থেকে বিভিন্ন উপজেলার উদ্দেশে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী লঞ্চগুলো ছেড়ে গেছে।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা ছাদিক হোসেন জানান, শুক্রবার তিনি শুনেছিলেন যে শনিবার রাঙামাটিতে অবরোধ হবে। এতে ফেরার পথে ভোগান্তিতে পড়ার আশঙ্কা ছিল। তবে শনিবার সকালে এসে সবকিছু স্বাভাবিক দেখে তিনি স্বস্তি পেয়েছেন। তিনি জানান, ঢাকায় ফেরার জন্য টিকিটও কেটেছেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই বাস ছাড়ার কথা রয়েছে।

কাউন্টার মাস্টার জনি বড়ুয়া বলেন, রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-ঢাকা এবং রাঙামাটি-বান্দরবান সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বাসগুলো ছেড়ে যাচ্ছে। তবে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। অবরোধের সময় শেষ হলে এই সড়কেও বাস চলাচল শুরু হবে। সেই অনুযায়ী টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে।

গত বুধবার সাজেকের উজোবাজারে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ করার অভিযোগে ছাত্র জনতা সংগ্রাম পরিষদ এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%