ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

হয়রানি ও দাসত্বের অভিযোগে নতুন পরিবারের খোঁজে ব্রিটনি স্পিয়ার্স


হয়রানি ও দাসত্বের অভিযোগে নতুন পরিবারের খোঁজে ব্রিটনি স্পিয়ার্স

বিশ্বসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় মার্কিন পপতারকা ও গায়িকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স, যিনি নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিশ্বজুড়ে 'পপ প্রিন্সেস' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। সম্প্রতি, এই পপসম্রাজ্ঞী তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে হয়রানি ও দাসের মতো ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন।

পপতারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ‘আপটাউন গার্লস’ সিনেমার একটি স্থিরচিত্র শেয়ার করে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি পরিবারের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন আচরণের কথা উল্লেখ করে নতুন পরিবার খুঁজে নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

সামাজিক মাধ্যমে সেই পোস্টে ব্রিটনি স্পিয়ার্স লিখেছেন, ‘আমি নতুন পরিবার খুঁজে নেব! কোভিডের সময় লুইজিয়ানায় দুই সপ্তাহের সফরে গেলেও জেমি লিন আমাকে একবারের জন্যও আইভিকে কোলে নিতে দেয়নি। আর কেভিনের বাড়িতে সন্তানদের আনতে গেলে আমাকে বাথরুমও ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না।’

আরও পড়ুন: অভিনয় ছেড়ে অভিনেত্রী এরিকার কোটি টাকা আয়ের রহস্য

তিনি আরও বলেন, ‘তারা আমার সঙ্গে দাসের মতো আচরণ করেছে। আমার আড়ালে তারা অনেক কিছু করেছে, যা গোপন রেখেছে। অথচ আমি শুধু বাবার জন্য কাজই করে গেছি। আমি নতুন পরিবার খুঁজে নেব।’

নিজের খাবার ও নিরাপত্তা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স। তিনি উল্লেখ করেন, ‘প্রতিদিন, প্রতিটি মুহূর্তে সত্যিকার অর্থে বোঝার চেষ্টা করুন, আমরা প্রত্যেকে কতটা ভালোবাসার মানুষ। এমন একটি দেশে, যেখানে মানবজাতির বিরুদ্ধে কেউ কখনো ষড়যন্ত্র করে না।’

এর আগে, একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন এ পপতারকা। সেখানে অভিযোগ করে গায়িকা বলেন, আলোকচিত্রীদের ছবি তোলার প্রস্তুতির মধ্যে তাকে ইচ্ছা করে অপেক্ষায় রাখা হয়েছিল। পরে বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় পুরো ঘটনাটিকে ‘বড় ধরনের পরিকল্পিত ফাঁদ’ বলে উল্লেখ করেন ব্রিটনি স্পিয়ার্স।

আরও পড়ুন: মিমির গৃহসহকারী বুল্টি: ‘মা-বাবার চেয়েও আমাকে বেশি বোঝে’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভিবাসন নীতিতে ইউ-টার্ন: যুক্তরাজ্যের কল্যাণমূলক খাতে ব্যয় বাড়ার কথা স্বীকার করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


অভিবাসন নীতিতে ইউ-টার্ন: যুক্তরাজ্যের কল্যাণমূলক খাতে ব্যয় বাড়ার কথা স্বীকার করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতিতে সাম্প্রতিক পরিবর্তন বা ‘ইউ-টার্ন’-এর কারণে সরকারি কল্যাণমূলক খাতে (ওয়েলফেয়ার বিল) ব্যয় বৃদ্ধি হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন। লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ বামপন্থী এবং সমালোচকদের চাপের কারণে অভিবাসন নীতিতে এই নমনীয় অবস্থান গ্রহণের ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।

সরকার মূলত সামাজিক বা কেয়ার ওয়ার্কারদের স্থায়ীভাবে বসবাসের (Indefinite Leave to Remain - ILR) নিয়মে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছিল। পূর্বে কেয়ার ওয়ার্কারদের জন্য ১৫ বছর অপেক্ষা করার যে নিয়ম ছিল, তা থেকে সরে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এই নীতি পরিবর্তন বা পিছু হটার ফলস্বরূপ, দেশটির রাষ্ট্রীয় কোষাগার ও কল্যাণ তহবিলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি হবে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

বিরোধী দল ও সমালোচকরা সরকারের এই অবস্থানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। কনজারভেটিভ পার্টি এবং রিফর্ম ইউকে-এর অভিযোগ, লেবার পার্টির ভেতরের একটি অংশের চাপের কারণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার পূর্বের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি, এর ফলে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, মন্ত্রিসভার কিছু সদস্য ও বামপন্থী এমপিদের চাপের কাছে নতি স্বীকার করেই এই নীতি শিথিল করা হয়েছে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ তার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দিয়ে জানিয়েছেন যে, সার্বিক পরিস্থিতি এবং কেয়ার খাতের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এই ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবুও, নতুন এই নীতি পরিবর্তনের ফলে ভবিষ্যতে সরকারি ব্যয় বাড়বে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরাও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফ্রিদির উদ্যোগে ৭৫০ পরিবার পেল নিরাপদ আশ্রয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ পি.এম


আফ্রিদির উদ্যোগে ৭৫০ পরিবার পেল নিরাপদ আশ্রয়

শাহিদ আফ্রিদি ক্রিকেটের মাঠের বাইরে একটি বিশেষ মাইলফলক অর্জন করেছেন। সাবেক পাকিস্তানি অধিনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত শাহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ৭৫০টিরও বেশি ঘর নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করেছে, যার ফলে অসংখ্য সুবিধাবঞ্চিত পরিবার নিরাপদ আশ্রয় এবং নতুনভাবে জীবন শুরু করার সুযোগ লাভ করেছে।

আফ্রিদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সাফল্যের খবর শেয়ার করে তার সমর্থক ও দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, যাদের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ সফল হয়েছে।

অলরাউন্ডার হিসেবে খেলোয়াড়ি জীবনে বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে কোটি ভক্তকে মুগ্ধ করা আফ্রিদি এখন তার মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন আফ্রিদি

এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ফাউন্ডেশনের এই সাফল্যের কথা জানিয়ে আফ্রিদি সকল অবদানকারীদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ,” এবং উল্লেখ করেন যে ৭৫০টিরও বেশি ঘর নির্মাণের মাধ্যমে অসংখ্য পরিবার নিরাপদ বসবাসের জায়গা, সৌরবিদ্যুৎ সুবিধা এবং উন্নত জীবনের নতুন আশা পেয়েছে।

এ সময় তিনি তার প্রতি সমর্থকদের অব্যাহত আস্থা ও বিশ্বাসের জন্যও ধন্যবাদ জানান। আফ্রিদি আরও বেশি মানুষের সহায়তার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যাতে আরও অসহায় পরিবার নিজেদের একটি বাড়ির স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

সাবেক এই পাকিস্তান অধিনায়ক এসএমএসের মাধ্যমে অনুদান দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন। তার মতে, ছোট একটি অনুদানও কারও জীবনে বড় পরিবর্তন এনে দিতে পারে।

ক্রিকেটের বাইরেও আফ্রিদির অবদান

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত শাহিদ আফ্রিদি ফাউন্ডেশন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহ এবং জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমসহ বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে কাজ করে আসছে। ফাউন্ডেশনের আবাসন কর্মসূচিও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে।

২০২৫ সালের জুনে আফ্রিদি জানিয়েছিলেন, তার ফাউন্ডেশন সিন্ধু ও বেলুচিস্তানে ৩৫০টি বাড়ি নির্মাণ করেছে। সর্বশেষ ৭৫০টিরও বেশি ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার ঘোষণা প্রমাণ করে, এই উদ্যোগ কতটা এগিয়েছে।

পাকিস্তানের হয়ে ২৭টি টেস্ট, ৩৯৮টি ওয়ানডে ও ৯৯টি টি-টোয়েন্টি খেলা আফ্রিদির জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ হলেও সমাজসেবার এই যাত্রা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আলাস্কার ভোটারদের কাছে নির্বাচন ঘিরে কারসাজির অভিযোগ গুরুত্ব পাচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


আলাস্কার ভোটারদের কাছে নির্বাচন ঘিরে কারসাজির অভিযোগ গুরুত্ব পাচ্ছে

ঢাকা, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের জন্য সোমবার সকালে আলাস্কার বৃহত্তম শহর অ্যাঙ্কোরেজে ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। যদিও নির্বাচন সংক্রান্ত বিতর্ক ও কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে, তবুও ভোটারদের মধ্যে এর প্রতি তেমন উদ্বেগ লক্ষ্য করা যায়নি।

ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেলটোলার বিরুদ্ধে সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের বর্তমান সিনেটর ড্যান সুলিভানের ভোট কমানোর জন্য একই নামের আরেক ব্যক্তিকে প্রার্থী করার অভিযোগ উঠেছে।

এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ওয়াশিংটনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ কোন দলের হাতে থাকবে, তা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অ্যাঙ্কোরেজ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রকাশিত খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাঙ্কোরেজে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি থাকলেও ভোট দিতে আসা খুব কম মানুষকেই এ অভিযোগ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকতে দেখা গেছে।

হাজার হাজার মাইল দূরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলেও আলাস্কার ভোটারদের মধ্যে তেমন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না।

রাজ্যটির ভোটার ডেল ব্রাউন তার প্রতিক্রিয়ায় সংক্ষেপে বলেন, ‘কে পরোয়া করে?’

২৫ বছর বয়সী কাঠমিস্ত্রি ব্রাউন অন্য নামের প্রার্থী দাঁড় করানোর কৌশলকে ‘অনৈতিক’ মনে করেন, তবে তিনি এটিকে ‘বেআইনি নয়’ বলেও উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ২০২০ সালে ফ্লোরিডার সিনেট নির্বাচনে রিপাবলিকানরা একই কৌশলে নামসর্বস্ব প্রার্থী দাঁড় করিয়েছিল।

স্বতন্ত্র ভোটার ব্রাউন এএফপিকে জানান, ‘আমেরিকার রাজনীতি এখন পুরোপুরি মিথ্যার এক প্রহসনে পরিণত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয়, নৈতিকতা বলতে যা বোঝায়, তা অনেক আগেই হারিয়ে গেছে।’

তবে এ বিতর্ক তার ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলেনি। তিনি ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে মূল্যস্ফীতি বিরক্তিকর বলেও জানান তিনি।

গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে হেরে গেলে ট্রাম্পের দল সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাতে পারে। এ কারণে আলাস্কায় নির্বাচন নিয়ে উত্তেজনা তীব্র।

অ্যাঙ্কোরেজে প্রতিবেশীদের বাড়ির বেড়ার দুই পাশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রচারপত্র ও সাইনবোর্ড দেখা যাচ্ছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেলটোলার নির্বাচনী প্রচারশিবিরই একই নামের আরেক প্রার্থী দাঁড় করানোর পরিকল্পনায় সহায়তা করেছে। তবে পেলটোলা এ বিষয়ে কিছু জানতেন না বলে দাবি করেছেন।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর ট্রাম্প আগেভাগেই নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করার উদ্যোগ নেন।

রোববার এক ফেডারেল বিচারক তার আবেদন খারিজ করে দেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের চাপ অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ফেডারেল কর্তৃপক্ষ এ ঘটনায় ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে। তবে তদন্তের আইনি ভিত্তি কী, সে বিষয়ে তারা কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

বরফে ঢাকা পাহাড়ের দৃশ্য দেখা যায় এমন একটি বিপণিবিতানের ভোটকেন্দ্রে রে হার্ট উপস্থিত হন। তিনি স্বীকার করেন, ব্যালটে একই নামের দুজন ড্যান সুলিভান থাকায় ভোটারদের মধ্যে ‘বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে’।

তবে রিপাবলিকান দলের এই ভোটার মনে করেন, প্রতারণার এ কৌশলে খুব কম মানুষই বিভ্রান্ত হয়েছেন।

৩৭ বছর বয়সী অপরাধ তদন্তকারী হার্ট বলেন, ‘আমি ভোটারদের সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজনকে বলতে শুনেছি, সঠিক ড্যান সুলিভানকে ভোট দিতে ভুলবেন না।’

আলাস্কায় এএফপি’র সঙ্গে কথা বলা অনেক ভোটার জানান, বিতর্কিত নির্বাচন নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তারা প্রচারপত্র, বিজ্ঞাপন ও নানা ধরনের ডাকযোগে পাঠানো বার্তা পেয়েছেন।

তবে ব্যালটে দুই সুলিভানকে সহজেই আলাদা করা যায়।

সিনেটর ড্যান সুলিভানের নামের পাশে ‘নিবন্ধিত রিপাবলিকান’ ও ‘বর্তমান সিনেটর’ পরিচয় উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে ড্যানিয়েল জে. সুলিভান জুনিয়রের নামের পাশে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। ট্রাম্প তাকে ‘ভুয়া’ সুলিভান বলে অভিহিত করেছেন।

বিষয়টি নিয়ে ভোটারদের প্রশ্নের উত্তর দিতে ভোটকর্মীরাও আগাম প্রস্তুতি নিয়েছেন।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একটি ভোটকেন্দ্রের স্বেচ্ছাসেবক জানান, ‘মনে হচ্ছে, বিষয়টি ভোটারদের কাছে বেশ স্পষ্ট।’

বিমান সংস্থার পাইলট লুক ক্লেমেন্টও মনে করেন, ব্যালটে কে আসল প্রার্থী, তা স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে।

তবে ৪৭ বছর বয়সী ক্লেমেন্টের আক্ষেপ, এবারের নির্বাচনী প্রচার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার পরিবর্তে কাদা ছোড়াছুড়িতে পরিণত হয়েছে।

ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধের কারণে মূল্যস্ফীতি অব্যাহত থাকায় বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন তিনি।

ক্লেমেন্ট বলেন, অন্য মার্কিন নাগরিকদের তুলনায় আলাস্কার মানুষ মূল্যস্ফীতির চাপ বেশি অনুভব করছেন। কারণ, রাজ্যটির ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ‘সবকিছু বাইরে থেকে আনতে হয় এবং সবকিছুই জ্বালানির দামের ওপর নির্ভরশীল।’

ভোটারদের সারিতে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যদের আলোচনায় উঠে আসে অতিরিক্ত মাছ ধরার কারণে স্যামন মাছের সংখ্যা কমে যাওয়া, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও রাজ্যের বিপুল তেলসম্পদ কতটা কাজে লাগানো উচিত— এমন সব বিষয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরম মধু খেলে শরীরে কী সমস্যা হতে পারে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


গরম মধু খেলে শরীরে কী সমস্যা হতে পারে?

মধু একটি প্রাকৃতিক খাবার, যা স্বাস্থ্যকর হিসেবে পরিচিত। কিন্তু অনেকেই অজ্ঞতার কারণে মধুকে অতিরিক্ত গরম করে খান অথবা ফুটন্ত পানিতে মিশিয়ে পান করেন। এর ফলে মধুর কিছু পুষ্টিগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং শরীরের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

১. পুষ্টিগুণের ক্ষতি: মধুর মধ্যে বিদ্যমান গুরুত্বপূর্ণ এনজাইম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিনগুলি অতিরিক্ত তাপে নষ্ট হতে শুরু করে। বিশেষ করে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় দীর্ঘ সময় থাকলে এর প্রাকৃতিক গুণাবলী কমে যায়।

২. উপকারী এনজাইমের ক্ষতি: কাঁচা মধুর মধ্যে থাকা ডাইজেস্টিভ এনজাইম হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। তবে গরম করার ফলে এসব এনজাইম কার্যকারিতা হারাতে পারে, যার ফলে মধুর স্বাস্থ্য উপকারিতা হ্রাস পায়।

৩. ক্ষতিকর যৌগের সৃষ্টি: অতিরিক্ত তাপে মধুর মধ্যে “HMF” (Hydroxymethylfurfural) নামক একটি যৌগ তৈরি হতে পারে। এই যৌগের বেশি মাত্রা শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়।

৪. গলা ও পেটের অস্বস্তি: খুব গরম পানির সঙ্গে মধু খাওয়ার ফলে কিছু মানুষের গলা জ্বালা, অম্লতা অথবা পেটের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে।

৫. ওজন কমানোর সুবিধা হ্রাস: অনেকেই সকালে গরম পানিতে মধু খেয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করেন। তবে যদি পানি খুব বেশি গরম হয়, তাহলে মধুর কার্যকর উপাদান নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কুসুম গরম পানিতে মধু খাওয়া অধিকতর উপকারী।

কীভাবে মধু খাওয়া সবচেয়ে ভালো?

- কুসুম গরম পানি বা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় খাওয়া

- সরাসরি এক চামচ মধু খাওয়া

- লেবু বা হারবাল চায়ের সঙ্গে হালকা গরম অবস্থায় মেশানো

সতর্কতা-

- ফুটন্ত চা বা পানিতে মধু মেশাবেন না

- এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু খাওয়ানো উচিত নয়

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%