ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদিতে মাদকসহ পাঁচ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার


সৌদিতে মাদকসহ পাঁচ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

সৌদি আরবের জেদ্দায় পাঁচ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে সাড়ে ৮ কেজি মেথামফেটামিন বা শাবু মাদক বিক্রি ও প্রচারের। দেশটির মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চারজন পুরুষ এবং একজন নারী অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সৌদি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মোট ৮ দশমিক ৫ কেজি মেথামফেটামিন মাদক বিক্রি ও প্রচারের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে, জেদ্দার কোন নির্দিষ্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সৌদি আরবের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বর্তমানে হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মামলাটি পাবলিক প্রসিকিউশনে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

এ ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম, পরিচয়, বয়স এবং পেশা সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। একইভাবে, মামলার পরবর্তী অগ্রগতি বা আদালতের সিদ্ধান্ত সম্পর্কেও কিছু জানানো হয়নি।

সৌদি আরবের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়মিতভাবে মাদক পাচার, বিক্রি এবং প্রচারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। মাদকসংক্রান্ত অপরাধের তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর জন্য নাগরিক ও প্রবাসীদের প্রতি কর্তৃপক্ষ আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র: সৌদি সংবাদমাধ্যম আর-রিয়াদ, সাবক এবং আজেল

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েও পুতিনের কাছ থেকেই ডিজেল কিনছেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির উচ্চমূল্য কমানোর উদ্দেশ্যে রাশিয়ার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ডিজেল কেনার চুক্তি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মস্কোর ওপর চাপ বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নীতির সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের একটি বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির দাম কমানোর চেষ্টা হিসেবেও এ পদক্ষেপকে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, রাশিয়া অবিলম্বে ৩ লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে। এরপর নভেম্বরে আরও ৫ লাখ টন এবং পরবর্তীতে ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে। তিনি আরও জানান, অল্প সময়ের মধ্যে আরও ৩০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহ করা হবে।

ট্রাম্পের এই ঘোষণা গত মাসে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সই করা নতুন নিষেধাজ্ঞা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ওই আইনের উদ্দেশ্য ছিল ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্থ জোগাতে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস থেকে আয় কমিয়ে আনা।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে একে শক্তিশালী অংশীদারদের দুর্বল সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এ পদক্ষেপ রাশিয়াকে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার সুযোগ দেবে।

ট্রাম্পের প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও তার জামাতা জ্যারেড কুশনার যখন ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে মায়ামিতে বৈঠক করছিলেন, তখনই রাশিয়ার সঙ্গে ডিজেল সরবরাহের চুক্তির ঘোষণা আসে। জেলেনস্কি বলেন, তাদের প্রতিনিধিদলকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তার মনে হচ্ছে। অংশীদারদের সঙ্গে এমন আচরণ ন্যায্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন

ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের ফলে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কংগ্রেসে বিপুল সমর্থনে পাস হওয়া আইনে রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ রয়েছে।

মার্কিন সিনেটের ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমারসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট নেতা ট্রাম্পের ঘোষণাকে ইউক্রেন, ইউরোপের মিত্র দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে অভিহিত করেছেন। সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল বলেন, ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রকে পুতিনের ইউক্রেনবিরোধী যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জড়িয়ে ফেলছে। প্রতিনিধি পরিষদের জ্যেষ্ঠ ডেমোক্র্যাট সদস্য ডন বেয়ারও এ ঘোষণায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

গত মাসে সই করা নিষেধাজ্ঞা আইনে রাশিয়ার কর্মকর্তা, ব্যাংক ও তেল পরিবহনে ব্যবহৃত ছায়া নৌবহরের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ায় নতুন মার্কিন বিনিয়োগ এবং দেশটির সরকারি ঋণসংক্রান্ত লেনদেন নিষিদ্ধ করার বিধানও রয়েছে।

আইনে রাশিয়ার তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ আমদানিকারক দেশের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে রাশিয়ার গ্যাস আমদানি কমাতে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া কিছু দেশের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন রাশিয়ার তেল ও গ্যাস আমদানি নিষিদ্ধ করে। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে এসব জ্বালানি আমদানি করেনি বলে জানিয়েছে দেশটির জ্বালানি তথ্য প্রশাসন।

ছয় মাসের ছাড় দিল মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়

ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় রাশিয়ার ডিজেল বিশ্ববাজারে সরবরাহের জন্য অস্থায়ী অনুমতিপত্র দেওয়ার কথা জানায়।

এই অনুমতির ফলে শুক্রবারের (৯ অক্টোবর) মধ্যে জাহাজে তোলা রাশিয়ার ডিজেল সরবরাহের ক্ষেত্রে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সাধারণত ৩০ দিনের জন্য ছাড় দেওয়া হলেও এবার ছয় মাসের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের শুরুতে ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাতে অস্থিরতা বেড়েছে। এর প্রভাবেই রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানি থেকে আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ডিজেলের দাম কি কমবে?

রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কেনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের।

কৌশলগত ও আন্তর্জাতিক অধ্যয়নবিষয়ক কেন্দ্রের জ্বালানি বিশ্লেষক ক্লেটন সিগল মনে করেন, এ চুক্তির কারণে দামে খুব বেশি পরিবর্তন নাও আসতে পারে। তবে রাশিয়া ও পুতিনের জন্য এটি বড় সুবিধা হতে পারে।

জ্বালানি ও অর্থনীতি নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান এনার্জি পলিসি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের মাইকেল লিঞ্চের মতে, যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল কিনলে রাশিয়ার বর্তমান ক্রেতারা হয়তো সেই জ্বালানি পাবেন না। তখন তাদের অন্য দেশ থেকে ডিজেল কিনতে হবে। ফলে বিশ্ববাজারে দাম খুব বেশি কমার সম্ভাবনা নেই।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম এখনো অনেক বেশি। মার্কিন অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) প্রতি গ্যালন ডিজেলের গড় দাম ছিল ৬ দশমিক ২৮ ডলার। গত ২২ সেপ্টেম্বর তা রেকর্ড ৬ দশমিক ৫২ ডলারে পৌঁছেছিল।

ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন, আমেরিকানদের, বিশেষ করে কৃষক, খামারি ও পণ্যবাহী গাড়িচালকদের জন্য জ্বালানির দাম কমানো তার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময়ও রাশিয়ার কাছ থেকে ডিজেল পাওয়ার চুক্তির জন্য পুতিনকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

তবে চুক্তির অর্থ কে পরিশোধ করবে কিংবা ডিজেল ঠিক কবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে, সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বিস্তারিত জানায়নি। পুতিনের সহকারী ইউরি উশাকভও এ সরবরাহের বিনিময়ে রাশিয়া কোনো ছাড় পেয়েছে কি না, সে বিষয়ে কিছু জানাননি।

রাশিয়ায় ডিজেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা শিথিল

রাশিয়া একসময় বিশ্বের অন্যতম বড় ডিজেল রপ্তানিকারক ছিল। তবে নিজেদের বাজারে চাহিদা পূরণে সমস্যার কারণে গত জুলাই থেকে দেশটি ডিজেল রপ্তানি বন্ধ রেখেছে। ইউক্রেনের বারবার হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদনও কমেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার হিসাবে, রাশিয়ায় ডিজেল উৎপাদন প্রায় ৩০ শতাংশ কমেছে।

রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসকে জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই ডিজেল রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। চলতি মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারেও ডিজেলের চাহিদা পূরণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন নোভাক।

সূত্র: এপি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


দাঁত পড়ে গেলে আর চিন্তা নেই, ওষুধেই গজাবে নতুন দাঁত!

একবার স্থায়ী দাঁত পড়ে গেলে বা তুলে ফেলতে হলে সাধারণত প্রাকৃতিকভাবে সেই দাঁত ফিরে আসা সম্ভব হয় না। এই পরিস্থিতিতে ডেন্টাল ইমপ্ল্যান্ট, ব্রিজ অথবা কৃত্রিম দাঁতের উপর নির্ভর করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে দাঁত হারানোর চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনা আসতে পারে। জাপানের একটি গবেষকদল এমন একটি পরীক্ষামূলক ওষুধ নিয়ে কাজ করছে, যা মানুষের শরীরে নতুন দাঁত গজাতে সহায়তা করতে পারে।

গবেষকদের তৈরি এই ওষুধের নাম ‘টিআরজি০৩৫’। এর লক্ষ্য ‘ইউএসএজি-১’ নামক একটি প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা। গবেষকদের ধারণা, এই প্রোটিন দাঁতের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে প্রোটিনটিকে নিষ্ক্রিয় করতে পারলে শরীরে নতুন দাঁত গজানোর প্রক্রিয়া সক্রিয় হতে পারে।

এর আগে প্রাণীর উপর পরিচালিত গবেষণায় ইউএসএজি-১ প্রোটিনের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করে নতুন দাঁত গজানোর সম্ভাবনাময় ফল পাওয়া গিয়েছিল। সেই গবেষণার ভিত্তিতে মানবদেহে এই পদ্ধতির কার্যকারিতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেন বিজ্ঞানীরা।

মানবদেহে ওষুধটির নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা যাচাই করার জন্য ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ের পরীক্ষায় মূলত ওষুধটির নিরাপত্তা, সহনশীলতা এবং সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে মানুষের হারানো দাঁত নতুন করে গজানোর ক্ষেত্রে ওষুধটি কতটা কার্যকর, তা নিশ্চিত করতে আরও গবেষণা ও পরবর্তী ধাপের পরীক্ষার ফল প্রয়োজন।

গবেষকদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হলো, ভবিষ্যতে এই চিকিৎসাপদ্ধতি মানুষের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসাটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ লক্ষ্য বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল, ওষুধটির নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর।

গবেষণাটি সফল হলে দাঁতের চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। বিশেষ করে জন্মগতভাবে দাঁতের ঘাটতি রয়েছে অথবা দাঁত হারিয়েছেন এমন মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এখনই দাঁত পড়ে গেলে ওষুধ খেয়ে নতুন দাঁত গজানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, এমনটি বলা যাবে না। চিকিৎসাটি এখনো গবেষণাধীন এবং এর কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এআই দিয়ে তৈরি ছবি চিনবেন যেভাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


এআই দিয়ে তৈরি ছবি চিনবেন যেভাবে

অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি ছবির ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, গুগল ইমেজ সার্চ, পিন্টারেস্ট এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনগুলোতে এই ছবিগুলোর উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। প্রযুক্তির উন্নতির কারণে এআই দ্বারা তৈরি ছবিগুলো এতটাই বাস্তবসম্মত হয়ে উঠেছে যে, অনেক সময় আসল ছবি এবং কৃত্রিম ছবি আলাদা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

এআই দ্বারা তৈরি নিম্নমানের বা অতিরিক্ত কনটেন্টের বিস্তার নিয়ে আলোচনার মধ্যে ‘এআই স্লপ’ শব্দটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে অনলাইনে দেখা কোনো ছবির সত্যতা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে কিছু লক্ষণ খেয়াল করলে সহজেই সন্দেহজনক ছবি চিহ্নিত করা সম্ভব।

এআই দিয়ে তৈরি ছবি চেনার ৬টি লক্ষণ জেনে নেওয়া যাক—

১. লেখায় অস্বাভাবিকতা

এআই-তৈরি ছবি শনাক্ত করার একটি সহজ পদ্ধতি হলো ছবির ভেতরে থাকা লেখা পরীক্ষা করা। পোস্টার, বইয়ের প্রচ্ছদ, সাইনবোর্ড, টি-শার্ট অথবা বিজ্ঞাপনে লেখা যদি বিকৃত, অস্পষ্ট, অসম্পূর্ণ বা অর্থহীন হয়, তাহলে ছবিটি এআই দ্বারা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আধুনিক এআই মডেল লেখার ক্ষেত্রে উন্নতি করলেও ছবির ছোট ছোট অংশে ভুল থেকে যেতে পারে। তাই সন্দেহজনক ছবির লেখাগুলো জুম করে দেখা উচিত।

২. হাত ও শরীরের গঠনে অসংগতি

মানুষের হাত ও আঙুলের গঠন এআই-তৈরি ছবিতে প্রায়শই অস্বাভাবিক দেখা যায়। অতিরিক্ত আঙুল, জোড়া লেগে থাকা আঙুল, বিকৃত নখ অথবা অস্বাভাবিক গাঁট দেখা গেলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া কবজি, কনুই, ঘাড়, পা এবং শরীরের অনুপাতও লক্ষ্য করতে হবে। চোখ, নাক এবং দাঁতের গঠনে অস্বাভাবিকতা থাকলে ছবিটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হতে পারে।

৩. অতিরিক্ত নিখুঁত চেহারা

এআই দ্বারা তৈরি ছবিতে অনেক সময় মানুষের ত্বক অস্বাভাবিকভাবে মসৃণ, চোখ অতিরিক্ত উজ্জ্বল, চুল নিখুঁতভাবে সাজানো অথবা দাঁত অস্বাভাবিকভাবে সমান দেখা যায়। প্রথম দেখায় এসব ছবি আকর্ষণীয় মনে হলেও ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করলে কৃত্রিমতার আভাস পাওয়া যেতে পারে। তবে শুধুমাত্র নিখুঁত চেহারা দেখেই কোনো ছবিকে এআই-তৈরি বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে না।

৪. অস্বাভাবিকভাবে নিখুঁত বস্তু ও পরিবেশ

খাবার, পণ্য অথবা বিজ্ঞাপনের ছবিতে এআইয়ের ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব ছবিতে খাবারের গঠন, রং, আলো এবং সাজসজ্জা কখনো কখনো অস্বাভাবিকভাবে নিখুঁত দেখায়। বাস্তব দৃশ্যের স্বাভাবিক দাগ, অসম্পূর্ণতা অথবা আলো-ছায়ার বৈচিত্র্য অনুপস্থিত থাকলে ছবিটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা উচিত। তবে পেশাদার ফটোগ্রাফিতেও এ ধরনের নিখুঁত দৃশ্য দেখা যেতে পারে।

৫. আলো, ছায়া ও প্রতিফলনে অসংগতি

ছবির পেছনের দৃশ্য, ছায়া এবং প্রতিফলনেও এআইয়ের ভুল ধরা পড়তে পারে। যেমন, আলোর উৎসের সঙ্গে ছায়ার দিক না মেলা, আয়নায় প্রতিফলন অস্বাভাবিক হওয়া অথবা পটভূমির কোনো বস্তু বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়া। ছবিতে অতিরিক্ত জটিল বা অস্বাভাবিক নকশা থাকলেও সেটি সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।

৬. সূক্ষ্ম বিবরণ অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া

এআই দ্বারা তৈরি বা সম্পাদিত ছবিতে কখনো কখনো সূক্ষ্ম বিবরণ অস্পষ্ট হয়ে যায়। ভবনের ইটের গাঁথুনি, গাছের পাতার স্বাভাবিক গঠন অথবা পোশাকের নকশা ভালোভাবে ফুটে না উঠলে ছবিটি পরীক্ষা করা উচিত। পুরোনো ছবি রঙিন করা বা ছবির মান উন্নত করার সময়ও এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ফলে ছবি আঁকা বা কৃত্রিমভাবে তৈরি বলে মনে হতে পারে।

ছবি যাচাইয়ে কাজে আসতে পারে যেসব টুল

শুধু চোখের পর্যবেক্ষণের ওপর নির্ভর না করে প্রযুক্তিগত টুল ব্যবহার করেও ছবির উৎস এবং প্রেক্ষাপট সম্পর্কে ধারণা পাওয়া সম্ভব। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ‘সার্কেল টু সার্চ’ এবং গুগল লেন্সের ‘অ্যাবাউট দিস ইমেজ’ ফিচারের মাধ্যমে ছবিটি কোথায় প্রকাশিত হয়েছে বা এর সঙ্গে সম্পর্কিত অন্য তথ্য খুঁজে দেখা যায়।

এছাড়া গুগলের জেমিনি অ্যাপে ছবি আপলোড করে সেটি বিশ্লেষণ করতে বলা যেতে পারে। গুগলের ‘SynthID’ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি কিছু ছবির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট যাচাই-সুবিধাও সহায়ক হতে পারে। তবে এসব টুলের ফলাফলকে চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

এআই ইমেজ ডিটেক্টর কি শতভাগ নির্ভরযোগ্য?

বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই দ্বারা তৈরি ছবি শনাক্ত করার কোনো পদ্ধতিই সব ক্ষেত্রে শতভাগ নির্ভুল নয়। কখনো এআই-তৈরি ছবিকে বাস্তব ছবি হিসেবে শনাক্ত করা হতে পারে, আবার বাস্তব ছবিকেও ভুলভাবে কৃত্রিম বলে চিহ্নিত করা হতে পারে।

তাহলে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ছবি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ডিটেক্টরের ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে ছবির মূল উৎস, প্রকাশের সময়, প্রেক্ষাপট এবং দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য পরীক্ষা করা জরুরি। বিশেষ করে সংবাদ, ব্যক্তি অথবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবি প্রকাশের আগে মূল উৎস যাচাই করাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শান্তিতে নোবেল ঘোষণার পর আইসিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


শান্তিতে নোবেল ঘোষণার পর আইসিসির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

নোবেল শান্তি পুরস্কার সাবেক আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) এক বিচারকের হাতে যাওয়ার পরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে, শুক্রবার (৯ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্র আদালটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা প্রদান করেছে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটন আদালটির কার্যক্রমকে পঙ্গু করার অঙ্গীকার করেছে।

এএফপি জানাচ্ছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ওয়াশিংটন কথিত ‘বেআইনি আদালতটির’ সঙ্গে লেনদেন নিষিদ্ধ করবে। এর ফলে নেদারল্যান্ডসের হেগভিত্তিক আদালটিকে লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের দীর্ঘদিনের অভিযান আরও তীব্র হলো।

রুবিও এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, ‘হয় আইসিসি তার হুমকি বন্ধ করবে, নয়তো আমরা আইসিসিকে শেষ করে দেব।’ তবে একাধিক ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার ছাড় দেওয়ার কারণে তাৎক্ষণিক প্রভাব কিছুটা কমে গেছে। এর ফলে আদালটিকে ছয় মাসের একটি অবকাশ দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, আইসিসির সদস্য দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ মোকাবিলায় ‘অর্থবহ অগ্রগতি’ দেখানোর সুযোগ দিতে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। দপ্তরটি আরও জানায়, এসব প্রচেষ্টার ‘সাফল্য বা ব্যর্থতার’ ওপর নির্ভর করে অবকাশের মেয়াদ পরিবর্তন করা হতে পারে।

আইসিসি মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর হামলা হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে। আদালতটি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, ‘ইতিহাস এই মুহূর্তের বিচার করবে।’ কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান ও যুক্তরাজ্যসহ একাধিক দেশ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণার সঙ্গে ‘জোরালোভাবে দ্বিমত’ পোষণ করেছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তকে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধবিচার প্রতিষ্ঠায় আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুতর আঘাত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ প্রচেষ্টার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ আইসিসি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নিষেধাজ্ঞাকে ‘গভীরভাবে দুঃখজনক’ বলে উল্লেখ করেছে। আদালতটি যাতে তার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, সে জন্য ‘প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত’ বলেও জানিয়েছে জোটটি।

ইইউর নির্বাহী সংস্থা ইউরোপীয় কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, ছয় মাসের বিলম্বের অর্থ হলো ‘আলোচনার সুযোগ রয়েছে’। মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল দেশগুলোকে এই পদক্ষেপের ‘প্রতিরোধ’ করার আহ্বান জানিয়েছে। সংগঠনটির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞাগুলো আদালতটিকে ‘বিচ্ছিন্ন এবং শেষ পর্যন্ত ধ্বংস করার’ উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

গাজায় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখে থাকা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার দপ্তর এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছে, ‘আইসিসি কোনো আদালত নয়। এটি একটি রাজনৈতিক সংস্থা, যা বিশ্বজুড়ে আইন মেনে চলা গণতন্ত্রগুলোর জন্য এবং জাতীয় সার্বভৌমত্বের ধারণার জন্যই প্রাণঘাতী হুমকি।’

একই দিনে নরওয়ের নোবেল কমিটি দক্ষিণ আফ্রিকার ৮৫ বছর বয়সী আইনজ্ঞ নাভি পিল্লাইকে শান্তি পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয়। তিনি রুয়ান্ডার গণহত্যাবিষয়ক ট্রাইব্যুনালের প্রধান ছিলেন, আইসিসিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পরে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশনের নেতৃত্ব দেন, যে কমিশন গাজায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তোলে।

রুবিওর বিবৃতিতে পিল্লাই কিংবা নোবেল পুরস্কারের কথা উল্লেখ করা হয়নি। রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তাকর্মী ও নির্বাচিত কর্মকর্তাদের এমন একটি আদালতে বিচারের মুখোমুখি হওয়া থেকে সুরক্ষা দিতে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন, যে আদালতে যুক্তরাষ্ট্র কখনোই যোগ দেয়নি।

তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনোই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে মার্কিন নাগরিকদের বিচার করতে দেবেন না।’ এসব পদক্ষেপ আদালটির সম্পদপ্রাপ্তি বন্ধ করবে এবং ‘এর কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা পঙ্গু করে দেবে’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক বলেন, আইসিসির কাছে ওয়াশিংটন এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ‘সদিচ্ছার মৌলিক কিছু পদক্ষেপ’ নেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়ে আসছিল। আদালতটি কিংবা এর সদস্য দেশগুলো অবস্থান পরিবর্তন করবে, এই আশায় নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তও এত দিন স্থগিত রাখা হয়েছিল।

তার ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ মোকাবিলায় ‘অর্থবহ কোনো পদক্ষেপ’ নেওয়া হয়নি। রুবিও আইসিসির সদস্য এবং নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য ‘মার্কিন সেনাসদস্যদের ওপর নির্ভরশীল’ যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোকেও আদালটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার আহ্বান জানান। অন্যথায় ওয়াশিংটন আইসিসির ‘ইটের পর ইট খুলে’ ভেঙে ফেলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি সতর্ক করেন।

ট্রাম্প প্রশাসন এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সংশ্লিষ্ট তদন্তের কারণে আদালতটির সঙ্গে সম্পর্কিত ১৭ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের মধ্যে আদালতটির কৌঁসুলি ও কয়েকজন বিচারক রয়েছেন। ইসরাইলও আইসিসির সদস্য নয়।

গত মাসে ট্রাম্প আইসিসির সব সদস্য দেশকে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আদালটিকে ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে’ এবং একটি ‘বেআইনি প্রতিষ্ঠান’ বলে নিন্দা করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%