ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কম প্রোটিন খেলে বাড়তে পারে দীর্ঘায়ু


কম প্রোটিন খেলে বাড়তে পারে দীর্ঘায়ু

বেশি প্রোটিন খাওয়াকে সাধারণভাবে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের একটি অংশ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু নতুন গবেষণার পর্যালোচনার মাধ্যমে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকদের মতে, পরিমিতভাবে প্রোটিন কম খাওয়া শরীরের বিপাকক্রিয়া সঠিক রাখা, প্রদাহ কমানো এবং কোষের ক্ষতি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে বিষয়টি সবার জন্য উপযুক্ত নয়।

৩১ জুলাই প্রকাশিত নতুন এক গবেষণা পর্যালোচনায় ৩৫০টির বেশি গবেষণাগার ও প্রাণীর ওপর বিভিন্ন গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, প্রোটিনের গ্রহণ সীমিত করলে সুস্থ বার্ধক্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য কিছু সম্ভাব্য উপকারিতা পাওয়া যেতে পারে।

কিন্তু গবেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, বয়স, শারীরিক পরিশ্রম এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রোটিনের প্রয়োজন নির্ভর করে। সুতরাং, সবার জন্য একই নিয়ম প্রযোজ্য নয়।

আরও পড়ুন: পূজার ছুটিতে প্রকৃতির অপরূপ দ্বীপ চর হেয়ার ঘুরে আসুন

গবেষণায় দেখা গেছে যে, প্রোটিনের মাত্রা পরিমিতভাবে কমানো বা কিছু নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড—যেমন মেথিওনিন, আইসোলিউসিন ও ভ্যালিন—সীমিত করে প্রাণীদের সুস্থ বার্ধক্য ও দীর্ঘায়ুর সঙ্গে সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

একটি সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, ভ্যালিন সীমিত খাদ্য দেওয়া পুরুষ ইঁদুরের গড় আয়ু প্রায় ২৩ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। তবে এটি মানুষ নয়, বরং ইঁদুরের ওপর করা গবেষণা থেকে পাওয়া ফলাফল।

শরীরে কী পরিবর্তন ঘটতে পারে? গবেষণা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রোটিন সীমিত করলে শরীরের বিপাকক্রিয়ায় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রদাহ ও কোষের ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি, শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কোষীয় অংশের অপসারণ এবং নতুন অংশ তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়াও সক্রিয় হতে পারে।

এছাড়া প্রাণীদের ওপর গবেষণায় রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ, শরীরে অতিরিক্ত চর্বি কমানো এবং বয়সজনিত দুর্বলতা হ্রাসের মতো ফলাফলও পাওয়া গেছে। কিন্তু মানুষের আয়ু বাড়ানোর জন্য প্রোটিন কম খাওয়ার সরাসরি প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: কুষ্টিয়ার লালন আখড়াবাড়িতে সাধু-গুরু ও লালন অনুসারীদের মিলনমেলা শেষ হচ্ছে আজ

তবে সবার জন্য প্রোটিন কমানো উপযুক্ত নয়। গবেষকরা বলেন, প্রোটিনের চাহিদা সবার জন্য এক নয়। বয়স, শারীরিক পরিশ্রম ও শারীরিক অবস্থার ওপর এর প্রয়োজন নির্ভর করে।

বয়সের কারণে বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী, শিশু-কিশোর, খেলোয়াড় এবং অসুস্থতা বা আঘাত থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের তুলনামূলক বেশি প্রোটিনের প্রয়োজন হতে পারে। তাই, শুধুমাত্র দীর্ঘায়ুর উদ্দেশ্যে নিজের ইচ্ছায় হঠাৎ প্রোটিন কমিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

মূল কথা হলো, বেশি প্রোটিন সবসময় ভালো নয় এবং আবার কম প্রোটিনও সবার জন্য উপকারী নয়। নিজের বয়স ও শারীরিক অবস্থার সাথে মিলিয়ে খাদ্যতালিকা ঠিক করতে হবে।

আরও পড়ুন: স্বপ্নের নারীকে বিয়ে করতে ১২০০ মাইল পাড়ি, প্রেমিকা এআই জানালেন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরও একটি দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


আরও একটি দেশের সমর্থন হারালেন ইনফান্তিনো

২০২৬ বিশ্বকাপের পর থেকেই চাপের মধ্যে আছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। নানা বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে ফিফা প্রেসিডেন্টের উপর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিয়েছে বড় বড় ফুটবল ফেডারেশনগুলো। এখন সেই তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্কটিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী ইয়ান ম্যাক্সওয়েল। তিনি বলেছেন, "স্কটিশ এফএ জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ভোট দেবে না। এটা উয়েফার অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ এবং আমরাও সেই অবস্থানে অটল আছি।" তিনি আরও যোগ করেছেন, "যখন আপনি ফুটবলের একজন প্রশাসক, তখন আপনার ক্যামেরার কাছাকাছি কোথাও থাকা উচিত নয়, কিন্তু তিনি প্রায় এই কাজটা করেছেন।"

ম্যাক্সওয়েল বলেছেন, "সবচেয়ে সফল ও সর্বাধিক সমর্থিত বিশ্বকাপের পর, যে বিশ্বকাপ নিয়ে সেখানে থাকা প্রত্যেক স্কটল্যান্ড সমর্থক সারাজীবন কথা বলবে, সেটা যদি মাঠের ভেতরের ঘটনার পরিবর্তে মাঠের বাইরের ঘটনাগুলোর কারণে আলোচিত হয়, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও একটা ভুল হয়েছে।"

তিনি ফিফার সুশাসনে ঘাটতির কথা উল্লেখ করে বলেন, "অবশ্যই সুশাসনে ঘাটতি আছে, স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে, সদস্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের ঘাটতি আছে। আর এগুলোর সমাধান আমাদের করতে হবে। স্বচ্ছতা ও সুশাসনে পরিবর্তন করতে হবে, সেই পরিবর্তন কেমন হবে, সেটা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকতে পারে।"

এছাড়া, তিনি আরও জানান, "ফিফার প্রতিটি সদস্য সংস্থারই মতামত দেওয়ার অধিকার থাকা উচিত, ঠিক যেমন স্কটল্যান্ডের প্রতিটি সদস্যের এই দেশে খেলাটির পরিচালনায় মতামত দেওয়ার অধিকার থাকা উচিত। খেলাটি সবার জন্য, এটি কোনো ব্যক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয় এবং আমাদের সেই প্রক্রিয়ার অংশ হতে হবে।"

এর আগে ইংল্যান্ড, জার্মানি, রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড ও ওয়েলসসহ বেশ কিছু ইউরোপিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে আগামী বছরের ফিফা কংগ্রেসে পুনর্নির্বাচনে ইনফান্তিনোর উপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে আমাদের কোনো কৃতিত্ব নেই: তামিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে আমাদের কোনো কৃতিত্ব নেই: তামিম

ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে, ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল। এ জয়ের কথা দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে বড় করে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তামিম বলেন, এই জয়ের সকল কৃতিত্ব খেলোয়াড়দের।

সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে আলোচনা করেন।

তামিম জানান, এটি একটি দারুণ অর্জন। এই ছেলেরা যে সফলতা অর্জন করেছে তা দুর্দান্ত। এটি কেবল একটি জয় নয়, বরং এটি বিশ্বের প্রতি একটি বার্তা। টেস্ট ক্রিকেটে আমরা যেমন খেলছি, পাকিস্তান সিরিজেও আমরা যে পারফর্ম করেছি। বাংলাদেশে গ্রিনিশ উইকেটে সাধারণত যা দেখা যায় না।

তামিম বলেন, ‘ফাস্ট বোলিং ইউনিটকে (দারুণ) অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে। তাদের কারণে আমরা ম্যাচে (জেতার) সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি। অবশ্যই, এই সফরে ব্যাটাররা দারুণ পারফর্ম করছে। আমি অনেক খুশি এবং গর্বিত।’

তিনি আরও বলেন, এই জয়ের কৃতিত্ব প্লেয়ার, ম্যানেজমেন্ট এবং নির্বাচকদের। তারা প্রচুর পরিশ্রম করেন এবং এই অর্জন পেয়েছেন। বোর্ডে আমরা কেবল তাদের সুযোগ-সুবিধা দেই, এটাই আমাদের কাজ। আমাদের এখানে কোনো কৃতিত্ব নেই, বরং আমাদের উচিত তাদের কৃতিত্ব দেওয়া। এটি হয়ত বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা জয়।

সিরিজের আগে টেস্ট দলের অধিনায়কের সঙ্গে তাঁর আলাপের ঘটনাও তামিম শেয়ার করেন। তিনি বলেছিলেন, ‘‘আমার মনে আছে অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলছিলাম, অধিনায়ক বলেছিল যে, সে যখন তার দলের সঙ্গে আলাপ করেছিল এবং তারা বিশ্বাস করত যে তারা জিততে পারে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘আমি বলেছি, অবশ্যই, কেন নয়? এটা অবশ্যই অনেক কঠিন কাজ হবে। বড় দলের জন্য সবসময়ই কঠিন। তবে, যদি দল বিশ্বাস করে, তাহলে এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে পারেন না আপনি। বিশ্বাসটাই বাস্তবায়িত হয়েছে, এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে নেই।’’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে এক বছরে রেকর্ড ৩৫০ দাতব্যকর্মী নিহত হয়েছে: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


বিশ্বজুড়ে এক বছরে রেকর্ড ৩৫০ দাতব্যকর্মী নিহত হয়েছে: জাতিসংঘ

বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সংঘাত ও সহিংসতার প্রেক্ষাপটে গত বছরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় দাঁড়াতে গিয়ে অন্তত ৩৫০ জন দাতব্যকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। এই নিহত কর্মীদের একটি বৃহৎ অংশ গাজা ও সুদানে জীবন হারিয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) জাতিসংঘ মানবিক সহায়তাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে ‘কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে অভিহিত করছে এবং এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। তবে গত বছরের প্রাণহানির সংখ্যা ২০২৪ সালের চেয়ে কিছুটা কম। ওই বছরে বিশ্বজুড়ে ৩৭৭ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন, এমন তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্ব মানবতা দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় বিষয়ক সংস্থা (ওসিএইচএ) এই উদ্বেগজনক তথ্যে যে ইঙ্গিত দিয়েছে, তা রীতিমতো চিন্তার। গবেষণা ও পরামর্শক সংস্থা হিউম্যানিটেরিয়ান আউটকামসের জরিপের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই পরিসংখ্যানের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, টানা তৃতীয় বছরের মতো গাজার অবস্থান দাতব্যকর্মীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। সেখানে নিহত হয়েছেন ১৮৬ জন কর্মী এবং এরপর সুদানে ৭১ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল টম ফ্লেচার উল্লেখ করেন, গত তিন বছরে বিশ্বজুড়ে ১ হাজারেরও বেশি ত্রাণকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে; যা নিঃসন্দেহে অগ্রহণযোগ্য। তিনি আরও বলেন, একমাত্র নিন্দা জানিয়েই পরবর্তী ত্রাণকর্মীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রগুলোকে অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানবিক আইন মেনে চলতে হবে এবং বেসামরিক নাগরিক ও সহকর্মীদের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। যারা এই আইন ভঙ্গ করবে, তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

এদিকে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে ৮২ জন ত্রাণকর্মী প্রাণ হারিয়েছেন, ৯৭ জন আহত এবং ৩৯ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। সংঘাত কবলিত অঞ্চলে সশস্ত্র ড্রোনের অনুসন্ধান এবং তার মাধ্যমে ধ্বংসাত্মক কার্যক্রমের বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওসিএইচএ।

সংস্থাটি জানিয়েছে, অস্ত্রসজ্জিত এই ড্রোনগুলো প্রাণঘাতী ক্ষমতা জানিয়ে দিচ্ছে এবং শহর-নগরগুলোতে ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরক ব্যবহারে বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে।

সুদানের পরিস্থিতি জানিয়ে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ড্রোন হামলায় দেশটিতে ৮০ শতাংশ বেসামরিক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে, যা স্থানীয় বাজার ও স্বাস্থ্যসেবার ওপর বিপজ্জনক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ড্রোন হামলার কারণে প্রাণহানির ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।

টম ফ্লেচার বলেন, সশস্ত্র ড্রোন এখন পুরাতন বিপদের নতুন রূপে আবির্ভূত হয়েছে; যেটি সাধারণ মানুষের জীবনকে ইচ্ছাকৃত বা বেপরোয়া ভাবে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে।

সূত্র: এএফপি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুশ্চিন্তা না কি উদ্বেগজনিত সমস্যা? যেভাবে বুঝবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


দুশ্চিন্তা না কি উদ্বেগজনিত সমস্যা? যেভাবে বুঝবেন

পরীক্ষা, চাকরির সাক্ষাৎকার বা জীবনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আগে দুশ্চিন্তা (Anxiety) হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু সেই দুশ্চিন্তা যদি কারণ ছাড়াই দীর্ঘকাল ধরে থাকে এবং দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে তা উদ্বেগজনিত সমস্যার (anxiety disorder) লক্ষণ হতে পারে।

দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগ সবসময় খারাপ নয়। কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজের আগে এটি আমাদের সতর্ক ও প্রস্তুত থাকতে সাহায্য করে। সাধারণত যে বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তা করা হয়, সেটি শেষ হয়ে গেলে উদ্বেগও কমে যায়।

তবে সব দুশ্চিন্তা একরকম নয়। কখনো কখনো উদ্বেগ এতটাই বেশি ও নিয়ন্ত্রণের বাইরেও চলে যায় যে, তা কাজ, ঘুম, এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রভাব ফেলতে শুরু করে। তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সাধারণ দুশ্চিন্তা আর উদ্বেগজনিত সমস্যার মধ্যে কী পার্থক্য রয়েছে?

সাধারণ দুশ্চিন্তা সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট কারণ বা চাপের কারণে হয়। যেমন পরীক্ষার আগে ফলাফল নিয়ে চিন্তা হওয়া স্বাভাবিক। পরীক্ষাটি শেষ হয়ে গেলে সেই দুশ্চিন্তাও সাধারণত কমে যায়।

কিন্তু উদ্বেগজনিত সমস্যায় দুশ্চিন্তা পরিস্থিতির তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে। অনেক সময় স্পষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা মনে ঘুরতে থাকে। এই উদ্বেগ দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী হতে পারে এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে

দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত উদ্বেগের সঙ্গে আরও কিছু শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেমন—

বিশেষ করে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা যদি দীর্ঘ সময় ধরে থাকে এবং বেশিরভাগ দিনই স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করে, তাহলে তা উদ্বেগজনিত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

একটি সহজ উদাহরণ

ধরা যাক, সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে পড়ল বিকেলে পরীক্ষা আছে। পরীক্ষা নিয়ে নার্ভাস লাগছে, বুক ধড়ফড় করছে বা পেটে অস্বস্তি হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক লাগছে। এটি সাধারণ দুশ্চিন্তার অংশ হতে পারে।

অন্যদিকে, কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই দিনের পর দিন মনে হতে থাকে প্রিয়জনের সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটবে। সেই চিন্তা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে এবং বারবার একই ধরনের আশঙ্কা মাথায় আসে। এমন পরিস্থিতি উদ্বেগজনিত সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

দুশ্চিন্তা যদি আপনার দৈনন্দিন কাজ, ঘুম, শারীরিক সুস্থতা বা জীবনযাত্রার মান নিয়ে প্রভাব ফেলে, তাহলে চিকিৎসক বা মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলা জরুরি।

উদ্বেগজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে কথার মাধ্যমে চিকিৎসা, প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ, সহায়ক দল এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন পদ্ধতি কাজে লাগতে পারে। নিয়মিত শরীরচর্চা, ধ্যান, এবং শিথিল হওয়ার কৌশলও সহায়ক হতে পারে।

তবে নিজে থেকে রোগ নির্ণয় না করে দীর্ঘদিনের বা তীব্র উদ্বেগের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

সূত্র: হেলথলাইন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%