ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আলাস্কায় সামরিক স্থাপনার কাছে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত


আলাস্কায় সামরিক স্থাপনার কাছে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কার একটি মার্কিন বিমানবাহিনী ঘাঁটির নিকটবর্তী এলাকায় বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় বিমানে উপস্থিত আটজনই মৃত্যুবরণ করেছেন। এটি মার্কিন সামরিক বাহিনী কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্থানীয় সময়ে দুপুরের কেপ নিউএনহ্যামের কাছাকাছি বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এই অঞ্চলে দীর্ঘপাল্লার রাডার স্থাপনার একটি বিমানবন্দর রয়েছে। তবে বিমানটিতে কাদের উপস্থিতি ছিল এবং তারা কেন সেখানে যাচ্ছিলেন, এটি তাৎক্ষনিকভাবে জানা যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) একজন মুখপাত্র বলেছেন, আলাস্কার অ্যাঙ্কোরেজভিত্তিক এয়ার চার্টার কোম্পানি ‘সিকিউরিটি এভিয়েশন’ পরিচালিত ‘সেসনা ৪৪১’ মডেলের একটি উড়োজাহাজ স্থানীয় সময়ে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে কেপ নিউয়েনহ্যাম এলআরআরএস বিমানবন্দরের পশ্চিমে বিধ্বস্ত হয়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

মার্কিন বিমানবাহিনীর আলাস্কা কমান্ড জানিয়েছে, বিমানটি অ্যাঙ্কোরেজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার পর প্রায় ৪৫০ মাইল (৭২৫ কিলোমিটার) পশ্চিমে অবস্থিত কেপ নিউএনহ্যামের লক্ষ্যবস্তুতে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী অবতরণ করা উদ্ধারকারীরা বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী ‘কোনো জীবিত ব্যক্তিকে পাননি’ বলে জানান। দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে স্বজনদের জানানো পর।

সিবিএস নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের আলাস্কা অঞ্চলের প্রধান ক্লিন্ট জনসন বলেছেন, বিমানটিতে দুই পাইলট ও ছয়জন যাত্রী ছিলেন।

কেপ নিউএনহ্যাম আলাস্কারের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এবং এটি আলাস্কা রাডার সিস্টেমের অংশ। এই নেটওয়ার্কের দুর্গম স্থাপনাগুলো আলাস্কা অঞ্চলে প্রবেশকারী বা চলাচলকারী বিমান পর্যবেক্ষণ করে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

তথ্যসূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুগল ফটোজে ছবি-ভিডিও সংরক্ষণের নিয়ম বদলালো, সমস্যায় পড়তে পারেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


গুগল ফটোজে ছবি-ভিডিও সংরক্ষণের নিয়ম বদলালো, সমস্যায় পড়তে পারেন যারা

গুগল ছবির ও ভিডিও সংরক্ষণ পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে। আগে ব্যবহারকারীরা গুগল ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণের মাধ্যমে কম্পিউটারে থাকা নির্দিষ্ট ফোল্ডারের ছবি ও ভিডিও সরাসরি গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করতে পারতেন। কিন্তু নতুন নিয়মে এই সুবিধা এখন থাকছে না।

এখন থেকে কম্পিউটার থেকে নতুন ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করতে হলে সরাসরি গুগল ফটোজের ওয়েব সংস্করণ ব্যবহার করতে হবে।

গুগলের এই পরিবর্তন পুরোনো ছবি ও ভিডিওর ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না, যার ফলে আগে থেকে গুগল ফটোজে সংরক্ষিত ছবি বা ভিডিও হারানোর আশঙ্কা নেই। ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে সেগুলো আগের মতোই থাকবে।

এছাড়া, অতীতে গুগল ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহার করে গুগল ফটোজে আপলোড করা ছবি ও ভিডিওও মুছে যাবে না। পরিবর্তনটি কেবল নতুন ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণের পদ্ধতির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

নতুন নিয়ম অনুসারে, গুগল ফটোজে ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণ করতে প্রথমে ওয়েব ব্রাউজার থেকে গুগল ফটোজে প্রবেশ করে নিজের গুগল অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করতে হবে। এরপর ছবি যোগ করার অপশন থেকে ‘ফোল্ডার সংরক্ষণ’ নির্বাচন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় অনুমতি দিলে সেই ফোল্ডারের ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে সংরক্ষণ শুরু হবে। এটি গুগল ফটোজের ওয়েব সংস্করণের মাধ্যমে করতে হবে।

যারা নিয়মিত কম্পিউটারে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করে সেগুলোর ব্যাকআপ গুগল ফটোজে রাখেন, তারা অধিক সমস্যায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে যারা ক্যামেরা বা মুঠোফোন থেকে ছবি কম্পিউটারে নিয়ে সেগুলোর ব্যাকআপ রাখেন বা পুরোনো ছবি-ভিডিও গুগল ফটোজে সংরক্ষণ করেন।

এছাড়া, গুগল ড্রাইভে আগে থেকে থাকা কোনো ছবি বা ভিডিও হারাবে না। গুগল ফটোজে সংরক্ষিত পুরোনো ছবিও নিরাপদ থাকবে। শুধুিকল্পে, গুগল ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহার করে নতুন করে ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোজে পাঠানোর সুবিধাটি বন্ধ করা হয়েছে।

গুগল ফটোজে নতুন ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করার আগে অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত স্টোরেজ খালি আছে কি না, তা দেখে নেওয়া জরুরি। কারণ গুগল ফটোজে সংরক্ষিত ছবি ও ভিডিও গুগল অ্যাকাউন্টের নির্ধারিত স্টোরেজ ব্যবহার করে। মূল্যবান ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণ করার আগে অ্যাকাউন্টে কতটা জায়গা খালি রয়েছে তা যাচাই করে নেওয়াই ভালো।

সব মিলিয়ে, গুগলের নতুন নিয়মে পুরোনো ছবি-ভিডিও হারানোর কোনো ঝুঁকি নেই। তবে যারা নিয়মিত গুগল ফটোজে ছবি ও ভিডিও সংরক্ষণ করেন তাদের গুগল ড্রাইভের ডেস্কটপ সংস্করণের পরিবর্তে সরাসরি গুগল ফটোজের ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স

রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং সড়কে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ক্যামেরার পর এবার ড্রোন সার্ভিলেন্স চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

পরীক্ষামূলকভাবে প্রাথমিক পর্যায়ে একটি ড্রোনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় রিয়েল টাইম তথ্য সংগ্রহ করার কার্যক্রম শুরু করা হবে। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করা, সতর্কবার্তা প্রদান করা এবং পরবর্তী সময়ে অটোমেটেড নম্বর প্লেট রিডার (এএনপিআর) যুক্ত করে ভিডিও মামলার ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও রয়েছে। নতুন এই প্রযুক্তি ট্রাফিকে যুক্ত হলে রাজধানীতে যানজট অনেকাংশে কমে আসবে।

সম্প্রতি ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান ডিএমপি সদর দপ্তরে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ড্রোন সার্ভিলেন্স বিশ্বের অনেক দেশেই প্রচলিত রয়েছে। তবে আমাদের জন্য এটি একেবারেই নতুন একটি কনসেপ্ট। অসংখ্য সময় দেখা যায় যে, সড়কের পাশাপাশি ফ্লাইওভার এবং এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতেও যানজট সৃষ্টি হয়। অনেক সময় এসব যানজটের সঠিক কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না বা জানতে দেরি হয়ে যায়। সেজন্য আমরা চিন্তা করেছি, যদি আমরা গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে ড্রোন সার্ভিলেন্স চালু করতে পারি, তাহলে এটি আমাদের তাৎক্ষণিক রিয়েল টাইম ইনফরমেশন সরবরাহ করবে। এর ফলে আমাদের জন্য নির্দেশনা দেওয়া সহজ হবে।

এছাড়া, তিনি আরও বলেন, যদি ড্রোনে অটোমেটিক নাম্বার প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়, তবে এখান থেকে ভিডিও মামলা দেওয়া সম্ভব হবে।

আনিছুর রহমান বলেন, ঢাকা শহরে সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বাসগুলো নির্দিষ্ট বাস স্টপেজে থামে না। বাসগুলো থামার প্রধান কারণ হলো মালিকপক্ষ থেকে তাদের কন্টাক্ট দেওয়া হয়। এগুলো মালিকের নিয়ন্ত্রণে নেই। শ্রমিকরা বাস কন্টাক্ট নিয়ে চালায়। বাসের অবস্থার ওপর ভিত্তি করে পার ডে তারা মালিককে টাকা দেয়। এই টাকা দেয়ার ফলে নিজেদের মধ্যে কম্পিটিশন তৈরি হয় যে, তাদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাকা লাভ করতে হবে। প্রতিযোগিতার কারণে বাসগুলো যাত্রী ছাউনিতে না থেমে ইচ্ছেমতো যেখানে সেখানে থামে এবং পেছনের রাস্তা ব্লক করে দেয়।

তিনি আরও বলেন, উন্নত দেশগুলোতে নির্দিষ্ট সময় পরপর বাস চলাচল করে। কোন বাসের পর কোন বাস আসবে এবং কোন বাস কখন কোথায় দাঁড়াবে, এসব কিছু একটি নির্দিষ্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যবস্থা নেই। এ কারণে বাসগুলো যাত্রী পাওয়ার জন্য একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। ফলে ঢাকা শহরের প্রায় সমস্ত বাসের গায়ে অসংখ্য দাগ ও ক্ষত দেখা যায়। এটি দেখতে অনেকটা বসন্ত রোগীর মুখের মতো। যতক্ষণ পর্যন্ত এই সমস্যা বন্ধ না হবে এবং ই-টিকিটিং সিস্টেম ও বাস রুট রেশনালাইজেশন এই দুটি কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন না করা হবে, ততদিন পর্যন্ত এই ভোগান্তি কমবে না।

ড্রোনগুলো ঠিক কী ধরনের কাজ করবে, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ড্রোনে ভয়েস বা শব্দের ব্যবস্থা থাকবে। এর মাধ্যমে আইন ভঙ্গকারী যানবাহনকে সতর্কবার্তা দেওয়া যাবে। যেমন, যদি কোনো গাড়ি যানজট সৃষ্টি করে, তবে ড্রোন থেকে বলা যাবে, ‘আপনি যানজট সৃষ্টি করছেন, সরে যান।’

তিনি বলেন, ড্রোনের মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় মামলা করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ট্রাফিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে এটি এখনো একেবারেই প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। একটি সংস্থা পরীক্ষামূলকভাবে আমাদের কাছে একটি ড্রোন প্রদান করেছে। আমরা সেটি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি এবং আশা করছি, খুব দ্রুত এটি মাঠপর্যায়ে ব্যবহার শুরু করতে পারব।

ড্রোনের মাধ্যমে রিয়েল টাইম ডেটা সরাসরি পাওয়া যাবে কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে আনিছুর রহমান বলেন, একদম রিয়েল টাইম ডেটা পাওয়া সম্ভব। তবে, এগুলো পেতে আমাদের অবকাঠামো দরকার। কারণ এগুলো সবই ইন্টারনেট বেইজড, সার্ভার বেইজড। এগুলোর জন্য স্পেস এবং অবকাঠামো দরকার। এসবের জন্য ব্যয় হবে, কারণ প্রতি মুহূর্তে খরচ রয়েছে। আপনি যখন ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন, তখন সেটি আপনাকে কারো না কারো কাছ থেকে নিতে হবে। সেখানে খরচ নিশ্চিত।

ড্রোনের মাধ্যমে যে মামলা হবে, সেটি কি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে, নাকি ফুটেজ দেখে ম্যানুয়ালি মামলা দেওয়া হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার পর্যায়ে নেই। তবে এভাবে মামলা দেওয়া সম্ভব। কিন্তু এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। আমরা সে দেশের নাগরিক এবং এখানেই বসবাস করি। তাই আমরা চাই, কারো সঙ্গে সামান্যও অনিয়ম বা অন্যায় না হয়। এজন্য মামলা ফুটেজগুলো প্রথমে বিশ্লেষণ করি। এরপর মামলা দেওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, আমি বারবার সবাইকে একটি কথা বলি, মামলার সংখ্যা দিয়ে কখনো কাজের মান বিচার করা যায় না। বরং বেশি মামলা হওয়ার অর্থ হলো, বেশি মানুষ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে বেশি মামলা দেওয়া নয়। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো- মানুষ যেন সড়ক আইন মেনে চলে।

ড্রোন পরিচালনার জন্য আলাদা প্রশিক্ষণ প্রয়োজন কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ড্রোন চালানো একটি কারিগরি বিষয়। তাই আমরা ইতোমধ্যে আমাদের সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদানের কার্যক্রম শুরু করেছি। প্রথমে তেজগাঁও বিভাগ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেখানে আমাদের একটি দল ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। পরবর্তী ধাপে উত্তরা বিভাগের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে।

আনিছুর রহমান বলেন, শুরুতে কিছুটা সময় লাগবে। কারণ আমরা আগে এভাবে কাজ করিনি। আমরা শুরুতে ট্রাফিক সিগন্যাল নিয়ে কাজ শুরু করেছি। শাহবাগ থেকে শুরু করে ১৪টি এবং লেক রোডে একটি মোট ১৫টি সিগন্যাল এআই প্রযুক্তির আওতায় আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি ডিএমপির অন্যান্য সিগন্যালও রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রথমে দেখতে চেয়েছিলাম, এই ব্যবস্থা কাজ করে কিনা। আপাতত কাজ করছে। তবে সমস্যা যে নেই তা নয়, সমস্যা রয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি, মানুষ যেন ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলতে শেখে। তবে এই অভ্যাস গড়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে। আশা করি, ড্রোনের ক্ষেত্রেও সময় লাগবে। আমরা এটি পরীক্ষা করে দেখব। যদি কোনো নেতিবাচক দিক দেখা যায়, তবে এটি চালু করা হবে না।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ের রাতে ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


বিয়ের রাতে ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বরের মৃত্যু

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান এক নববিবাহিত যুবক। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ছিল তার বৌভাতের আয়োজন। তবে গভীর রাতে স্ট্যান্ড ফ্যান সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান আহমেদ আনাস বাপ্পি (২২)। ঘটনাটি ঘটেছে বিয়ে টোকার রাতেই, ফলে নববধূ সাইরা খাতুন (১৮) হয়ে গেছেন বিধবা।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের গাছের দিয়াড় স্কুলপাড়া এলাকায় এটি ঘটে।

নিহত আনাস ওই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে। তার স্ত্রী সাইরা উপজেলায় ফিলিপনগর ইউনিয়নের বাহেরমাদি আলীনগর এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আনাস ও সাইরার বিয়েটা প্রায় দুই মাস আগে সম্পন্ন হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে নববধূ সাইরাকে আনাসের বাড়িতে তুলে আনা হয়েছিল। শুক্রবার দুপুরে তাদের বৌভাতের আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

বৌভাত নিয়ে বাড়িতে অতিথিদের জন্য খাবারের স্থান এবং প্যান্ডেল তৈরির কাজ রাতের গভীর পর্যন্ত চলছিল। আনাসও সেখানে উপস্থিত ছিল এবং বিভিন্ন কাজের তদারকি করছিল। রাত আনুমানিক ২টার দিকে একটি স্ট্যান্ড ফ্যান সরানোর সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যায় আনাস। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আনাসের মৃত্যুর খবর মুহূর্তেই বিয়ের আনন্দকে বিষাদে পরিণত করে। আগের কয়েক ঘণ্টায় যে বাড়িতে বিয়ের আনন্দ এবং অতিথিদের হাসির কলতাল ছিল, রাত পেরোতে সেখানে শুরু হয় কান্না ও আহাজারি। স্বামীকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন নববধূ সাইরা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মিলন হোসেন বলেন, আনাসের মৃত্যুর কারণ হচ্ছে স্ট্যান্ড ফ্যান থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া। প্রায় দুই মাস আগে তাদের বিয়ে পড়ানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার নববধূ সাইরাকে বাড়িতে আনা হয় এবং বৌভাতের আয়োজনের কথা ছিল শুক্রবার। তবে এর আগেই একটি মর্মান্তিক ঘটনার কারণে সব আনন্দ মাটি হয়ে গেছে।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং তারা বিষয়টি সার্বিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতে বন্ধ হচ্ছে ভিজিট ভিসা ও ছুটির অনুমতিপত্রের স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


কুয়েতে বন্ধ হচ্ছে ভিজিট ভিসা ও ছুটির অনুমতিপত্রের স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধি

কুয়েতে ভিজিট ভিসা এবং দেশের বাইরে অবস্থানকারী প্রবাসীদের ছুটির অনুমতিপত্রের স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য বিশেষ যে সুবিধা ছিল তা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ হতে যাচ্ছে। এর ফলে, এরপর থেকে ভিসা ও ছুটির অনুমতিপত্রের ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইনগত মেয়াদের পাশাপাশি স্বাভাবিক নিয়ম কার্যকর হবে।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ১ তারিখ থেকে কুয়েতে অবস্থানকারী বিভিন্ন শ্রেণির ভিজিট ভিসার মেয়াদ আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ানো হবে না। এভাবে কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের জন্য ছুটির অনুমতিপত্রের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সময়ের সুবিধা শেষ হতে চলেছে।

চলতি বছরের শুরুতে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে কুয়েতসহ পুরো অঞ্চলে বিমান চলাচল ও আন্তর্জাতিক যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এর ফলে অনেক যাত্রী তাদের নির্ধারিত সময়ে কুয়েত ত্যাগ করতে পারেননি এবং কুয়েতের বাইরে থাকা বহু প্রবাসীও সময়মতো দেশে ফিরতে পারেননি।

এ পরিস্থিতি থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে ভিসা বা আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে কুয়েত সরকার সাময়িকভাবে স্বয়ংক্রিয় মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এই ব্যবস্থার আওতায় নির্ধারিত সময়ের পরে যারা ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হতে পারে তাদের এবং কুয়েতের বাইরে থাকা কিছু প্রবাসীর ছুটির অনুমতিপত্রের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

তবে, এটি একটি স্থায়ী ভিসা আইন ছিল না। এটি বিশেষ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য নেওয়া একটি অস্থায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবেই কার্যকর ছিল।

আগামী ১ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে, ভিজিট ভিসার মেয়াদ শেষ হলে আগে মতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত সময় পাওয়া যাবে না। ভিসাধারীদের ভিসায় উল্লেখিত বৈধতা শেষ তারিখ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইভাবে, কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের ছুটির অনুমতিপত্রের নির্ধারিত মেয়াদই কার্যকর হবে এবং বিশেষ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে অতিরিক্ত সময় নিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ থাকবে না।

কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তাদের নিজেদের ছুটির অনুমতিপত্রের বৈধতা যাচাই করা আগে থেকেই করা উচিত। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাহেল অ্যাপের মাধ্যমে যে আবাসন অনুমতিপত্রের অবস্থাসংক্রান্ত সনদ পাওয়া যাবে, সেটিকে ছুটির অনুমতিপত্রের বৈধতা যাচাইয়ের সরকারি রেফারেন্স হিসেবে ধরা হবে।

তাহলে, পুরোনো কাগজপত্র, আগের বার্তা বা নিয়োগকর্তার মৌখিক তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সাহেল অ্যাপের মাধ্যমে বর্তমান বৈধতা যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ছুটির অনুমতিপত্রের বৈধ সময় শেষ হলে যদি কোনো প্রবাসী কুয়েতে ফিরে না আসে, তবে তার আবাসন-সংক্রান্ত অবস্থায় সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। একইভাবে, নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যদি কেউ ভিজিট ভিসায় কুয়েতে অবস্থান করে, তবে এটি আইন লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে।

এ ধরনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আবাসন আইনের আওতায় জরিমানা বা অন্যান্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। তবে, ১ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে নতুন কোনো নির্দিষ্ট জরিমানার হার চালু হচ্ছে এমন ঘোষণা কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্বারা দেওয়া হয়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো নির্দিষ্ট জরিমানার অঙ্ককে সরকারি ঘোষণা হিসেবে গ্রহণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যথাযথ জরিমানার পরিমাণ ব্যক্তি, তার ভিসা বা আবাসনের ধরনের এবং আইন লঙ্ঘনের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%