ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মায়ের রাখা বন্দুক নিয়ে খেলতে গিয়ে টেক্সাসে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু


মায়ের রাখা বন্দুক নিয়ে খেলতে গিয়ে টেক্সাসে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ৪ বছরের একটি শিশুর মৃত্যু ঘটেছে, যখন সে মায়ের রাখা বন্দুক হাতে পেয়ে গুলিবিদ্ধ হয়।

হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাতে এই ঘটনা ঘটে। হ্যারিস কাউন্টির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।

কর্তৃপক্ষ জানায়, রাত ১১টার দিকে চ্যাম্পিয়নস এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে গুলির খবর পেয়ে প্রিসিনক্ট ৪-এর ডেপুটিরা সেখানে পৌঁছান। তারা গিয়ে দেখতে পান, শিশুটি একটি ক্লোজেটের ভেতরে অবস্থান করছিল এবং সেখান থেকে বন্দুকটি খুঁজে পেয়ে গুলিবিদ্ধ হয়।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

শিশুটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে, পরে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার সময় শিশুটির মা এবং ১০ বছরের একটি ভাই বা বোনও বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন বলে শেরিফের অফিস জানিয়েছে। তদন্তকারীদের মতে, বন্দুকটি শিশুটির মায়ের মালিকানাধীন ছিল এবং ক্লোজেটে রাখা হয়েছিল। হ্যারিস কাউন্টি শেরিফের অফিসের সার্জেন্ট জেসন ব্রাউন জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বন্দুকটি নিরাপদে লক বা সুরক্ষিত অবস্থায় ছিল না। কীভাবে শিশুটি ক্লোজেটে ঢুকে বন্দুকটি হাতে পেল, তা জানার জন্য মায়ের এবং ১০ বছর বয়সী শিশুটির সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা।

কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে আপাতত দুর্ঘটনাজনিত গুলিবর্ষণ হিসেবে তদন্ত করছে। তবে শিশুটির মায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তদন্তের পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে শেরিফের অফিস জানিয়েছে।

এই ঘটনাটি আবারও শিশুদের নাগালের বাইরে আগ্নেয়াস্ত্র নিরাপদে সংরক্ষণের গুরুত্বকে সামনে এনেছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার বিপিএল না করার সিদ্ধান্তে রাজি তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


এবার বিপিএল না করার সিদ্ধান্তে রাজি তিন ফ্র্যাঞ্চাইজি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ভবিষ্যৎ এবং টুর্নামেন্টের কাঠামোগত সংস্কারের বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে বৈঠক করেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিসিবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রংপুর রাইডার্স, রাজশাহী ওয়ারিয়র্স এবং ঢাকা ক্যাপিটালসের মালিকপক্ষ।

বৈঠকে ফ্র্যাঞ্চাইজি কর্তারা বিপিএলকে আরও টেকসই ও কার্যকর প্রতিযোগিতায় পরিণত করার জন্য ব্যাপক সংস্কারের পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে এক মৌসুম বিপিএল আয়োজন থেকে বিরতি নিতেও তাদের কোনো আপত্তি নেই।

বিসিবি এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন রংপুর রাইডার্সের প্রধান নির্বাহী ইশতিয়াক সাদেক, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কর্ণধার মোখছেদুল কামাল বাবু এবং ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ।

তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধিরা বিপিএলকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানোর পক্ষে মত দিয়েছেন। তারা বিসিবির যে উদ্যোগে টুর্নামেন্টের দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য সময় নিয়ে পরিকল্পনা করছে, সেই উদ্যোগের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

এর আগে চলতি মৌসুমে বিপিএল আয়োজন না হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি টুর্নামেন্টের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে জানান, বর্তমান কাঠামোয় বিপিএল আয়োজনের কোনো যৌক্তিকতা দেখছেন না।

তামিম ইকবাল বলেছিলেন, গত দুই বছরে বিপিএল আয়োজন করে বিসিবির প্রায় ৪০ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। তার মতে, ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মাধ্যমে বিসিবির আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার কথা, লোকসান গোনার নয়।

বিসিবি সভাপতির ভাষ্য ছিল, টুর্নামেন্টের বর্তমান কাঠামোয় কোথাও সমস্যা রয়েছে এবং সেগুলো সমাধান না করে একইভাবে বিপিএল আয়োজন করা উচিত নয়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, প্রতি মৌসুমে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হলে টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও।

এবার তিন ফ্র্যাঞ্চাইজির সমর্থন পাওয়ায় বিপিএল সংস্কারের পরিকল্পনায় বিসিবি আরও সময় নিয়ে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, টুর্নামেন্টটি সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে নতুন কাঠামো, আর্থিক মডেল এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হবে কি না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানে ঘন ঘন ওঠানামা করছে তুরস্কের সামরিক বিমান, চিন্তায় ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


পাকিস্তানে ঘন ঘন ওঠানামা করছে তুরস্কের সামরিক বিমান, চিন্তায় ভারত

পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের ব্যাপক উপস্থিতি হঠাৎ করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে, মাত্র ৬০ ঘণ্টার সময়সীমায়, পাকিস্তানের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের একাধিক সামরিক বিমান ওঠানামা করেছে। এই বিষয়টি ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বিষয়টিকে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য জোর প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে

টাইমস অব ইন্ডিয়া

।

ওপেন-সোর্স ফ্লাইট ট্র্যাকার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২১ আগস্ট তিনদিনে পাকিস্তানের নূর খান, মাসরুর ও মুরিদ বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে তুরস্কের C-130 হারকিউলিস ও A400M মডেলের সামরিক পরিবহন বিমান। এর মধ্যে একটি বিমান ‘TUAF526’ কলসাইন ব্যবহার করছিল।

তুরস্ক বা পাকিস্তান, কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে এসব বিমানে কি ছিল তা জানায়নি। তবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে আলোচনা চলছে যে, এসব বিমানে পাকিস্তানের জন্য সামরিক সরঞ্জাম আনা হতে পারে। ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে আরও গুঞ্জন রয়েছে যে, তুরস্কের Baykar-এর নতুন প্রজন্মের কামিকাজে ড্রোন K2 এবং Asisguard-এর ড্রোন ব্যবস্থাও পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে তুরস্কের সামরিক পরিবহন বিমানগুলোর মাধ্যমে।

তুরস্কের সামরিক বিমানগুলোর এই কার্যক্রম মূলত লক্ষ্য করা যাচ্ছে ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সইয়ের পর থেকে।

এই চুক্তির অধীনে, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তির পর পাকিস্তানে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘন ঘন যাতায়াত ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

এখন প্রশ্ন উঠছে, কি পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে?

এদিকে, ভারতের দাবি, গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর আগে পাকিস্তানকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল চীন ও তুরস্ক। এর মধ্যে চীনের PL-15 আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তুরস্কের তৈরি Bayraktar ড্রোন ও Asisguard Songar কামিকাজে ড্রোন সরবরাহের কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল সে সময়।

এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে, চীন ও তুরস্ক ওই যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক তথ্য এবং কৌশলগত সহায়তা প্রদান করেছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপ্পের সামনে নতুন ইতিহাসের হাতছানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


এমবাপ্পের সামনে নতুন ইতিহাসের হাতছানি

রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ১০০ গোল করার রেকর্ডটি এখনো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে রয়েছে। তবে, পর্তুগিজ মহাতারকা রোনালদোর সেই কীর্তিতে এবার প্রবল হানা দিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ফরাসি ফরোয়ার্ড ১০৫ ম্যাচে ৮৯ গোল করেছেন, ফলে রোনালদোর রেকর্ড স্পর্শ কিংবা ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তার সামনে রয়েছে।

২০১১ সালের ২ নভেম্বর রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে রোনালদো তার ১০০তম গোলটি করেছিলেন। চ্যাম্পিয়নস লিগে লিঁওর বিরুদ্ধে ম্যাচে তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করেন। মাত্র ১০৫ ম্যাচে ১০০ গোল পূর্ণ করে পর্তুগিজ তারকা ক্লাবটির ইতিহাসে দ্রুততম শত গোলের রেকর্ড গড়েছিলেন।

এখন এমবাপ্পে একই সংখ্যক ম্যাচ খেলে রোনালদোর রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছেছেন। রিয়ালের জার্সিতে ১০৫ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ৮৯। তাই, শত গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন মাত্র ১১ গোল।

রিয়ালে নিজের অভিষেক মৌসুমেই অসাধারণ গোল করার ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিলেন এমবাপ্পে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রথম মৌসুমে তিনি ৪৪ গোল করেছিলেন, যার মধ্যে লা লিগায় ৩১ গোল ছিল। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুটও জিতেছিলেন ফরাসি ফরোয়ার্ড।

চলতি মৌসুমে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে এমবাপ্পে তার গোলসংখ্যা ৮৯-এ নিয়ে যান। এরপর থেকেই রোনালদোর সঙ্গে তার গোলের পরিসংখ্যান নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। কারণ দুজনই রিয়ালের হয়ে ১০৫ ম্যাচ খেলেছেন, তবে রোনালদো ১০০ গোল পূর্ণ করেছেন, এমবাপ্পে ৮৯ গোলেই রয়েছেন।

এখন এমবাপ্পের সামনে একটি কঠিন সমীকরণ রয়েছে। ২ নভেম্বরের আগে রিয়ালের হয়ে তার সামনে আরও ১২টি ম্যাচ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ১১ গোল করতে পারলে তিনি ১০০ গোলের মাইলফলক স্পর্শ করবেন। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রোনালদোর চেয়ে কম ম্যাচে শত গোল পূর্ণ করতে পারেন, তবে রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে নতুন একটি রেকর্ড গড়বেন।

প্রতি ম্যাচে প্রায় একটি করে গোল করার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে নতুন ইতিহাসের পথে এগিয়ে যাচ্ছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যানসারে আক্রান্ত সাব্বিরকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


ক্যানসারে আক্রান্ত সাব্বিরকে বাঁচাতে দুয়ারে দুয়ারে কাঁদছেন মা

সাব্বির হোসেনের বয়স মাত্র ১৬ বছর। যেখানে সহপাঠীদের সঙ্গে বই-খাতা হাতে হেসে-খেলে স্বপ্নের ডানা মেলার কথা, সেখানে তরুণ শিক্ষার্থী সাব্বির হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে নিয়তির নির্মম সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। চিকিৎসকরা আশার আলো দেখিয়েছেন, যদি সঠিক সময়ে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়, তবে ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত সাব্বির নতুন জীবন ফিরে পেতে পারেন। কিন্তু অর্থের অভাবে সব প্রচেষ্টা থমকে গেছে; আশার আড়ালে শুধুমাত্র স্বজনদের নীরব হাহাকার উপস্থিত হয়েছে।

সাব্বির ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের বকশিপুর গ্রামের হতদরিদ্র আলমসাধুচালক সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে। তিনি হরিণাকুন্ডু লাল মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের ৯০১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৯ নম্বর বেডে রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসানের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সম্প্রতি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা গেছে, তিনি মরণব্যাধি একিউট লিউকেমিয়া (এএমএল) বা ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত।

চিকিৎসকদের মতে, সাব্বিরের বয়স কম হওয়ায় নিয়মিত কেমোথেরাপি দেওয়া হলে তিনি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারেন। কিন্তু ক্যানসারের এই সুচিকিৎসার খবর পরিবারের জন্য আনন্দের বার্তা হলেও, চিকিৎসার ব্যয়ভার তাদের জন্য বড় কষ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে। একজন দিনমজুর বাবার পক্ষে ক্যানসারের মতো জটিল রোগের খরচ বহন করা একেবারেই অসম্ভব। ধারদেনা করে প্রাথমিক চিকিৎসার কিছু টাকা জোগাড় করা হলেও, মূল কেমোথেরাপি ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা শুরু করার মতো কোনো সঙ্গতি পরিবারের নেই।

ছেলের এই তিল তিল ক্ষয়ে যাওয়া দেখে মমতাময়ী মা মিতা খাতুন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি সন্তানকে বাঁচানোর আকুল আকুতি নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অন্যদিকে, বাড়িতে দিন-রাত চোখের পানি ফেলছে সাব্বিরের দুই বোন খাদিজা ও হাজেরা এবং বড় ভাই মিথুন। ভাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে এই একটিমাত্র আশায় তারা দিন কাটাচ্ছে।

একটি সম্ভাবনাময় উদীয়মান জীবনকে অকালে ঝরে যাওয়া থেকে বাঁচাতে এবং এই অসহায় পরিবারটির মুখে হাসি ফোটাতে সমাজের দানশীল, হৃদয়বান ও বিত্তবান ব্যক্তি এবং প্রবাসী ভাইদের প্রতি করুণ আকুতি জানিয়েছেন অসুস্থ সাব্বিরের মা। আপনার বা আমাদের সামান্য সহানুভূতি ও আর্থিক সহায়তা ১৬ বছরের তরুণ সাব্বিরকে আবার নতুন জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে।

সাহায্য ও যোগাযোগের ঠিকানা: রোগীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাঠাতে যোগাযোগ করুন:

মোবাইল/বিকাশ: ০১৭১১-২০৪৮০৪ (রোগীর পরিবার)

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%