প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাকিস্তানে তুর্কি সামরিক বিমানের ব্যাপক উপস্থিতি হঠাৎ করে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে, মাত্র ৬০ ঘণ্টার সময়সীমায়, পাকিস্তানের বিভিন্ন বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের একাধিক সামরিক বিমান ওঠানামা করেছে। এই বিষয়টি ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকেই বিষয়টিকে ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য জোর প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
।
ওপেন-সোর্স ফ্লাইট ট্র্যাকার থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২১ আগস্ট তিনদিনে পাকিস্তানের নূর খান, মাসরুর ও মুরিদ বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে তুরস্কের C-130 হারকিউলিস ও A400M মডেলের সামরিক পরিবহন বিমান। এর মধ্যে একটি বিমান ‘TUAF526’ কলসাইন ব্যবহার করছিল।
তুরস্ক বা পাকিস্তান, কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে এসব বিমানে কি ছিল তা জানায়নি। তবে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে আলোচনা চলছে যে, এসব বিমানে পাকিস্তানের জন্য সামরিক সরঞ্জাম আনা হতে পারে। ড্রোন ও আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে আরও গুঞ্জন রয়েছে যে, তুরস্কের Baykar-এর নতুন প্রজন্মের কামিকাজে ড্রোন K2 এবং Asisguard-এর ড্রোন ব্যবস্থাও পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে তুরস্কের সামরিক পরিবহন বিমানগুলোর মাধ্যমে।
তুরস্কের সামরিক বিমানগুলোর এই কার্যক্রম মূলত লক্ষ্য করা যাচ্ছে ৭ আগস্ট পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সইয়ের পর থেকে।
এই চুক্তির অধীনে, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। চুক্তির পর পাকিস্তানে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘন ঘন যাতায়াত ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এখন প্রশ্ন উঠছে, কি পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের জন্য সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে?
এদিকে, ভারতের দাবি, গত বছরের মে মাসে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর আগে পাকিস্তানকে বিভিন্ন ধরনের উন্নত সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছিল চীন ও তুরস্ক। এর মধ্যে চীনের PL-15 আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল। তুরস্কের তৈরি Bayraktar ড্রোন ও Asisguard Songar কামিকাজে ড্রোন সরবরাহের কথাও উল্লেখ করা হয়েছিল সে সময়।
এছাড়া, অভিযোগ রয়েছে যে, চীন ও তুরস্ক ওই যুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে যুদ্ধক্ষেত্রের তাৎক্ষণিক তথ্য এবং কৌশলগত সহায়তা প্রদান করেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন