ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিল্পকলার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, হাইকোর্টের পর নতুন ঘটনা


শিল্পকলার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, হাইকোর্টের পর নতুন ঘটনা

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে, যা হাইকোর্টের বিস্ফোরণের ঘটনার পরপরই ঘটে। এই দুই বিস্ফোরণের মধ্যে মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধান ছিল।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমির সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের সংবাদ পেয়েছি। বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি।"

আরও পড়ুন: সদরঘাটে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের আকস্মিক পরিদর্শন

এর আগে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাইকোর্টের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার পর রাজধানীর শাহবাগে তিন নেতার মাজারের পাশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। তার আগে সাড়ে ১০টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মের একটি নির্জন অংশে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। এছাড়া, সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় একাধিক ককটেল বিস্ফোরিত হয়, যেখানে ইবাদুর রহমান নামে এক অটোরিকশাচালক আহত হন।

ককটেল বিস্ফোরণের এসব ঘটনার পাশাপাশি, শনিবার সন্ধ্যা ও রাতে রাজধানীর মিরপুর, মধ্যবাড্ডা এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে তিনটি বাস ও একটি পিকআপে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে, সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাসে এবং মধ্যবাড্ডায় একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে সড়কের ওপর জব্দ করে রাখা একটি পিকআপে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

এছাড়া, গত শুক্রবার দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত রাজধানীর অন্তত নয়টি এলাকায় ১৩টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, মগবাজার, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা ও নিউমার্কেট এলাকায় এসব বিস্ফোরণ ঘটে। কাফরুল থানার সামনে একটি ফাঁকা বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে পুলিশের হাতে ৪৮৪ জন গ্রেপ্তার

এদিকে, রাজধানী ঢাকায় দুইদিন ধরে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার জন্য কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোল্লা মো. শাহীন জানিয়েছেন, "আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই রাজধানীতে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ৪ দফা দাবি নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ পি.এম


কুমিল্লায় ৪ দফা দাবি নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার শিক্ষার্থীদের

কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখার পর চার দফা দাবি তুলে তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস পাওয়ার পর রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তারা অবরোধ তুলে নেন।

সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ শুরু করেন। এই কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর কুমিল্লার স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান তাদেরকে বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। এরপর প্রশাসনের দেওয়া আশ্বাসে আন্দোলনকারীরা অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

আন্দোলনকারীদের চার দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—অপ্রতিম হত্যার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার করে ৬০ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করে ফাঁসি কার্যকর করা; কুমিল্লার পুলিশ সুপার, আদর্শ সদর ও সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দায় স্বীকার করে প্রত্যাহার করা; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার জন্য একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা; নিখোঁজ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার জন্য তাৎক্ষণিক সাড়া প্রদানকারী ইউনিট গঠন করা।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী অঞ্জন রায় জানান, তারা প্রশাসনের কাছে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরেছেন। পুলিশ প্রশাসন তাদের আশ্বাস দেওয়ায় আজকের মতো কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবিগুলো বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা আবারও কঠোর আন্দোলনে যাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুবির ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীসহ ২৯ আসামি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


খুবির ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীসহ ২৯ আসামি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার একটি মেসে নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. আজমুল হোসেনকে মারধরের পর মৃত্যুর ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থীকে এজাহারভুক্ত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আজমুলের বাবা কুতুব উদ্দিন হরিণটানা থানায় মামলা করেন। দণ্ডবিধির ৩০২ (হত্যা) ও ৩৪ (পরস্পর যোগসাজশ) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের খানজাহান আলী হলের (খাজা হল) বিপরীতে ইসলামনগর সড়কের মসজিদ গলির একটি মেস ভবনে চুরির অভিযোগ তুলে আজমুলকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে ভবনের চারতলার ছাদে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে সেখান থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। রাত দেড়টার দিকে কয়েকজন যুবক তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে মেসে মিল না দিয়েও খাবার খাওয়া নিয়ে আজমুলের সঙ্গে কয়েকজনের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলা হয়। এ অভিযোগের ভিত্তিতে মেসের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় ব্যক্তি তাকে মারধর করে ছাদে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনাস্থলে আজমুলকে নির্যাতন ও চড়-থাপ্পড়ের পাশাপাশি তার মাথার চুল একপাশ দিয়ে কেটে দেওয়ার আলামতও পাওয়া গেছে। পরে তিনি ভবনের নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজমুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু ঘটে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।

নিহত আজমুল হোসেন নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থানার বড় শলুয়া গ্রামে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মসজিদ গলির ওই মেসে ভাড়া থাকতেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় আজমুলকে আটকে রেখে তার পরিবারের কাছে ফোন করে চুরির ক্ষতিপূরণ বাবদ এক লাখ টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকা চাওয়ার পরপরই ফোন নম্বরটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, আজমুলকে কীভাবে মারধর করা হয়েছিল, মারধরের পর তাকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনোভাবে তিনি নিচে পড়ে গিয়েছিলেন—এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামত বিশ্লেষণ করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

হরিণটানা থানার ওসি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা সবাই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আগের বিরোধের বিষয়ে ওসি বলেন, মেসের মধ্যে তাদের আগে থেকেই ঝামেলা চলছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। অন্যের পোশাক ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ ছিল।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের নিথর দেহ আঁকড়ে ধরে কাঁদছিল দেড় বছরের শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


মায়ের নিথর দেহ আঁকড়ে ধরে কাঁদছিল দেড় বছরের শিশু

ভারতের কর্ণাটকের রায়চুর জেলায় এক নারীর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ পাথর দিয়ে হত্যা করার সন্দেহ প্রকাশ করেছে। অভিযুক্তরা নারীর নিথর দেহের ওপর তার দেড় বছরের মেয়েকে রেখে চলে যায়। শিশুটিকে পরে মায়ের দেহ আঁকড়ে ধরে কাঁদতে দেখা যায়।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সিন্ধানুর উপবিভাগের আরএইচ ক্যাম্প-৫ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম স্নেহা। ২৫ বছর বয়সী স্নেহা আরএইচ ক্যাম্প-৪ এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার লাশ গ্রামের উপকণ্ঠের একটি মাঠ থেকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনার পর পুলিশ তার স্বামী ও প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

পুলিশের ধারণা, ভারী পাথর দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে স্নেহাকে। হত্যার পর দুর্বৃত্তরা তার দেড় বছরের কন্যাসন্তানটিকে রক্তাক্ত মরদেহের ওপর বসিয়ে রেখে চলে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা মাঠে স্নেহার দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। তখন শিশুটি তার নিথর মাকে জড়িয়ে ধরে আহাজারি করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায়, নারীর দেহে তখনও মৃদু শ্বাস বইছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার পর সিন্ধনুর গ্রামীণ থানা-পুলিশ বিষয়টি নিয়ে নিবিড় তদন্ত শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে দুজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন নিহত নারীর স্বামী অমিত এবং তার কথিত প্রেমিক শুভম।

পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রায় চার বছর আগে অমিতের সঙ্গে স্নেহার বিয়ে হয়। তবে বিগত চার মাস ধরে শুভম নামের এক যুবকের সঙ্গে তিনি পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে প্রকৃত কারণ এবং অপরাধী কে তা নিশ্চিত করতে আটক স্বামী ও কথিত প্রেমিককে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

ময়নাতদন্তের জন্য নিহত নারীর মরদেহ সিন্ধনুর তালুক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলের আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জনকে আটক, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৬ পি.এম


নড়াইলের আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে ১১ জনকে আটক, উদ্ধার দেশীয় অস্ত্র

নড়াইলে আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নড়াইল আদালত চত্বরের একটি আইনজীবীর চেম্বারে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আদালত চত্বর, যা একটি সুরক্ষিত স্থান, সেখানে অস্ত্র নিয়ে প্রবেশের ঘটনাটি গোটা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন- কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া চরকান্দিপাড়া গ্রামের এস্কেন্দার শেখ (৪৫), মো. আমিনুর শিকদার (৫৬), মো. হাফেজ শেখ (২৫), মো. তৈয়বুর রহমান (৫৫), মো. সেকেন্দার আলী (৫৮), মো. হাসানুর রহমান (৫৫), মো. রিয়াজুল শিকদার (২৭), মো. আরিফুল শেখ (২২), মো. তারেক শেখ (৩২), মো. জুলফিকার রহমান (৪০) এবং মো. শরিফুল মোল্যা (৪০)। তারা সকলেই কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের চর কান্দিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে ওই ব্যক্তিরা একটি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য নড়াইল আদালতে গিয়েছিলেন। হাজিরা দেওয়ার পূর্বে তারা আদালত চত্বরের আইনজীবীর চেম্বারে অবস্থান করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় তাদের কাছ থেকে রামদা, চাপাতি ও দারসহ একাধিক ধারালো দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

আইনজীবীর চেম্বারে এবং আদালতের মতো বিচারালয় প্রাঙ্গণে এ ধরনের দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আসামিদের উপস্থিত হওয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রশ্ন ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব বিরোধের কারণে বড় ধরনের সহিংসতার উদ্দেশ্যে তারা এসব অস্ত্র নিয়ে এসেছিলেন।

নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সারোয়ার ১১ জনের আটক হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে। তবে তারা ঠিক কী মামলায় হাজিরা দিতে এসেছিলেন এবং অস্ত্রগুলোর উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%